আল কুরআন


সূরা সাবা (আয়াত: 8)

সূরা সাবা (আয়াত: 8)



হরকত ছাড়া:

أفترى على الله كذبا أم به جنة بل الذين لا يؤمنون بالآخرة في العذاب والضلال البعيد ﴿٨﴾




হরকত সহ:

اَفْتَرٰی عَلَی اللّٰهِ کَذِبًا اَمْ بِهٖ جِنَّۃٌ ؕ بَلِ الَّذِیْنَ لَا یُؤْمِنُوْنَ بِالْاٰخِرَۃِ فِی الْعَذَابِ وَ الضَّلٰلِ الْبَعِیْدِ ﴿۸﴾




উচ্চারণ: আফতারা-‘আলাল্লা-হি কাযিবান আম বিহী জিন্নাতুম বালিল্লাযীনা লা-ইউ’মিনূনা বিলআ-খিরাতি ফিল ‘আযা-বি ওয়াদ্দালা-লিল বা‘ঈদ।




আল বায়ান: সে কি আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা রচনা করে, না কি তার পাগলামী রয়েছে? বরং যারা আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে না তারা আযাব ও সুদূর বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছে।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৮. সে কি আল্লাহ্‌ সম্বন্ধে মিথ্যা উদ্ভাবন করে, নাকি তার মধ্যে আছে উন্মাদনা?(১) বরং যারা আখিরাতের উপর ঈমান আনে না, তারা শাস্তি ও ঘোর বিভ্ৰান্তিতে রয়েছে।




তাইসীরুল ক্বুরআন: সে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যে বলে, না হয় সে পাগল। বস্তুতঃ যারা আখিরাতে বিশ্বাস করে না তারাই শাস্তি এবং সুদূর গুমরাহীতে পড়ে আছে।




আহসানুল বায়ান: (৮) সে কি আল্লাহ সম্বন্ধে মিথ্যা উদ্ভাবন করে অথবা সে উন্মাদ?’[1] বস্তুতঃ যারা পরলোকে বিশ্বাস করে না, তারা শাস্তি এবং ঘোর বিভ্রান্তিতে রয়েছে। [2]



মুজিবুর রহমান: সে কি আল্লাহ সম্বন্ধে মিথ্যা উদ্ভাবন করে অথবা সে কি উন্মাদ? বস্তুতঃ যারা আখিরাতে বিশ্বাস করেনা তারা শাস্তি ও ঘোর বিভ্রান্তিতে রয়েছে।



ফযলুর রহমান: সে কি আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা বানিয়ে বলেছে, নাকি তার মধ্যে পাগলামি আছে? (কখনও নয়) বরং যারা পরকাল বিশ্বাস করে না তারাই আযাবে (নিশ্চিত আযাবের অপেক্ষায়) ও দারুণ বিভ্রান্তির মধ্যে আছে।



মুহিউদ্দিন খান: সে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা বলে, না হয় সে উম্মাদ এবং যারা পরকালে অবিশ্বাসী, তারা আযাবে ও ঘোর পথভ্রষ্টতায় পতিত আছে।



জহুরুল হক: "সে আল্লাহ্‌র বিরুদ্ধে হয় মিথ্যা রচনা করেছে, নয়তো তার মধ্যে রয়েছে জিনভূত।" বস্তুতঃ যারা পরকালে বিশ্বাস করে না তারা আছে শাস্তিতে ও সুদূরপ্রসারী বিভ্রান্তিতে।



Sahih International: Has he invented about Allah a lie or is there in him madness?" Rather, they who do not believe in the Hereafter will be in the punishment and [are in] extreme error.



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ৮. সে কি আল্লাহ্– সম্বন্ধে মিথ্যা উদ্ভাবন করে, নাকি তার মধ্যে আছে উন্মাদনা?(১) বরং যারা আখিরাতের উপর ঈমান আনে না, তারা শাস্তি ও ঘোর বিভ্ৰান্তিতে রয়েছে।


তাফসীর:

