সূরা আল-মুমিনুন (আয়াত: 50)
হরকত ছাড়া:
وجعلنا ابن مريم وأمه آية وآويناهما إلى ربوة ذات قرار ومعين ﴿٥٠﴾
হরকত সহ:
وَ جَعَلْنَا ابْنَ مَرْیَمَ وَ اُمَّهٗۤ اٰیَۃً وَّ اٰوَیْنٰهُمَاۤ اِلٰی رَبْوَۃٍ ذَاتِ قَرَارٍ وَّ مَعِیْنٍ ﴿۵۰﴾
উচ্চারণ: ওয়া জা‘আলনাবনা মারয়ামা ওয়া উম্মাহূ আ-য়াতাওঁ ওয়াআ- ওয়াইনা-হুমা ইলারবওয়াতিন যা-তি কারা-রিওঁ ওয়া মা‘ঈন।
আল বায়ান: আর আমি মারইয়াম-পুত্র ও তার মাকে নিদর্শন বানালাম এবং তাদেরকে আবাসযোগ্য ও ঝর্নাবিশিষ্ট এক উঁচু ভূমিতে আশ্রয় দিলাম।
আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৫০. আর আমরা মারইয়াম-পুত্র ও তার জননীকে করেছিলাম এক নিদর্শন এবং তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছিলাম এক অবস্থানযোগ্য ও প্রস্রবণবিশিষ্ট উচ্চ ভূমিতে।(১)
তাইসীরুল ক্বুরআন: আমি মারইয়াম-পুত্র আর তার মাকে নিদর্শন করেছিলাম আর তাদেরকে স্বস্তি নিরাপত্তা ও ঝর্ণা বিশিষ্ট উচ্চ স্থানে আশ্রয় দিয়েছিলাম।
আহসানুল বায়ান: (৫০) এবং আমি মারয়্যাম তনয় (ঈসা) ও তার জননীকে করেছিলাম এক নিদর্শন,[1] তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছিলাম এক নিরাপদ ও প্রস্রবণবিশিষ্ট উচ্চ ভূমিতে।[2]
মুজিবুর রহমান: এবং আমি মারইয়াম তনয় ও তার জননীকে করেছিলাম এক নিদর্শন, তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছিলাম এক নিরাপদ ও প্রস্রবন বিশিষ্ট উচ্চ ভূমিতে।
ফযলুর রহমান: আর মরিয়মের পুত্র ও তার মাকে একটি নিদর্শন বানিয়েছিলাম এবং তাদেরকে অবস্থানযোগ্য ও ঝরনাবিশিষ্ট এক উচ্চভূমিতে আশ্রয় দিয়েছিলাম।
মুহিউদ্দিন খান: এবং আমি মরিয়ম তনয় ও তাঁর মাতাকে এক নিদর্শন দান করেছিলাম। এবং তাদেরকে এক অবস্থানযোগ্য স্বচ্ছ পানি বিশিষ্ট টিলায় আশ্রয় দিয়েছিলাম।
জহুরুল হক: আর আমরা মরিয়ম-পুত্র ও তাঁর মাতাকে করেছিলাম এক নিদর্শন, এবং তাঁদের উভয়কে আমরা আশ্রয় দিয়েছিলাম তৃণাচ্ছাদিত ও ঝরনা-রাজিতে ভরা এক পার্বত্য-উপত্যকায়।
Sahih International: And We made the son of Mary and his mother a sign and sheltered them within a high ground having level [areas] and flowing water.
