আল কুরআন


সূরা আন-নাহাল (আয়াত: 58)

সূরা আন-নাহাল (আয়াত: 58)



হরকত ছাড়া:

وإذا بشر أحدهم بالأنثى ظل وجهه مسودا وهو كظيم ﴿٥٨﴾




হরকত সহ:

وَ اِذَا بُشِّرَ اَحَدُهُمْ بِالْاُنْثٰی ظَلَّ وَجْهُهٗ مُسْوَدًّا وَّ هُوَ کَظِیْمٌ ﴿ۚ۵۸﴾




উচ্চারণ: ওয়া ইযা-বুশশিরা আহাদুহুম বিলউনছা-জাল্লা ওয়াজহুহূমুছওয়াদ্দাওঁ ওয়া হুওয়া কাজীম।




আল বায়ান: আর যখন তাদের কাউকে কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেয়া হয়; তখন তার চেহারা কালো হয়ে যায়। আর সে থাকে দুঃখ ভারাক্রান্ত।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৫৮. তাদের কাউকে যখন কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেয়া হয় তখন তার মুখমন্ডল কালো হয়ে যায় এবং সে অসহনীয় মানসিক যন্ত্রণায় ক্লিষ্ট হয়(১)।




তাইসীরুল ক্বুরআন: তাদের কাউকে যখন কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেয়া হয়, তখন তার মুখ কালো হয়ে যায় আর সে অন্তর্জ্বালায় পুড়তে থাকে।




আহসানুল বায়ান: (৫৮) তাদের কাউকে যখন কন্যা-সন্তানের সুসংবাদ দেওয়া হয়, তখন তার মুখমন্ডল কাল হয়ে যায় এবং সে অসহনীয় মনস্তাপে ক্লিষ্ট হয়।



মুজিবুর রহমান: তাদের কেহকে যখন কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেয়া হয় তখন তার মুখমন্ডল কালো হয়ে যায় এবং সে অসহনীয় মনস্তাপে ক্লিষ্ট হয়।



ফযলুর রহমান: তাদের কাউকে যখন কন্যা-সন্তান জন্মের সংবাদ দেওয়া হয় তখন তার চেহারা কালো (মলিন) হয়ে যায় এবং সে বিষণ্ন হয়ে পড়ে।



মুহিউদ্দিন খান: যখন তাদের কাউকে কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেয়া হয়, তখন তারা মুখ কাল হয়ে যায় এবং অসহ্য মনস্তাপে ক্লিষ্ট হতে থাকে।



জহুরুল হক: আর যখন তাদের কাউকে সুসংবাদ দেয়া হয় মেয়েছেলের সন্বন্ধে তখন তার মুখমন্ডল কালো হয়ে যায়, আর সে হয় বড়ই ব্যথিত।



Sahih International: And when one of them is informed of [the birth of] a female, his face becomes dark, and he suppresses grief.



তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ: কোনো তথ্য নেই।


তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ৫৮. তাদের কাউকে যখন কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেয়া হয় তখন তার মুখমন্ডল কালো হয়ে যায় এবং সে অসহনীয় মানসিক যন্ত্রণায় ক্লিষ্ট হয়(১)।


তাফসীর:

(১) এর বিপরীতে ইসলাম কন্যা সন্তানকে আখেরাতের নাজাতের অসীলা নির্ধারণ করে দিয়েছে। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেনঃ এক মহিলা তার দুটি মেয়ে সন্তান সহ আমার কাছে এসে কিছু চাইল। সে আমার কাছে মাত্র একটি খেজুরই পেল। আমি তাকে তাই দিলাম। সে তা গ্রহণ করে তা দু’ভাগে ভাগ করে দু মেয়েকে দিল। নিজে কিছুই খেল না। তারপর সে দাঁড়িয়ে গেল এবং বের হয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে প্রবেশ করলে আমি তাকে ঐ মহিলা এবং তার মেয়েদের সম্পর্কে জানালাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “যে কেউ মেয়েদের নিয়ে দুঃখ কষ্টে পড়বে এবং তাদের প্রতি সদ্ব্যাবহার করবে, সেগুলো তার জন্য জাহান্নামের আগুন থেকে বাধা হয়ে দাঁড়াবে।” [বুখারীঃ ১৪১৮, মুসলিমঃ ২৬২৯]


