আল কুরআন


সূরা আল-আ‘রাফ (আয়াত: 39)

সূরা আল-আ‘রাফ (আয়াত: 39)



হরকত ছাড়া:

وقالت أولاهم لأخراهم فما كان لكم علينا من فضل فذوقوا العذاب بما كنتم تكسبون ﴿٣٩﴾




হরকত সহ:

وَ قَالَتْ اُوْلٰىهُمْ لِاُخْرٰىهُمْ فَمَا کَانَ لَکُمْ عَلَیْنَا مِنْ فَضْلٍ فَذُوْقُوا الْعَذَابَ بِمَا کُنْتُمْ تَکْسِبُوْنَ ﴿۳۹﴾




উচ্চারণ: ওয়া কা-লাত ঊলা-হুম লিউখরা-হুম ফামা-কা-না লাকুম‘আলাইনা-মিন ফাদলিন ফাযূকুল ‘আযা-বা বিমা-কুনতুম তাকছিবূন।




আল বায়ান: আর তাদের পূর্ববর্তী দল পরবর্তী দলকে বলবে, ‘তাহলে আমাদের উপর তোমাদের কোন শ্রেষ্ঠত্ব নেই। অতএব তোমরা যা অর্জন করেছিলে, তার কারণে তোমরা আযাব আস্বাদন কর’।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৩৯. আর তাদের পূর্ববর্তীরা পরবর্তীদেরকে বলবে, আমাদের উপর তোমাদের কোন শ্রেষ্ঠত্ব নেই, কাজেই তোমরা যা অর্জন করেছিলে, তার জন্য শাস্তি ভোগ কর।(১)




তাইসীরুল ক্বুরআন: তাদের পূর্ববর্তী দল (আগের জেনারেশন) পরবর্তী দলকে (পরের জেনারেশনকে) বলবে, ‘আমাদের চেয়ে তোমাদের বেশি কোন মর্যাদা নেই, কাজেই তোমাদের কৃতকর্মের জন্য শাস্তিও স্বাদ গ্রহণ কর।’




আহসানুল বায়ান: (৩৯) আর তাদের পূর্ববর্তীরা তাদের পরবর্তীদেরকে বলবে, ‘আমাদের উপর তোমাদের কোন শ্রেষ্ঠত্ব নেই, সুতরাং তোমরা নিজেদের কৃতকর্মের ফল ভোগ করতে থাক।’



মুজিবুর রহমান: অতঃপর পূর্ববর্তী লোকেরা পরবর্তী লোকদেরকে বলবেঃ আমাদের উপর তোমাদের কোন শ্রেষ্ঠত্ব নেই, তোমরা তোমাদের কৃতকর্মের ফল স্বরূপ শাস্তি ভোগ করতে থাক।



ফযলুর রহমান: পূর্ববর্তীরা পরবর্তীদের বলবে, “আমাদের ওপর তোমাদের কোন শ্রেষ্ঠত্ব নেই; অতএব, তোমাদের কৃতকর্মের জন্য শাস্তি আস্বাদন কর।”



মুহিউদ্দিন খান: পূর্ববর্তীরা পরবর্তীদেরকে বলবেঃ তাহলে আমাদের উপর তোমাদের কোন শ্রেষ্ঠত্ব নেই অতএব, শাস্তি আস্বাদন কর স্বীয় কর্মের কারণে।



জহুরুল হক: আর তাদের অগ্রগামীরা তাদের পশ্চাদগামীদের বলবে -- "তাহলে তোমাদের কারণে আমাদের উপরে কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই, অতএব তোমরা যা অর্জন করে যাচ্ছিলে তার জন্য শাস্তি আস্বাদন করো।"



Sahih International: And the first of them will say to the last of them, "Then you had not any favor over us, so taste the punishment for what you used to earn."



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ৩৯. আর তাদের পূর্ববর্তীরা পরবর্তীদেরকে বলবে, আমাদের উপর তোমাদের কোন শ্রেষ্ঠত্ব নেই, কাজেই তোমরা যা অর্জন করেছিলে, তার জন্য শাস্তি ভোগ কর।(১)


তাফসীর:

(১) এ থেকে জানা গেল যে, যে ব্যক্তি বা দল কোন ভুল চিন্তা বা কর্মনীতির ভিত রচনা করে সে কেবল নিজের ভুলের ও গোনাহের জন্য দায়ী হয় না বরং দুনিয়ায় যতগুলো লোক তার দ্বারা প্রভাবিত হয় তাদের সবার গোনাহের একটি অংশও তার আমলনামায় লিখিত হতে থাকে। এ বিষয়টি বিভিন্ন হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত হয়েছে।


