আল কুরআন


সূরা আশ-শূরা (আয়াত: 31)

সূরা আশ-শূরা (আয়াত: 31)



হরকত ছাড়া:

وما أنتم بمعجزين في الأرض وما لكم من دون الله من ولي ولا نصير ﴿٣١﴾




হরকত সহ:

وَ مَاۤ اَنْتُمْ بِمُعْجِزِیْنَ فِی الْاَرْضِ ۚۖ وَ مَا لَکُمْ مِّنْ دُوْنِ اللّٰهِ مِنْ وَّلِیٍّ وَّ لَا نَصِیْرٍ ﴿۳۱﴾




উচ্চারণ: ওয়ামাআনতুম বিমু‘জিযীনা ফিল আরদি ওয়ামা-লাকুম মিন দূ নিল্লা-হি মিওঁ ওয়ালিইয়িওঁ ওয়ালা-নাসীর।




আল বায়ান: তোমরা যমীনে (আল্লাহর কর্ম পরিকল্পনাকে) ব্যর্থ করতে পারবে না। আর আল্লাহ ছাড়া তোমাদের কোন অভিভাবক নেই এবং কোন সাহায্যকারীও নেই।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৩১. আর তোমরা যমীনে (আল্লাহ্‌কে) অপারগকারী নও এবং আল্লাহ্‌ ছাড়া তোমাদের কোন অভিভাবক নেই, কোন সাহায্যকারীও নেই।




তাইসীরুল ক্বুরআন: তোমরা যমীনে (আল্লাহর কর্ম ও পরিকল্পনাকে) ভন্ডুল (অক্ষম) করতে পারবে না। আল্লাহ ছাড়া তোমাদের না আছে কোন অভিভাবক, আর না আছে সাহায্যকারী।




আহসানুল বায়ান: (৩১) তোমরা পৃথিবীতে (আল্লাহর ইচ্ছাকে) ব্যর্থ করতে পারবে না।[1] আর তিনি ব্যতীত তোমাদের কোন অভিভাবক নেই, সাহায্যকারীও নেই।



মুজিবুর রহমান: তোমরা পৃথিবীতে আল্লাহর অভিপ্রায়কে ব্যর্থ করতে পারবেনা এবং আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোন অভিভাবক নেই, সাহায্যকারীও নেই।



ফযলুর রহমান: পৃথিবীতে তোমরা (আল্লাহকে) অপারগ করতে (আল্লাহর শাস্তি এড়াতে) পারবে না। আল্লাহ ছাড়া তোমাদের কোন অভিভাবক কিংবা সাহায্যকারী নেই।



মুহিউদ্দিন খান: তোমরা পৃথিবীতে পলায়ন করে আল্লাহকে অক্ষম করতে পার না এবং আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোন কার্যনির্বাহী নেই, সাহায্যকারীও নেই।



জহুরুল হক: আর তোমরা পৃথিবীতে এড়িয়ে যেতে পারবে না। আর আল্লাহ্‌কে বাদ দিয়ে তোমাদের জন্য কোনো অভিভাবক নেই আর সাহায্যকারীও নেই।



Sahih International: And you will not cause failure [to Allah] upon the earth. And you have not besides Allah any protector or helper.



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ৩১. আর তোমরা যমীনে (আল্লাহ্–কে) অপারগকারী নও এবং আল্লাহ্– ছাড়া তোমাদের কোন অভিভাবক নেই, কোন সাহায্যকারীও নেই।


তাফসীর:

-


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (৩১) তোমরা পৃথিবীতে (আল্লাহর ইচ্ছাকে) ব্যর্থ করতে পারবে না।[1] আর তিনি ব্যতীত তোমাদের কোন অভিভাবক নেই, সাহায্যকারীও নেই।


তাফসীর:

[1] অর্থাৎ, তোমরা পালিয়ে কোন এমন স্থানে যেতে পারবে না, যেখানে তোমরা আমার পাকড়াও থেকে রেহাই পেতে পার অথবা যে বিপদ আমি তোমাদের উপর প্রেরণ করতে চাই, তা থেকে তোমরা বেঁচে যাও।


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ২৯-৩১ নম্বর আয়াতের তাফসীর :