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (৫৮) তাদের কাউকে যখন কন্যা-সন্তানের সুসংবাদ দেওয়া হয়, তখন তার মুখমন্ডল কাল হয়ে যায় এবং সে অসহনীয় মনস্তাপে ক্লিষ্ট হয়।


তাফসীর:

-


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ৫৬-৬০ নং আয়াতের তাফসীর:



এখানে কাফির-মুশরিকদের একটি নির্বুদ্ধিতার কথা বর্ণনা করা হচ্ছে। আল্লাহ তা‘আলা তাদের যে রিযিক দান করেছেন তা হতে একটি অংশ দেব-দেবী, প্রতিমা ও মা‘বূদের নামে নির্ধারণ করে রেখে দেয়, যে সকল দেব-দেবী ও প্রতিমা কিছুই জানে না এবং কোন উপকার ও ক্ষতি করতে পারে না।



আল্লাহ তা‘আলা বলেন:



(وَجَعَلُوْا لِلّٰهِ مِمَّا ذَرَأَ مِنَ الْحَرْثِ وَالْأَنْعَامِ نَصِيْبًا فَقَالُوْا هٰذَا لِلّٰهِ بِزَعْمِهِمْ وَهٰذَا لِشُرَكَا۬ئِنَا ج فَمَا كَانَ لِشُرَكَا۬ئِهِمْ فَلَا يَصِلُ إِلَي اللّٰهِ ج وَمَا كَانَ لِلّٰهِ فَهُوَ يَصِلُ إِلٰي شُرَكَا۬ئِهِمْ ط سَا۬ءَ مَا يَحْكُمُوْنَ)‏



“আল্লাহ যে শস্য ও গবাদি পশু সৃষ্টি করেছেন তন্মধ্য হতে তারা আল্লাহর জন্য একটি অংশ নির্দিষ্ট করে এবং নিজেদের ধারণা অনুযায়ী বলে, ‘এটা আল্লাহর জন্য এবং এটা আমাদের দেবতাদের জন্য’। যা তাদের দেবতাদের অংশ তা আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না এবং যা আল্লাহর অংশ তা তাদের দেবতাদের কাছে পৌঁছায়, তারা যা মীমাংসা করে তা কতই না নিকৃষ্ট!” (সূরা আনয়াম ৬:১৩৬)



এরা তো মাটি বা পাথরের তৈরি মূর্তি ও প্রতিমা, এরা কী জানবে আর মানুষের কী ক্ষতি ও উপকার করবে! সুতরাং তাদেরকে আল্লাহ তা‘আলার শরীক বানিয়ে যে অপবাদ দিয়েছে সেজন্য আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে জিজ্ঞেস করবেন ।



আর তারা ফেরেশতাদেরকে আল্লাহ তা‘আলার জন্য কন্যা সন্তান হিসেবে সাব্যস্ত করে। কিন্তু আল্লাহ তা‘আলা তা থেকে পবিত্র ও অনেক ঊর্ধ্বে। আর তারা নিজেদের জন্য যা ভাল লাগে তা সাব্যস্ত করে অর্থাৎ নিজেদের জন্য ছেলে সন্তান সাব্যস্ত করে, কন্যা সন্তান অপছন্দ করে।



আল্লাহ তা‘আলা বলেন:



(أَلَكُمُ الذَّكَرُ وَلَهُ الْأُنْثٰي -‏ تِلْكَ إِذًا قِسْمَةٌ ضِيْزٰي)‏



“তবে কি তোমাদের জন্য পুত্র, আর তাঁর জন্য কন্যা সন্তান? এই প্রকার বণ্টন তো অসঙ্গত।” (সূরা নাজম ৫৩:২১-২২)



অথচ আল্লাহ তা‘আলা সন্তান গ্রহণ করা থেকে সম্পূর্ণ পবিত্র এবং এই বিষয়ে সম্পূর্ণ মুক্ত।



আল্লাহ তা‘আলা বলেন,



(قُلْ ھُوَ اللہُ اَحَدٌﭐﺆ اَللہُ الصَّمَدُﭑﺆ لَمْ یَلِدْﺃ وَلَمْ یُوْلَدْﭒﺫ وَلَمْ یَکُنْ لَّھ۫ کُفُوًا اَحَدٌﭓ)‏



“বল:‎ তিনিই আল্লাহ একক। তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাকেও জন্ম দেয়া হয়নি। আর তাঁর সমতুল্য কেউ নেই।” (সূরা আল-ইখলাস ১১২:১-৪)



আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন:



