আল কুরআন


সূরা আস-সাফফাত (আয়াত: 122)

সূরা আস-সাফফাত (আয়াত: 122)



হরকত ছাড়া:

إنهما من عبادنا المؤمنين ﴿١٢٢﴾




হরকত সহ:

اِنَّهُمَا مِنْ عِبَادِنَا الْمُؤْمِنِیْنَ ﴿۱۲۲﴾




উচ্চারণ: ইন্নাহুমা-মিন ‘ইবা-দিনাল মু’মিনীন।




আল বায়ান: নিশ্চয় তারা দু’জনই ছিল আমার মুমিন বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ১২২. নিশ্চয় তারা উভয়ে ছিলেন আমাদের মুমিন বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।




তাইসীরুল ক্বুরআন: তারা দু’জন ছিল আমার মু’মিন বান্দাহদের অন্তর্ভুক্ত।




আহসানুল বায়ান: (১২২) নিশ্চয় এরা উভয়েই ছিল আমার বিশ্বাসী দাসদের অন্তর্ভুক্ত।



মুজিবুর রহমান: তারা উভয়েই ছিল আমার মু’মিন বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত ।



ফযলুর রহমান: নিশ্চয়ই তারা দুঞ্চজন আমার মুমিন বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।



মুহিউদ্দিন খান: তারা উভয়েই ছিল আমার বিশ্বাসী বান্দাদের অন্যতম।



জহুরুল হক: নিশ্চয় তাঁরা ছিলেন আমাদের মুমিন বান্দাদের মধ্যেকার।



Sahih International: Indeed, they were of Our believing servants.



তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ: কোনো তথ্য নেই।


তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ১২২. নিশ্চয় তারা উভয়ে ছিলেন আমাদের মুমিন বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।


তাফসীর:

-


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (১২২) নিশ্চয় এরা উভয়েই ছিল আমার বিশ্বাসী দাসদের অন্তর্ভুক্ত।


তাফসীর:

-


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ১১৪-১২২ নম্বর আয়াতের তাফসীর :



এখানে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর নাবীদ্বয় মূসা ও হারূন (আঃ)-এর আলোচনা নিয়ে এসেছেন। তিনি তাঁদেরকে নবুওয়াত ও রিসালাত দিয়ে অনুগ্রহ করেছেন এবং (الْكَرْبِ الْعَظِيْمِ) তথা ফির‘আউনের অত্যাচার ও দাসত্ব থেকে তাঁদেরকে নাজাত দিয়েছেন। এ সম্পর্কে পূর্বে একাধিক স্থানে আলোচনা করা হয়েছে। অতএব এখানে ঐ ঘটনার পুনরাবৃত্তি নিষ্প্রয়োজন।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ১১৪-১২২ নং আয়াতের তাফসীর:

এখানে মহামহিমান্বিত আল্লাহ হযরত মূসা (আঃ) ও হযরত হারূন (আঃ)-এর প্রতি যে অনুগ্রহ করেছেন তার বর্ণনা দিচ্ছেন এবং তাঁদেরকে ও যেসব লোক তাঁদের সাথে ঈমান এনেছিল তাদেরকে ফিরাউনের ন্যায় শক্তিশালী শত্রুর কবল হতে মুক্তি দেয়ার কথা বর্ণনা করেছেন। সে তাদেরকে জঘন্যভাবে অবনমিত করতো এবং তাদের পুত্র সন্তানদেরকে হত্যা করতো ও কন্যা সন্তানদেরকে জীবিত রাখতো। ফিরাউন তাদের দ্বারা নিকৃষ্ট ও নিম্ন পর্যায়ের সেবা গ্রহণ করতো। এরূপ নিকৃষ্টতম শত্রুকে আল্লাহ তাদের চোখের সামনে ধ্বংস করে দেন এবং হযরত মূসা (আঃ) ও হযরত হারূন (আঃ)-এর কওমকে বিজয় দান করেন। ফিরাউন ও তার লোকদের ভূসম্পত্তি ও ধন-দৌলতের মালিক তাদেরকে বানিয়ে দেন যেগুলো তারা যুগ যুগ ধরে জমা করে রেখেছিল।

অতঃপর মহান আল্লাহ হযরত মূসা (আঃ)-কে অতি স্পষ্ট, সত্য ও প্রকাশ্য মহাগ্রন্থ তাওরাত দান করেন। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমি মূসা (আঃ) ও হারূন (আঃ)-কে হক ও বাতিলের মধ্যে পার্থক্যকারী কিতাব (তাওরাত) দান করেছিলাম, যা ছিল হিদায়াত ও জ্যোতি স্বরূপ।”(২১:৪৮)।

মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ আমি উভয়কে দিয়েছিলাম বিশদ কিতাব এবং তাদেরকে পরিচালিত করেছিলাম সরল পথে অর্থাৎ কথায় ও কাজে। আর আমি তাদের উভয়কে পরবর্তীদের স্মরণে রেখেছি। অর্থাৎ তাদের পরবর্তী লোকেরা তাঁদের প্রশংসা ও গুণকীর্তন করতে থাকবে। এর ব্যাখ্যায় মহান আল্লাহ বলেনঃ সবাই তাদের উপর সালাম বর্ষণ করে থাকে।

এরপর আল্লাহ পাক বলেনঃ এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদেরক পুরস্কৃত করে থাকি। তারা উভয়েই ছিল আমার মুমিন বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।