আল কুরআন


সূরা মারইয়াম (আয়াত: 73)

সূরা মারইয়াম (আয়াত: 73)



হরকত ছাড়া:

وإذا تتلى عليهم آياتنا بينات قال الذين كفروا للذين آمنوا أي الفريقين خير مقاما وأحسن نديا ﴿٧٣﴾




হরকত সহ:

وَ اِذَا تُتْلٰی عَلَیْهِمْ اٰیٰتُنَا بَیِّنٰتٍ قَالَ الَّذِیْنَ کَفَرُوْا لِلَّذِیْنَ اٰمَنُوْۤا ۙ اَیُّ الْفَرِیْقَیْنِ خَیْرٌ مَّقَامًا وَّ اَحْسَنُ نَدِیًّا ﴿۷۳﴾




উচ্চারণ: ওয়া ইযা-তুতলা-আলাইহিম আ-য়া-তুনা-বাইয়িনা-তিন কা-লাল্লাযীনা কাফারূলিল্লাযীনা আ-মানূ আইয়ুল ফারীকাইনি খাইরুম মাকা-মাওঁ ওয়া আহছানুনাদিইইয়া-।




আল বায়ান: আর যখন তাদের কাছে আমার আয়াতসমূহ সুস্পষ্টরূপে পাঠ করা হয়, তখন কাফিররা ঈমানদারদেরকে বলে, ‘দুই দলের মধ্যে কোনটি মর্যাদায় শ্রেষ্ঠতর এবং মজলিস হিসেবে উত্তম?’




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৭৩. আর তাদের কাছে আমাদের স্পষ্ট আয়াতসমূহ তোলাওয়াত করা হলে কাফেররা মুমিনদেরকে বলে, দু'দলের মধ্যে কারা মর্যাদায় শ্রেষ্ঠতর ও মজলিস হিসেবে উত্তম?(১)




তাইসীরুল ক্বুরআন: আমার স্পষ্ট আয়াত যখন তাদের নিকট আবৃত্তি করা হয় তখন কাফিররা মু’মিনদেরকে বলে, দু’টি দলের মধ্যে মর্যাদায় কোনটি শ্রেষ্ঠ আর মজলিস হিসেবে অধিক উত্তম?




আহসানুল বায়ান: (৭৩) তাদের নিকট আমার আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে আবৃত্ত হলে অবিশ্বাসীরা বিশ্বাসীদেরকে বলে, ‘দু’দলের মধ্যে কোন্‌টি মর্যাদায় শ্রেষ্ঠতর ও মজলিস হিসাবে কোনটি উত্তম?’ [1]



মুজিবুর রহমান: তাদের নিকট আমার সুস্পষ্ট আয়াত আবৃত্তি করা হলে কাফিরেরা মু’মিনদেরকে বলেঃ দু’ দলের মধ্যে কোনটি মর্যাদায় শ্রেয়তর ও মজলিস হিসাবে কোনটি উত্তম?



ফযলুর রহমান: যখন তাদের কাছে আমার স্পস্ট আয়াতসমূহ পাঠ করা হয় তখন কাফেররা মুমিনদেরকে বলে, “দুই দলের কোন্‌টি মর্যাদায় শ্রেষ্ঠ এবং মজলিস আয়োজনে উৎকৃষ্ট?”



মুহিউদ্দিন খান: যখন তাদের কাছে আমার সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ তেলাওয়াত করা হয়, তখন কাফেররা মুমিনদেরকে বলেঃ দুই দলের মধ্যে কোনটি মর্তবায় শ্রেষ্ঠ এবং কার মজলিস উত্তম?



জহুরুল হক: আর যখন তাদের কাছে আমাদের সুস্পষ্ট বাণীসমূহ পড়া হয় তখন যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা বলে যারা বিশ্বাস করেছে তাদের -- "দুই দলের মধ্যে কোনটি প্রতিষ্ঠার দিকে শ্রেষ্ঠতর ও জাঁকজমকে গুলজার?"



Sahih International: And when Our verses are recited to them as clear evidences, those who disbelieve say to those who believe, "Which of [our] two parties is best in position and best in association?"



