আল কুরআন


সূরা আল-ইসরা (বনী-ইসরাঈল) (আয়াত: 54)

সূরা আল-ইসরা (বনী-ইসরাঈল) (আয়াত: 54)



হরকত ছাড়া:

ربكم أعلم بكم إن يشأ يرحمكم أو إن يشأ يعذبكم وما أرسلناك عليهم وكيلا ﴿٥٤﴾




হরকত সহ:

رَبُّکُمْ اَعْلَمُ بِکُمْ ؕ اِنْ یَّشَاْ یَرْحَمْکُمْ اَوْ اِنْ یَّشَاْ یُعَذِّبْکُمْ ؕ وَ مَاۤ اَرْسَلْنٰکَ عَلَیْهِمْ وَکِیْلًا ﴿۵۴﴾




উচ্চারণ: রাব্বুকুম আ‘লামুবিকুম ইয়ঁইয়াশা’ ইয়ারহামকুম আও ইয়ঁইয়াশা’ ইউ‘আযযি বকুম ওয়ামাআরছালনা-কা ‘আলাইহিম ওয়াকীলা-।




আল বায়ান: তোমাদের রব তোমাদের সম্পর্কে অধিক অবগত। তিনি যদি চান তোমাদের প্রতি রহম করবেন অথবা যদি চান তবে তোমাদেরকে শাস্তি দেবেন; আমি তোমাকে তাদের কর্মবিধায়ক করে প্রেরণ করিনি।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৫৪. তোমাদের রব তোমাদের সম্পর্কে অধিক অবগত। ইচ্ছে করলে তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন অথবা ইচ্ছে করলে তোমাদেরকে শাস্তি দেবেন;(১) আর আমরা আপনাকে তাদের কর্মবিধায়ক করে পাঠায়নি।(২)




তাইসীরুল ক্বুরআন: তোমাদের প্রতিপালক তোমাদেরকে খুব ভাল ক’রেই জানেন। তিনি ইচ্ছে করলে তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করবেন, আর ইচ্ছে করলে তোমাদেরকে শাস্তি দেবেন; আমি তোমাকে (হে নাবী!) তাদের কাজকর্মের জন্য দায়িত্বশীল করে পাঠাইনি।




আহসানুল বায়ান: (৫৪) তোমাদের প্রতিপালক তোমাদেরকে ভালোভাবে জানেন; ইচ্ছা করলে তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন এবং ইচ্ছা করলে তিনি তোমাদেরকে শাস্তি দেবেন।[1] আর আমি তোমাকে তাদের উপর দায়িত্বশীল করে পাঠাইনি। [2]



মুজিবুর রহমান: তোমাদের রাব্ব তোমাদেরকে ভালভাবে জানেন; ইচ্ছা করলে তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করেন এবং ইচ্ছা করলে তোমাদেরকে শাস্তি দেন; আমি তোমাকে তাদের অভিভাবক করে পাঠাইনি।



ফযলুর রহমান: তোমাদের প্রভু তোমাদের সম্বন্ধে ভাল জানেন। তিনি যদি চান তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করবেন কিংবা যদি চান তোমাদেরকে শাস্তি দেবেন। আমি তোমাকে তাদের কর্মবিধায়ক করে পাঠাইনি।



মুহিউদ্দিন খান: তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের সম্পর্কে ভালভাবে জ্ঞাত আছেন। তিনি যদি চান, তোমাদের প্রতি রহমত করবেন কিংবা যদি চান, তোমাদের আযাব দিবেন। আমি আপনাকে ওদের সবার তত্ত্বাবধায়ক রূপে প্রেরণ করিনি।



জহুরুল হক: তোমাদের প্রভু তোমাদের ভালভাবে জানেন। তিনি যদি ইচ্ছে করেন তবে তিনি তোমাদের প্রতি করুণা করবেন, অথবা তিনি যদি চান তো তোমাদের শাস্তি দেবেন। আর তোমাকে আমরা পাঠাই নি তাদের উপরে কর্ণধাররূপে।



Sahih International: Your Lord is most knowing of you. If He wills, He will have mercy upon you; or if He wills, He will punish you. And We have not sent you, [O Muhammad], over them as a manager.



তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ: কোনো তথ্য নেই।


তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ৫৪. তোমাদের রব তোমাদের সম্পর্কে অধিক অবগত। ইচ্ছে করলে তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন অথবা ইচ্ছে করলে তোমাদেরকে শাস্তি দেবেন;(১) আর আমরা আপনাকে তাদের কর্মবিধায়ক করে পাঠায়নি।(২)


তাফসীর:

১. অর্থাৎ হেদায়াতের বিষয়টি কারও হাতে নেই। এ বিষয়টির ফায়সালা একমাত্র আল্লাহর ইখতিয়ারভুক্ত। তিনিই সকল মানুষের ভিতর-বাহির এবং বর্তমান-ভবিষ্যত জানেন। কার প্রতি অনুগ্রহ করতে হবে এবং তাকে তাঁর আনুগত্যের দিকে নিয়ে আসতে হবে এটা তিনিই ভাল জানেন। আর কে এ অনুগ্রহের হকদার নয় এটাও তিনি ভাল জানেন। [ইবন কাসীর]


২. অর্থাৎ তাদের উপর আপনাকে যবরদস্তিকারী হিসেবে পাঠাইনি যে আপনি তাদেরকে জোর করে ঈমানদার বানিয়ে ছাড়বেন। তাদের জন্য আপনাকে ‘বাশীর’ বা সুসংবাদপ্রদানকারী এবং ‘নাযীর’ হিসেবেই পাঠিয়েছি। তারপর যদি কেউ আপনার আনুগত্য করে তবে সে জান্নাতে যাবে আর যদি অবাধ্য হয় তবে জাহান্নামে যাবে। [ইবন কাসীর] এ অর্থে কুরআনের অন্যান্য স্থানে বিস্তারিত বর্ণনা এসেছে। [যেমন, সূরা আল-আনআমঃ ১০৭, আয-যুমারঃ ৪১, আস-শূরাঃ ৬, কাফঃ ৪৫]


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (৫৪) তোমাদের প্রতিপালক তোমাদেরকে ভালোভাবে জানেন; ইচ্ছা করলে তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন এবং ইচ্ছা করলে তিনি তোমাদেরকে শাস্তি দেবেন।[1] আর আমি তোমাকে তাদের উপর দায়িত্বশীল করে পাঠাইনি। [2]


তাফসীর:

[1] যদি সম্বোধন মুশরিকদেরকে করা হয়ে থাকে, তবে ‘দয়া করা’র অর্থ হবে, ইসলাম গ্রহণের তওফীক দান। আর শাস্তি বলতে, মৃত্যু শিরকের উপর হওয়া, যার কারণে মানুষ শাস্তিযোগ্য গণ্য হয়। আর যদি সম্বোধন মু’মিনদের করা হয়ে থাকে, তাহলে ‘দয়া করা’র অর্থ হবে, তিনি কাফেরদের থেকে তোমাদেরকে হিফাযত করবেন। আর শাস্তি দেওয়ার অর্থ হবে, কাফেরদেরকে মুসলিমদের উপর বিজয় ও আধিপত্য দান করা।

[2] যাতে তুমি তাদেরকে অবশ্যই কুফরীর পঙ্কিলতা থেকে বের করবে অথবা তাদের কুফরীর উপর অটল থাকার ফলে সে ব্যাপারে তোমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ৫৩-৫৫ নং আয়াতের তাফসীর:



অত্র আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদেরকে উত্তম চরিত্র, আমল ও কথা বলার নির্দেশনা দিয়ে বলেন: যখন তোমরা কথা বলবে তখন যা ভাল সে কথা বলবে। মন্দ কথা বলা থেকে বিরত থাকবে, তা দীনের ব্যাপারে হোক আর দুনিয়ার ব্যাপারে হোক।



রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:



وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَاليَوْمِ الآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ



যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলা ও আখিরাতে বিশ্বাসী সে যেন ভাল কথা বলে অথবা চুপ থাকে। (সহীহ বুখারী হা: ৬০১৮)