তাফসীরে যাকারিয়া
অনুবাদ: ৫০. আর আমরা মারইয়াম-পুত্র ও তার জননীকে করেছিলাম এক নিদর্শন এবং তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছিলাম এক অবস্থানযোগ্য ও প্রস্রবণবিশিষ্ট উচ্চ ভূমিতে।(১)
তাফসীর:
(১) আভিধানিক অর্থে “রাবওয়াহ” এমন সুউচ্চ ভূমিকে বলা হয় যা সমতল এবং আশপাশের এলাকা থেকে উঁচু। অন্যদিকে “যা-তি কারার” মানে হচ্ছে এমন জায়গা যেখানে প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি পাওয়া যায় এবং অবস্থানকারী সেখানে স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন যাপন করতে পারে। আর “মাঈন” মানে হচ্ছে বহমান পানি বা নির্ঝরিণী। [ইবন কাসীর]। এখানে কুরআন কোন স্থানটির প্রতি ইংগিত করছে তা নিশ্চয়তা সহকারে বলা কঠিন। বিভিন্নজন এ থেকে বিভিন্ন স্থানের কথা মনে করেছেন। কেউ বলেন, এ স্থানটি ছিল দামেশক। কেউ বলেন, রামলাহ। কেউ বলেন, বাইতুল মাকদিস আবার কেউ বলেন, ফিলিস্তিন। [ইবন কাসীর; ফাতহুল কাদীর]
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
অনুবাদ: (৫০) এবং আমি মারয়্যাম তনয় (ঈসা) ও তার জননীকে করেছিলাম এক নিদর্শন,[1] তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছিলাম এক নিরাপদ ও প্রস্রবণবিশিষ্ট উচ্চ ভূমিতে।[2]
তাফসীর:
[1] কারণ ঈসা (আঃ) এর জন্ম হয়েছিল বিনা পিতায় যা আল্লাহর ক্ষমতার এক নিদর্শন। যেমন আদম (আঃ) কে পিতা মাতা ছাড়া, হাওয়া (আঃ) কে নারী ছাড়া আদম হতে এবং অন্য সকল মানুষকে পিতা মাতার মাধ্যমে সৃষ্টি করাও আল্লাহর নিদর্শন।
[2] رَبوَة (উচ্চ ভূমি) বলতে বায়তুল মুকাদ্দাস, আর مَعِين (প্রস্রবণ) বলতে সেই ঝরনাকে বুঝানো হয়েছে যা (এক মতানুসারে) মহান আল্লাহ ঈসা (আঃ)-এর জন্মের সময় মারয়্যামের পদতলে অলৌকিকভাবে প্রবাহিত করছিলেন। যেমন, সূরা মারয়্যামে এ কথা বর্ণিত হয়েছে।
তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ
তাফসীর: ৫০-৫৬ নং আয়াতের তাফসীর:
(وَجَعَلْنَا ابْنَ مَرْیَمَ...)
এখানে ঈসা (عليه السلام) ও তাঁর মা মারইয়াম আলাইহাস সালাম-এর কথা বলা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা দুজনকেই নিদর্শন বানিয়েছিলেন। ঈসা (عليه السلام) তো একজন নিজেই নিদের্শন; শিশু অবস্থায় কথা বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলার অনুমতিতে মৃত মানুষ জীবিত করতেন, এছাড়াও তাঁকে অনেক নিদর্শন দেয়া হয়েছিল। মারইয়াম (عليه السلام) নিদর্শন হলেনন তিনি বিনা স্বামীতে গর্ভধারণ করেছেন। رَبْوَةٍ অর্থ উঁচু ভূমি। যখন মারইয়াম (عليه السلام) গর্ভবতী হলেন তখন হয়তো লোকালয় থেকে উঁচু কোন স্থানে চলে গিয়েছিলেন। সে জায়গাটা ছিল নিরাপদ, আর প্রস্রবণ বলতে সে ঝরণাকে বুঝানো হয়েছে যা ঈসা (عليه السلام)-এর জন্মের সময় অলৌকিভাবে প্রবাহিত হয়েছিল। এ বিষয়ে পূর্বে সূরা মারইয়ামে আলোচনা করা হয়েছে।
(أَيُّهَا الرُّسُلُ كُلُوْا..... بَلْ لَّا یَشْعُرُوْنَ)
উক্ত আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর সমস্ত রাসূলদেরকে নির্দেশ প্রদান করছেন যে, তারা যেন হালাল খাদ্য ভক্ষণ করে এবং সৎ আমল করে। কেননা হালাল ভক্ষণ ব্যতীত সৎ আমল কবূল হয় না। হাদীসে বর্ণিত হয়েছে:
আবূ হুরাইরাহ (رضي الله عنه) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: হে মানুষ সকল! নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা পবিত্র, আর তিনি পবিত্র ব্যতীত অপবিত্র কোন কিছু গ্রহণ করেন না। আর আল্লাহ তা‘আলা মু’মিনদেরকে তাই নির্দেশ দিয়েছেন যার নির্দেশ দিয়েছেন নাবী-রাসূলদেরকে। তখন তিনি এ আয়াতটি পাঠ করেন। অতঃপর এক ব্যক্তির কথা আলোচনা করলেন, সে তার সফরকে দীর্ঘায়িত করেছে, তার চুলগুলো ছিল এলোমেলো। তার খাদ্য-পানীয় ও পোশাকসহ তার সমস্ত কিছু ছিল হারাম। সে তার দু’হাত আকাশের দিকে তুলে বলতে লাগল, হে আমার প্রতিপালক! হে আমার প্রতিপালক! কিন্তু তার দু‘আ কিভাবে কবূল করা হবে, এটা অসম্ভব। (সহীহ মুসলিম: ৬৫)
আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
(يٰٓأَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا كُلُوْا مِنْ طَيِّبٰتِ مَا رَزَقْنٰكُمْ وَاشْكُرُوْا لِلّٰهِ إِنْ كُنْتُمْ إِيَّاهُ تَعْبُدُوْنَ)
“হে ঈমানদারগণ! আমি তোমাদেরকে যা জীবিকাস্বরূপ দান করেছি সেই পবিত্র বস্তুসমূহ খাও এবং একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর যদি তোমরা একমাত্র তাঁরই ইবাদত কর।” (সূরা বাকারাহ ২:১৭২) প্রত্যেক নাবী-রাসূল হালাল রুযী উপার্জন করতেন এবং খেতেন। যেমন দাঊদ (عليه السلام)-এর ব্যাপারে এসেছে: তিনি নিজ হাতের পরিশ্রমে উপার্জন খেতেন। (সহীহ বুখারী হা: ২০৭২)
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: প্রত্যেক নাবী ছাগল চরিয়েছেন। আমিও সামান্য পারিশ্রমিকের বিনিময়ে মক্কাবাসীর ছাগল চরিয়েছি। (সহীহ বুখারী হা: ২২৬২)
সুতরাং প্রত্যেক মু’মিন ও মুসলিম নর-নারীর ওপর আবশ্যক হল যে, হালাল খাদ্য ভক্ষণ করা এবং হারাম খাদ্য পরিহার করা। কেননা হারাম খাদ্য খেয়ে আল্লাহ তা‘আলার ইবাদত করলে সে ইবাদত কখনো কবূল হয় না। তাই মুসলিম সমাজে একজন হারামখোরের কোন সম্মান নেই, যদিও সে কারূনের মত পাহাড় সমান সম্পদ গড়ে তুলে। সম্মান ও ইজ্জতের অধিকারী একমাত্র তারাই যারা পরিশ্রম করে হালাল উপার্জন খায় যদিও তারা গরীব হয়।
অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা বলেন, তোমরা সকলে একই জাতি, তোমাদের দীন এক, রব একজন। সুতরাং আল্লাহ তা‘আলার আদেশ পালন আর নিষেধ বর্জন করার মাধ্যমে তাঁকে ভয় কর। এর দ্বারা মূলত আল্লাহ তা‘আলা মানুষকে দলে দলে বিভক্ত না হয়ে জামাতবদ্ধ হয়ে থাকার নির্দেশ প্রদান করেছেন। আল্লাহ তা‘আলার বাণী:
(اِنَّ ھٰذِھ۪ٓ اُمَّتُکُمْ اُمَّةً وَّاحِدَةًﺘ وَّاَنَا رَبُّکُمْ فَاعْبُدُوْنِﮫوَتَقَطَّعُوْٓا اَمْرَھُمْ بَیْنَھُمْﺚ کُلٌّ اِلَیْنَا رٰجِعُوْنَ)
“নিশ্চয়ই এরা তোমাদের জাতিন এরা তো একই জাতি এবং আমিই তোমাদের প্রতিপালক, অতএব আমার ইবাদত কর। কিন্তু তারা নিজেদের ব্যাপারে পরস্পরের মধ্যে ভেদ সৃষ্টি করেছে। প্রত্যেকেই আমার নিকট প্রত্যাবর্তনকারী।” (সূরা আম্বিয়াহ ২১:৯২-৯৩)
এভাবে নিষেধ করার পরও যারা নাবীদের পথ বর্জন করে নিজেদের মাঝে দলাদলি সৃষ্টি করে তারা তাদের দীনকে নাবীদের দীন থেকে সম্পর্কচ্যুত করে ফেলেছে। প্রত্যেক দল নিজেদের নিকট যে সকল দলীল-প্রমাণ রয়েছে তা নিয়ে সন্তুষ্ট, তারা তাদের দলীল-প্রমাণের আলোকে মনে করে তারাই সঠিক পথের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