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ৭৩. আর তাদের কাছে আমাদের স্পষ্ট আয়াতসমূহ তোলাওয়াত করা হলে কাফেররা মুমিনদেরকে বলে, দু’দলের মধ্যে কারা মর্যাদায় শ্রেষ্ঠতর ও মজলিস হিসেবে উত্তম?(১)


তাফসীর:

(১) অর্থাৎ কাফেরদের যুক্তি ছিল এ রকমঃ দেখে নাও দুনিয়ায় কার প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও নিয়ামত বর্ষণ করা হচ্ছে? কার গৃহ বেশী জমকালো? কার জীবন যাত্রার মান বেশী উন্নত? কার মজলিসগুলো বেশী আড়ম্বরপূর্ণ? যদি আমরা এসব কিছুর অধিকারী হয়ে থাকি এবং তোমরা এসব থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকো তাহলে তোমরা নিজেরাই চিন্তা করে দেখো, এটা কেমন করে সম্ভবপর ছিল যে, আমরা বাতিলের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকেও এভাবে দুনিয়ার মজা লুটে যেতে থাকবো আর তোমরা হকের পথে অগ্রসর হয়েও এ ধরনের ক্লান্তিকর জীবন যাপন করে যেতে থাকবে? [দেখুন, ফাতহুল কাদীর; সা’দী]

কাফেরদের এই বিভ্রান্তি পবিত্র কুরআন এভাবে দূর করেছে যে, দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী নেয়ামত ও সম্পদ আল্লাহর প্রিয়পাত্ৰ হওয়ার আলামত নয় এবং দুনিয়াতেও একে কোন ব্যক্তিগত পরাকাষ্ঠার লক্ষণ মনে করা হয় না। কেননা, দুনিয়াতে অনেক নির্বোধ মূর্খও এগুলো জ্ঞানী ও বিদ্বানের চাইতেও বেশী লাভ করে। বিগত যুগের ইতিহাস খুঁজে দেখলে এ সত্য উদঘাটিত হবে যে, পৃথিবীতে এ পরিমাণ তো বটেই, বরং এর চাইতেও বেশী ধন-দৌলত স্তুপীকৃত হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেগুলো তো তাদের কোন কাজে আসেনি। [দেখুন, সাদী]


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (৭৩) তাদের নিকট আমার আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে আবৃত্ত হলে অবিশ্বাসীরা বিশ্বাসীদেরকে বলে, ‘দু’দলের মধ্যে কোন্–টি মর্যাদায় শ্রেষ্ঠতর ও মজলিস হিসাবে কোনটি উত্তম?’ [1]


তাফসীর:

[1] মক্কার কাফেররা দরিদ্র মুসলিম ও ধনী কুরাইশ তথা তাদের সভা ও ঘর-বাড়ির মধ্যে তুলনা করে কুরআনী আহবানের মোকাবেলা করে থাকে। মুসলিমদের মধ্যে আম্মার, বিলাল, সুহাইবের মত দরিদ্র মানুষ রয়েছেন। তাঁদের পরামর্শগৃহ (মন্ত্রণালয়) ‘দারুল আরকাম’। অন্য দিকে কাফেরদের মধ্যে রয়েছে আবু জাহল, নযর বিন হারিস, উতবা, শাইবা প্রভৃতির মত নেতৃস্থানীয় লোক, তাদের উঁচু উঁচু প্রাসাদ রয়েছে এবং মন্ত্রণাসভার জন্য রয়েছে ‘দারুন নাদওয়াহ’ যা অতি সুন্দর।


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ৭৩-৮০ নং আয়াতের তাফসীর:



(أَيُّ الْفَرِيْقَيْنِ خَيْرٌ)



কোন দল বলতে মু’মিন ও কাফিরদের দুটি দলকে বুঝানো হয়েছে। কাফিররা দুনিয়ায় স্বাচ্ছন্দ্যে ও আরাম-আয়েশে জীবন যাপন করে থাকে আর মু’মিনরা কষ্টে বসবাস করে থাকে, যার ফলে কাফিররা মু’মিনদেরকে বলত, আমরাই (কাফিররা) শ্রেষ্ঠ দল। যদি তাই না হত তাহলে আমরা দুনিয়ায় আনন্দে থাকতাম না।



তারা বলত:



(وَقَالُوْا نَحْنُ أَكْثَرُ أَمْوَالًا وَّأَوْلَادًا لا وَّمَا نَحْنُ بِمُعَذَّبِيْنَ)‏



“তারা বলত: আমরা ধনে-জনে সমৃদ্ধশালী; সুতরাং আমাদেরকে কিছুতেই শাস্তি দেয়া হবে না।” (সূরা সাবা ৩৪:৩৫)