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (৩৯) আর তাদের পূর্ববর্তীরা তাদের পরবর্তীদেরকে বলবে, ‘আমাদের উপর তোমাদের কোন শ্রেষ্ঠত্ব নেই, সুতরাং তোমরা নিজেদের কৃতকর্মের ফল ভোগ করতে থাক।’


তাফসীর:

-


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ৩৪-৩৯ নং আয়াতের তাফসীর:



এ আয়াতগুলোতে সে সকল ঈমানদারদের শুভ পরিণামের সুসংবাদ দেয়া হয়েছে যারা আল্লাহভীরু ও নেক আমলে সজ্জিত। তাদের কোন চিন্তা নেই, কোন ভয় নেই। পক্ষান্তরে যারা কুফরী করে ঈমান আনতে অহঙ্কার করে তাদের জন্য জাহান্নাম। তাদের বর্ণনা ৪০ নং আয়াতে আরো আসছে।



(وَلِكُلِّ أُمَّةٍ أَجَلٌ)



‘প্রত্যেক জাতির জন্য এক নির্দিষ্ট সময় আছে’ অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলা দুনিয়াতে বানী আদমকে পাঠিয়ে একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। কোন জাতিই আল্লাহ তা‘আলা কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের আগে দুনিয়া ছেড়ে যাবে না এবং পরেও যাবে না। ৩৭ নং আয়াতের তাফসীর পূর্বের সূরাগুলোতে করা হয়েছে।



(ادْخُلُوْا فِيْٓ أُمَمٍ)



‘তোমাদের পূর্বে যে জিন ও মানবদল গত হয়েছে তাদের সাথে তোমরা জাহান্নামে প্রবেশ কর’। অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামতের দিন মুশরিকদেরকে ঐ সকল জিন ও মানুষের সাথে জাহান্নামে প্রবেশ করতে বলবেন যারা আল্লাহ তা‘আলার আয়াতকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করত এবং তাদের মত মুশরিক ছিল।



(لَّعَنَتْ أُخْتَهَا)



‘অপর দলকে তারা অভিসম্পাত করবে’ অর্থাৎ যখনই একদল জাহান্নামে প্রবেশ করবে তখনই অন্যদল তাদের অভিশাপ করবে। কারণ পূর্ববর্তী পথভ্রষ্টরা পরবর্তীদেরকে তাদের পথে ডেকে পথভ্রষ্ট করেছে।



(إِذَا ادَّارَكُوْا فِيْهَا)



‘যখন সকলে তাতে একত্রিত হবে’ অর্থাৎ যখনই পূর্ববর্তী ও পরবর্তী উভয় দল জাহান্নামে একত্রিত হবে তখনই পরবর্তীরা বলবে পূর্ববর্তীরা আমাদের পথভ্রষ্ট করেছে। তাই তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি দাও।



অন্যত্র আল্লাহ তা‘আলা বলেন:



(يَوْمَ تُقَلَّبُ وُجُوْهُهُمْ فِي النَّارِ يَقُوْلُوْنَ يٰلَيْتَنَآ أَطَعْنَا اللّٰهَ وَأَطَعْنَا الرَّسُوْلَا - وَقَالُوْا رَبَّنَآ إِنَّآ أَطَعْنَا سَادَتَنَا وَكُبَرَا۬ءَنَا فَأَضَلُّوْنَا السَّبِيْلَا)



“যেদিন তাদের চেহারা জাহান্নামের আগুনের মধ্যে উলট-পালট করা হবে সেদিন তারা বলবে- হায়! আমরা যদি আল্লাহ ও রাসূলের আদেশ পালন করতাম! তারা আরো বলবে- হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা তো অনুসরণ করেছিলাম আমাদের নেতাদের এবং আমাদের প্রধানদের। অতএব তারাই আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছিল।” (সূরা আহযাব ৩৩:৬৬-৬৮)



(لِكُلٍّ ضِعْفٌ)



‘প্রত্যেকের জন্য দ্বিগুণ রয়েছে’ অর্থাৎ প্রত্যেককে আল্লাহ তা‘আলা আযাব দ্বিগুণ করে দেবেন।



আল্লাহ তা‘আলা বলেন:



(اَلَّذِيْنَ كَفَرُوْا وَصَدُّوْا عَنْ سَبِيْلِ اللّٰهِ زِدْنٰهُمْ عَذَابًا فَوْقَ الْعَذَابِ بِمَا كَانُوْا يُفْسِدُوْنَ)



