আল কুরআন


সূরা আল-মুমিনুন (আয়াত: 48)

সূরা আল-মুমিনুন (আয়াত: 48)



হরকত ছাড়া:

فكذبوهما فكانوا من المهلكين ﴿٤٨﴾




হরকত সহ:

فَکَذَّبُوْهُمَا فَکَانُوْا مِنَ الْمُهْلَکِیْنَ ﴿۴۸﴾




উচ্চারণ: ফাকাযযাবূহুমা-ফাকা-নূমিনাল মুহলাকীন।




আল বায়ান: অতএব তারা তাদের উভয়কে মিথ্যাবাদী বলল। ফলে তারা ধ্বংসপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৪৮. সুতরাং তারা তাদের উভয়ের প্রতি মিথ্যারোপ করল, ফলে তারা ধ্বংসপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হল।(১)




তাইসীরুল ক্বুরআন: তারা তাদের দু’জনকে মিথ্যে বলে প্রত্যাখ্যান করল, ফলে তারা ধ্বংসপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল।




আহসানুল বায়ান: (৪৮) সুতরাং তারা তাদেরকে মিথ্যাবাদী বলল। ফলে তারা ধ্বংসপ্রাপ্ত হল।



মুজিবুর রহমান: অতঃপর তারা তাদেরকে মিথ্যাবাদী বলল। ফলে তারা ধ্বংসপ্রাপ্তদের শামিল হল।



ফযলুর রহমান: এভাবেই তারা তাদেরকে অবিশ্বাস করল এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত হল।



মুহিউদ্দিন খান: অতঃপর তারা উভয়কে মিথ্যাবাদী বলল। ফলে তারা ধ্বংস প্রাপ্ত হল।



জহুরুল হক: সেজন্য তারা এদের দুজনকে প্রত্যাখ্যান করল, তার ফলে তারা ধ্বংসপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হ’ল।



Sahih International: So they denied them and were of those destroyed.



তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ: কোনো তথ্য নেই।


তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ৪৮. সুতরাং তারা তাদের উভয়ের প্রতি মিথ্যারোপ করল, ফলে তারা ধ্বংসপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হল।(১)


তাফসীর:

(১) মূসা ও ফেরাউনের কাহিনীর বিস্তারিত বিবরণ জানার জন্য পড়ুন সূরা আল বাকারাহঃ ৪৯–৫০; সূরা আল-আ'রাফঃ ১০৩–১৩৬; সূরা ইউনুসঃ ৭৫–৯২; সূরা হূদঃ ৯৬–৯৯; সূরা বনী ইসরাঈলঃ ১০১–১০৪ এবং সূরা ত্বা-হাঃ ৯–৮০ আয়াত।


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (৪৮) সুতরাং তারা তাদেরকে মিথ্যাবাদী বলল। ফলে তারা ধ্বংসপ্রাপ্ত হল।


তাফসীর:

-


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ৪৫-৪৯ নং আয়াতের তাফসীর:



অত্র আয়াতে মূসা (عليه السلام) ও তাঁর সহোদর ভাই হারূন (عليه السلام) সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে নবুওয়াত দিয়ে ফির‘আউনের কাছে দাওয়াত দেয়ার জন্য প্রেরণ করলেন। কারণ ফিরআউন ছিল সে দেশের বাদশা, যে আল্লাহ তা‘আলার অবাধ্য ছিল এবং একটি অত্যাচারী সম্প্রদায় ছিল। বানী-ইসরাঈলদের ওপর নির্যাতন করত, নিজে রব দাবী করত। মূসা ও হারূন (عليه السلام) তার কাছে তাওহীদের দাওয়াত নিয়ে আসলে সে তাদেরকে মানুষ বলে দাওয়াত প্রত্যাখ্যান করে। এছাড়াও অনেক কারণ ও বিস্তারিত ঘটনা সূরা ত্বা-হা- ও সূরা কাসাসে আলোচনা করা হয়েছে।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ৪৫-৪৯ নং আয়াতের তাফসীর:

আল্লাহ তা'আলা খবর দিচ্ছেন যে, তিনি হযরত মূসা (আঃ) ও তাঁর ভাই হারুন (আঃ)-কে নিদর্শন ও সুস্পষ্ট প্রমাণসহ ফিরাউন ও তার পারিষদবর্গের নিকট প্রেরন করেন। কিন্তু তারা তাদের পূর্ববর্তী কাফিরদের মতই তাদেরকে সি করে এবং তাঁদের বিরুদ্ধাচরণে উঠে পড়ে লেগে যায়। তারা তাদেরকে বলেঃ তোমরা তো আমাদের মতই মানুষ। সুতরাং আমরা তোমাদের নবুওয়াতকে বিশ্বাস করতে পারি না। তাদের অন্তর তাদের পূর্ববর্তী কাফিরদের মতই শক্ত হয়ে যায়। অবশেষে একদিনেই আল্লাহ তা'আলা তাদের সবকেই সমুদ্রে ডুবিয়ে দেন।

এরপর লোকদেরকে হিদায়াত করার জন্যে হযরত মূসা (আঃ)-কে তাওরাত প্রদান করা হয়। আবার মুমিনদের হাতে কাফিররা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। জিহাদের হুকুম অবতীর্ণ হয়। ফিরাউন ও তার কওম কিবতীদের পরে এরূপভাবে সাধারণ আযাবে কোন উম্মত সমূলে ধ্বংস হয়ে যায়নি। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমি তো পূর্ববর্তী বহু মানবগোষ্ঠীকে বিনাশ করবার পর মূসা (আঃ)-কে দিয়েছিলাম কিতাব, মানব জাতির জন্যে জ্ঞান-বর্তিকা, পথ-নির্দেশ ও দয়া স্বরূপ, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।” (২৮:৪৩)





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।