সূরা আন-নাজম (আয়াত: 60)
হরকত ছাড়া:
وتضحكون ولا تبكون ﴿٦٠﴾
হরকত সহ:
وَ تَضْحَکُوْنَ وَ لَا تَبْکُوْنَ ﴿ۙ۶۰﴾
উচ্চারণ: ওয়া তাদহাকূনা ওয়ালা-তাবকূন।
আল বায়ান: আর হাসছ এবং কাঁদছ না?
আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৬০. আর হাসি-ঠাট্টা করছ! এবং কাঁদছ না!(১)
তাইসীরুল ক্বুরআন: আর হাসছ, কাঁদছ না?
আহসানুল বায়ান: (৬০) এবং হাসি-ঠাট্টা করছ! ক্রন্দন করছ না?
মুজিবুর রহমান: এবং হাসি- ঠাট্টা করছ! ক্রন্দন করছনা?
ফযলুর রহমান: তোমরা হাসি-ঠাট্টা করছ, কাঁদছ না।
মুহিউদ্দিন খান: এবং হাসছ-ক্রন্দন করছ না?
জহুরুল হক: আর তোমরা কি হাসছ, তোমরা কি আর কাঁদবে না?
Sahih International: And you laugh and do not weep
তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ: কোনো তথ্য নেই।
তাফসীরে যাকারিয়া
অনুবাদ: ৬০. আর হাসি-ঠাট্টা করছ! এবং কাঁদছ না!(১)
তাফসীর:
(১) (هَٰذَا الْحَدِيثِ) বলে কুরআন বোঝানো হয়েছে। [কুরতুবী] অর্থ এই যে, কুরআন স্বয়ং তোমাদের সামনে এসে গেছে। এ জন্যেও কি তোমরা আশ্চর্যবোধ করছ, উপহাসের ছলে হাস্য করছ এবং গোনাহ ও ত্রুটির কারণে ক্ৰন্দন করছ না? [মুয়াস্সার]
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
অনুবাদ: (৬০) এবং হাসি-ঠাট্টা করছ! ক্রন্দন করছ না?
তাফসীর:
-
তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ
তাফসীর: ৫৬-৬২ নম্বর ¬আয়াতের তাফসীর :
পূর্বের আয়াতগুলোতে আল্লাহ তা‘আলার রুবুবিয়্যাহ ও অসীম ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনার পর পূর্ববর্তী কয়েকটি ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতির বর্ণনা করে আমাদের সতর্ক করে আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন : তাদের নিকট সতর্ককারী রাসূলগণ এসেছিলেন কিন্তু তারা অবাধ্য ও জালিম হয়েছিল বিধায় তাদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছি। অতএব তোমাদের কাছে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করলাম যাতে তোমরা সতর্কতা অবলম্বন করে চলো। মুহাম্মাদ বিন কাব বলেন : هٰذَا نَذِيْرٌ দ্বারা উদ্দেশ্য হল মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। পূর্ববর্তী ভীতি প্রদর্শনকারীগণ যে ভয় প্রদর্শন করে গিয়েছেন এ নাবীও তেমন একজন সত্যিকার ভীতি প্রদর্শনকারী। যদি তোমরা তাঁর অনুসরণ কর তাহলে তোমরা সফলকাম হবে। অন্যথায় পূর্ববর্তী জাতিদের মধ্যে যারা নাবীদেরকে মিথ্যাপ্রতিপন্ন করেছে তাদের ওপর যেমন শাস্তি এসেছিল তেমনি তোমাদের ওপরও আসবে (কুরতুবী)।
অতএব আমাদের আল্লাহ তা‘আলা ও রাসূলের আনুগত্য করে চলা উচিত। অন্যথায় পূর্ববতীদের মত শাস্তি গ্রাস করে নেবে।
(اَزِفَتِ الْاٰزِفَةُ)
অর্থাৎ কিয়ামত অতি নিকটবর্তী। কিয়ামতকে الْاٰزِفَةُ নামে নামকরণের কারণ হল অচিরেই তা বাস্তবায়িত হবে। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন :
