আল কুরআন


সূরা আল-কাসাস (আয়াত: 65)

সূরা আল-কাসাস (আয়াত: 65)



হরকত ছাড়া:

ويوم يناديهم فيقول ماذا أجبتم المرسلين ﴿٦٥﴾




হরকত সহ:

وَ یَوْمَ یُنَادِیْهِمْ فَیَقُوْلُ مَاذَاۤ اَجَبْتُمُ الْمُرْسَلِیْنَ ﴿۶۵﴾




উচ্চারণ: ওয়া ইয়াওমা ইউনা-দীহিম ফাইয়াকূলুমা-যাআজাবতুমুল মুরছালীন।




আল বায়ান: আর সেদিন আল্লাহ তাদেরকে ডেকে বলবেন, ‘তোমরা রাসূলদেরকে কী জবাব দিয়েছিলে’?




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৬৫. আর সেদিন আল্লাহ এদেরকে ডেকে বলবেন, তোমরা রাসূলগণকে কী জবাব দিয়েছিলে?




তাইসীরুল ক্বুরআন: আর সেদিন আল্লাহ তাদেরকে ডাক দিবেন এবং বলবেন- ‘তোমরা রসূলদেরকে কী জওয়াব দিয়েছিলে?’




আহসানুল বায়ান: (৬৫) সেদিন আল্লাহ ওদেরকে ডেকে বলবেন, ‘তোমরা রসূলগণকে কি জবাব দিয়েছিলে?’ [1]



মুজিবুর রহমান: আর সেদিন (আল্লাহ) তাদেরকে ডেকে বলবেনঃ তোমরা রাসূলদেরকে কি জবাব দিয়েছিলে?



ফযলুর রহমান: আর (স্মরণ করো) যেদিন আল্লাহ তাদেরকে ডেকে বলবেন, “তোমরা রসূলদেরকে কী জবাব দিয়েছিলে?”



মুহিউদ্দিন খান: যে দিন আল্লাহ তাদেরকে ডেকে বলবেন, তোমরা রসূলগণকে কি জওয়াব দিয়েছিলে?



জহুরুল হক: আর সেইদিন যখন তিনি তাদের ডাকবেন ও বলবেন -- "তোমরা প্রেরিত-পুরুষদের কী জবাব দিয়েছিলে?"



Sahih International: And [mention] the Day He will call them and say, "What did you answer the messengers?"



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ৬৫. আর সেদিন আল্লাহ এদেরকে ডেকে বলবেন, তোমরা রাসূলগণকে কী জবাব দিয়েছিলে?


তাফসীর:

-


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (৬৫) সেদিন আল্লাহ ওদেরকে ডেকে বলবেন, ‘তোমরা রসূলগণকে কি জবাব দিয়েছিলে?” [1]


তাফসীর:

[1] পূর্বের আয়াতসমূহে তাওহীদ সম্বন্ধে প্রশ্ন ছিল। এবার দ্বিতীয় প্রশ্ন রিসালাত সম্পর্কে করা হবে। অর্থাৎ, আমি তোমাদের নিকট রসূল পাঠিয়েছিলাম, তোমরা তাঁদের সাথে কিরূপ আচরণ প্রদর্শন করেছ? তোমরা তাঁদের আহবানে সাড়া দিয়েছিলে কি না? যেমন কবরে প্রশ্ন করা হবে, তোমার নবী কে? তোমার ধর্ম কি? সুতরাং মু’মিন হলে সঠিক উত্তর দেবে। কিন্তু কাফের বলবে ‘হাহ হাহ লা আদরী’ হায় আফসোস! আমি তো কিছুই জানি না। অনুরূপ কিয়ামত দিবসেও উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে না। সেই জন্য পরবর্তীতে বলা হয়েছে, ‘‘সেদিন তাদের সকল খবর বিলুপ্ত হয়ে যাবে।’’ অর্থাৎ, কোন প্রকার দলীল-প্রমাণ বুঝে আসবে না, যা তারা পেশ করতে পারে। এখানে দলীলকে ‘খবর’ বলে ব্যক্ত করে এই কথার দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, তাদের বাতিল বিশ্বাসের স্বপক্ষে তাদের নিকট কোন দলীলই নেই। বরং তাদের নিকট আছে গল্প ও কাহিনী; যেমন আজ-কাল কবর পূজারীদের কাছেও কারামতির বানানো গল্পগুচ্ছ ছাড়া আর কিছুই থাকে না।


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ৬২-৬৭ নং আয়াতের তাফসীর:



আয়াতগুলোতে মূলত কাফির-মুশরিকরা আল্লাহ তা‘আলাকে ব্যতীত তাঁর সাথে অন্যান্য যেসকল উপাস্যদেরকে আহ্বান করত, আর এ কারণে কাল কিয়ামতের মাঠে তারা কি পরিমাণ লাঞ্ছিত ও হেয় প্রতিপন্ন হবে সে কথাই বলা হচ্ছে। আল্লাহ তা‘আলা ঐ সমস্ত লোকদেরকে তিরস্কারের সাথে জিজ্ঞাসা করবেন, তোমাদের ঐ সকল মা‘বূদ কোথায়? যাদেরকে তোমরা আমার পরিবর্তে উপাস্যরূপে গ্রহণ করেছিলে। এ সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা বলেন:



