আল কুরআন


সূরা আল-আহকাফ (আয়াত: 26)

সূরা আল-আহকাফ (আয়াত: 26)



হরকত ছাড়া:

ولقد مكناهم فيما إن مكناكم فيه وجعلنا لهم سمعا وأبصارا وأفئدة فما أغنى عنهم سمعهم ولا أبصارهم ولا أفئدتهم من شيء إذ كانوا يجحدون بآيات الله وحاق بهم ما كانوا به يستهزئون ﴿٢٦﴾




হরকত সহ:

وَ لَقَدْ مَکَّنّٰهُمْ فِیْمَاۤ اِنْ مَّکَّنّٰکُمْ فِیْهِ وَ جَعَلْنَا لَهُمْ سَمْعًا وَّ اَبْصَارًا وَّ اَفْـِٕدَۃً ۫ۖ فَمَاۤ اَغْنٰی عَنْهُمْ سَمْعُهُمْ وَ لَاۤ اَبْصَارُهُمْ وَ لَاۤ اَفْـِٕدَتُهُمْ مِّنْ شَیْءٍ اِذْ کَانُوْا یَجْحَدُوْنَ ۙ بِاٰیٰتِ اللّٰهِ وَ حَاقَ بِهِمْ مَّا کَانُوْا بِهٖ یَسْتَهْزِءُوْنَ ﴿۲۶﴾




উচ্চারণ: ওয়া লাকাদ মাক্কান্না-হুমফীমাইম্মাক্কান্না-কুমফীহি ওয়া জা‘আলনা-লাহুমছাম‘আওঁ ওয়া আবসা-রাওঁ ওয়া আফইদাতান ফামাআগনা-‘আনহুম ছাম‘উহুম ওয়ালাআবসা-রুহুম ওয়ালাআফইদাতুহুম মিন শাইয়িন ইযকা-নূইয়াজহাদূ না বিআ-য়া-তিল্লা-হি ওয়া হাকা বিহিম মা-কা-নূবিহী ইয়াছতাহযিউন।




আল বায়ান: আর আমি অবশ্যই তাদেরকে যাতে প্রতিষ্ঠিত করেছিলাম, তোমাদেরকে তাতে প্রতিষ্ঠিত করিনি। আর আমি তাদেরকে কান, চোখ ও হৃদয় দিয়েছিলাম, কিন্তু তারা যখন আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করত, তখন তাদের কান, তাদের চোখ ও তাদের হৃদয়সমূহ তাদের কোন উপকারে আসেনি। আর তারা যা নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত তা-ই তাদেরকে পরিবেষ্টন করল।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ২৬. আর অবশ্যই আমরা তাদেরকে যেভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলাম তোমাদেরকে সেভাবে প্রতিষ্ঠিত করিনি(১); আর আমরা তাদেরকে দিয়েচিলাম কান, চোখ ও হৃদয়; অতঃপর তাদের কান, চোখ ও হৃদয় তাদের কোন কাজে আসেনি; যখন তারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছিল। আর যা নিয়ে তারা ঠাট্টা-বিদ্রুপ করত, তা-ই তাদেরকে পরিবেষ্টন করল।




তাইসীরুল ক্বুরআন: তাদেরকে আমি যতটা সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলাম, তোমাদেরকে (হে কুরায়শ!) তেমন সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করিনি আর তাদেরকে দিয়েছিলাম কান, চোখ ও হৃদয়। কিন্তু তাদের কান, তাদের চোখ আর তাদের হৃদয় তাদের কোন উপকারে আসেনি যেহেতু তারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করত। তারা যা নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রূপ করত তা-ই তাদেরকে ঘিরে ফেলল।




আহসানুল বায়ান: (২৬) নিশ্চয় আমি তাদেরকে (আ’দ সম্প্রদায়কে) যে প্রতিষ্ঠা দিয়েছিলাম তোমাদেরকে তা দিইনি; আমি তাদেরকে দিয়েছিলাম কর্ণ, চক্ষু ও হৃদয়; কিন্তু তাদের কর্ণ, চক্ষু ও হৃদয় তাদের কোন কাজে আসেনি,[1] কেননা তারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহকে অস্বীকার করেছিল। আর যা নিয়ে তারা ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত, তাই তাদেরকে পরিবেষ্টন করল।[2]