(إِنَّهُمْ يَرَوْنَه۫ بَعِيْدًا وَّنَرَاهُ قَرِيْبًا)
“নিশ্চয়ই তারা ঐ দিনকে অনেক দূরে মনে করে, কিন্তু আমি তা দেখছি নিকটে।” (সূরা মাআরিজ ৭০ : ৬-৭)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন :
مَثَلِي وَمَثَلُ السَّاعَةِ كَهَاتَيْنِ `. وَفَرَّقَ بَيْنَ إِصْبُعَيْهِ الْوُسْطَي وَالَّتِي تَلِي الْإِبْهَامَ
আমার ও কিয়ামতের উদাহরণ হল এরূপ। এ কথা বলে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মধ্যমা ও তার সাথের আঙ্গুলের মাঝে ফাঁক করে দেখালেন। (মুসনাদে আহমাদ হা. ২২৮০৯)
(لَيْسَ لَهَا مِنْ دُوْنِ اللّٰهِ كَاشِفَةٌ)
‘আল্লাহ ছাড়া কেউই এটা ব্যক্ত করতে সক্ষম নয়’ অর্থাৎ কিয়ামত কখন সংঘটিত হবে আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। আল্লাহ তা‘আলা ছাড়া তা কেউ আগিয়ে নিয়ে আসতে পারবে না এবং পিছাতেও পারবে না। আবার বলা হয় কিয়ামত আল্লাহ তা‘আলা ছাড়া কেউ ঘটাতে পারবে না।
(أَفَمِنْ هٰذَا الْحَدِيْثِ تَعْجَبُوْنَ)
‘তোমরা কি এই কথায় (কুরআনে) বিস্ময়বোধ করছ’ অর্থাৎ কুরআন আল্লাহ তা‘আলার কালাম, জিবরীল (আঃ) নাবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওপর নাযিল করেছেন এবং তা একটি নির্ভুল আসমানী কিতাব- এ কারণে তোমরা আশ্চর্যবোধ করছ? এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছুই নেই বরং তোমরা কুরআনের সাথে ঠাট্টা-বিদ্রƒপ করে হাসাহাসি করছ, আল্লাহ তা‘আলার শাস্তিকে ভয় করে কাঁদছ না। এখানে حديث বলতে কুরআনকে বুঝানো হয়েছে। এ ছাড়াও অনেক আয়াত রয়েছে যেখানে কুরআনকে হাদীস বলা হয়েছে। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন :
(فَلَعَلَّكَ بَاخِعٌ نَّفْسَكَ عَلٰٓي اٰثَارِهِمْ إِنْ لَّمْ يُؤْمِنُوْا بِهٰذَا الْحَدِيْثِ أَسَفًا)
“তারা এ হাদীসকে (কুরআনকে) বিশ্বাস না করলে সম্ভবত তাদের পেছনে ঘুরে তুমি দুঃখে নিজেকে ধ্বংস করে দেবে।” (সূরা কাহ্ফ ১৮ : ৬)
سامدون এর سامد অর্থ গাফেল, অসচেতন। অর্থাৎ কুরআন থেকে তোমরা বিমুখ ও গাফেল। এটা তোমাদের জ্ঞানের সল্পতা ও ধর্মের প্রতি তাচ্ছিল্যতা।
(فَاسْجُدُوْا لِلّٰهِ وَاعْبُدُوْا)
‘অতএব তোমরা আল্লাহকে সিজদা কর এবং তাঁর ইবাদত কর’ এটা সিজদার আয়াত। সিজদার বিধান সম্পর্কে সূরা আল আ‘রাফ-এর শেষ আয়াতে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে।
আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন : সিজদার আয়াত সম্বলিত অবতীর্ণ হওয়া সর্বপ্রথম সূরা হলো আন নাজম। এ সূরার মধ্যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিজদা করলেন এবং সিজদা করল তাঁর পেছনের সকল লোক। তবে এক ব্যক্তিকে আমি দেখলাম, এক মুষ্টি মাটি হাতে তুলে তাতে সিজদা করছে। এরপর আমি তাকে কাফির অবস্থায় নিহত হতে দেখেছি। সে হল উমাইয়াহ বিন খালফ। (সহীহ বুখারী হা. ৪৮৬৩, সহীহ মুসলিম হা. ৫৭৬)
আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয় :