যে-সকল নিদর্শন আল্লাহ তা‘আলার মহত্ত্ব ও বড়ত্ত্বের প্রমাণ বহণ করে তার মধ্যে অন্যতম হলো আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টি। তিনি আকাশ ও জমিনের সৃষ্টিকর্তা এবং তিনিই এতে পাহাড়-পর্বত, নদী-নালা, খাল-বিল, ঝর্ণা, পশু-পাখিসহ সকল কিছু সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং যিনি এসব কিছুর সৃষ্টিকর্তা তিনিই সকল ইবাদত পাওয়ার যোগ্য, হাতে তৈরী কোন প্রতিমা, মূর্তি ও কোন নিদর্শন ইবাদত পাওয়ার যোগ্য হতে পারে না।



(وَهُوَ عَلٰي جَمْعِهِمْ إِذَا يَشَا۬ءُ قَدِيْرٌ)



‘তিনি যখন ইচ্ছা তখনই তাদেরকে সমবেত করতে সক্ষম’ অর্থাৎ এসব সৃষ্টির মৃত্যুর পর আল্লাহ তা‘আলা যখন ইচ্ছা সবাইকে একত্রিত করতে পারবেন। এমন নয় যে, তারা মারা যাবে, আর তাদের কোন হিসাব নিকাশ হবে না এবং তাদেরকে পাকড়াও করা হবে না। বরং আকাশ-জমিনে যা আছে সব কিছুকে তিনি যখন ইচ্ছা একত্রিত করতে পারবেন।



এরপর আল্লাহ তা‘আলা বর্ণনা করেন যে, পৃথিবীতে যত বালা-মসিবত ও আপদ-বিপদ আসে তার সকল কিছুই হয় মানুষের নিজ কৃতকর্মের জন্য, আর অধিকাংশ অপরাধ তিনি ক্ষমা করে দেন, সেগুলোর জন্য বিপদ-আপদ দেন না।



আল্লাহ তা‘আলা বলেন :



(وَلَوْ يُؤَاخِذُ اللّٰهُ النَّاسَ بِمَا كَسَبُوْا مَا تَرَكَ عَلٰي ظَهْرِهَا مِنْ دَا۬بَّةٍ وَّلٰكِنْ يُّؤَخِّرُهُمْ إِلٰٓي أَجَلٍ مُّسَمًّي ج فَإِذَا جَا۬ءَ أَجَلُهُمْ فَإِنَّ اللّٰهَ كَانَ بِعِبَادِه۪ بَصِيْرًا ‏)‏



“আর যদি আল্লাহ মানুষকে তাদের কাজ-কর্মের দরুণ পাকড়াও করতেন তবে দুনিয়ার বুকে একটি প্রাণীকেও রেহাই দিতেন না। কিন্তু তিনি তাদেরকে এক নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবকাশ দেন। অতঃপর যখন এসে পড়বে তাদের সেই নির্র্দিষ্ট সময়, (তখন তিনি তাদের কর্মের প্রতিফল দেবেন) আল্লাহ তো তাঁর বান্দাদের (বিষয়ে) সর্বদ্রষ্টা।” (সূরা ফা-ত্বির ৩৫ : ৪৫)



হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন : ঐ সত্ত্বার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ, মু’মিনের ওপর যে কষ্ট, বিপদ-আপদ, দুশ্চিন্তা আপতিত হয় সে কারণে তার অপরাধ ক্ষমা করে দেয়া হয় এমনকি একটি কাঁটা ফুটলেও। (সহীহ বুখারী হা. ৫৬৪১, সহীহ মুসলিম হা. ২৫৭৩)



রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন : দুনিয়াতে তোমাদের ওপর যত অসুস্থতা, শাস্তি ও আপদ-বিপদ এসে থাকে তা তোমাদের হাতের অর্জন। আখিরাতে দ্বিতীয়বার সে অপরাধের শাস্তি দিতে আল্লাহ তা‘আলা লজ্জাবোধ করেন। দুনিয়াতে যা ক্ষমা করে দেন তাতে পুনরায় ফিরে আসা থেকে আল্লাহ তা‘আলা অধিক সম্মানিত। (মুসনাদ আহমাদ হা. ৬৪৯, সহীহ)



সুতরাং মানব জাতির পাপ কার্যের কারণেই জমিনে ভূমিকম্প, ভূমিধস ইত্যাদি বিপদ-আপদ ঘটে থাকে। অতএব আমাদের সকল পাপকাজ বর্জন করে আল্লাহ তা‘আলামুখী হওয়া উচিত।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয় :



