আল কুরআন


সূরা আশ-শূরা (আয়াত: 53)

সূরা আশ-শূরা (আয়াত: 53)



হরকত ছাড়া:

صراط الله الذي له ما في السماوات وما في الأرض ألا إلى الله تصير الأمور ﴿٥٣﴾




হরকত সহ:

صِرَاطِ اللّٰهِ الَّذِیْ لَهٗ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَ مَا فِی الْاَرْضِ ؕ اَلَاۤ اِلَی اللّٰهِ تَصِیْرُ الْاُمُوْرُ ﴿۵۳﴾




উচ্চারণ: সিরাতিল্লা-হিল্লাযী লাহূমা-ফিছছামা-ওয়া-তি ওয়ামা-ফিল আরদি আলাইলাল্লা-হি তাসীরুল উমূর।




আল বায়ান: সেই আল্লাহর পথ, যিনি আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে তার মালিক। সাবধান! সব বিষয়ই আল্লাহর কাছে ফিরে যাবে।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৫৩. সে আল্লাহর পথ, যিনি আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে তার মালিক। জেনে রাখুন, সব বিষয় আল্লাহরই দিকে ফিরে যাবে।




তাইসীরুল ক্বুরআন: যা কিছু আকাশে আছে আর যমীনে আছে এসবের মালিক যিনি সেই আল্লাহর পথে। শুনে রাখ! আল্লাহর কাছেই সব বিষয় ফিরে যায়।




আহসানুল বায়ান: (৫৩) সেই আল্লাহর পথ[1] যাঁর মালিকানায় আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই। জেনে রেখো, সকল পরিণাম আল্লাহরই নিকট প্রত্যাবর্তন করে।[2]



মুজিবুর রহমান: সেই আল্লাহর পথ যিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তার মালিক। জেনে রেখ, সকল বিষয়ের পরিণাম আল্লাহরই দিকে প্রত্যাবর্তন করে।



ফযলুর রহমান: সেই আল্লাহর পথ যিনি আসমান ও জমিনের সবকিছুর মালিক। জেনে রাখ, (চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য) সকল বিষয় আল্লাহর কাছেই যাবে।



মুহিউদ্দিন খান: আল্লাহর পথ। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল যা কিছু আছে, সব তাঁরই। শুনে রাখ, আল্লাহ তা’আলার কাছেই সব বিষয়ে পৌঁছে।



জহুরুল হক: আল্লাহ্‌র পথ, যিনি তাঁর দখলে রেখেছেন মহাকাশমন্ডলীতে যা-কিছু আছে এবং যা-কিছু আছে পৃথিবীতে। এটি কি নয় যে সব ব্যাপারই আল্লাহ্‌র কাছে পেছে যাঁয়?



Sahih International: The path of Allah, to whom belongs whatever is in the heavens and whatever is on the earth. Unquestionably, to Allah do [all] matters evolve.



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ৫৩. সে আল্লাহর পথ, যিনি আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে তার মালিক। জেনে রাখুন, সব বিষয় আল্লাহরই দিকে ফিরে যাবে।


তাফসীর:

-


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (৫৩) সেই আল্লাহর পথ[1] যাঁর মালিকানায় আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই। জেনে রেখো, সকল পরিণাম আল্লাহরই নিকট প্রত্যাবর্তন করে।[2]


তাফসীর:

[1] এই সঠিক ও সরল ‘পথ’ হল ইসলাম। এটাকে মহান আল্লাহর নিজের প্রতি সম্পৃক্ত করে এ পথের মাহাত্ম্য ও উচ্চ মর্যাদার কথা পরিষ্কার করে দিয়েছেন এবং এতে এ ইঙ্গিতও রয়েছে যে, এটাই একমাত্র মুক্তির পথ।

[2] অর্থাৎ, কিয়ামতের দিন যাবতীয় ব্যাপারের ফায়সালা আল্লাহরই হাতে হবে। এতে রয়েছে কঠোর ধমক যা প্রতিফল (বদলা ও শাস্তি)-কে অনিবার্য করে।


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ৫১-৫৩ নম্বর আয়াতের তাফসীর :



