আল কুরআন


সূরা আল-কলম (আয়াত: 34)

সূরা আল-কলম (আয়াত: 34)



হরকত ছাড়া:

إن للمتقين عند ربهم جنات النعيم ﴿٣٤﴾




হরকত সহ:

اِنَّ لِلْمُتَّقِیْنَ عِنْدَ رَبِّهِمْ جَنّٰتِ النَّعِیْمِ ﴿۳۴﴾




উচ্চারণ: ইন্না লিলমুত্তাকীনা ‘ইনদা রাব্বিহিম জান্না-তিন না‘ঈম।




আল বায়ান: নিশ্চয় মুত্তাকীদের জন্য তাদের রবের কাছে রয়েছে নিআমতপূর্ণ জান্নাত।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৩৪. নিশ্চয় মুত্তাকীদের জন্য রয়েছে নেয়ামতপূর্ণ জান্নাত তাদের রবের কাছে।




তাইসীরুল ক্বুরআন: মুত্তাক্বীদের জন্য তাদের প্রতিপালকের নিকট আছে নি‘মাতে পরিপূর্ণ জান্নাত।




আহসানুল বায়ান: (৩৪) আল্লাহভীরুদের জন্য তাদের প্রতিপালকের নিকট অবশ্যই ভোগ-বিলাসপূর্ণ জান্নাত রয়েছে।



মুজিবুর রহমান: মুত্তাকীদের জন্য অবশ্যই রয়েছে ভোগ বিলাসপূর্ণ জান্নাত, তাদের রবের নিকট।



ফযলুর রহমান: মোত্তাকীদের জন্য তাদের প্রভুর কাছে রয়েছে সুখের জান্নাত।



মুহিউদ্দিন খান: মোত্তাকীদের জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে নেয়ামতের জান্নাত।



জহুরুল হক: নিঃসন্দেহ ধর্মভীরুদের জন্য তাদের প্রভুর কাছে রয়েছে আনন্দময় উদ্যান-সমূহ।



Sahih International: Indeed, for the righteous with their Lord are the Gardens of Pleasure.



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ৩৪. নিশ্চয় মুত্তাকীদের জন্য রয়েছে নেয়ামতপূর্ণ জান্নাত তাদের রবের কাছে।


তাফসীর:

-


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (৩৪) আল্লাহভীরুদের জন্য তাদের প্রতিপালকের নিকট অবশ্যই ভোগ-বিলাসপূর্ণ জান্নাত রয়েছে।


তাফসীর:

-


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ৩৪-৪১ নম্বর আয়াতের তাফসীর :



দুনিয়ার বাগানের মালিকের অবস্থা বর্ণনা এবং তাদের অবাধ্যতার কারণে যে শাস্তি আপতিত হয়েছে তার বিবরণ তুলে ধরার পর আল্লাহভীরু লোকদের অবস্থা বর্ণনা করছেন। তারা আখেরাতে এমন জান্নাত লাভ করবে যার নেয়ামত শেষ হবে না এবং হ্্রাস পাবে না। আর তা নষ্টও হবে না। মুুমিন-মুসলিমকে আল্লাহ তা‘আলা অপরাধীর মত অপমানিত করবেন না।



(كِتٰبٌ فِيْهِ تَدْرُسُوْنَ)



অর্থাৎ তোমাদের নিকট কি এমন কিতাব আছে যাতে বলা হয়েছে- তোমরা যা চাইবে তাই পাবে? নাকি আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোন প্রতিশ্র“তি আছে যা কিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। অর্থাৎ এ সবের কিছ্ইু নেই।



(بَالِغَةٌ إِلٰي يَوْمِ الْقِيٰمَةِ)



অর্থাৎ তোমাদের কি আল্লাহ তা‘আলার সাথে এমন কোন প্রতিশ্র“তি আছে যে, তা তোমাদেরকে জান্নাতে পৌঁছে দেবে।

زعيم অর্থাৎ তারা যে এসব দাবী করছে সেজন্য কে দায়িত্বভার নেবে? নাকি এ বিষয়ে তাদের কোন শরীক আছে? যদি থাকে তাহলে তা নিয়ে আসতে বল। না, তারা কখনো পারবে না এবং কেউ দায়িত্বও নেবে না। অতএব আখিরাতে তাদের জন্য রয়েছে অপমানজনক শাস্তি।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয় :



১. অপরাধীরা কখনো মু’মিনদের সমান হতে পারে না।

২. মু’মিনরা এমন জান্নাত পাবে যা কখনো শেষ হবে না।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ৩৪-৪১ নং আয়াতের তাফসীর

উপরে পার্থিব বাগানের মালিকদের অবস্থা বর্ণিত হয়েছে এবং তারা আল্লাহর অবাধ্যাচরণ এবং তার হুকুমের বিরোধিতা করার কারণে তাদের উপর যে বিপদ আপতিত হয়েছিল তা আল্লাহ তা’আলা বর্ণনা করেছেন। এখানে ঐ আল্লাহভীরু লোকদের অবস্থা বর্ণনা করা হয়েছে যারা আখিরাতে এমন জান্নাত লাভ করবে যার নিয়ামত শেষও হবে না এবং হ্রাসও পাবে না। আর তা পঁচে গলেও যাবে না।

এরপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ আমি কি আত্মসমর্পণকারীদেরকে অপরাধীদের সদৃশ গণ্য করবো? অর্থাৎ মুসলিম ও পাপীরা কি কখনো সমান হতে পারে? যমীন ও আসমানের শপথ! এটা কখনো হতে পারে না।

আল্লাহ পাক বলেনঃ তোমাদের কী হয়েছে? তোমাদের এ কেমন সিদ্ধান্ত? তোমাদের হাতে কি আল্লাহ তা’আলার পক্ষ হতে অবতারিত এমন কোন কিতাব রয়েছে যা তোমাদের কাছে রক্ষিত রয়েছে এবং পূর্ববর্তীদের নিকট হতে তোমরা তা প্রাপ্ত হয়েছে? আর তাতে তা-ই রয়েছে যা তোমরা চাচ্ছ ও বলছো? অথবা তোমাদের সাথে কি আমার কোন দৃঢ় অঙ্গীকার রয়েছে যে, তোমরা যা কিছু বলছো তা হবেই? এবং তোমাদের এই বাজে ও ঘৃণ্য বাসনা পূর্ণ হয়েই যাবে?

এরপর আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা স্বীয় নবী (সঃ)-কে বলেনঃ হে নবী (সঃ)! তুমি তাদেরকে জিজ্ঞেস কর যে, তাদের মধ্যের এই দাবীর যিম্মাদার কে? তাদের কি কোন দেব-দেবী আছে? থাকলে তারা তাদের ঐ দেব-দেবীদেরকে উপস্থিত করুক, যদি তারা সত্যবাদী হয়।





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।