আল কুরআন


সূরা লুকমান (আয়াত: 25)

সূরা লুকমান (আয়াত: 25)



হরকত ছাড়া:

ولئن سألتهم من خلق السماوات والأرض ليقولن الله قل الحمد لله بل أكثرهم لا يعلمون ﴿٢٥﴾




হরকত সহ:

وَ لَئِنْ سَاَلْتَهُمْ مَّنْ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَ الْاَرْضَ لَیَقُوْلُنَّ اللّٰهُ ؕ قُلِ الْحَمْدُ لِلّٰهِ ؕ بَلْ اَکْثَرُهُمْ لَا یَعْلَمُوْنَ ﴿۲۵﴾




উচ্চারণ: ওয়া লাইন ছাআলতাহুম মান খালাকাছছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদা লাইয়াকূলুন্নাল্লা-হু কুল্লি হামদুলিল্লা-হি; বাল আকছারুহুম লা-ইয়া‘লামূন।




আল বায়ান: আর যদি তুমি তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘কে আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন?’ তারা অবশ্যই বলবে, ‘আল্লাহ।’ বল, ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর; কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না’।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ২৫. আর যদি আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, আসমানসমূহ ও যমীন কে সৃষ্টি করেছেন? তারা অবশ্যই বলবে, আল্লাহ। বলুন, সকল প্রশংসা আল্লাহরই, কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না।




তাইসীরুল ক্বুরআন: যদি তুমি তাদেরকে জিজ্ঞেস কর- আকাশমন্ডলী ও যমীন কে সৃষ্টি করেছে, তারা অবশ্য অবশ্যই বলবে- আল্লাহ। বল, যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর, কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না।




আহসানুল বায়ান: (২৫) তুমি যদি ওদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী কে সৃষ্টি করেছেন?’ তাহলে ওরা নিশ্চয় বলবে, ‘আল্লাহ।’[1] বল, ‘সর্বপ্রশংসা আল্লাহরই’; [2] কিন্তু ওদের অধিকাংশই জানে না।



মুজিবুর রহমান: তুমি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস করঃ আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী কে সৃষ্টি করেছেন? তাহলে তারা নিশ্চয়ই বলবেঃ আল্লাহ! বলঃ প্রশংসা আল্লাহর। কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানেনা।



ফযলুর রহমান: তুমি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস করো, “আসমান ও জমিন কে সৃষ্টি করেছে?” তখন তারা অবশ্যই বলবে, “আল্লাহ”। বল, “সকল প্রশংসা আল্লাহর”। তবে তাদের অধিকাংশই জানে না।



মুহিউদ্দিন খান: আপনি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডল কে সৃষ্টি করেছে? তারা অবশ্যই বলবে, আল্লাহ। বলুন, সকল প্রশংসাই আল্লাহর। বরং তাদের অধিকাংশই জ্ঞান রাখে না।



জহুরুল হক: আর তুমি যদি তাদের জিজ্ঞাসা করো -- "কে মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন?" -- তারা নিশ্চয় বলবে -- "আল্লাহ্‌।" তুমি বলো -- "সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র।" কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না।



Sahih International: And if you asked them, "Who created the heavens and earth?" they would surely say, "Allah." Say, "[All] praise is [due] to Allah "; but most of them do not know.



তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ: কোনো তথ্য নেই।


তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ২৫. আর যদি আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, আসমানসমূহ ও যমীন কে সৃষ্টি করেছেন? তারা অবশ্যই বলবে, আল্লাহ। বলুন, সকল প্রশংসা আল্লাহরই, কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না।


তাফসীর:

-


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (২৫) তুমি যদি ওদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী কে সৃষ্টি করেছেন?” তাহলে ওরা নিশ্চয় বলবে, ‘আল্লাহ।”[1] বল, ‘সর্বপ্রশংসা আল্লাহরই”; [2] কিন্তু ওদের অধিকাংশই জানে না।


তাফসীর:

[1] অর্থাৎ, তারা স্বীকার করে যে, আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ; ঐ সকল বাতিল উপাস্য নয়, যাদের তারা উপাসনা করে থাকে।

[2] যেহেতু তাদের স্বীকারোক্তিতে তাদের উপর হুজ্জত কায়েম হয়ে গেছে।


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ২৫-২৬ নং আয়াতের তাফসীর:



আল্লাহ তা‘আলাই একমাত্র রব, তিনি ব্যতীত আর কোন রব নেই, তিনিই সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা, রিযিকদাতা ও সব কিছুর মালিকন এ আয়াতগুলো সে কথাই প্রমাণ করে। এমনকি এ কথা মক্কার কাফির-মুশরিকরাও স্বীকার করত যে, আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত আর কোন মালিক নেই। আকাশমণ্ডলী, জমিন সকল কিছুর স্রষ্টা একমাত্র আল্লাহ তা‘আলা। এ কথা স্বীকার করার পর আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত অন্যের ইবাদত করা মুর্খতা ব্যতীত আর কিছুই নয়। সুতরাং আল্লাহ তা‘আলার রুবুবিয়্যাহ স্বীকার করলেই কেউ মু’মিন হবে না যতক্ষণ না সকল প্রকার ইবাদত একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার জন্য সম্পাদন করবে।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:



১. আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত আর কোন মালিক নেই।

২. সর্বাবস্থায় সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার জন্য নিবেদন করতে হবে।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ২৫-২৬ নং আয়াতের তাফসীর

আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ মুশরিকরা এটা স্বীকার করতো যে, সব কিছুরই সৃষ্টিকর্তা একমাত্র আল্লাহ। তা সত্ত্বেও তারা অন্যদের ইবাদত করতো। অথচ তারা ভালরূপেই জানতো যে, সব কিছুরই সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ ছাড়া আর কেউই নয়। সবই তার অধীনস্থ। ‘আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী কে সৃষ্টি করেছে? এ প্রশ্ন তাদেরকে করলে তারা সাথে সাথেই উত্তর দিতো যে, এসবের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহই বটে। তাই আল্লাহ স্বীয় নবী (সঃ)-কে বলছেনঃ তুমি তাদেরকে বলে দাও প্রশংসা যে আল্লাহরই তা তো তোমরা স্বীকারই করছো। প্রকৃত ব্যাপার তো এই যে, মুশরিকদের অধিকাংশই অজ্ঞ।

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে ছোট, বড়, প্রকাশ্য, গোপনীয় যা কিছু আছে সবই আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন এবং সব তারই মালিকানাধীন। তিনি সবকিছু হতেই অভাবমুক্ত এবং সবই তাঁর মুখাপেক্ষী। তিনিই একমাত্র প্রশংসার যোগ্য। শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী তিনিই। সৃষ্টিকার্যে ও আহকাম ধার্য করার ব্যাপারে তিনিই প্রশংসার যোগ্য।





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।