১. কিয়ামত অতি নিকটবর্তী।
২. বেশি বেশি কান্না করার প্রতি উৎসাহ প্রদান করা হচ্ছে।
৩. বেশি বেশি হাসাকে নিন্দা করা হয়েছে।
৪. এ সিজদার আয়াতের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো মুশরিকরাও নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে কা‘বার পাশে সিজদাবনত হয়েছিল।
তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)
তাফসীর: ৫৬-৬২ নং আয়াতের তাফসীর:
ইনি অর্থাৎ হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) ভয় প্রদর্শক। তাঁর রিসালাত পূর্ববর্তী রাসূলদের রিসালাতের মতই। যেমন আল্লাহ তা'আলা অন্য জায়গায় বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “ (হে নবী সঃ)! তুমি বলঃ আমি নতুন রাসূল তো নই।” (৪৬:৯) অর্থাৎ রিসালাত তো আমা হতে শুরু হয়নি। বরং আমার পূর্বে দুনিয়ায় বহু রাসূল আগমন করেছিলেন।
মহান আল্লাহ বলেনঃ কিয়ামত আসন্ন। না এটাকে কেউ প্রতিরোধ করতে পারবে, না এর নির্ধারিত সময়ের অবগতি আল্লাহ ছাড়া আর কারো আছে। অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া এটা সংঘটনের নির্দিষ্ট সময় কারো জানা নেই।
আরবী ভাষায় (আরবী) ওকে বলা হয়, যেমন একটি দল রয়েছে, যাদের মধ্যে একটি লোক কোন ভয়ের জিনিস দেখে দলের লোককে সতর্ক করে। অর্থাৎ ভয়ের খবর শুনিয়ে দেয়। যেমন অন্য আয়াতে রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “তিনি তো আসন্ন কঠোর শাস্তি সম্পর্কে তোমাদেরকে সতর্ককারী মাত্র।” (৩৪:৪৬)।
হাদীসে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) স্বীয় গোত্রকে সম্বোধন করে বলেছিলেনঃ “আমি তোমাদেরকে প্রকাশ্যভাবে সতর্ককারী বা ভয় প্রদর্শনকারী।” অর্থাৎ যেমন কেউ কোন খারাপ জিনিস দেখে নেয় যে, ওটা তার কওমের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে, তখন সে যে অবস্থায় রয়েছে ঐ অবস্থাতেই ভয়ে দৌড়িয়ে এসে হঠাৎ করে স্বীয় সম্প্রদায়কে সতর্ক করে দেয় এবং বলেঃ “দেখো, এই বিপদ আসছে, সুতরাং আত্মরক্ষার ব্যবস্থা কর।” অনুরূপভাবে কিয়ামতের ভয়াবহ শাস্তিও জনগণের উদাসীনতার অবস্থায় তাদের একেবারে নিকটবর্তী হয়ে গেছে এবং রাসূলুল্লাহ (সঃ) তা হতে তাদেরকে সতর্ক করছেন। যেমন এর পরবর্তী সূরায় রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “কিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে।” (৫৪:১)।
হযরত সাহল ইবনে সা'দ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “তোমরা ছোট ছোট গুনাহগুলোকে ছোট ও তুচ্ছ জ্ঞান করা হতে বেঁচে থাকো। ছোট ছোট গুনাহগুলোর দৃষ্টান্ত এমন, যেমন একটি যাত্রীদল কোন জায়গায় অবতরণ করলো। সবাই এদিক ওদিক চলে গেল এবং কিছু কিছু করে জ্বালানী কাঠ নিয়ে আসলো। এখন যদিও প্রত্যেকের কাছে অল্প অল্প কাষ্ঠ রয়েছে, কিন্তু যখন ওগুলো একত্রিত করা হলো, তখন একটা বড় স্তুপ হয়ে গেল যার দ্বারা হাঁড়ি হাঁড়ি খাদ্য রান্না করা যাবে। অনুরূপভাবে ছোট ছোট পাপ জমা হয়ে ঢেরি হয়ে যায় এবং আকস্মিকভাবে ঐ পাপীকে পাকড়াও করা হয়। সুতরাং সে ধ্বংস হয়ে যায়।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন)