১. সকল কিছুর স্রষ্টা একমাত্র আল্লাহ তা‘আলা আর ‘ইবাদত পাবারও যোগ্য একমাত্র তিনিই।

২. মানুষের বিপদ-আপদ, দুঃখ-কষ্ট, অসুস্থতা ইত্যাদির কারণে তার গুনাহ মোচন করে দেয়া হয়। তবে শর্ত হলো তাকে মু’মিন হতে হবে।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ২৯-৩১ নং আয়াতের তাফসীর:

আল্লাহ তা'আলা স্বীয় শ্রেষ্ঠত্ব, ক্ষমতা ও আধিপত্যের বর্ণনা দিচ্ছেন যে, আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন তিনিই এবং এতোদুভয়ের মধ্যে যত কিছু ছড়িয়ে রয়েছে সবই তিনি সৃষ্টি করেছেন। ফেরেশতা, মানব, দানব এবং বিভিন্ন প্রকারের প্রাণী, যেগুলো প্রান্তে প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে, কিয়ামতের দিন তিনি এসবকে একই ময়দানে একত্রিত করবেন, সেদিন তিনি তাদের মধ্যে ন্যায়ের সাথে ফায়সালা করবেন।

মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ “তোমাদের যে বিপদ-আপদ ঘটে তা তো তোমাদের কৃতকর্মেরই ফল। অর্থাৎ হে লোক সকল! তোমাদের উপর যে বিপদ-আপদ আপতিত হয় তা প্রকৃতপক্ষে তোমাদের কৃত পাপকার্যের প্রতিফল। তবে আল্লাহ এমন ক্ষমাশীল ও দয়ালু যে, তিনি তোমাদের বহু অপরাধ ক্ষমা করে দেন। যদি তিনি তোমাদেরকে তোমাদের কৃতকর্মের কারণে পাকড়াও করতেন তবে ভূ-পৃষ্ঠে তোমাদের কেউ চলাফেরা করতে পারতো না।

সহীহ হাদীসে এসেছে যে, নবী (সঃ) বলেছেনঃ “যার হাতে আমার প্রাণ রয়েছে তাঁর শপথ! মুমিনের উপর যে কষ্ট ও বিপদ-আপদ আপতিত হয় ওর কারণে তার অপরাধ ক্ষমা করে দেয়া হয়, এমনকি একটি কাঁটা ফুটলেও (এর বিনিময়ে গুনাহ মাফ করা হয়)।”

হযরত আবু কালাবাহ (রঃ) বলেন যে, যখন (আরবী) (অর্থাৎ কেউ অণু পরিমাণ সৎ কর্ম করলে তা দেখবে এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎ কর্ম করলে তাও দেখবে) (৯৯:৭-৮) এই আয়াত অবতীর্ণ হয় তখন হযরত আবু বকর (রাঃ) আহার করছিলেন। এ আয়াত শুনে তিনি খাদ্য হতে হাত উঠিয়ে নেন এবং বলেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! প্রত্যেক ভাল ও মন্দের প্রতিফল দেয়া হবে?” উত্তরে রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “জেনে রেখো যে, স্বভাব বিরুদ্ধ যা কিছু হয় তাই হলো মন্দ কর্মের প্রতিফল এবং সমস্ত পুণ্য আল্লাহর নিকট জমা থাকে।” (এটা ইমাম ইবনে জারীর (রাঃ) বর্ণনা করেছেন)

হযরত আবু ইদরীস (রঃ) বলেন যে, এই আয়াতে এই বিষয়টিই বর্ণিত হয়েছে।

হযরত আলী (রাঃ) বলেন, এসো, আমি তোমাদেরকে শ্রেষ্ঠতম আয়াত এবং হাদীসও শুনাচ্ছি। আয়াতটি হলোঃ (আরবী) অর্থাৎ “তোমাদের যে বিপদ-আপদ ঘটে তা তো তোমাদের কৃতকর্মেরই ফল এবং তোমাদের অনেক অপরাধ তিনি মার্জনা করে দেন। রাসূলুল্লাহ (সঃ) আমার সামনে এ আয়াতটি তিলাওয়াত করে আমাকে বলেনঃ “হে আলী (রাঃ)! আমি তোমাকে এর তাফসীর বলছি। মানুষের কৃতকর্মের ফলে তাদের উপর যে বিপদ-আপদ আপতিত হয়, আল্লাহ তা'আলার ধৈর্য ও সহনশীলতা এর বহু ঊর্ধে যে, পরকালে আবার তিনি এর কারণে শাস্তি দান করবেন। বহু অপরাধ তিনি ক্ষমা করে দেন। বান্দার উপর যার এতো বড় দয়া তার দ্বারা এটা কখনো সম্ভব নয় যে, যে অপরাধ তিনি ক্ষমা করে দিয়েছেন ওটার জন্যে আবার পরকালে পাকড়াও করবেন।” (ইমাম আহমাদ (রঃ) স্বীয় মুসনাদে (রঃ) এটা বর্ণনা করেছেন)