আলোচ্য আয়াতসমূহের প্রথম আয়াত ইয়াহুদীদের এক হঠকারিতামূলক দাবীর জবাবে অবতীর্ণ হয়েছে। ইমাম বাগভী ও কুরতুবী (রহঃ) বলেন : ইয়াহুদীরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলল, আপনি যদি নাবী হন তাহলে আল্লাহ তা‘আলার সাথে কথা বলেন না কেন, তাঁকে দেখেন না কেন, যেমন মুসা (আঃ) কথা বলেছেন এবং দেখেছেন? আপনি এরূপ না করা পর্যন্ত আমরা ঈমান আনব না। তখন নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : মূসা (আঃ) আল্লাহ তা‘আলাকে দেখেননি। তখন এ আয়াত নাযিল হয়। (কুরতুবী, অত্র আয়াতের তাফসীর)



আয়াতগুলোতে কোন ব্যক্তির সাথে আল্লাহ তা‘আলার কথা বলার মাধ্যমগুলোর বর্ণনা দেয়া হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা মানুষের সাথে তিনটি পদ্ধতিতে কথা বলেন :



(১) وَحْيًا ওয়াহী তথা কোন ফেরেশতার মাধ্যম ছাড়াই রাসূলের অন্তরে ওয়াহী ছুড়ে দেন। এরূপ পদ্ধতিকেنفث বলা হয়। যেমন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন : জিবরীল (আঃ) আমার অন্তরে ছুড়ে দিয়েছে যে, কোন আত্মা তার রিযিক ও আয়ু পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মারা যায় না। আল্লাহ তা‘আলাকে ভয় কর ও উত্তম রিযিক তালাশ কর। যা হালাল তা গ্রহণ কর আর যা হারাম তা বর্জন কর। (সিলসিলা সহীহাহ হা. ২৮৬৬)



(২) জাগ্রত অবস্থায় পর্দার আড়াল থেকে সরাসরি কথা বলা। যেমন আল্লাহ তা‘আলা মূসা (আঃ)-এর সাথে তূর পাহাড়ে কথা বলেছিলেন।



(৩) ফেরেশতার মাধ্যমে স্বীয় ওয়াহী প্রেরণ করা। যেমন জিবরীল (আঃ) ওয়াহী নিয়ে আগমন করতেন এবং নাবীদেরকে শুনাতেন।



সুতরাং দুনিয়াতে কোন মানুষ আল্লাহ তা‘আলার সাথে সামনা-সামনি কথা বলতে পারে না।



روح ‘ রূহ’ বলতে এখানে কুরআনকে বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ যেভাবে আমি তোমার পূর্বে অন্যান্য নাবীর প্রতি ওয়াহী প্রেরণ করেছিলাম, অনুরূপ তোমার প্রতি কুরআন ওয়াহী করেছি। কুরআনকে “রূহ্” বলে এ জন্য আখ্যায়িত করা হয়েছে যে, কুরআন দ্বারা অন্তঃকরণের জীবন লাভ হয়।



(مَا كُنْتَ تَدْرِيْ مَا الْكِتٰبُ وَلَا الْإِيْمَانُ)



‘তুমি তো জানতে না কিতাব কী ও ঈমান কী’ “কিতাব” দ্বারা কুরআন উদ্দেশ্য। অর্থাৎ নবুওয়াতের পূর্বে কুরআনের কোন জ্ঞান তোমার ছিল না। অনুরূপ ঈমান তথা ইসলামী শরীয়তের বিস্তারিত বিষয় সম্পর্কেও তোমার কোন জ্ঞান ছিল না। এগুলো ওয়াহী দ্বারা তোমাকে জানানো হয়েছে। (আযওয়াউল বায়ান, অত্র আয়াতের তাফসীর)



এরপর আল্লাহ তা‘আলা বলেন : আমি এ কুরআনকে করেছি নূর বা জ্যোতি। এর দ্বারা আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে চাই হিদায়াত দান করি। অর্থাৎ কুরআন দ্বারা হিদায়াত কেবল তারাই পায় যাদের মধ্যে ঈমানের অনুসন্ধান ও তা গ্রহণের প্রতি তীব্র আগ্রহ থাকে, তারা এটাকে হিদায়াত লাভের নিয়্যাতে পড়ে থাকে। তাই আল্লাহ তা‘আলা এদের সাহায্য করেন এবং এদের জন্য হিদায়াতের পথ সুগম করে দেন। এ পথের ওপরই এরা চলতে থাকে। কিন্তু যারা নিজের চোখ বন্ধ করে নেয় ও কানে ছিপি লাগিয়ে নেয় এবং জ্ঞান-বুদ্ধিকে কাজে লাগায় না, তারা হিদায়াত কিভাবে পেতে পারে?



যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন :



(وَلَوْ جَعَلْنٰھُ قُرْاٰنًا اَعْجَمِیًّا لَّقَالُوْا لَوْلَا فُصِّلَتْ اٰیٰتُھ۫ﺛ ءَاَعْجَمِیٌّ وَّعَرَبِیٌّﺚ قُلْ ھُوَ لِلَّذِیْنَ اٰمَنُوْا ھُدًی وَّشِفَا۬ئٌﺚ وَالَّذِیْنَ لَا یُؤْمِنُوْنَ فِیْٓ اٰذَانِھِمْ وَقْرٌ وَّھُوَ عَلَیْھِمْ عَمًیﺚ اُولٰ۬ئِکَ یُنَادَوْنَ مِنْ مَّکَانٍۭ بَعِیْدٍ‏)‏



“আমি যদি আজমী (অনারবীয়) ভাষায় কুরআন অবতীর্ণ করতাম তবে তারা অবশ্যই বলত : এর আয়াতগুলো বিশদভাবে বর্ণিত হয়নি কেন? কী আশ্চর্য যে, এর ভাষা আজমী (অনারবীয়), অথচ রাসূল আরবীয়। বল : মু’মিনদের জন্য এটা পথ-নির্দেশ ও ব্যাধির প্রতিকার; কিন্তু যারা অবিশ্বাসী তাদের কর্ণে রয়েছে বধিরতা এবং কুরআন হবে তাদের জন্য অন্ধত্ব। তারা এমন যে, যেন তাদেরকে আহ্বান করা হয় বহু দূর হতে।” (সূরা হা-মীম আস্ সাজদাহ্ ৪১ : ৪৪)



(وَإِنَّكَ لَتَهْدِيْٓ إِلٰي صِرَاطٍ مُّسْتَقِيْمٍ)



‘তুমি অবশ্যই প্রদর্শন কর সরল পথ’ অর্থাৎ তুমি মানুষকে সিরাতুল মুসতাকিমের পথ দেখাও। এটাকে



(هداية الارشاد والدلالة)



বা পথ প্রদর্শন ও নির্দেশনামূলক হিদায়াত বলা হয়। নাবী-রাসূলসহ সকল মানুষ এ প্রকার হিদায়াত বা পথপ্রদর্শন করতে পারে। কিন্তু প্রথম হিদায়াত দ্বারা উদ্দেশ্য (هداية التوفيق) হিদায়াতুত তাওফীক : সরল সঠিক পথের দিশা দান করতঃ তার ওপর মজবুত ও অটুট থাকার তাওফীক দান করা। এ প্রকার হিদায়াত শুধুমাত্র আল্লাহ তা‘আলার হাতে।



সুতরাং আল্লাহ তা‘আলার কাছে সঠিক পথের হিদায়াত চাইতে হবে এবং তার ওপর বহাল থাকার জন্য বেশি বেশি এ দু‘আ করতে হবে-



يَا مُقَلِّبَ القُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَي دِينِكَ



হে অন্তরের পরিবর্তনকারী, আমার অন্তরকে দীনের ওপর অটল রাখ। স্বয়ং রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু‘আ বেশি বেশি পাঠ করতেন। কারণ কোন পীর, মুরশিদ ও বাবা হিদায়াতের মালিক নয়, যদি আল্লাহ তা‘আলা হিদায়াত না দেন।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয় :



১. মানুষের সাথে আল্লাহ তা‘আলার কথা বলার তিনটি পদ্ধতি জানতে পারলাম। এ তিনটি পদ্ধতির বাইরে কোন ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলার সাথে কথা বলার দাবী করলে সে মিথ্যাবাদী।

