আল কুরআন


সূরা আস-সাজদাহ (আয়াত: 14)

সূরা আস-সাজদাহ (আয়াত: 14)



হরকত ছাড়া:

فذوقوا بما نسيتم لقاء يومكم هذا إنا نسيناكم وذوقوا عذاب الخلد بما كنتم تعملون ﴿١٤﴾




হরকত সহ:

فَذُوْقُوْا بِمَا نَسِیْتُمْ لِقَآءَ یَوْمِکُمْ هٰذَا ۚ اِنَّا نَسِیْنٰکُمْ وَ ذُوْقُوْا عَذَابَ الْخُلْدِ بِمَا کُنْتُمْ تَعْمَلُوْنَ ﴿۱۴﴾




উচ্চারণ: ফাযূকূবিমা-নাছীতুম লিকাআ ইয়াওমিকুম হা-যা- ইন্না-নাছীনা-কুম ওয়া যূকু ‘আযা-বাল খুলদি বিমা-কনতুম তা‘মালূন।




আল বায়ান: কাজেই তোমরা তোমাদের এই দিনের সাক্ষাতকে যে ভুলে গিয়েছিলে, তার স্বাদ তোমরা আস্বাদন কর। নিশ্চয় আমি তোমাদেরকে ভুলে গিয়েছি, আর তোমরা যা করতে, তার জন্য তোমরা স্থায়ী আযাব ভোগ কর।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ১৪. কাজেই শাস্তি আস্বাদন কর, কারণ তোমাদের এ দিনের সাক্ষাতের কথা তোমরা ভুলে গিয়েছিলে। আমরাও তোমাদেরকে পরিত্যাগ করলাম।(১) আর তোমরা যা আমল করতে তার জন্য তোমরা স্থায়ী শাস্তি ভোগ করতে থাক।




তাইসীরুল ক্বুরআন: কাজেই (শাস্তির) স্বাদ গ্রহণ কর, কেননা এ দিনের সাক্ষাৎকে তোমরা ভুলে গিয়েছিলে, আমিও তোমাদেরকে ভুলে গেছি। তোমরা চিরস্থায়ী শাস্তি আস্বাদন করতে থাক, তোমরা যা করছিলে তার কারণে।




আহসানুল বায়ান: (১৪) সুতরাং (ওদেরকে বলা হবে,) তোমরা শাস্তি আস্বাদন কর। কারণ, আজকের এ সাক্ষাতের কথা তোমরা ভুলে গিয়েছিলে। আমিও তোমাদেরকে ভুলে গেছি।[1] তোমরা যা করতে তার জন্য তোমরা চিরকালের শাস্তি ভোগ করতে থাক।



মুজিবুর রহমান: এখন শাস্তি আস্বাদন কর, কারণ আজকের এই সাক্ষাৎকারের কথা তোমরা বিস্মৃত হয়েছিলে। আমিও তোমাদেরকে বিস্মৃত হলাম, তোমরা যা করতে তজ্জন্য তোমরা স্থায়ী শাস্তি ভোগ করতে থাক।



ফযলুর রহমান: অতএব, যেহেতু তোমরা তোমাদের এ দিনটির (সাথে) সাক্ষাতকে ভুলে গিয়েছিলে, তাই (শাস্তি) আস্বাদন কর। আমিও তোমাদেরকে ভুলে গেলাম। তোমরা তোমাদের কৃতকর্মের জন্য চিরস্থায়ী শাস্তি ভোগ করতে থাক।



মুহিউদ্দিন খান: অতএব এ দিবসকে ভূলে যাওয়ার কারণে তোমরা মজা আস্বাদন কর। আমিও তোমাদেরকে ভুলে গেলাম। তোমরা তোমাদের কৃতকর্মের কারণে স্থায়ী আযাব ভোগ কর।



জহুরুল হক: সেজন্য -- "আস্বাদন করো, যেহেতু তোমাদের এই দিনটির সাক্ষাৎ পাওয়াকে তোমারা ভুলে গিয়েছিলে। আমরাও তাইতো তোমাদের ভুলে গেছি, কাজেই তোমরা দীর্ঘস্থায়ী শাস্তি আস্বাদন করো যা তোমরা করে চলেছিলে সেজন্য।



Sahih International: So taste [punishment] because you forgot the meeting of this, your Day; indeed, We have [accordingly] forgotten you. And taste the punishment of eternity for what you used to do."



তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ: কোনো তথ্য নেই।


তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ১৪. কাজেই শাস্তি আস্বাদন কর, কারণ তোমাদের এ দিনের সাক্ষাতের কথা তোমরা ভুলে গিয়েছিলে। আমরাও তোমাদেরকে পরিত্যাগ করলাম।(১) আর তোমরা যা আমল করতে তার জন্য তোমরা স্থায়ী শাস্তি ভোগ করতে থাক।


তাফসীর:

(১) এখানে نسي শব্দের অর্থ পরিত্যাগ করা, ছেড়ে যাওয়া। আরবী ভাষায় এ শব্দটি ভুলে যাওয়া, ছেড়ে দেয়া এ দুটি অর্থেই ব্যবহৃত হয়। [তাবারী; কুরতুবী]


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (১৪) সুতরাং (ওদেরকে বলা হবে,) তোমরা শাস্তি আস্বাদন কর। কারণ, আজকের এ সাক্ষাতের কথা তোমরা ভুলে গিয়েছিলে। আমিও তোমাদেরকে ভুলে গেছি।[1] তোমরা যা করতে তার জন্য তোমরা চিরকালের শাস্তি ভোগ করতে থাক।


তাফসীর:

[1] অর্থাৎ, যেমন তোমরা পৃথিবীতে আমাকে ভুলে ছিলে, তেমনি আজ আমি তোমাদের সাথে অনুরূপ ব্যবহার করব। তাছাড়া আল্লাহ তাআলা কিছু ভুলেন না।


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ১২-১৪ নং আয়াতের তাফসীর:



অত্র আয়াতগুলোতে পুনরুত্থানকে অস্বীকারকারী কাফির-মুশরিকদের কিয়ামতের দিন যে লাঞ্ছনা ও অপমানকর অবস্থায় আল্লাহ তা‘আলার সামনে দন্ডায়মান করা হবে এবং স্বচক্ষে তা দেখে দুনিয়াতে আগমনের কামনা করবে সে সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। তারা যখন পুনরুত্থিত হবে তখন লজ্জায় তাদের প্রতিপালকের সম্মুখে মাথা নত করে হীন ও লাঞ্ছিত অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকবে এবং বলবে হে আল্লাহ তা‘আলা! দুনিয়াতে না দেখে বিশ্বাস করিনি। এখন তো সব দেখছি ও শুনছি, অতএব আমাদেরকে দুনিয়াতে আসার সুযোগ দেন, আমরা ভাল আমল করে সৎ বান্দাদের মধ্যে শামিল হয়ে আসি। কিন্তু তাদের প্রার্থনা কবূল করা হবে না। আল্লাহ তা‘আলার বাণী:



(وَلَوْ تَرٰٓي إِذْ وُقِفُوْا عَلَي النَّارِ فَقَالُوْا يٰلَيْتَنَا نُرَدُّ وَلَا نُكَذِّبَ بِاٰيٰتِ رَبِّنَا وَنَكُوْنَ مِنَ الْمُؤْمِنِيْنَ – بَلْ بَدَأَ لَهُمْ مَّا كَانُوْا يُخْفُوْنَ مِنْ قَبْلُ ط وَلَوْ رُدُّوْا لَعَادُوْا لِمَا نُهُوْا عَنْهُ وَإِنَّهُمْ لَكٰذِبُوْنَ - وَقَالُوْآ إِنْ هِيَ إِلَّا حَيَاتُنَا الدُّنْيَا وَمَا نَحْنُ بِمَبْعُوْثِيْنَ)‏



“তুমি যদি দেখতে পেতে যখন তাদেরকে অগ্নির পার্শ্বে দাঁড় করান হবে এবং তারা বলবে, ‘হায়! যদি আমাদেরকে (পৃথিবীতে) আবার ফিরিয়ে দেয়া হত তবে আমরা আমাদের প্রতিপালকের নিদর্শনকে অস্বীকার করতাম না এবং আমরা মু’মিনদের অন্তর্ভুক্ত হতাম। (বিষয়টি এমন নয়) বরং পূর্বে তারা যা গোপন করেছে তা এখন তাদের নিকট প্রকাশ পেয়েছে এবং তারা প্রত্যাবর্তিত হলেও যা করতে তাদেরকে নিষেধ করা হয়েছিল পুনরায় তারা তাই করত এবং নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী। তারা বলে, ‘আমাদের পার্থিব জীবনই একমাত্র জীবন এবং আমরা পুনরুত্থিতও হব না।’ (সূরা আন‘আম ৬:২৭-২৯) তাদেরকে আর দুনিয়াতে পাঠানো হবে না। তারা তথায় আফসোস করে বলবে।



