সূরা আয-যুমার (আয়াত: 37)
হরকত ছাড়া:
ومن يهد الله فما له من مضل أليس الله بعزيز ذي انتقام ﴿٣٧﴾
হরকত সহ:
وَ مَنْ یَّهْدِ اللّٰهُ فَمَا لَهٗ مِنْ مُّضِلٍّ ؕ اَلَیْسَ اللّٰهُ بِعَزِیْزٍ ذِی انْتِقَامٍ ﴿۳۷﴾
উচ্চারণ: ওয়া মাইঁ ইয়াহদিল্লা-হু ফামা-লাহূমিম মুদিলিলন আলাইছাল্লা-হু বি‘আযীযিন যিন তিকাম।
আল বায়ান: আর আল্লাহ যাকে হিদায়াত করেন, তার জন্য কোন পথভ্রষ্টকারী নেই। আল্লাহ কি মহাপরাক্রমশালী প্রতিশোধ গ্রহণকারী নন?
আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৩৭. আর যাকে আল্লাহ্ হেদায়াত করেন তার জন্য কোন পথভ্রষ্টকারী নেই; আল্লাহ কি পরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্ৰহণকারী নন?
তাইসীরুল ক্বুরআন: আর আল্লাহ যাকে পথ দেখান, তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই। আল্লাহ কি মহাশক্তিধর প্রতিশোধ গ্রহণকারী নন?
আহসানুল বায়ান: (৩৭) এবং যাকে আল্লাহ পথনির্দেশ করেন, তাকে কেউ পথভ্রষ্ট করতে পারে না,[1] আল্লাহ কি পরাক্রমশালী, প্রতিশোধগ্রহণকারী নন? [2]
মুজিবুর রহমান: এবং যাকে আল্লাহ হিদায়াত দান করেন তার জন্য কোন পথভ্রষ্টকারী নেই, আল্লাহ কি পরাক্রমশালী দন্ডবিধায়ক নন?
ফযলুর রহমান: আর আল্লাহ যাকে পথ দেখান তাকে কেউ বিপথগামী করতে পারে না। আল্লাহ কি পরাক্রমশালী, শাস্তি প্রদানকারী নন?
মুহিউদ্দিন খান: আর আল্লাহ যাকে পথপ্রদর্শন করেন, তাকে পথভ্রষ্টকারী কেউ নেই। আল্লাহ কি পরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী নন?
জহুরুল হক: আর আল্লাহ্ যাকে পথ দেখান তার জন্য তবে পথভ্রষ্টকারী কেউ নেই। আল্লাহ্ কি মহাশক্তিশালী, শেষ-পরিণতির অধিকর্তা নন?
Sahih International: And whoever Allah guides - for him there is no misleader. Is not Allah Exalted in Might and Owner of Retribution?
তাফসীরে যাকারিয়া
অনুবাদ: ৩৭. আর যাকে আল্লাহ্– হেদায়াত করেন তার জন্য কোন পথভ্রষ্টকারী নেই; আল্লাহ কি পরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্ৰহণকারী নন?
তাফসীর:
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
অনুবাদ: (৩৭) এবং যাকে আল্লাহ পথনির্দেশ করেন, তাকে কেউ পথভ্রষ্ট করতে পারে না,[1] আল্লাহ কি পরাক্রমশালী, প্রতিশোধগ্রহণকারী নন? [2]
তাফসীর:
[1] যে তাকে এই হিদায়াত থেকে বের করে ভ্রষ্টতার গর্তে নিক্ষেপ করবে। অর্থাৎ, হিদায়াত দান ও ভ্রষ্ট করা সবই আল্লাহর কাজ। তিনি যাকে চান ভ্রষ্ট করেন এবং যাকে চান হিদায়াত দানে ধন্য করেন।
[2] কেন নন, অবশ্যই। এই জন্য যে, যদি এই লোকেরা কুফরী ও অবাধ্যতা থেকে ফিরে না আসে, তবে তিনি অবশ্যই তাঁর বন্ধুদের পক্ষ থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করবেন এবং তাদেরকে শিক্ষামূলক প্রতিফল ভোগ করাবেন।
তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ
তাফসীর: ৩৬-৪০ নম্বর আয়াতের তাফসীর :
(أَلَيْسَ اللّٰهُ بِكَافٍ عَبْدَه)