(১) অর্থাৎ তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি এমন মারাত্মক অপবাদ আরোপ করছে যে, এ লোক যেহেতু মৃত্যুর পর পুনরুত্থানের কথা বলছে, তা হলে সে দু'অবস্থা থেকে মুক্ত নয়। হয় সে ইচ্ছা করে আল্লাহর উপর মিথ্যা বানিয়ে বলছে, নতুবা তাকে পাগলামীতে পেয়ে বসেছে। কি বলছে তা জানে না। আল্লাহ তার জওয়াবে বলেন, তোমরা যা মনে করেছ ব্যাপারটি তা নয়। বরং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সবচেয়ে বড় সত্যবাদী। আর যারা পুনরুত্থানে বিশ্বাস করবে না, আর সেটার জন্য আমল করবে না, তারা তো স্থায়ী কঠিন শাস্তিতে থাকবে। দুনিয়াতেও তারা সঠিক পথ থেকে অনেক দূরে থাকবে। [মুয়াস্‌সার]


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (৮) সে কি আল্লাহ সম্বন্ধে মিথ্যা উদ্ভাবন করে অথবা সে উন্মাদ?”[1] বস্তুতঃ যারা পরলোকে বিশ্বাস করে না, তারা শাস্তি এবং ঘোর বিভ্রান্তিতে রয়েছে। [2]


তাফসীর:

[1] অর্থাৎ, (তারা বলত,) দু’য়ের এক অবশ্যই হবে, হয় সে মিথ্যা বলছে এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে অহী ও রিসালাতের দাবী করে আল্লাহর উপর মিথ্যা আরোপ করছে। অথবা তার মাথা খারাপ হয়ে গেছে এবং পাগলামির জন্য ঐ সব কথা বলছে, যা জ্ঞানে ধরার মত নয়।

[2] আল্লাহ তাআলা বলেন, আসল ব্যাপার তা নয়, যা তারা ধারণা করে। বরং ঘটনা হচ্ছে যে, জ্ঞান করে দেখা ও প্রকৃত বুঝার ক্ষমতা থেকে এরাই বঞ্চিত, যার ফলস্বরূপ তারা পরকালকে বিশ্বাস করার পরিবর্তে তা অস্বীকার করে। যার পরিণাম হল পরকালের চিরস্থায়ী শাস্তি এবং তারা এখন এমন ভ্রষ্টতার শিকার, যা সত্য থেকে অনেক দূরে।


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ৭-৯ নং আয়াতের তাফসীর:



মক্কার কাফির-মুশরিকরা যারা কিয়ামতকে অস্বীকার করত, পুনরুত্থানকে অস্বীকার করত এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে উন্মাদ, কবি ইত্যাদি কথা বলে ঠাট্টা-বিদ্রƒপ ও উপহাস করত এখানে তাদেরই কথা বর্ণনা করা হচ্ছে যে, তারা পরস্পর বলাবলি করত: আমাদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তি রয়েছে যে কিনা বলে যে, আমরা যখন মরে, পঁচে, গলে শেষ হয়ে যাব তখন পুনরায় আমাদেরকে জীবিত করা হবে। এসকল কথা-বার্তা বলে তারা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তুচ্ছ করত এবং উপহাস করত। مُزِّقْتُمْ শব্দটি مزق থেকে উদ্ভূত, এর অর্থ খন্ড-বিখন্ড করা। كُلَّ مُمَزَّقٍ এর অর্থ মানবদেহ ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে আলাদা হয়ে যাবে।



(أَفْتَرٰي عَلَي اللّٰهِ كَذِبًا أَمْ بِه۪ جِنَّةٌ)



‘সে আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে, নাকি সে পাগল’ অর্থাৎ ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে যাওয়ার পর সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ একত্রিত করা হবে এবং জীবিত করা হবে এরূপ কথা বলা আল্লাহ তা‘আলার নামে মিথ্যা কথা বলা ছাড়া কিছুই না, অথবা সে পাগল যার কথার কোন সঠিক ভিত্তি নেই।



তাদের এ সকল ভ্রান্ত ধারণার যথাযথ উত্তর দিয়ে আল্লাহ তা‘আলা বলেন যে, তোমরা যতই উপহাস করো না কেন মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে ব্যাপারে তোমাদেরকে খবর দিয়েছেন তা-ই সত্য। এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। তাদের এ সন্দেহ দূর করার জন্য আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে বিভিন্ন বিষয়ের উপমা দিয়েছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,