(لَوْ أَرَادَ اللّٰهُ أَنْ يَتَّخِذَ وَلَداً لَّاصْطَفٰي مِمَّا يَخْلُقُ مَا يَشَا۬ءُ لا سُبْحَانَه۫ ط هُوَ اللّٰهُ الْوَاحِدُ الْقَهَّارُ)‏



“যদি আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করতে চাইতেন তবে তিনি অবশ্যই বেছে নিতেন নিজের সৃষ্টির মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা, তিনি পবিত্র-মহান। তিনি আল্লাহ, এক, প্রবল প্রতাপশালী।” (সূরা যুমার ৩৯:৪)



অতএব তারা আল্লাহ তা‘আলার জন্য যে সন্তান নির্ধারণ করে এটা বড়ই অপবাদমূলক একটি কথা। তার ওপর আবার কন্যা সন্তান যা তারা তাদের নিজেদের জন্য অপছন্দ করে। এটা কেমন করে শুদ্ধ হতে পারে। তাদের এ নীতি অন্যায় ছাড়া আর কিছুই নয়। এমনকি যখন তাদের কাউকে কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেয়া হয় তখন লজ্জায় তাদের মুখমণ্ডল হীন হয়ে যায় এবং তারা এটাকে একটি অপমানজনক বিষয় মনে করে। তাদের জাতি থেকে লুকিয়ে থাকে যাতে তাদের ভারাক্রান্ত মন ও দুশ্চিন্তা কেউ না দেখতে পারে। তারা চিন্তা করে কী করা যায়? অপমানের বস্তু হওয়া সত্ত্বেও কি জীবিত রাখবে, নাকি মাটিতে জীবন্ত পুঁতে ফেলে দেবে। সুতরাং তাদেরকে কন্যা সন্তানের সংবাদ দিলে যদি এ অবস্থা হয় তাহলে কীভাবে আল্লাহ তা‘আলার জন্য কন্যা সন্তান সাব্যস্ত করে?



আল্লাহ তা‘আলার বাণী:



(وَإِذَا بُشِّرَ أَحَدُهُمْ بِمَا ضَرَبَ لِلرَّحْمٰنِ مَثَلًا ظَلَّ وَجْهُه۫ مُسْوَدًّا وَّهُوَ كَظِيْمٌ)‏



“দয়াময় আল্লাহর প্রতি তারা যা আরোপ করে যখন তাদের কাউকে সেই (কন্যা সন্তানের) সংবাদ দেয়া হয় তখন তার মুখমণ্ডল কালো হয়ে যায় এবং সে দুঃখে ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ে।” (সূরা যুখরুফ ৪৩:১৭)



كَظِيْمٌ অর্থাৎ চিন্তায় ও ভারাক্রান্তে চেহারা কালো হয়ে যায়। (أَيُمْسِكُه۫ عَلٰي هُوْنٍ) অর্থাৎ দুশ্চিন্তায় চিন্তিত এবং নিশ্চুপ। কেউ বলেছেন, স্ত্রীর ওপর ক্রোধান্তিত হয়ে যায়, কেন সে কন্যা সন্তান জন্ম দিয়েছে। يَدُسُّ অর্থ পুঁতে ফেলা।



সুতরাং যারা আল্লাহ তা‘আলার সাথে শিরক করে তাদের জন্য নিকৃষ্ট ও অপূর্ণাঙ্গ উদাহরণ এই যে, কিয়ামতের দিন তাদের এ সমস্ত অপকর্মের প্রত্যেকটি বিষয়ে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং এজন্য তাদেরকে কঠোর শাস্তি প্রদান করা হবে। তাই সকলের উচিত এ ধরনের অন্যায় কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকা।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:



১. জড় পদার্থ কোন খাদ্য গ্রহণ করতে পারে না।

২. আল্লাহ তা‘আলা সন্তান গ্রহণ করা থেকে মুক্ত।

৩. মানুষ নিজের জন্য যা পছন্দ করে না, তা আল্লাহ তা‘আলার জন্য সাব্যস্ত করা নেহায়েত অন্যায়।

৪. আল্লাহর জন্যই সকল উত্তম উপমা; তিনি কোন অপূর্ণাঙ্গ ও ত্র“টিপূর্ণ উপমা হতে ঊর্ধ্বে।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ৫৬-৬০ নং আয়াতের তাফসীর

