সূরা আশ-শুআ‘রা (আয়াত: 151)
হরকত ছাড়া:
ولا تطيعوا أمر المسرفين ﴿١٥١﴾
হরকত সহ:
وَ لَا تُطِیْعُوْۤا اَمْرَ الْمُسْرِفِیْنَ ﴿۱۵۱﴾ۙ
উচ্চারণ: ওয়ালা-তুতী‘ঊআমরাল মুছরিফীন।
আল বায়ান: ‘এবং সীমালংঘনকারীদের নির্দেশের আনুগত্য করো না’-
আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ১৫১. আর তোমরা সীমালংঘনকারীদের নির্দেশের আনুগত্য করো না;
তাইসীরুল ক্বুরআন: এবং সীমালঙ্ঘনকারীদের নির্দেশ মান্য কর না।
আহসানুল বায়ান: (১৫১) এবং সীমালংঘনকারীদের[1] আদেশ মান্য করো না;
মুজিবুর রহমান: এবং সীমা লংঘনকারীদের আদেশ মান্য করনা –
ফযলুর রহমান: “সীমালংঘনকারীদের আদেশ মান্য করো না;
মুহিউদ্দিন খান: এবং সীমালংঘনকারীদের আদেশ মান্য কর না;
জহুরুল হক: "আর সীমালংঘনকারীদের নির্দেশ মেনে চল না, --
Sahih International: And do not obey the order of the transgressors,
তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ: কোনো তথ্য নেই।
তাফসীরে যাকারিয়া
অনুবাদ: ১৫১. আর তোমরা সীমালংঘনকারীদের নির্দেশের আনুগত্য করো না;
তাফসীর:
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
অনুবাদ: (১৫১) এবং সীমালংঘনকারীদের[1] আদেশ মান্য করো না;
তাফসীর:
[1] مُسْرِفِين (সীমালংঘনকারী) বলতে এমন সর্দার ও নেতাদেরকে বুঝানো হয়েছে, যারা কুফর ও শিরকের আহবায়ক ও সত্যের বিরোধিতায় অগ্রগামী ছিল।
তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ
তাফসীর: ১৪১-১৫৯ নং আয়াতের তাফসীর:
এখানে সালেহ (عليه السلام) ও তাঁর সম্প্রদায় সামূদ জাতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এদের সম্পর্কে সূরা আ‘রাফে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)
তাফসীর: ১৪৬-১৫২ নং আয়াতের তাফসীর
হযরত সালেহ (আঃ) স্বীয় কওমের মধ্যে ওয়াজ করতে রয়েছেন, তাদেরকে আল্লাহর নিয়ামতসমূহ স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন। তিনি তাদেরকে আল্লাহর শাস্তির ভয় দেখিয়ে বলেনঃ যিনি তোমাদের জীবিকায় প্রশস্ততা দান করেছেন, যিনি তোমাদের জন্যে বাগান, প্রস্রবণ, শস্যক্ষেত্র, ফলমূল ইত্যাদি সরবরাহ করেছেন, শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে যিনি তোমাদের জীবনের দিনগুলো পূর্ণ করতে রয়েছেন, তোমরা তাঁর অবাধ্যাচরণ করে এসব নিয়ামত এবং শান্তি ও নিরাপত্তার মধ্যে কালাতিপাত করে যেতে পারবে এটা মনে করে নিয়েছো কি? আল্লাহ তাআলা তোমাদেরকে এখন যে মৰূত দূর্গ, সুউচ্চ ও সুন্দর প্রাসাদে বাস করতে দিয়েছেন, তোমরা কি মনে করেছে যে, তাঁর নাফরমানীর পরেও এগুলোর সবই ঠিক থাকবে? বড়ই আফসোসের বিষয় যে, তোমরা আল্লাহর নিয়ামতরাজির মর্যাদা দিলে না। তোমরা তো নৈপুণ্যের সাথে পাহাড় কেটে গৃহ নির্মাণ করছে, কিন্তু তোমরা যে কাজ করতে রয়েছে তাতে এসব যে ধ্বংস হয়ে যাবে এতে কোন সন্দেহ নেই। এসব চাকচিক্যময় প্রাসাদ তোমরা তৈরী করছো। শুধুমাত্র তোমাদের শ্রেষ্ঠত্ব ও শক্তি প্রকাশ করার জন্যে। এতে কোনই লাভ নেই, বরং এর শাস্তি তোমাদের নিজেদেরকে ভোগ করতে হবে। সুতরাং তোমাদের আল্লাহকে ভয় করা এবং আমার আনুগত্য করা উচিত। তোমাদের উচিত তোমাদের সৃষ্টিকর্তা, আহার্যদাতা, নিয়ামতদাতা এবং অনুগ্রহকারীর ইবাদত করা এবং তার হুকুম মান্য করা ও তাঁর একত্ববাদ স্বীকার করে নেয়া। তাহলে তোমরা দুনিয়া ও আখিরাতে সুফল প্রাপ্ত হবে। তোমাদের তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা এবং তাসবীহ তাহলীল করা একান্ত কর্তব্য। সকাল-সন্ধ্যায় তোমাদের তাঁরই ইবাদত করা উচিত এবং তোমাদের বর্তমান নেতৃবর্গকে মান্য করা মোটেই উচিত নয়। তারা সীমালংঘন করেছে। তাওহীদের অনুসরণ করা তারা। ভুলে গেছে। তারা ভূ-পৃষ্ঠে শান্তি স্থাপন না করে শুধু অশান্তিই সৃষ্টি করছে। তারা নিজেরা নাফরমানী, পাপ ও অন্যায় কাজে লিপ্ত রয়েছে এবং অন্যদেরকেও সেদিকে আহ্বান করছে। সত্যের আনুকূল্য করে নিজেদের সংশোধিত করার চেষ্টা তারা মোটেই করছে না।
সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।