(أَفَلَمْ يَنْظُرُوْآ إِلَي السَّمَا۬ءِ فَوْقَهُمْ كَيْفَ بَنَيْنٰهَا وَزَيَّنَّاهَا وَمَا لَهَا مِنْ فُرُوْجٍ -‏ وَالْأَرْضَ مَدَدْنٰهَا وَأَلْقَيْنَا فِيْهَا رَوَاسِيَ وَأَنْۭبَتْنَا فِيْهَا مِنْ كُلِّ زَوْجٍۭ بَهِيْجٍ لا تَبْصِرَةً وَّذِكْرٰي لِكُلِّ عَبْدٍ مُّنِيْبٍ)



“তারা কি কখনও তাদের ওপরের আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখে না, কিভাবে আমি তা তৈরি করেছি ও তাকে সুশোভিত করেছি? আর তাতে কোন (সূক্ষ্মতম) ফাটলও নেই। আমি ভূমিকে বিস্তৃত করেছি ও তাতে পর্বতমালা স্থাপন করেছি আর তাতে উদ্গত করেছি চোখ জুড়ানো সর্বপ্রকার উদ্ভিদ। প্রত্যেক আল্লাহ অভিমুখী ব্যক্তির জন্য জ্ঞান আহরণ ও উপদেশ স্বরূপ।” (সূরা কফ ৫০:৬-৮)



আল্লাহ তা‘আলা অন্যত্র বলেন,



(وَالسَّمَا۬ءَ بَنَيْنٰهَا بِأَيْدٍ وَّإِنَّا لَمُوْسِعُوْنَ - وَالْأَرْضَ فَرَشْنٰهَا فَنِعْمَ الْمٰهِدُوْنَ)



“আমি আকাশ নির্মাণ করেছি আমার (নিজ) হাতে এবং আমি অবশ্যই মহা সম্প্রসারণকারী। এবং আমি পৃথিবীকে বিছিয়ে দিয়েছি, সুতরাং আমি কত সুন্দরভাবে বিছিয়েছি।” (সূরা যারিয়াত ৫১:৪৭-৪৮)



সুতরাং তোমাদের অবাক হওয়ার কিছুই নেই। আমি আল্লাহ তা‘আলা আকাশমণ্ডলী ও জমিনসহ এত বড় বড় জিনিস যেহেতু সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছি, তোমাদেরকে প্রথমবার সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছি; অতএব তোমাদেরকে পুনরায় সৃষ্টি করতেও সক্ষম। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,



(اَوَ لَیْسَ الَّذِیْ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ بِقٰدِرٍ عَلٰٓی اَنْ یَّخْلُقَ مِثْلَھُمْﺛ بَلٰیﺠ وَھُوَ الْخَلّٰقُ الْعَلِیْمُ)‏



“আর যিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি সক্ষম নন এদের অনুরূপ সৃষ্টি করতে?” (সূরা ইয়াসীন ৩৬:৮১)



অতএব আল্লাহ তা‘আলা পুনরায় সৃষ্টি করতেও সক্ষম। এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। প্রত্যেক মু’মিনের এটা অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:



১. মানুষের পুনরুত্থান অবশ্যই হবে, এটা অস্বীকার করা যাবে না।

২. ধর্মের ব্যাপারে হাসি-তামাশা করা যাবে না।

৩. দুনিয়ার বিভিন্ন সৃষ্টি বস্তুতে মানুষের জন্য উপদেশ রয়েছে, তা সঠিকভাবে গ্রহণ করার চেষ্টা করতে হবে।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ৭-৯ নং আয়াতের তাফসীর:

কাফির ও বিপথগামী, যারা কিয়ামত সংঘটিত হওয়াকে অস্বীকার করে এবং এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে উপহাস করে, এখানে তাদেরই খবর আল্লাহ তা'আলা দিচ্ছেন। তারা পরস্পর বলাবলি করতোঃ দেখো, আমাদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তি রয়েছে যে বলে যে, যখন আমরা মরে মাটির সাথে মিশে যাবো ও চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবো, তার পরেও নাকি আমরা আবার জীবিত হয়ে উঠবো! এ লোকটা সম্পর্কে দুটো কথা বলা যায়। হয়তো সে আল্লাহর উপর মিথ্যা আরোপ। করছে, না হয় সে উন্মাদ।