(وَقَالُوْا لَوْ كُنَّا نَسْمَعُ أَوْ نَعْقِلُ مَا كُنَّا فِيْٓ أَصْحٰبِ السَّعِيْرِ)‏



“এবং তারা আরো বলবে: যদি আমরা শুনতাম অথবা বিবেক-বুদ্ধি দিয়ে অনুধাবন করতাম, তবে আমরা জাহান্নামবাসী হতাম না।” (সূরা মুলক ৬৭:১০)



এরপর আল্লাহ তা‘আলা বলেন যে, যদি আমি ইচ্ছা করতাম তাহলে সকলকে হিদায়াত দান করতে পারতাম। অন্যত্র আল্লাহ তা‘আলার বাণী:



(وَلَوْ شَا۬ءَ رَبُّكَ لَاٰمَنَ مَنْ فِي الْأَرْضِ كُلُّهُمْ جَمِيْعًا ط أَفَأَنْتَ تُكْرِهُ النَّاسَ حَتّٰي يَكُوْنُوْا مُؤْمِنِيْنَ)



“তোমার প্রতিপালক ইচ্ছা করলে পৃথিবীতে যারা আছে তারা সকলেই ঈমান আনত; তবে কি তুমি মু’মিন হবার জন্য মানুষের ওপর জবরদস্তি করবে?” (সূরা ইউনুস ১০:৯৯) কিন্তু সকলে হিদায়াত পায়নি কারণ পূর্বেই আল্লাহ তা‘আলার বাণী নির্ধারিত হয়ে গেছে যে, এক শ্রেণির মানুষ ও জিন দ্বারা জাহান্নাম পূর্ণ করা হবে। এর অর্থ এই নয় যে, আল্লাহ তা‘আলা ইচ্ছা করে জাহান্নামে দেবেন, বরং তারা জাহান্নামে যাওয়ার আমল করবে তাই তারা জাহান্নামে যাবে। এ সম্পর্কে সূরা ইউনুসেও আলোচনা করা হয়েছে।



সুতরাং জাহান্নামে যারা যাবে তারা নিজেদের অপরাধের কারণেই যাবে। আল্লাহ তা‘আলা হিদায়াতের বাণী দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট করে দিয়েছেন। তারা যেমন দুনিয়াতে আল্লাহ তা‘আলার বানী ভুলে দূরে থাকত আল্লাহ তা‘আলাও কিয়ামতের দিন তাদেরকে ভূলে যাবেন। আল্লাহ তা‘আলার বাণী:



(وَقِيْلَ الْيَوْمَ نَنْسٰكُمْ كَمَا نَسِيْتُمْ لِقَا۬ءَ يَوْمِكُمْ هٰذَا وَمَأْوَاكُمُ النَّارُ وَمَا لَكُمْ مِّنْ نّٰصِرِيْنَ)‏



“আর বলা হবে, আজ আমি তোমাদেরকে ভুলে যাব যেমন তোমরা এই দিবসের সাক্ষাতকে ভুলে গিয়েছিলে। তোমাদের আশ্রয়স্থল জাহান্নাম এবং তোমাদের কোন সাহায্যকারী থাকবে না।” (সূরা জাসিয়া ৪৫:৩৪)



সুতরাং সময় থাকতে আমাদের হুশিয়ার হওয়া উচিত, কোনক্রমেই যেন আল্লাহ তা‘আলার সাথে নাফরমানী না করি। কারণ তা নিজের বিপদ ডেকে নিয়ে আসবে।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:



১. হিদায়াতের মলিক একমাত্র আল্লাহ তা‘আলা অন্য কেউ নয়।

২. জাহান্নাম জিন ও মানুষ জাতি দিয়েই পূর্ণ করা হবে।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ১২-১৪ নং আয়াতের তাফসীর

তোমাদেরকে বিস্মৃত হয়েছি, তোমরা যা করতে তজ্জন্যে তোমরা স্থায়ী শাস্তি ভোগ করতে থাকো।
আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ এ পাপীরা যখন নিজেদের পুনর্জীবন স্বচক্ষে দেখবে তখন অত্যন্ত লজ্জিত অবস্থায় মাথা নীচু করে আল্লাহর সামনে দণ্ডায়মান হবে। তখন তারা বলবেঃ হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের চোখ এখন উজ্জ্বল হয়েছে এবং আমাদের কানগুলো খাড়া হয়েছে। এখন আমরা বুঝতে ও জানতে পেরেছি। এখন আমরা বুঝে সুঝে কাজ করবো। আমাদের অন্ধত্ব ও বধিরতা দূর হয়ে গেছে। সুতরাং আমাদেরকে পুনরায় দুনিয়ায় ফিরিয়ে দিন। আমরা সকর্ম করবো, আমরা তো দৃঢ় বিশ্বাসী। ঐ সময় কাফিররা নিজেদের তিরস্কার করতে থাকবে। জাহান্নামে প্রবেশের সময় তারা আক্ষেপ করে বলবেঃ (আরবি)