‘আল্লাহ কি তাঁর বান্দার জন্য যথেষ্ট নন?’ অর্থাৎ উক্ত عَبْدَه বান্দা বলতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বুঝানো হয়েছে। কারো কারো নিকট সাধারণভাবে এতে সমস্ত নাবী ও প্রত্যেক মু’মিন শামিল। মূর্তি ও প্রতিমা বর্জন করার কারণে মক্কার মুশরিকরা নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ভয় দেখালো যে, আমাদের মা‘বূদ তোমার ক্ষতি করবে। কিন্তু স্বয়ং আল্লাহ তা‘আলা নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহায্যকারী ও মা‘বূদ, তিনিই সকল অকল্যাণ থেকে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রক্ষা করবেন, তারা কিছুই করতে পারবে না। নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ হতে তাদের মোকাবেলায় তিনিই (আল্লাহ তা‘আলাই) যথেষ্ট। মূলত নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গায়রুল্লাহর কোন ভয় করতেন না বিশেষ করে তাদের মূর্তিকে ভয় করতেন না। যেমন ইবরাহীম (আঃ)-কে ভয় দেখানো হলে তিনি বললেন :
(وَكَيْفَ أَخَافُ مَآ أَشْرَكْتُمْ وَلَا تَخَافُوْنَ أَنَّكُمْ أَشْرَكْتُمْ بِاللّٰهِ مَا لَمْ يُنَزِّلْ بِه۪ عَلَيْكُمْ سُلْطٰنًا ط فَأَيُّ الْفَرِيْقَيْنِ أَحَقُّ بِالْأَمْنِ ج إِنْ كُنْتُمْ تَعْلَمُوْنَ)
‘তোমরা যাকে আল্লাহর সাথে শরীক কর আমি তাকে কিভাবে ভয় করব? অথচ তোমরা আল্লাহর সাথে শরীক করতে ভয় কর না, যে বিষয়ে তিনি তোমাদেরকে কোন সনদ দেননি। সুতরাং যদি তোমরা জান তবে বল : দু দলের মধ্যে কোন্ দল নিরাপত্তা লাভের বেশি হকদার।’ (সূরা আন‘আম ৬ : ৮১)
অতঃপর মক্কার মুশরিকরা আল্লাহ তা‘আলার তাওহীদে রুবুবিয়্যাহ তথা সৃষ্টিকর্তা, রিযিকদাতা, হায়াত-মউতের মালিক, আসমান-জমিনসহ যাবতীয় কিছুর মালিক যে একমাত্র আল্লাহ তা‘আলা ইত্যাদি স্বীকার করত-সে কথা ব্যক্ত করা হচ্ছে। কিন্তু যখন কোন কিছু চাইতো তখন তারা মূর্তি ও বিভিন্ন দেব-দেবীর কাছে চাইতো। যার কারণে তারা মুশরিকই থেকে গেল, তাওহীদে রুবুবিয়্যাহ স্বীকার করাতে কোন উপকার হয়নি। ফলে তারা ঈমানদার হতে পারেনি, তাই তারা জাহান্নামী। আমাদের দেশেও একশ্রেণির নামধারী মুসলিম আছে যারা স্বীকার করে- আল্লাহ তা‘আলা সবকিছুর মালিক যেমন মক্কার মুশরিকরা স্বীকার করতো, কিন্তু যখন সন্তানের প্রয়োজন হয় কিম্বা কোন বিপদে পড়ে বা কোন মানত করে তখন তারা মাযার, পীর-ফকীর ও দরবেশের কাছে দৌড়ায়। এদের মাঝে আর তৎকালীন মক্কার মুশরিকদের মাঝে কোন পার্থক্য নেই। এ সম্পর্কে সূরা লুকমানের ২৫ নম্বর আয়াতসহ অন্যান্য স্থানেও আলোচনা করা হয়েছে।
সুতরাং আল্লাহ তা‘আলা আছেন, তিনি সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা তথা কেবল তাওহীদে রুবুবিয়্যাহর ওপর বিশ্বাস করলেই ঈমানদার হওয়া যাবেনা যতক্ষণ না সকল প্রকার ইবাদত একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার জন্য সম্পাদন করবে।
(أَفَرَأَيْتُمْ مَّا تَدْعُوْنَ مِنْ دُوْنِ اللّٰهِ)
অর্থাৎ তোমরা আল্লাহ তা‘আলাকে সৃষ্টিকর্তা ও সকল কিছুর মালিক বলে বিশ্বাস করছ কিন্তু তাঁকে বাদ দিয়ে মূর্তি ও প্রতিমার কাছে ভাল চাওয়া ও মন্দ প্রতিহত করার জন্য প্রার্থনা করছ কেন? তোমরা কি চিন্তা করে দেখেছ, আল্লাহ তা‘আলা যদি আমার বা অন্য কারো অনিষ্ট করতে চান তাহলে তা কি কেউ প্রতিহত করতে পারবে, অথবা যদি কারো কল্যাণ চান তাহলে কি তাতে কেউ বাধা দিতে পারবে? না, কেউ পারবেনা। এসব মূর্তি, প্রতিমা ও কবরে শায়িত ব্যক্তি মানুষের ভাল মন্দের কোন ক্ষমতা রাখেনা। সুতরাং আল্লাহ তা‘আলাকে সৃষ্টিকর্তা স্বীকার করার সাথে সাথে তাঁর ইবাদত করতে হবে, সকল আরাধনা তাঁর কাছেই করতে হবে।
এরপরেও তোমরা না মানলে তোমরা তোমাদের আমল করতে থাক, আমি আমার আমল করতে থাকি, তবে অচিরেই জানতে পারবে কে সঠিক পথের অনুসারী?
আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয় :
১. মু’মিন ব্যক্তির জন্য সর্বক্ষেত্রে আল্লাহ তা‘আলাই যথেষ্ট।
২. আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত হিদায়াত দান করার মালিক কেউ নয়।
৩. আল্লাহ তা‘আলার রুবুবিয়্যাহকে স্বীকার করলেই মু’মিন হওয়া যাবে না, যদি সকল প্রকার ইবাদত একামাত্র আল্লাহ তা‘আলার জন্য না করা হয়।
৪. সর্বাবস্থায় আল্লাহ তা‘আলার ওপর ভরসা করতে হবে।
তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)
তাফসীর: ৩৬-৪০ নং আয়াতের তাফসীর:
একটি কিরআতে (আরবী) রয়েছে। অর্থাৎ আল্লাহ তাঁর বান্দাদের জন্যে কি যথেষ্ট নন? অর্থাৎ আল্লাহ তাআলাই তাঁর সমস্ত বান্দার জন্যে যথেষ্ট। সুতরাং সবারই তার উপরই ভরসা করা উচিত।
হযরত ফুযালাহ ইবনে উবায়েদ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ “ঐ ব্যক্তি পরিত্রাণ লাভ করেছে যাকে ইসলামের পথে পরিচালিত করা হয়েছে, প্রয়োজন পরিমাণে রিযক দান করা হয়েছে এবং তাতেই সে তুষ্ট হয়েছে।” (এ হাদীসটি ইমাম ইবনে আবি হাতিম (রঃ), ইমাম তিরমিযী (রঃ) এবং ইমাম নাসাঈ (রঃ) বর্ণনা করেছেন। আর ইমাম তিরমিযী (রঃ) এটাকে সহীহ বলেছেন)
মহান আল্লাহ স্বীয় নবী (সঃ)-কে সম্বোধন করে বলেনঃ হে নবী (সঃ)! তারা তোমাকে আল্লাহর পরিবর্তে অপরের ভয় দেখাচ্ছে। এটা তাদের অজ্ঞতা ও পথভ্রষ্টতা ছাড়া কিছুই নয়। আল্লাহ যাকে বিভ্রান্ত করেন তার জন্যে কোন পথ প্রদর্শক নেই। যেমন আল্লাহ যাকে সুপথ প্রদর্শন করেন তাকে কেউই পথভ্রষ্ট করতে পারে না। আল্লাহ পরাক্রমশালী ও দণ্ডবিধায়ক। যারা তার উপর নির্ভর করে তারা কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয় না এবং তাঁর দিকে যারা ঝুঁকে পড়ে তারা কখনো বঞ্চিত হয় না। তার চেয়ে বড় মর্যাদাবান আর কেউই নেই। অনুরূপভাবে তার চেয়ে বড় প্রতিশোধ গ্রহণকারীও আর কেউ নেই। যারা তার সাথে শরীক স্থাপন করে এবং তাঁর রাসূলদের সাথে ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হয় তাদেরকে অবশ্যই তিনি কঠিন শাস্তি প্রদান করবেন।
এরপর মুশরিকদের আরো অজ্ঞতা ও নির্বুদ্ধিতার বর্ণনা দেয়া হচ্ছে যে, আল্লাহ তা'আলাকে সব কিছুরই সৃষ্টিকর্তা মেনে নেয়া সত্ত্বেও তারা এমন মিথ্যা ও অসার মা’রূদের উপাসনা করছে যারা কোন লাভ ও ক্ষতির মালিক নয়। যাদের কোন বিষয়েরই কোন অধিকার নেই। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “তুমি আল্লাহকে স্মরণ কর, তিনি তোমার হিফাযত করবেন। তুমি আল্লাহর যিকর কর, সব সময় তুমি তাকে তোমার কাছে পাবে। সুখ স্বাচ্ছন্দ্যের সময় তার নিয়ামতরাজির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর, কাঠিন্যের সময় তিনি তোমার কাজে আসবেন। কিছু চাইতে হলে তাঁর কাছেই চাও এবং সাহায্য প্রার্থনা করতে হলে তাঁর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা কর। জেনে রেখো যে, আল্লাহর ইচ্ছা না হলে সারা দুনিয়া মিলে তোমার কোন ক্ষতি করতে চাইলে তোমার কোনই ক্ষতি তারা করতে পারবে না। অনুরূপভাবে সবাই মিলে তোমার কোন উপকার করতে হইলেও এবং সেটা তোমার তকদীরে লিখিত না থাকলে তোমার কোন উপকারও করতে তারা সক্ষম হবে না। পুস্তিকা শুকিয়ে গেছে এবং কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। বিশ্বাস ও কৃতজ্ঞতার সাথে ভাল কাজে নিমগ্ন হয়ে যাও। বিপদ আপদে ধৈর্য ধারণে বড়ই পুণ্য লাভ হয়। সবরের সাথে সাহায্য রয়েছে। সংকীর্ণতার সাথেই আছে প্রশস্ততা এবং কষ্টের সাথেই আছে স্বস্তি। (এ হাদীসটি ইমাম ইবনে হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)
মহান আল্লাহ স্বীয় নবী (সঃ)-কে সম্বোধন করে বলেনঃ হে নবী (সঃ)! তুমি তাদেরকে বলে দাও আমার জন্যে আল্লাহই যথেষ্ট। নির্ভরকারীরা আল্লাহর উপর নির্ভর করে। যেমন হযরত হূদ (আঃ)-কে যখন তাঁর সম্প্রদায়ের লোকেরা বলেছিলঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমরা তো এটাই বলি যে, আমাদের মা’বৃদদের মধ্যে কেউ তোমাকে অশুভ দ্বারা আবিষ্ট করেছে।” (১১:৫৪) তখন তাদের এ কথার উত্তরে তিনি বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমি আল্লাহকে সাক্ষী করছি এবং তোমরাও সাক্ষী হও যে, আমি তা হতে নির্লিপ্ত যাকে তোমরা আল্লাহর শরীক কর আল্লাহ ব্যতীত। তোমরা সবাই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র কর, অতঃপর আমাকে অবকাশ দিয়ো না। আমি নির্ভর করি আমার ও তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহর উপর, এমন কোন জীবজন্তু নেই, যে তার পূর্ণ আয়ত্তাধীন নয়। আমার প্রতিপালক আছেন সরল পথে।” (১১:৫৪-৫৬)।
হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী হতে চায় সে যেন আল্লাহর উপর নির্ভরশীল হয়। আর যে ব্যক্তি লোকদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা ধনী হতে চায় সে যেন তার নিজের হাতে যা রয়েছে তার উপর আস্থা রাখার চেয়ে বেশী আস্থা রাখে ঐ জিনিসের উপর যা আল্লাহর হাতে রয়েছে। যে ব্যক্তি সর্বাপেক্ষা সম্মানিত ও মর্যাদাবান হতে চায় সে যেন মহামহিমান্বিত আল্লাহকে ভয় করে চলে।” (এ হাদীসটি ইমাম ইবনে হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)
এরপর মুশরিকদের ধমকের সুরে বলতে বলা হচ্ছেঃ হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা স্ব স্ব অবস্থায় কাজ করতে থাকো, আমিও আমার কাজ করছি। শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে কার উপর আসবে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি এবং কার উপর আপতিত হবে স্থায়ী শাস্তি। আর এটা হবে কিয়ামতের দিন। আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে এর থেকে রক্ষা করুন!
সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।