২. কুরআন মু’মিনের জন্য হিদায়াতস্বরূপ।

৩. আল্লাহ তা‘আলার কাছে হিদায়াত কামনা করব এবং তার ওপর অটল থাকার জন্য বেশি বেশি দু’আ করব।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ৫১-৫৩ নং আয়াতের তাফসীর:

অহীর স্থান, স্তর ও অবস্থার বর্ণনা দেয়া হচ্ছে যে, ওটা কখনো কখনো রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর অন্তরে ঢেলে দেয়া, যেটা আল্লাহর অহী হওয়া সম্পর্কে তাঁর মনে কোন সংশয় ও সন্দেহ থাকে না। যেমন ইবনে হিব্বানের (রঃ) সহীহ গ্রন্থে এসেছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “রূহুল কুদুস (আঃ) আমার অন্তরে এটা ফুকে দিয়েছেন যে, কোন ব্যক্তিই মৃত্যুবরণ করে না যে পর্যন্ত না তার রিযক ও সময় পূর্ণ হয়। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং উত্তমরূপে রুযী অনুসন্ধান কর।”

মহান আল্লাহ বলেনঃ ‘অথবা পর্দার অন্তরাল হতে তিনি কথা বলেন। যেমন তিনি হযরত মূসা (আঃ)-এর সাথে কথা বলেছিলেন। কেননা, তিনি কথা শুনার পর আল্লাহ তাআলাকে দেখতে চেয়েছিলেন, কিন্তু আল্লাহ তাআলা ছিলেন পর্দার মধ্যে।

সহীহ হাদীসে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) হযরত জাবির ইবনে আবদিল্লাহ (রাঃ)-কে বলেনঃ “আল্লাহ পর্দার অন্তরাল ছাড়া কারো সাথে কথা বলেননি, কিন্তু তোমার পিতার সাথে তিনি সামনা সামনি হয়ে কথা বলেছেন। তিনি উহুদের যুদ্ধে কাফিরদের হাতে শহীদ হয়েছিলেন। কিন্তু এটা স্মরণ রাখা দরকার যে, এটা ছিল আলমে বারযাখের কথা আর এই আয়াতে যে কালামের কথা বলা হয়েছে তা হলো ভূ-পৃষ্ঠের উপরের কালাম।

মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ ‘অথবা এমন দূত প্রেরণ ব্যতিরেকে, যেই দূত তার অনুমতিক্রমে তিনি যা চান তা ব্যক্ত করে। যেমন হযরত জিবরাঈল (আঃ) প্রমুখ ফেরেশতা নবীদের (আঃ) নিকট আসতেন। তিনি সমুন্নত, প্রজ্ঞাময়।

এখানে রূহ দ্বারা কুরআনকে বুঝানো হয়েছে। মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ “আমি এই কুরআনকে অহীর মাধ্যমে তোমার প্রতি অবতীর্ণ করেছি। তুমি তো জানতে না কিতাব কি ও ঈমান কি! কিন্তু আমি এই কুরআনকে করেছি আলো যা দ্বারা আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা পথ-নির্দেশ করি।” যেমন অন্য আয়াতে রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “তুমি বলে দাও- এটা ঈমানদারদের জন্যে হিদায়াত ও আরোগ্য, আর যারা ঈমানদার নয় তাদের কানে আছে বধিরতা এবং চোখে আছে অন্ধত্ব।” (৪১:৪৪)

এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ “হে নবী (সঃ)! তুমি তো প্রদর্শন কর শুধু সরল পথ- সেই আল্লাহর পথ যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তার মালিক। প্রতিপালক তিনিই। সবকিছুর মধ্যে ব্যবস্থাপক ও হুকুমদাতা তিনিই। কেউই তাঁর কোন হুকুম অমান্য করতে পারে না। সকল বিষয়ের পরিণাম আল্লাহরই দিকে প্রত্যাবর্তন করে। তিনিই সব কাজের ফায়সালা করে থাকেন। তিনি পবিত্র ও মুক্ত ঐ সব দোষ হতে যা যালিমরা তার উপর আরোপ করে থাকে। তিনি সমুচ্চ, সমুন্নত ও মহান।





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।