আল কুরআন


সূরা আল-মুমিনুন (আয়াত: 49)

সূরা আল-মুমিনুন (আয়াত: 49)



হরকত ছাড়া:

ولقد آتينا موسى الكتاب لعلهم يهتدون ﴿٤٩﴾




হরকত সহ:

وَ لَقَدْ اٰتَیْنَا مُوْسَی الْکِتٰبَ لَعَلَّهُمْ یَهْتَدُوْنَ ﴿۴۹﴾




উচ্চারণ: ওয়া লাকাদ আ-তাইনা-মূছাল কিতা-বা লা‘আল্লাহুম ইয়াহতাদূন।




আল বায়ান: আর অবশ্যই আমি মূসাকে কিতাব প্রদান করেছিলাম যাতে তারা হিদায়াতপ্রাপ্ত হয়।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৪৯. আর আমরা তো মূসাকে দিয়েছিলাম কিতাব; যাতে তারা হেদায়াত পায়।




তাইসীরুল ক্বুরআন: আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম যাতে তারা সঠিক পথ পেতে পারে।




আহসানুল বায়ান: (৪৯) আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম; যাতে তারা সৎপথ পায়। [1]



মুজিবুর রহমান: আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম যাতে তারা সৎপথ প্রাপ্ত হয়।



ফযলুর রহমান: আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম, যাতে তারা হেদায়েত পায়।



মুহিউদ্দিন খান: আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম যাতে তারা সৎপথ পায়।



জহুরুল হক: আর আমরা অবশ্যই মূসাকে গ্রন্থ দিয়েছিলাম যেন তারা সৎপথ অবলন্বন করতে পারে।



Sahih International: And We certainly gave Moses the Scripture that perhaps they would be guided.



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ৪৯. আর আমরা তো মূসাকে দিয়েছিলাম কিতাব; যাতে তারা হেদায়াত পায়।


তাফসীর:

-


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (৪৯) আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম; যাতে তারা সৎপথ পায়। [1]


তাফসীর:

[1] ইমাম ইবনে কাসীর (রঃ) বলেন, মূসাকে তাওরাত দেওয়া হয়েছিল ফিরআউন ও তার জাতিকে ডুবিয়ে মারার পর এবং তাওরাত অবতীর্ণ হওয়ার পর আল্লাহ কোন জাতিকে সামগ্রিকভাবে ধ্বংস করেননি। বরং মু’মিনদেরকে এই আদেশ দেওয়া হয়েছিল যে, তারা যেন কাফেরদের বিরুদ্ধে জিহাদ করে।


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ৪৫-৪৯ নং আয়াতের তাফসীর:



অত্র আয়াতে মূসা (عليه السلام) ও তাঁর সহোদর ভাই হারূন (عليه السلام) সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে নবুওয়াত দিয়ে ফির‘আউনের কাছে দাওয়াত দেয়ার জন্য প্রেরণ করলেন। কারণ ফিরআউন ছিল সে দেশের বাদশা, যে আল্লাহ তা‘আলার অবাধ্য ছিল এবং একটি অত্যাচারী সম্প্রদায় ছিল। বানী-ইসরাঈলদের ওপর নির্যাতন করত, নিজে রব দাবী করত। মূসা ও হারূন (عليه السلام) তার কাছে তাওহীদের দাওয়াত নিয়ে আসলে সে তাদেরকে মানুষ বলে দাওয়াত প্রত্যাখ্যান করে। এছাড়াও অনেক কারণ ও বিস্তারিত ঘটনা সূরা ত্বা-হা- ও সূরা কাসাসে আলোচনা করা হয়েছে।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ৪৫-৪৯ নং আয়াতের তাফসীর:

আল্লাহ তা'আলা খবর দিচ্ছেন যে, তিনি হযরত মূসা (আঃ) ও তাঁর ভাই হারুন (আঃ)-কে নিদর্শন ও সুস্পষ্ট প্রমাণসহ ফিরাউন ও তার পারিষদবর্গের নিকট প্রেরন করেন। কিন্তু তারা তাদের পূর্ববর্তী কাফিরদের মতই তাদেরকে সি করে এবং তাঁদের বিরুদ্ধাচরণে উঠে পড়ে লেগে যায়। তারা তাদেরকে বলেঃ তোমরা তো আমাদের মতই মানুষ। সুতরাং আমরা তোমাদের নবুওয়াতকে বিশ্বাস করতে পারি না। তাদের অন্তর তাদের পূর্ববর্তী কাফিরদের মতই শক্ত হয়ে যায়। অবশেষে একদিনেই আল্লাহ তা'আলা তাদের সবকেই সমুদ্রে ডুবিয়ে দেন।

এরপর লোকদেরকে হিদায়াত করার জন্যে হযরত মূসা (আঃ)-কে তাওরাত প্রদান করা হয়। আবার মুমিনদের হাতে কাফিররা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। জিহাদের হুকুম অবতীর্ণ হয়। ফিরাউন ও তার কওম কিবতীদের পরে এরূপভাবে সাধারণ আযাবে কোন উম্মত সমূলে ধ্বংস হয়ে যায়নি। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমি তো পূর্ববর্তী বহু মানবগোষ্ঠীকে বিনাশ করবার পর মূসা (আঃ)-কে দিয়েছিলাম কিতাব, মানব জাতির জন্যে জ্ঞান-বর্তিকা, পথ-নির্দেশ ও দয়া স্বরূপ, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।” (২৮:৪৩)





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।