সুতরাং কথা বলার সময় খেয়াল করা উচিত, আমি যা বলছি তা কি দীন ও দুনিয়ার জন্য কল্যাণকর, মানুষের উপকারে আসবে, না কারো ক্ষতি বয়ে নিয়ে আসবে। এসব খেয়াল করে চললে সমাজে বিশৃংখলা সৃষ্টি হবে না, হানাহানি মারামারি হবে না, বরং সকলে ভাই ভাই হিসেবে বসবাস করা যাবে। তার পরেই আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, শয়তান চায় তোমাদের মুখ দিয়ে এমন কিছু কথা বের করতে যার দ্বারা সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করবে, কারণ তার কাজই হল তোমাদের অকল্যাণ করা, সে তোমাদের কল্যাণ দেখতে পারে না। কেননা সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্র“। তার ব্যাপারে সাবধান থাকবে।



এজন্যই হাদীসে বলা হয়েছে, আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: তোমাদের কেউ যেন তার ভাইয়ের দিকে অস্ত্র দ্বারা ইশারা না করে। কেননা তার অজান্তে হয়তবা শয়তান ওটা তার ভাইয়ের গায়ে লাগিয়ে দেবে। আর এর ফলে সে জাহান্নামী হয়ে যাবে। (সহীহ বুখারী হা: ৭০৭২, সহীহ মুসলিম হা: ১২৬)



অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা বলেন: তিনি সমস্ত বিষয় সম্পর্কে অবগত আছেন, আকাশে ও জমিনে যারা অবস্থান করে তাদের সম্পর্কে তিনি জ্ঞাত। তিনি চাইলে সকল মানুষের প্রতি দয়া করতে পারেন আবার ইচ্ছা করলে শাস্তিও দিতে পারেন। এতে বুঝা যায় যে, সকল ক্ষমতা আল্লাহ তা‘আলারই হাতে। অন্য কারো হাতে নয়।



(وَلَقَدْ فَضَّلْنَا بَعْضَ.... )



এখানে নাবীদের মর্যাদার তারতম্যের কথা বলা হয়েছে। কিছু কিছু নাবীর মর্যাদা কিছু কিছু নাবীদের থেকে বেশি। এ মর্যাদা স্বয়ং আল্লাহ তা‘আলা দিয়েছেন। যেমন আদম (عليه السلام)-কে নিজ হাতে সৃষ্টি করে মর্যাদা দিয়েছেন যা অন্য কোন নাবীর নেই, নূহ (عليه السلام)-কে প্রথম রাসূল হিসেবে মর্যাদা দিয়েছেন যা অন্য নাবীদের নেই, ইবরাহীম (عليه السلام)-কে খলীল বা অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে মর্যাদা দিয়েছেন যা অন্য কোন নাবীকে দেননি, মূসা (عليه السلام)-এর সাথে সরাসরি কথা বলে কালিমুল্লাহর মর্যাদা দিয়েছেন যা অন্য কাউকে দেননি, আমাদের নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে শেষ নাবী হিসেবে মর্যাদা দিয়েছেন যা অন্যদের থেকে পৃথক।



এ সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা অন্যত্র বলেন:



(تِلْكَ الرُّسُلُ فَضَّلْنَا بَعْضَهُمْ عَلٰي بَعْضٍۭ مِنْهُمْ مَّنْ كَلَّمَ اللّٰهُ وَرَفَعَ بَعْضَهُمْ دَرَجٰتٍ) ‏



“এ সকল রাসূল যাদের কারো উপর আমি কাউকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি, তাদের মধ্যে কারও সাথে আল্লাহ কথা বলেছেন এবং কারও মর্যাদাকে সমুন্নত করেছেন।” (সূরা বাক্বারাহ ২:২৫৩)



অতএব মর্যাদার দিক দিয়ে নাবীদের মধ্যে কম-বেশি রয়েছে, তবে নির্দিষ্টভাবে বলা যাবে না, কারণ নির্দিষ্টভাবে বলা নিষেধ রয়েছে। (সহীহ বুখারী হা: ৩৩৯৫)



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:



১. কোন মন্দ কথা বলব না, কারণ মুখ শয়তানের অন্যতম একটি হাতিয়ার।

২. আল্লাহ তা‘আলার রহমত ও ক্রোধ নামে দুটি সিফাত রয়েছে।

৩. মর্যাদাগত দিক থেকে নাবীদের মাঝে পার্থক্য রয়েছে তবে তা ব্যাপকভাবে, নির্দিষ্টভাবে নয়।