“আমি শাস্তি‎র পর শাস্তি‎ বৃদ্ধি করব কাফিরদের ও আল্লাহর পথে বাধাদানকারিদের; কারণ তারা অশান্তি‎ সৃষ্টি করত।” (সূরা নাহল ১৬:৮৮)



(فَمَا كَانَ لَكُمْ عَلَيْنَا مِنْ فَضْلٍ)



‘আমাদের ওপর তোমাদের কোন শ্রেষ্ঠত্ব ছিল না’ অর্থাৎ পূর্ববর্তী পথভ্রষ্টরা পরবর্তীদের বলবে তোমাদের ওপর আমাদের কোন কর্তৃত্ব ছিল না বরং তোমরা নিজেরাই পথহারা হয়েছ।



অন্যত্র আল্লাহ তা‘আলা বলেন: “তুমি যদি দেখতে জালিমদেরকে যখন তাদের প্রতিপালকের সামনে দণ্ডায়মান করা হবে, তখন তারা পরস্পর বাদ-প্রতিবাদ করতে থাকবে, যাদেরকে দুর্বল মনে করা হত তারা অহঙ্কারকারীদেরকে বলবে: তোমরা না থাকলে আমরা অবশ্যই মু’মিন হতাম। অহঙ্কারীরা যাদেরকে দুর্বল মনে করত তাদেরকে বলবে: তোমাদের নিকট সৎ পথের দিশা আসার পর আমরা কি তোমাদেরকে তা হতে নিবৃত্ত করেছিলাম? বস্তুতঃ তোমরাই তো ছিলে অপরাধী।” (সূরা সাবা ৩৪:৩১-৩২)



সুতরাং কিয়ামতের মাঠে কারো ওপর দোষ চাপানোর সুযোগ থাকবে না। আজ যে সকল মন-পূজারী লোকেদের সাথে চলছি তারাও সেদিন অস্বীকার করবে। তাই সময় থাকতে আমাদের সতর্ক হওয়া উচিত।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:



১. প্রত্যেকের জন্য নির্ধারিত আয়ু বা সময় বেঁধে দেয়া আছে। এর আগেও নয় এবং পরেও নয় বরং যথাসময়ে তাকে বিদায় নিতে হবে।

২. যারা সত্যিকার মু’মিন পরকালে তাদের কোন ভয় ও কোন দুশ্চিন্তা থাকবে না। আর যারা কাফির তাদের কোন নিরাপত্তা থাকবে না।

৩. সকল পাপাচারীগণ এক সাথে জাহান্নামে থাকবে এবং একে অপরকে দোষারোপ করবে, কিন্তু এতে কোন ফল হবে না।

৪. যারা অন্যের প্ররোচনায় পথভ্রষ্ট হয়েছে সেদিন তাদের দোহাই দিয়ে পার পাওয়া যাবে না।

৫. পথভ্রষ্টকারী ও অনুসারী সকলের জন্য শাস্তি দ্বিগুণ করে দেয়া হবে।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ৩৮-৩৯ নং আয়াতের তাফসীর:

আল্লাহ পাক তার উপর মিথ্যা আরোপকারী মুশরিকদের সম্পর্কে সংবাদ দিচ্ছেন যে, যখন তাদেরকে বলা হবে- তোমরা তোমাদের মত ঐ দলগুলোর সাথে মিলিত হয়ে যাও যাদের মধ্যে তোমাদের গুণাবলী বিদ্যমান ছিল এবং যারা তোমাদের পূর্বে দুনিয়া হতে বিদায় গ্রহণ করেছিল। তারা মানবের অন্তর্ভুক্তই হাক অথবা দানবেরই অন্তর্ভুক্ত হাক। অতঃপর তোমরা সবাই জাহান্নামের পথ ধর। (আরবী)-এটা (আরবী) -এর (আরবী) হতে পারে আবার এও সম্ভাবনা রয়েছে যে, (আরবী) ব্যবহৃত হয়েছে (আরবী)-এর অর্থে।