হযরত সাহল ইবনে সা'দ (রাঃ) হতেই বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আমার এবং কিয়ামতের দৃষ্টান্ত এ দুটির মত।” অতঃপর তিনি স্বীয় তর্জনী ও মধ্যমা অঙ্গুলিদ্বয়ের মাঝে কিছুটা ফাঁকা রেখে দেন। তারপর তিনি বলেনঃ “আমার এবং কিয়ামতের দৃষ্টান্ত দু’টি ঘোড়ার মত।” এরপর তিনি বলেনঃ “আমার এবং আখিরাতের দিনের দৃষ্টান্ত ঠিক ঐ ব্যক্তির মত যাকে তার সম্প্রদায় নৈশ পাহারায় পাঠালো। অতঃপর সে যখন শত্রু সেনাবাহিনীকে একেবারে নিকটে চলে আসতে দেখলো তখন সে একটি টিলার উপর চড়ে তার কাপড় নেড়ে নেড়ে ইঙ্গিতে তার কওমকে সতর্ক করলো। তারপর রাসূলুল্লাহ (সঃ) বললেনঃ “আমিও ঐরূপ।” (এই হাদীসের সাক্ষী হিসেবে আরো বহু হাসান ও সহীহ হাদীস বিদ্যমান রয়েছে)
এরপর আল্লাহ তাআলা মুশরিকদের এ কাজের উপর ঘৃণা প্রকাশ করছেন যে, তারা কুরআন শ্রবণ করে বটে, কিন্তু তা হতে বিমুখ হয়ে যায় ও বেপরোয়া হয় এবং বিস্মিতভাবে ওর রহমতকে অস্বীকার করে বসে। আর হাসি-ঠাট্টা ও বিদ্রুপ-উপহাস করে থাকে। তাদের উচিত ছিল যে, মুমিনদের মত ওটা শুনে কাঁদতো এবং উপদেশ গ্রহণ করতো। যেমন মুমিনদের অবস্থা বর্ণনা করেছেন যে, তারা আল্লাহর কালাম শুনে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে, সিজদায় পড়ে যায় এবং তাদের বিনয় বৃদ্ধি পায়।
হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, (আরবী) গানকে বলা হয়। এটা ইয়ামানী ভাষা। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতেই (আরবী)-এর অর্থ বিমুখ হওয়া এবং অহংকার করাও বর্ণিত আছে। হযরত আলী (রাঃ) এবং হযরত হাসান (রাঃ) বলেন যে, এর অর্থ হলো উদাসীন।
এরপর আল্লাহ তা'আলা নির্দেশ দিচ্ছেনঃ তোমরা একত্ববাদী ও অকপট হয়ে যাও। বিনয়ের সাথে তোমরা ভূমিতে লুটিয়ে পড়।
হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, সূরায়ে নাজমের সিজদার স্থলে নবী (সঃ) সিজদা করেন এবং তার সাথে মুসলমানরা, মুশরিক এবং দানব ও মানব সবাই সিজদা করে। (এ হাদীসটি ইমাম বুখারী (রঃ) বর্ণনা করেন)
হযরত মুত্তালিব ইবনে আবি অদাআহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) মক্কায় সূরায়ে নাজম পাঠ করেন। অতঃপর তিনি সিজদা করেন এবং ঐ সময় তার কাছে যারা ছিল তারা সবাই সিজদা করে। বর্ণনাকারী মুত্তালিব (রাঃ) বলেনঃ “আমি তখন আমার মাথা উঠালাম এবং সিজদা করলাম না।” তখন পর্যন্ত মুত্তালিব (রাঃ) ইসলাম গ্রহণ করে নি। এরপরে যে কেউই এই সূরা তিলাওয়াত করতেন এবং যিনি শুনতেন তখন তিনিও তাঁর সাথে সিজদা করতেন। (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) এবং ইমাম নাসাঈ বর্ণনা করেছেন)
সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।