غمرة অর্থ প্রচুর পরিমাণ পানি যা মাটি ঢেকে নেয়। ভ্রষ্টতার অন্ধকারও এত গভীর যে, তাতে নিমজ্জিত ব্যক্তির সত্য দৃষ্টিগোচর হয় না। এখানে غمرة অর্থ বিমূঢ়তা, গাফলতি, উদাসীনতা ও বিভ্রান্তি। আয়াতে ধমকস্বরূপ তাদেরকে বিভ্রান্তিতে থাকতে দেয়া বা ছেড়ে দেয়ার কথা বলা হয়েছে। উপদেশ বা নসীহত করা হতে বাধা দেয়া উদ্দেশ্য নয়। অতএব নিষেধ করা সত্ত্বেও যারা দলে দলে বিভক্ত হয় এবং ফেতনা-ফাসাদ সৃষ্টি করে তাদের স্থান হচ্ছে জাহান্নাম। তাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে কেউ রক্ষা করতে পারবে না।
সুতরাং প্রত্যেকটি মুসলিমের অবশ্য কর্তব্য হল মুসলিম মিল্লাতকে আঁকড়ে ধরে থাকা এবং দলে দলে পৃথক না হওয়া। যারা দলাদলি সৃষ্টি করে তারা ইসলামের বাইরে।
আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
১. সর্বদা হালাল খাদ্য ভক্ষণ করতে হবে।
২. সকল নাবীর ধর্ম একই, আর তা হল এক আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত আর কারো ইবাদত করা যাবে না।
৩. দলে দলে বিভক্ত হওয়া মানে ইসলামের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করা।
৪. আল্লাহ তা‘আলা যা হালাল করে দিয়েছেন সে সকল বস্তু পবিত্র।
তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)
তাফসীর: আল্লাহ তাআলা খরব দিচ্ছেন যে, তিনি হযরত ঈসা ইবনে মারইয়াম (আঃ)-কে তাঁর পূর্ণ ও ব্যাপক ক্ষমতা প্রকাশের এক বড় নিদর্শন বানিয়েছেন। হযরত আদম (আঃ)-কে তিনি নর ও নারীর মাধ্যম ছাড়াই সৃষ্টি করেছেন। হযরত হাওয়া (আঃ)-কে স্ত্রী ছাড়া শুধু পুরুষের মাধ্যমে তিনি সৃষ্টি করেছেন এবং হযরত ঈসা (আঃ)-কে তিনি সৃষ্টি করেছেন পুরুষ লোকে ছাড়া শুধু স্ত্রীলোকের মাধ্যমে। আর অবশিষ্ট সমস্ত লোককে তিনি নর ও নারীর মাধ্যমে সৃষ্টি করেছেন।
(আরবী) বলা হয় ঐ উঁচু ভূমিকে যা সবুজ-শ্যামল ও কৃষি কার্যের উপযোগী। এরূপ তৃণলতা ও পানি বিশিষ্ট তরুতাজা এবং সবুজ-শ্যামল স্থানে আল্লাহ তা'আলা তাঁর বান্দা ও নবী হযরত ঈসা (আঃ) এবং তাঁর মাতা হযরত মারইয়াম (আঃ)-কে আশ্রয় দান করেছিলেন। সেখানে পানি প্রবাহিত হতো। ওটা ছিল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এক মসৃণ ও সমতলভূমি। কোন কোন গুরুজনের মতে ওটা ছিল মিসরের ভূখণ্ড। আবার কারো কারো মতে ওটা ছিল দামেস্ক অথবা ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড। (আরবী) বালুকাময় ভূমিকেও বলা হয়। যেমন হযরত মুররাতল বাহযী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে বলতে শুনেছেন, যা তিনি একজন সাহাবী (রাঃ)-কে বলেছিলেনঃ “রাবওয়াতে তোমার ইন্তেকাল হবে।” (এ হাদীসটি ইবনে আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এটা অত্যন্ত গারীব বা দুর্বল হাদীস) ঐ সাহাবী (রাঃ) বালুকাময় ভূমিতেই মৃত্যুবরণ করেন। এসব উক্তির মধ্যে সবচেয়ে বেশী বিশ্বাসযোগ্য উক্তি হলো এই যে, এর দ্বারা নহরকে বুঝানো হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “তোমার প্রতিপালক তোমার পাদদেশে এক নহর সৃষ্টি করেছেন।” (১৯:২৪) সুতরাং এটা হলো বায়তুল মুকাদ্দাসের একটি স্থান। তাহলে এ আয়াতটি যেন ঐ আয়াতেরই তাফসীর। আর কুরআনের তাফসীর প্রথমতঃ কুরআন দ্বারা, তারপর হাদীস দ্বারা এবং এরপর আসার দ্বারা করা উচিত।
সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।