মুজিবুর রহমান: আমি তাদেরকে যে প্রতিষ্ঠা দিয়েছিলাম, তোমাদেরকে তা দেইনি; আমি তাদেরকে দিয়েছিলাম কান, চোখ ও হৃদয়; কিন্তু ঐ কান, চোখ ও হৃদয় তাদের কোন কাজে আসেনি; কেননা তারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছিল। যা নিয়ে তারা ঠাট্টা বিদ্রুপ করত তা’ই তাদেরকে পরিবেষ্টন করল।



ফযলুর রহমান: তাদেরকে আমি এমন ক্ষমতা দিয়েছিলাম যা তোমাদেরকে দেইনি। তাদেরকে কান, চোখ ও অন্তর দিয়েছিলাম; কিন্তু তাদের কান, চোখ কিংবা অন্তর তাদের কোন কাজে আসেনি; কেননা তারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহ অস্বীকার করত। আর তারা যা নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত সেই শাস্তি তাদেরকে ঘিরে ফেলল।



মুহিউদ্দিন খান: আমি তাদেরকে এমন বিষয়ে ক্ষমতা দিয়েছিলাম, যে বিষয়ে তোমাদেরকে ক্ষমতা দেইনি। আমি তাদের দিয়েছিলাম, কর্ণ, চক্ষু ও হৃদয়, কিন্তু তাদের কর্ণ, চক্ষু ও হৃদয় তাদের কোন কাজে আসল না, যখন তারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করল এবং তাদেরকে সেই শাস্তি গ্রাস করে নিল, যা নিয়ে তারা ঠাট্টা বিদ্রুপ করত।



জহুরুল হক: আর আমরা তো তাদের যেমন প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছিলাম তেমনভাবে তোমাদের আমরা প্রতিষ্ঠিত করি নি, আর আমরা তাদের দিয়েছিলাম শ্রবণেন্দ্রিয় ও দর্শনেন্দ্রিয় ও অন্তঃকরণ। কিন্তু তাদের শ্রবণেন্দ্রিয় তাদের কোনোভাবেই লাভবান করে নি, আর তাদের দর্শনেন্দ্রিয়ও না আর তাদের অন্তঃকরণও নয়, যেহেতু তারা আল্লাহ্‌র বাণীসমূহ নিয়ে বাজে বিতর্ক করত, কাজেই যা নিয়ে তারা ঠাট্টা- বিদ্রপ করত তাই তাদের পরিবেষ্টন করেছিল।



Sahih International: And We had certainly established them in such as We have not established you, and We made for them hearing and vision and hearts. But their hearing and vision and hearts availed them not from anything [of the punishment] when they were [continually] rejecting the signs of Allah; and they were enveloped by what they used to ridicule.



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ২৬. আর অবশ্যই আমরা তাদেরকে যেভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলাম তোমাদেরকে সেভাবে প্রতিষ্ঠিত করিনি(১); আর আমরা তাদেরকে দিয়েচিলাম কান, চোখ ও হৃদয়; অতঃপর তাদের কান, চোখ ও হৃদয় তাদের কোন কাজে আসেনি; যখন তারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছিল। আর যা নিয়ে তারা ঠাট্টা-বিদ্রুপ করত, তা-ই তাদেরকে পরিবেষ্টন করল।


তাফসীর:

(১) অর্থাৎ অর্থ, সম্পদ, শক্তি, ক্ষমতা কোন বিষয়েই তোমাদের ও তাদের মধ্যে কোন তুলনা হয় না। তোমাদের ক্ষমতার ব্যাপ্তি মক্কা শহরের বাইরে কোথাও নেই। কিন্তু তারা পৃথিবীর একটি বড় অংশের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেছিল। [দেখুন, তাবারী]


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (২৬) নিশ্চয় আমি তাদেরকে (আ”দ সম্প্রদায়কে) যে প্রতিষ্ঠা দিয়েছিলাম তোমাদেরকে তা দিইনি; আমি তাদেরকে দিয়েছিলাম কর্ণ, চক্ষু ও হৃদয়; কিন্তু তাদের কর্ণ, চক্ষু ও হৃদয় তাদের কোন কাজে আসেনি,[1] কেননা তারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহকে অস্বীকার করেছিল। আর যা নিয়ে তারা ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত, তাই তাদেরকে পরিবেষ্টন করল।[2]


তাফসীর:

[1] এটা মক্কাবাসীদেরকে সম্বোধন করে বলা হচ্ছে যে, তোমরা এমন কি শক্তিমান? তোমাদের পূর্বের জাতিগণ, যাদেরকে আমি ধ্বংস করে দিয়েছি, তারা তো শক্তি ও প্রতাপে তোমাদের চাইতে অনেক বেশী ছিল। কিন্তু যখন তারা আল্লাহ প্রদত্ত যোগ্যতা (কান, চোখ ও অন্তর)-কে সত্য শোনার, দেখার ও বুঝার কাজে ব্যবহার করল না, তখন পরিশেষে আমি তাদেরকে ধ্বংস করে দিলাম এবং এ জিনিসগুলো তাদের কোনই উপকারে এল না।

[2] অর্থাৎ, যে শাস্তিকে তারা অসম্ভব মনে করে ঠাট্টাচ্ছলে বলত যে, নিয়ে এস দেখি তোমার আযাব, সে আযাব এসে তাদেরকে এমনভাবে ঘিরে ধরল যে, তা থেকে আর বের হতে পারেনি।


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ২৬-২৮ নম্বর আয়াতের তাফসীর :



পূর্ববর্তী জাতির লোকেরা আমাদের তুলনায় শক্তি-সামর্থ্যে ও প্রতিষ্ঠার দিক দিয়ে অনেক মজবুত ছিল। কিন্তু ঈমান না আনার কারণে তাদের কোন ক্ষমতাই আল্লাহ তা‘আলার শাস্তির কাছে টিকে থাকতে পারেনি। আল্লাহ তা‘আলা বলেন :



(أَوَلَمْ يَسِيْرُوْا فِي الْأَرْضِ فَيَنْظُرُوْا كَيْفَ كَانَ عَاقِبَةُ الَّذِيْنَ كَانُوْا مِنْ قَبْلِهِمْ ط كَانُوْا هُمْ أَشَدَّ مِنْهُمْ قُوَّةً وَّاٰثَارًا فِي الْأَرْضِ فَأَخَذَهُمُ اللّٰهُ بِذُنُوْبِهِمْ ط وَمَا كَانَ لَهُمْ مِّنَ اللّٰهِ مِنْ وَّاقٍ‏)‏



“তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করে না? করলে দেখতো- তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কী হয়েছিল। পৃথিবীতে তারা ছিল এদের অপেক্ষা শক্তিতে এবং কীর্তিতে প্রবলতর, অতঃপর আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দিয়েছিলেন তাদের অপরাধের জন্য এবং আল্লাহর শাস্তি হতে তাদেরকে রক্ষা করার কেউ ছিল না।” (সূরা মুমিনুন ৪০ : ২১)



তাদেরকে শোনার জন্য কান, দেখার জন্য চোখ, বুঝার জন্য অন্তঃকরণ দেয়া হয়েছিল, কিন্তু এ সব তাদের কোন উপকারে আসেনি। ওপরে ‘আদ সম্প্রদায়ের কাহিনী বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে যাদেরকে কুফর ও নাবীদের অবাধ্যতার কারণে আযাব দ্বারা ধ্বংস করা হয়েছিল। এখন মক্কাবাসীসহ পৃথিবীর সকল কাফিরদেরকে সতর্ক করার জন্য আল্লাহ তা‘আলা এসব বিবরণ তুলে ধরেছেন। মক্কাবাসীরা সফরের সময় পূর্ববর্তী জাতিদের ধ্বংসাবশেষ দেখতে পেত। মক্কার এক দিকে সিরিয়া অপর দিকে ইয়ামান অবস্থিত, যেদিকেই তারা সফর করত সেদিকেই তারা বিভিন্ন জাতির ধ্বংসাবশেষ দেখতে পেত। তাই مَا حَوْلَكُمْ বলা হয়েছে।



অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা মুশরিকদেরকে তিরস্কার করে বলছেন : সান্নিধ্য লাভের জন্য তারা আল্লাহ তা‘আলাকে বাদ দিয়ে যাদেরকে আহ্বান করত তারা সহযোগিতা না করে উধাও হয়ে গেল কেন? কারণ তারা কোন ক্ষমতাই রাখে না। তাই আজও যারা আল্লাহ তা‘আলাকে বাদ দিয়ে বা তাঁর সাথে অংশীস্থাপন করে অন্য কোন মা‘বূদ বা মাজারে শায়িত ব্যক্তি বা ওলী-আউলিয়াদেরকে আল্লাহ তা‘আলার কাছে সুপারিশ করতে পারবে- এ বিশ্বাস রেখে তাদেরকে ডাকে তারা মূলত কোন উপকার করতে পারবেনা, বরং তারা নিজেরাই দিশেহারা হয়ে যাবে।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয় :



