সূরা লুকমান (আয়াত: 8)
হরকত ছাড়া:
إن الذين آمنوا وعملوا الصالحات لهم جنات النعيم ﴿٨﴾
হরকত সহ:
اِنَّ الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ لَهُمْ جَنّٰتُ النَّعِیْمِ ۙ﴿۸﴾
উচ্চারণ: ইন্নাল্লাযীনা আ-মানূওয়া ‘আমিলুসসা-লিহা-তি লাহুম জান্না-তুন না‘ঈম।
আল বায়ান: নিশ্চয় যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের জন্য রয়েছে নিআমতপূর্ণ জান্নাত;
আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৮. নিশ্চয় যারা ঈমান আনে ও সৎকাজ করে তাদের জন্য রয়েছে নেয়ামতপূর্ণ জান্নাত;
তাইসীরুল ক্বুরআন: যারা ঈমান আনে আর সৎকাজ করে তাদের জন্য আছে নি‘য়ামাতে ভরা জান্নাত।
আহসানুল বায়ান: (৮) নিশ্চয় যারা বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে, তাদের জন্য আছে সুখের উদ্যানরাজি;
মুজিবুর রহমান: যারা ঈমান আনে ও সৎ কাজ করে তাদের জন্য রয়েছে সুখ কানন,
ফযলুর রহমান: যারা ঈমান আনে ও সৎকাজ করে তাদের জন্য রয়েছে নেয়ামতপূর্ণ জান্নাত।
মুহিউদ্দিন খান: যারা ঈমান আনে আর সৎকাজ করে তাদের জন্য রয়েছে নেয়ামতে ভরা জান্নাত।
জহুরুল হক: নিঃসন্দেহ যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করছে তাদের জন্য রয়েছে আনন্দময় উদ্যানসমূহ --
Sahih International: Indeed, those who believe and do righteous deeds - for them are the Gardens of Pleasure.
তাফসীরে যাকারিয়া
অনুবাদ: ৮. নিশ্চয় যারা ঈমান আনে ও সৎকাজ করে তাদের জন্য রয়েছে নেয়ামতপূর্ণ জান্নাত;
তাফসীর:
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
অনুবাদ: (৮) নিশ্চয় যারা বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে, তাদের জন্য আছে সুখের উদ্যানরাজি;
তাফসীর:
-
তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ
তাফসীর: ৮-৯ নং আয়াতের তাফসীর:
মন্দ লোকদের পরিণতির কথা বর্ণনা করার পর আল্লাহ তা‘আলা আবার সৎ লোকেদের কথা নিয়ে এসেছেন। যারা সৎ আমল করবে ও ঈমান আনবে তারা চিরস্থায়ীভাবে জান্নাতে বসবাস করবে। এ সম্পর্কে সূরা কাহফের ১০৭ ও ১০৮ নং আয়াতে আলোচনা করা হয়েছে।
আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
১. ঈমান আনার সাথে সাথে সৎ কাজ করতে হবে।
২. আল্লাহ তা‘আলা যা ওয়াদা করেন তা সত্য, তিনি কখানো ওয়াদা ভঙ্গ করেন না।
তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)
তাফসীর: ৮-৯ নং আয়াতের তাফসীর
এখানে ভাল লোকদের শেষ পরিণতির কথা বর্ণনা করা হচ্ছে যে, যারা আল্লাহর উপর ঈমান এনেছে ও রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে মেনে নিয়েছে, শরীয়ত মুতাবেক কাজ করেছে তাদের জন্যে জান্নাত নির্ধারিত আছে, যার মধ্যে নানা প্রকারের নিয়ামত থাকবে। বিভিন্ন প্রকারের সুস্বাদু খাদ্য, সুন্দর ঝকঝকে তকতকে পোশাক, সুন্দর সুন্দর গাড়ী-ঘোড়া, পবিত্র ডাগর চোখা পরমা সুন্দরী হরীরা বিদ্যমান থাকবে। সেখানে এসব নিয়ামত কখনো নিঃশেষ হবে না। না এগুলো নষ্ট হবে, না ধ্বংস হবে, না কমে যাবে। এসব নিয়ামত অবশ্যই দেয়া হবে। কেননা, এটা আল্লাহর ওয়াদা এবং তিনি তাঁর ওয়াদা কখনো ভঙ্গ করেন না। তিনি দয়ালু, অনুগ্রহশীল ও পরম করুণাময়। তিনি যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন। তিনি অসীম ক্ষমতার অধিকারী। সার্বভৌম ক্ষমতা তারই। সবকিছুই তাঁর অয়িত্তের মধ্যে রয়েছে। তিনি প্রজ্ঞাময়। তাঁর কোন কথা, কোন কাজ জ্ঞান-বিবেক বহির্ভূত নয়। তিনি কুরআন কারীমকে মুমিনদের জন্যে পথপ্রদর্শক। ও শিক্ষাদানকারী করেছেন। আর বেঈমানদের জন্যে এটা বোঝা স্বরূপ ও চোখের কাঁটার ন্যায়। মহান আল্লাহ অন্য আয়াতে বলেনঃ (আরবি)
অর্থাৎ “আমি অবতীর্ণ করি কুরআন যা মুমিনদের জন্যে আরোগ্য ও রহমত। আর এটা যালিমদের ক্ষতিই বৃদ্ধি করে।” (১৭:৮২)
সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।