অর্থাৎ “(তারা আরো বলবেঃ) যদি আমরা শুনতাম অথবা বিবেক বুদ্ধি প্রয়োগ করতাম, তাহলে আমরা জাহান্নামবাসী হতাম না।” (৬৭:১০) অনুরূপভাবে এরা বলবেঃ হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা প্রত্যক্ষ করলাম ও শ্রবণ করলাম, এখন আপনি আমাদেরকে পুনরায় প্রেরণ করুন (পার্থিব জগতে)। তাহলে আমরা সকর্ম করবো, আমরা তো দৃঢ় বিশ্বাসী। অর্থাৎ আমাদের এখন দৃঢ় বিশ্বাস জন্মেছে যে, আপনার প্রতিশ্রুতি সত্য এবং আপনার সাক্ষাৎকার সত্য। আর আল্লাহ তাআলাও জানেন যে, যদি তিনি তাদেরকে পার্থিব জগতে ফিরিয়ে দেন তবে তারা পূর্বের মতই কাফির হয়ে যাবে এবং তাঁর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করবে ও তার রাসূলদের বিরুদ্ধাচরণ করবে। যেমন মহান আল্লাহ বলেনঃ (আরবি)

অর্থাৎ “তুমি যদি দেখতে যে, যখন তাদেরকে জাহান্নামের উপর দাঁড় করানো হবে তখন তারা বলবেঃ হায়! যদি আমাদেরকে ফিরিয়ে দেয়া হতো তবে আমরা আমাদের প্রতিপালকের আয়াতসমূহকে অবিশ্বাস করতাম না।” (৬:২৭)

এজন্যেই আল্লাহ তাআলা এখানে বলেনঃ আমি ইচ্ছা করলে প্রত্যেক ব্যক্তিকে সৎপথে পরিচালিত করতে পারতাম। যেমন তিনি বলেনঃ (আরবি)

অর্থাৎ “যদি তোমার প্রতিপালক ইচ্ছা করতেন তবে ভূ-পৃষ্ঠে অবস্থানকারী সবাই অবশ্যই ঈমান আনতো।” (১০:৯৯) কিন্তু আমার এ কথা অবশ্যই সত্য যে, আমি নিশ্চয়ই দানব ও মানব উভয় দ্বারা জাহান্নাম পূর্ণ করবো। এটা আল্লাহর অটল ফায়সালা। আমরা তাঁর সত্তায় পূর্ণ বিশ্বাস করি এবং তাঁর সমুদয় কথা হতে ও তার শাস্তি হতে তাঁর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

ঐদিন জাহান্নামীদেরকে বলা হবেঃ তবে শাস্তি আস্বাদন কর, কারণ আজকের এই সাক্ষাৎকারের কথা তোমরা বিস্মৃত হয়েছিলে। একে তোমরা অসম্ভব মনে করতে। আজ আমিও তোমাদেরকে বিস্তৃত হয়েছি। আল্লাহ তা'আলার পবিত্র সত্তা ভুল-ভ্রান্তি হতে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র। এটা শুধু বদল বা বিনিময় হিসেবে বলা হয়েছে। যেমন অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “আজ আমি তোমাদেরকে ভুলে গেলাম যেমন তোমরা তোমাদের এদিনের সাক্ষাৎকারকে ভুলে গিয়েছিলে।” (৪৫:৩৪)।

মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ তোমরা যা করতে তজ্জন্যে তোমরা স্থায়ী শাস্তি ভোগ করতে থাকো। অর্থাৎ তোমাদের কুফরী ও মিথ্যা প্রতিপন্ন করার কারণে স্থায়ী শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করতে থাকো। যেমন আল্লাহ তাআলা অন্য আয়াতে বলেনঃ (আরবি)

অর্থাৎ “সেথায় তারা আস্বাদন করবে না শৈত্য, না কোন পানীয়- ফুটন্ত পানি ও পূজ ব্যতীত... আমি তো তোমাদের শাস্তিই শুধু বৃদ্ধি করবো।” (৭৮:২৪-৩০)





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।