আল্লাহ পাকের উক্তিঃ (আরবী) অর্থাৎ যখন একটা নতুন দলকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে তখন একদল অপর দলকে ভালমন্দ বলতে শুরু করবে। হযরত খলীল (আঃ) বলেছেন যে, কিয়ামতের দিন এক কাফির অন্য কাফিরের বিরোধী হয়ে যাবে এবং একে অপরকে ভালমন্দ বলবে। ইরশাদ হচ্ছে- যখন অনুসারী কাফিররা অনুসৃত কাফিরদের প্রতি অত্যন্ত অসন্তুষ্টি প্রকাশ করবে এবং যখন তারা আল্লাহর শাস্তি স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করবে, আর তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে, তখন এই অনুসারীরা বলবেঃ “যদি পুনরায় আমাদেরকে দুনিয়ায় ফিরিয়ে দেয়া হতো তবে যেমন আজ এরা আমাদের থেকে পৃথক হয়ে গেছে তেমনই আমরাও এদের প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে প্রতিশোধ নিয়ে নিতাম!” আল্লাহ তাআলা এভাবেই তাদের আমল দুঃখ ও আফসোসরূপে তাদের সামনে পেশ করবেন। কিন্তু জাহান্নাম থেকে কোনক্রমেই তারা বের হতে পারবে না। শেষ পর্যন্ত তারা সবাই জাহান্নামে একত্রিত হবে। জাহান্নামে প্রবেশ করার পর অনুসারীরা অনুসৃতদের বিরুদ্ধে আল্লাহ পাকের নিকট অভিযোগ করবে। কারণ তাদের তুলনায় অনুসৃতদের অপরাধ বেশী ছিল এবং তারা তাদের পূর্বেই জাহান্নামে প্রবেশ করেছিল। তারা বলবেঃ “হে আমাদের প্রভু! এরাই আমাদেরকে সোজা-সরল পথ থেকে ভ্রষ্ট করেছিল। সুতরাং এদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি প্রদান করুন। যেমন আল্লাহ পাক বলেনঃ “যেই দিন আগুনে পোড়ে তাদের মুখমণ্ডল কালো হয়ে যাবে, তারা বলবে- যদি আমরা আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (সঃ)-এর অনুসরণ করতাম! হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা আমাদের বড়দের কথা মেনে চলেছিলাম। তারাই আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছিল। হে আল্লাহ! তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি প্রদান করুন! আল্লাহ তা'আলা তখন বলবেন না, বরং তোমাদের সকলকেই আমি দ্বিগুণ শাস্তি প্রদান করবো।” যেমন আল্লাহ তা'আলা অন্য জায়গায় বলেনঃ “যারা কুফরী করে এবং লোকদেরকে আল্লাহর পথে আসতে বাধা দেয়, আমি তাদের শাস্তি বৃদ্ধি করে দেবো, তারা নিজেদের পাপের বোঝাও বহন করবে এবং অন্যদের পাপের বোঝাও বহন করবে।” যা হাক, অনুসৃতেরা অনুসারীদেরকে বলবে-আজকে আমাদের উপর তোমাদের কি শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে? আমরা যেমন নিজে নিজেই পথভ্রষ্ট হয়েছিলাম, তোমরাও দ্রুপ আপনা আপনি পথভ্রষ্ট হয়েছিল। সুতরাং এখন নিজেদের আমলের স্বাদ গ্রহণ কর। তাদের অবস্থা এই রূপই যার সংবাদ আল্লাহ পাক দিয়েছেনঃ “হে নবী (সঃ)! যদি তুমি ঐ কাফিরদেরকে দেখতে যে, তারা তাদের প্রভুর সামনে দণ্ডায়মান থাকবে এবং একে অপরের প্রতি দোষারোপ করবে। অনুসারীরা অনুসৃতদেরকে বলবে- তোমরা না থাকলে আমরা মুমিন হতাম। তখন অনুসৃতরা অনুসারীদেরকে বলবে- আমরা তো তোমাদেরকে হিদায়াত লাভে বাধা প্রদান করিনি বরং তোমরা নিজেরাই পথভ্রষ্ট হয়েছিলে। তোমরা নিজেদের বিবেক বুদ্ধি দ্বারা কাজ কেন করনি? তখন অনুসারীরা অনুসৃতদেরকে বলবে- এটাতো ছিল আমাদেরকে তোমাদের রাত দিন পথভ্রষ্ট করারই ফল! তোমরা আমাদেরকে কুফরী করতে বাধ্য করতে এবং আল্লাহর শরীক স্থাপন করতে! তারপর তারা মনে মনে লজ্জিত হয়ে যাবে। এমতাবস্থায় তারা আল্লাহর শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে এবং আমি (আল্লাহ) তাদের স্কন্ধে গলাবন্ধ পরিয়ে দেবো এবং তারা যেরূপ কাজ করতো সেরূপই বিনিময় প্রাপ্ত হবে।”





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।