৪. দাঊদ (عليه السلام)-এর মর্যাদার কথা জানা গেল।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ৫৪-৫৫ নং আয়াতের তাফসীর

মহামহিমান্বিত আল্লাহ স্বীয় নবী (সঃ) ও মু'মিনদেরকে সম্বোধন করে বলেনঃ তোমাদের মধ্যে কারা হিদায়াত লাভের যোগ্য তা তোমাদের প্রতিপালক ভালভাবেই জানেন। তিনি যার উপর চান দয়া করে থাকেন, নিজের আনুগত্যের তাওফীক দেন এবং নিজের দিকে আকৃষ্ট করেন। পক্ষান্তরে যাকে চান দুষ্কর্যের উপর পাকড়াও করেন এবং শাস্তি দেন। হে নবী (সঃ)! তোমার প্রতিপালক তোমাকে তাদের উপর দায়িত্বশীল করেন নাই। তোমার কাজ হচ্ছে শুধু তাদেরকে সতর্ক করে দেয়া। যারা তোমাকে মেনে চলবে তারা। জান্নাতে যাবে এবং যারা মানবে না তারা জাহান্নামী হবে। তোমার প্রতিপালক যমীন ও আসমানের সমস্ত দানব, মানব ও ফেরেশতার খবর রাখেন এবং প্রত্যেকের মর্যাদা সম্পর্কেও তিনি পূর্ণ ওয়াকিফহাল। তিনি একজনকে অপরজনের উপর মর্যাদা দান করেছেন। মর্যাদার দিক দিয়ে নবীদের মধ্যে শ্রেণী বিন্যাস রয়েছে। কেউ আল্লাহর সাথে কথা বলেছেন এবং কারো অন্য দিক দিয়ে মর্যাদা রয়েছে। একটি হাদীসে আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “তোমরা আমাকে নবীদের উপর ফযীলত দিয়ো না।” এর উদ্দেশ্য হচ্ছেঃ শুধু গোড়ামীর কারণে ফযীলত কায়েম করা। এর দ্বারা কুরআন ও হাদীস দ্বারা প্রমাণিত ফযীলত অস্বীকার করা উদ্দেশ্য নয়। যে নবীর যে মর্যাদা দলীলের দ্বারা প্রমাণিত তা মেনে নেয়া ওয়াজিব। সমস্ত নবীর উপর যে রাসূলুল্লাহর (সঃ) মর্যাদা রয়েছে এটা অনস্বীকার্য। আবার রাসূলদের মধ্যে স্থির প্রতিজ্ঞা পাঁচজন রাসূল বেশী মর্যাদাবান। তাঁরা হলেনঃ হযরত মুহাম্মদ (সঃ), হযরত নূহ (আঃ), হযরত ইবরাহীম (আঃ), হযরত মূসা (আঃ) এবং হযরত ঈসা (আঃ)। এই পাঁচজন রাসূলের নাম সূরায়ে আহযাবে বর্ণিত আছে। সুরায়ে শুরা (আরবি) এর এই আয়াতেও এই পাঁচজন রাসূলের নাম বিদ্যমান রয়েছে। এটাও যেমন সমস্ত উম্মত মেনে থাকে, অনুরূপভাবে এটাও সর্বজন স্বীকৃত যে, হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সঃ) সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল। তার পর হলেন হযরত ইবরাহীম (আঃ) এঁর পর হলেন হযরত মূসা (আঃ), যেমন এটা প্রসিদ্ধ হয়ে রয়েছে। আমরা এর দলীল গুলো অন্য জায়গায় বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছি। আল্লাহ তাআলাই তাওফীক প্রদানকারী।

এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ আমি দাউদকে (আঃ) যবুর প্রদান করেছিলাম। এটাও তার মর্যাদা ও আভিজাত্যের দলীল। সহীহ বুখারীতে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “হযরত দাউদের (আঃ) উপর কুরআনকে (যনূরকে) এতো সহজ করে দেয়া হয়েছিল যে, জন্তুর উপর জিন কষতে যেটুকু সময় লাগে ঐটুকু সময়ের মধ্যেই তিনি কুরআন (যনূর) পড়ে নিতেন।”





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।