তাদের এ কথার জবাবে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, সম্পদে ও ক্ষমতায় অধিক হলেই তারা শ্রেষ্ঠ নয়। বরং এরূপ অনেক সম্পদশালী জাতিকে আল্লাহ তা‘আলা ধ্বংস করে দিয়েছেন। সুতরাং এরাও যখন শাস্তি প্রাপ্ত হবে তখন বুঝতে পারবে কারা ছিল মান-মর্যাদায় শ্রেষ্ঠ ও কাদের প্রতিদান উত্তম। দুনিয়াতে তাদেরকে অপরাধ করার জন্য অবকাশ দিয়েছেন। আল্লাহ তা‘আলার বাণী:



(وَلَا يَحْسَبَنَّ الَّذِيْنَ كَفَرُوْآ أَنَّمَا نُمْلِيْ لَهُمْ خَيْرٌ لِّأَنْفُسِهِمْ ط إِنَّمَا نُمْلِيْ لَهُمْ لِيَزْدَادُوْآ إِثْمًا ج وَلَهُمْ عَذَابٌ مُّهِيْنٌ)



“যারা কুফরী করেছে তারা যেন এটা ধারণা না করে যে, আমি তাদেরকে যে সুযোগ দিয়েছি, তা তাদের জীবনের জন্য কল্যাণকর; বরং এ জন্যই আমি তাদেরকে অবকাশ প্রদান করি যাতে তাদের পাপ বৃদ্ধি পায় এবং তাদের জন্য অপমানকর শাস্তি রয়েছে।” (সূরা আলি-ইমরান ৩:১৭৮)



(وَالْبٰقِيٰتُ الصّٰلِحٰتُ)



অর্থাৎ দুনিয়ার সকল বস্তু শেষ হয়ে যাবে শুধু অবশিষ্ট থাকবে মানুষের সৎ আমল। যেমনটি সূরা কাহফের ৪৬ নং আয়াতে বর্ণনা করা হয়েছে।



আর এখানে সৎ আমল বলতে বুঝানো হয়েছে সালাত, সিয়াম, হাজ্জ, যাকাত যাবতীয় ভাল কাজগুলোকে।



(عَهْدًا..... أَفَرَأَيْتَ الَّذِيْ) শানে নুযূল:



সাহাবী খাব্বাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, জাহেলি যুগে আমি একজন কর্মকার (কামার) ছিলাম। ‘আস বিন অয়েলের নিকট আমার কিছু ঋণ পাওনা ছিল। আমি তার নিকট আসলাম তা নেয়ার জন্য। সে বলল: তুমি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে অস্বীকার না করা পর্যন্ত আমি এ পাওনা শোধ করব না। তখন আমি বললাম: আমি অস্বীকার করব না আল্লাহ তা‘আলা তোমাকে মৃত্যু দিয়ে পুনরায় জীবিত না করা পর্যন্ত। তখন সে বলল: আমাকে ছেড়ে দাও মৃত্যুর পর জীবিত না হওয়া পর্যন্ত। তখন আমাকে সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দেয়া হবে আর তা দিয়ে তোমার পাওনা শোধ করব। তখন এ আয়াতদ্বয় নাযিল হয়। (সহীহ বুখারী: ২০৯১, ২২৭৫, সহীহ মুসলিম: ২৭৯৫)



তাদের এ কথার জবাবে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, এটা মোটেও সত্য নয়। বরং তারা কিয়ামতের দিনে আমার নিকট একা একা আসবে। সেখানে তাদের কোন ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি থাকবে না।



সুতরাং যারা এরূপ বিশ্বাস রাখবে বুঝতে হবে তাদের ধারণা বা বিশ্বাস ভুল। তাই আমাদেরকে এরূপ বিশ্বাস করা থেকে বিরত থাকতে হবে।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:



১. দুনিয়াতে আরাম-আয়েশে থাকা মানে এ নয় যে, সে-ই শ্রেষ্ঠ।

২. আল্লাহ তা‘আলা মু’মিনদের জন্য হিদায়াত আরো বৃদ্ধি করে দেন।

৩. কিয়ামতের মাঠে মানুষ একা একা আসবে, কেউ তার সঙ্গে থাকবে না।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ৭৩-৭৪ নং আয়াতের তাফসীর:

আল্লাহ তাআলা কাফিরদের সম্পর্কে খবর দিচ্ছেন যে, তারা আল্লাহর স্পষ্ট আয়াতসমূহ এবং দলীল প্রমাণাদি বিশিষ্ট কালাম দ্বারা কোন উপকার লাভ করে না। তারা এগুলো হতে মুখ ফিরিয়ে নেয় ও চক্ষু ঘুরিয়ে থাকে। তারা তাদের বাহ্যিক শান শওকত ও জাকজমক দ্বারা মু'মিনদেরকে প্রভাবিত করতে চায়। মু'মিনদেরকে তারা বলেঃ “বল তো, ঘরবাড়ী সুন্দর ও জাকজমক পূর্ণ কাদের? কাদের মজলিসগুলি গুল্যার? সুতরাং আমরা যখন ধন দৌলতে, শান শওকতে, ও মান মর্যাদায় তোমাদের চেয়ে উন্নত, তখন আমরাই আল্লাহর প্রিয় বান্দা, না তোমরা? তোমরা তো বাস করছো কুঁড়ে ঘরে। তোমরা ভাল ভাল খাবার খেতে, উত্তম পানীয় পান করতে পাও না। কখনো তোমরা আরকাম ইবনু আবি আরকামের ঘরে লুকিয়ে থাকো এবং কখনো কখনো এদিক ওদিক পালিয়ে থাকে। যেমন অন্য আয়াতে আছে। যে, কাফিররা বলেছিলঃ (আরবী) অর্থাৎ “যদি এই দ্বীন ভাল হতো তবে এরা (মু'মিনরা) এটা মানার ব্যাপারে আমাদের অগ্রগামী হতো না।` (৪৬:১১) হযরত নূহের (আঃ) কওমও একথাই বলেছিলঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমরা কি তোমার উপর এমন অবস্থায় ঈমান আনতে পারি যে, হীন প্রকৃতির লোকেরা তোমার অনুসরণ করেছে?” (২৬:১১১) আর একটি আয়াতে রয়েছেঃ “এভাবেই তারা প্রতারিত হয়েছে এবং বলছেঃ এরাই কি ওরাই যাদের উপর আমাদের মধ্য হতে আল্লাহ অনুগ্রহ করেছেন? কৃতজ্ঞ বান্দাদেরকে কি আল্লাহ অবগত নন?` কাফিরদের একথার প্রতিবাদে আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “তাদের পূর্বে আমি কত মানব গোষ্ঠীকে বিনাশ করেছি, যারা তাদের অপেক্ষা সম্পদ ও বাহ্য দৃষ্টিতে শ্রেষ্ঠ ছিল।” অর্থাৎ তাদের দুঙ্কার্যের দরুণ তাদেরকে আমি ধ্বংস ও তচনচ করে দিয়েছি। তারা এই কাফিরদের তুলনায় বেশী সম্পদের অধিকারী ছিল। তারা ধন দৌলত, গাড়ীবাড়ী এবং শক্তি সামর্থে এদের চেয়ে বহু গুণে বেড়ে ছিল। কিন্তু তাদের অহংকার ও ঔদ্ধত্যের কারণে তাদের মূলোৎপাটন করে দিয়েছি। ফিরআউন এবং তার লোকদের অবস্থার প্রতি লক্ষ্য করো, তাদের বাগান, প্রস্রবণ, জমিজমা, আঁকজমক পূর্ণ অট্টালিকা এবং সুউচ্চ প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ আজও বিদ্যমান রয়েছে। তাদের অন্যায়াচরণের কারণে তাদের ঐ সব কিছুই আমি ধ্বংস করে দিয়েছিলাম। মাছ সমূহ তাদেরকে গ্রাস করে ফেলেছে।

(আরবী) দ্বারা বাসভূমি ও নিয়ামত রাজিকে বুঝানো হয়েছে। (আরবী) দ্বারা মজলিস ও বৈঠককে বুঝানো হয়েছে। আরবে বৈঠক ও লোকদের একত্রিত। হওয়ার জায়গাকে (আরবী) এবং (আরবী) বলা হয়। যেমন একটি আয়াতে রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “তোমরা তোমাদের অপছন্দনীয় মজলিসে এসে থাকো।` (২৯:২৯)। মুশরিকরা বলতোঃ “পার্থিব দিক দিয়ে আমরা তোমাদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছি। পোষাক পরিচ্ছদে, ধনে, মালে এবং রূপ ও আকারে আমরা তোমাদের (মু'মিনদের) চেয়ে উত্তম।”





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।