১. ‎আল্লাহ তা‘আলা‎র দীন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়া কুফরী কাজ।

২. কোন প্রভাব-প্রতিপত্তি কিয়ামতের দিন কাজে আসবে না, ঈমান যদি না থাকে।

৩. প্রভাব-প্রতিপত্তি অধিকাংশ মানুষকে ঈমান আনতে বাধা সৃষ্টি করেছে।

৪. ‎আল্লাহ তা‘আলা‎কে বাদ দিয়ে যাদেরকে সুপারিশকারী হিসেবে ডাকা হচ্ছে তারা কোন উপকার করতে পারবে না।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ২৬-২৮ নং আয়াতের তাফসীর:

আল্লাহ তা'আলা উম্মতে মুহাম্মাদ (সঃ)-কে লক্ষ্য করে বলেনঃ আমি তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতদেরকে সুখ-ভোগের উপকরণ হিসেবে যে ধন-মাল, সন্তান-সন্ততি ইত্যাদি দিয়েছিলাম, সেই পরিমাণ তো তোমাদেরকে এখনো দেয়া হয়নি। তাদেরও কর্ণ, চক্ষু ও হৃদয় ছিল। কিন্তু যখন তারা আমার নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করে বসলো এবং আমার আযাবের ব্যাপারে সন্ধিহান হয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করলো, অবশেষে যখন তাদের উপর আমার আযাব এসেই পড়লো, তখন তাদের এই বাহ্যিক উপকরণ তাদের কোনই কাজে আসলো না। ঐ আযাব তাদের উপর এসেই পড়লো যা নিয়ে তারা ঠাট্টা-বিদ্রুপ করতো। সুতরাং তোমাদের তাদের মত হওয়া উচিত নয়। এমন যেন না হয় যে, তাদের মত শাস্তি তোমাদের উপরও এসে পড়ে এবং তাদের মত তোমাদেরও মূলোৎপাটন করে দেয়া হয়।

এরপর ইরশাদ হচ্ছেঃ হে মক্কাবাসী! তোমরা তোমাদের আশে-পাশে একটু চেয়ে দেখো যে, তাদেরকে কিভাবে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। কিভাবে তারা তাদের কৃতকর্মের ফল পেয়ে গেছে। আহকাফ যা ইয়ামনের পাশেই হাযরা মাউতের অঞ্চলে অবস্থিত, তথাকার অধিবাসী আ’দ সম্প্রদায়ের পরিণামের দিকেই দৃষ্টি নিক্ষেপ কর! আর তোমাদের ও সিরিয়ার মধ্যবর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী সামদ সম্প্রদায়ের পরিণামের কথাই একটু চিন্তা কর। ইয়ামনবাসী ও মাদইয়ানবাসী সম্প্রদায়ের পরিণামের প্রতি একটু লক্ষ্য কর। তোমরা তো যুদ্ধ-বিগ্রহ ও ব্যবসা-বাণিজ্য উপলক্ষে সেখান দিয়ে প্রায়ই গমনাগমন করে থাকো। হযরত লূত (আঃ)-এর বাহীরা সম্প্রদায় হতে তোমাদের শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত। তাদের বাসভূমিও তোমাদের যাতায়াতের পথেই পড়ে। এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ আমি আমার নিদর্শনাবলী বিশদভাবে বিবৃত করেছি যাতে তারা সৎপথে ফিরে আসে।

ইরশাদ হচ্ছেঃ তারা আল্লাহর পরিবর্তে যাদেরকে মা’ব্দরূপে গ্রহণ করেছিল, যদিও এতে তাদের ধারণা এই ছিল যে, তাদের মাধ্যমে তারা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করবে, কিন্তু যখন তাদের উপর আল্লাহর আযাব এসে পড়লো এবং তারা তাদের ঐ মিথ্যা মা’ৰূদদের সাহায্যের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলো তখন তারা তাদের কোন সাহায্য করলো কি? কখনোই না। বরং তাদের প্রয়োজন ও বিপদের সময় তাদের ঐসব বাতিল মা'বূদ অন্তর্হিত হয়ে পড়লো। তাদেরকে খুঁজেও পাওয়া গেল না। মোটকথা, তাদেরকে পূজনীয় হিসেবে গ্রহণ করে তারা চরম ভুল করেছিল। তাদের মিথ্যা ও অলীক উদ্ভাবনের পরিণাম এই রূপই।





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।