আল্লাহ তাআলা মুশরিকদের অসদাচরণ ও নির্বুদ্ধিতার খবর দিচ্ছেন যে, সবকিছু দানকারী হচ্ছেন আল্লাহ, অথচ তারা অজ্ঞানতা বশতঃ তাদের মিথ্যা মাবুদদের অংশ তাতে সাব্যস্ত করছে। তারা বলেঃ (আরবি) অর্থাৎ “এটা আল্লাহর জন্যে তাদের ধারণা অনুযায়ী এবং এটা আমাদের দেবতাদের জন্যে; যা তাদের দেবতাদের অংশ তা আল্লাহর কাছে পৌছায় না এবং যা আল্লাহর অংশ তা তাদের দেবতাদের কাছে পৌঁছায়, তারা যা মীমাংসা করে তা কতই না নিকৃষ্ট!” (৬:১৩৭) এই লোকদেরকে এর জবাবদিহি অবশ্যই করতে হবে। তাদের এই মিথ্যারোপের প্রতিফল অবশ্যই তারা পাবে এবং তা হবে জাহান্নামের আগুন।

এরপর তাদের দ্বিতীয় অন্যায় ও বোকামির বর্ণনা দেয়া হচ্ছে যে, আল্লাহ তাআলার নৈকট্যলাভকারী ফেরেশতাগণ হচ্ছেন তাদের মতে আল্লাহর কন্যা (নাঊযুবিল্লাহি মিন যালিক)। এই ভুল তো তারা করে, তদুপরি তাঁদের ইবাদতও তারা করে। এটা ভুলের উপর ভুল। এখানে তারা তিনটি অপরাধ করলো। ১. তারা আল্লাহর সন্তান সাব্যস্ত করলো, অথচ তিনি তা থেকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র। ২. সন্তানের মধ্যে আবার ঐ সন্তান আল্লাহর জন্যে নির্ধারণ করলো যা তারা নিজেদের জন্যেও পছন্দ করে না, অর্থাৎ কন্যা সন্তান। কি। উল্টো কথা? নিজেদের জন্যে নির্ধারণ করছে পুত্র সন্তান, আর আল্লাহ তাআলার জন্যে নির্ধারণ করছে কন্যা সন্তান! ৩, তাদের আবার তারা ইবাদত করছে। এটা তাদের সরাসরি অপবাদ ও মিথ্যারোপ ছাড়া কিছুই নয়। আল্লাহ তাআলার সন্তান হওয়া কি করে সম্ভব হতে পারে? তাও আবার এমন সন্তান যা তাদের নিজেদের কাছে খুবই নিকৃষ্ট ও হীন। কেমন বোকামি যে, আল্লাহ তাদেরকে দিবেন পুত্র সন্তান আর নিজের জন্যে রাখবেন মেয়ে সন্তান! আল্লাহ এর থেকে বরং সন্তান হতেই পবিত্র।

যখন তাদেরকে খবর দেয়া হয় যে, তাদের মেয়ে সন্তান জন্ম গ্রহণ করেছে, তখন লজ্জায় তাদের মুখ কালো হয়ে যায় এবং মুখ দিয়ে কথা সরে না। তারা লোকদের কাছে আত্মগোপন করে থাকে। তারা চিন্তা করেঃ এখন কি করা যায়? যদি এ কন্যা সন্তানকে জীবিত রাখা যায়, তবে এটাতো খুবই লজ্জার কথা! সে তো উত্তরাধিকারিণীও হবে না এবং তাকে কিছু একটা মনে করাও হবে না। সুতরাং পুত্র সন্তানকেই এর উপর প্রাধান্য দেয়া হোক। মোট কথা তাকে জীবিত রাখলেও তার প্রতি অত্যন্ত অবহেলা প্রদর্শন করাহয়। অন্যথায় তাকে জীবন্তই কবর দিয়ে দেয়া হয়। এই অবস্থা তো তার নিজের। আবার আল্লাহর জন্যে এই জিনিসই সাব্যস্ত করে। সুতরাং তাদের এই মীমাংসা কতই নী জঘন্য! এই বন্টন কতই না নির্লজ্জতাপূর্ণ বন্টন! আল্লাহর জন্যে যা সাব্যস্ত করছে তা নিজের জন্যে কঠিন অপমানের কারণ মনে করছে! প্রকৃত ব্যাপার এই যে, তারা হচ্ছে অতি নিকৃষ্ট প্রকতির অধিকারী, আর আল্লাহ তো হচ্ছেন অতি মহৎ প্রকৃতির অধিকারী এবং তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়, মহিমাময় ও মহানুভব।





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।