মুসনাদে ইবনে আবি হাতিমেও এই রিওয়াইয়াতটিই হযরত আলী (রাঃ) হতেই বর্ণিত আছে। তাতে এও রয়েছে যে, আবু জাহফা (রঃ) যখন হযরত আলী (রাঃ)-এর নিকট গমন করেন তখন তিনি তাঁকে বলেনঃ “তোমাকে আমি এমন একটি হাদীস শুনাচ্ছি যা মনে রাখা প্রত্যেক মুমিনের অবশ্য কর্তব্য।” তারপর তিনি এ আয়াতের তাফসীর শুনিয়ে দেন।

হযরত মুআবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে, তিনি বলতে শুনেছেন:“মুমিনের দেহে যে কষ্ট পৌছে, ঐ কারণে আল্লাহ তাআলা তার গুনাহ মাফ করে দেন।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) স্বীয় মুসনাদে বর্ণনা করেছেন)

হযরত আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “(মুমিন) বান্দার গুনাহ্ যখন বেশী হয়ে যায় এবং ঐ গুনাহকে মিটিয়ে দেয়ার মত কোন জিনিস তার কাছে থাকে না তখন আল্লাহ তা'আলা তাকে দুঃখ-কষ্টে ফেলে দেন এবং ওটাই তার গুনাহ্ মাফের কারণ হয়ে যায়।” (ইমাম আহমাদই (রঃ) এ হাদীসটিও বর্ণনা করেছেন)

হযরত হাসান বসরী (রঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, ... (আরবী)-এই আয়াতটি যখন অবতীর্ণ হয় তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “যার হাতে মুহাম্মাদ (সঃ)-এর প্রাণ রয়েছে তাঁর শপথ! লাঠির সামান্য খোঁচা, হাড়ের সামান্য আঘাত, এমন কি পা পিছলিয়ে যাওয়া ইত্যাদিও কোন পাপের কারণে ঘটে থাকে। আর এমনিতেই আল্লাহ তা'আলা বহু গুনাহ মাফ করে দেন।” (এ হাদীসটি ইমাম ইবনে আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)

হযরত হাসান (রঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, একবার হযরত ইমরান ইবনে হুসাইন (রাঃ)-এর দেহে রোগ দেখা দেয়। খবর পেয়ে জনগণ তাঁকে দেখতে যান। হযরত হাসান (রঃ) তাঁকে এ অবস্থায় বলেনঃ “আপনার এ অবস্থা দেখে আমরা বড়ই মর্মাহত হয়েছি। তার একথা শুনে হযরত ইমরান ইবনে হুসাইন (রাঃ) তাকে বলেনঃ “এরূপ কথা বলো না। তোমরা যা দেখছো এসব হচ্ছে পাপ মোচনের মাধ্যম। আর এমনিতেই আল্লাহ বহু গুনাহ মাফ করে দিয়েছেন।” অতঃপর তিনি ...(আরবী)-এ আয়াতটিই পাঠ করেন। (এটা ইমাম ইবনে আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)

আবুল বিলাদ (রঃ) আ’লা ইবনে বদর (রঃ)-কে বলেনঃ “কুরআন কারীমে তো ... (আরবী)-এ আয়াতটি রয়েছে, আর আমি এই অপ্রাপ্ত বয়সেই অন্ধ হয়ে গেছি (এর কারণ কি?)” উত্তরে হযরত আ’লা ইবনে বদর (রঃ) বলেনঃ “এটা তোমার পিতা-মাতার পাপের বিনিময়।”

হযরত যহহাক (রঃ) বলেনঃ “যে ব্যক্তি কুরআন মুখস্থ করে ভুলে যায়, নিশ্চয়ই এটা তার পাপের কারণে হয়। এছাড়া আর কোনই কারণ নেই।” অতঃপর তিনি ... (আরবী)-এ আয়াতটি পাঠ করে বলেনঃ “বল তো, এর চেয়ে বড় বিপদ আর কি হতে পারে যে, মানুষ আল্লাহর কালাম মুখস্থ করে ভুলে যাবে?”





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।