আল্লাহ তাআলা তাদের এ কথার জবাবে বলেনঃ না, এ কথা নয়। বরং মুহাম্মাদ (সঃ) সত্যবাদী, সৎ, সুপথ প্রাপ্ত ও জ্ঞানী। সে যাহেরী ও বাতেনী জ্ঞানে পরিপক্ক। সে বড়ই দূরদর্শী। কিন্তু এর কি ওষুধ আছে যে কাফিররা মূর্খতা এবং অজ্ঞতামূলক কাজ-কাম করতে রয়েছে? তারা চিন্তা-ভাবনা করে কোন কাজের গভীরতায় পৌঁছবার কোন চেষ্টাই করে না। তারা শুধু অস্বীকার করতেই জানে। তারা যে কোন কথায় যেখানে সেখানে শুধু অস্বীকার করেই থাকে। কেননা, সত্য কথা ও সঠিক পথ তারা ভুলে যায়। সেখান থেকে তারা বহু দূরে ছিটকে পড়ে।

এরপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ তারা কি তাদের সম্মুখে ও পশ্চাতে, আসমানে ও যমীনে যা আছে তার প্রতি লক্ষ্য করে না? তিনি এতে ক্ষমতাবান যে, এতে আকাশ ও এমন বিস্তৃত যমীন সৃষ্টি করেছেন! না আকাশ ভেঙ্গে পড়ছে, না যমীন ধ্বসে যাচ্ছে। যেমন তিনি বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমি আকাশকে স্বহস্তে সৃষ্টি করেছি এবং আমি প্রশস্ততার অধিকারী। আর আমি যমীনকে বিছিয়ে দিয়েছি এবং আমি বিছিয়ে দেয়ার ব্যাপারে কতই না উত্তম!”(৫১:৪৭-৪৮) তাদের উচিত সামনে ও পিছনে এবং আকাশ ও পৃথিবীর প্রতি লক্ষ্য করা। এগুলোর প্রতি লক্ষ্য করলেই তারা অনুধাবন করতে পারবে যে, যিনি এত বড় সৃষ্টির সৃষ্টিকর্তা এবং ব্যাপক ও অসীম শক্তির অধিকারী, তিনি কি মানুষের ন্যায় ক্ষুদ্র সৃষ্টিকে দ্বিতীয়বার সৃষ্টি করার ক্ষমতা রাখেন না? তিনি তো ইচ্ছা করলে তাদেরকেসহ ভূমি ধ্বসিয়ে দিতে পারেন অথবা তাদের উপর আকাশ খণ্ডের পতন ঘটিয়ে দিতে পারেন! এরূপ অবাধ্য বান্দা কিন্তু এরূপ শাস্তিরই যোগ্য। কিন্তু ক্ষমা করে দেয়া আল্লাহর অভ্যাস। তিনি মানুষকে অবকাশ দিচ্ছেন মাত্র। যার জ্ঞান-বুদ্ধি আছে, দূরদর্শিতা আছে, আছে চিন্তা-ভাবনা করার ক্ষমতা, যার মধ্যে আল্লাহর দিকে ফিরে আসার যোগ্যতা আছে, যার অন্তর আছে এবং অন্তরে জ্যোতি আছে, সে এসব বিরাট বিরাট নিদর্শন দেখার পর মহাশক্তির অধিকারী ও সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর এ সৃষ্টিতে সন্দেহ পোষণ করতেই পারে না যে, মৃত্যুর পর মানুষ পুনরুজ্জীবিত হবে। আকাশের ন্যায় সামিয়ানা এবং পৃথিবীর ন্যায় বিছানা যিনি সৃষ্টি করেছেন তাঁর জন্যে মানুষকে দ্বিতীয়বার সৃষ্টি করা তো মোটেই কঠিন কাজ নয়! যিনি প্রথমবার হাড়-গোশত সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন, সেগুলো সড়ে পড়ে টুকরো টুকরো হয়ে যাবার পর আবার ঐগুলোকে পুনর্বার সৃষ্টি করতে কেন তিনি সক্ষম হবেন না? যেমন মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেছেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন তিনি কি তাদের অনুরূপ সৃষ্টি করতে সমর্থ নন? হ্যা, নিশ্চয়ই (তিনি সক্ষম)।”(৩৬:৮১) আর একটি আয়াতে আছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টি তো মানব সৃষ্টি অপেক্ষা বেশী কঠিন। কিন্তু অধিকাংশ লোকই জানে না।” (৪০:৫৭)





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।