(وَمَا نَرٰي مَعَكُمْ شُفَعَا۬ءَكُمُ الَّذِيْنَ زَعَمْتُمْ أَنَّهُمْ فِيْكُمْ شُرَكٰٓؤُا ط لَقَدْ تَّقَطَّعَ بَيْنَكُمْ وَضَلَّ عَنْكُمْ مَّا كُنْتُمْ تَزْعُمُوْنَ)



“তোমরা যাদেরকে তোমাদের ব্যাপারে শরীক মনে করতে তোমাদের সেই সুপারিশকারিগণকেও তোমাদের সাথে দেখছি না; তোমাদের মাঝে সম্পর্ক অবশ্যই ছিন্ন হয়েছে এবং তোমরা যা ধারণা করেছিলে তাও নিষ্ফল হয়েছে।” (সূরা আন‘আম ৬:৯৪)



এমনকি তাদেরকে বলা হবে, তারা যেন তাদের ঐ সকল ভ্রান্ত মা‘বূদদেরকে ডেকে নিয়ে আসে।



আল্লাহ তা‘আলা বলেন:



(وَيَوْمَ يَقُوْلُ نَادُوْا شُرَكَا۬ئِيَ الَّذِيْنَ زَعَمْتُمْ فَدَعَوْهُمْ فَلَمْ يَسْتَجِيْبُوْا لَهُمْ وَجَعَلْنَا بَيْنَهُمْ مَّوْبِقًا - وَرَأَي الْمُجْرِمُوْنَ النَّارَ فَظَنُّوْآ أَنَّهُمْ مُّوَاقِعُوْهَا وَلَمْ يَجِدُوْا عَنْهَا مَصْرِفًا)‏



“এবং সেদিনের কথা স্মরণ কর‎, যেদিন তিনি বলবেন, ‘তোমরা যাদেরকে আমার শরীক মনে করতে তাদেরকে আহ্বান কর‎।’ তারা তখন তাদেরকে আহ্বান করবে কিন্তু তারা তাদের আহ্বানে সাড়া দিবে না এবং তাদের উভয়ের মধ্যস্থলে রেখে দিব এক ধ্বংস-গহ্বর। অপরাধীরা আগুন দেখে বুঝবে যে, তারা তথায় পতিত হবে এবং তারা সেখান হতে কোন পরিত্রাণস্থল পাবে না।” (সূরা কাহ্ফ ১৮:৫২-৫৩)



কিন্তু ঐ সকল বাতিল মা‘বূদগুলো তাদের ভক্তদের কথা কিয়ামতের মাঠে অস্বীকার করবে। এমনকি তারা একে অপরের শত্র“তে পরিণত হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:



(وَاتَّخَذُوْا مِنْ دُوْنِ اللّٰهِ اٰلِهَةً لِّيَكُوْنُوْا لَهُمْ عِزًّا لا- كَلَّا ط سَيَكْفُرُوْنَ بِعِبَادَتِهِمْ وَيَكُوْنُوْنَ عَلَيْهِمْ ضِدًّا)



“তারা আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত অন্য অনেক ইলাহ্ গ্রহণ করেছে এজন্য যাতে তারা তাদের সহায় হয়; কখনই নয়; তারা অচিরেই তাদের ইবাদত অস্বীকার করবে এবং তাদের বিরোধী হয়ে যাবে।” (সূরা মারইয়াম ১৯:৮১-৮২)



অতএব দুনিয়াতে আল্লাহ তা‘আলাকে ছেড়ে যাদেরই ইবাদত করা হোক না কেন তারা আখিরাতে কারো কোন উপকার করতে পারবে না। বরং একে অপরের শত্র“তে পরিণত হবে।



আল্লাহ তা‘আলা তাঁর একত্বের কথা বর্ণনা করার পর রাসূলের নবুওয়াতের কথা বর্ণনা করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে জিজ্ঞেস করবেন, তোমরা আমার রাসূলগণের ডাকে কি সাড়া দিয়েছিলে? তাঁকে সত্য বলে মেনে নিয়েছিলে, না মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিলে? তখন তারা কোন উত্তরই দিতে পারবে না। তবে যারা ঈমান আনবে তাদের কথা ভিন্ন।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:



১. আল্লাহ তা‘আলার সাথে কাউকে শরীক করা যাবে না।

২. যারা আল্লাহ তা‘আলাকে ছাড়া অন্যদের ইবাদত করত তারা কোন উপকার করতে পারবে না।

৩. যাদের ইবাদত করা হত এবং যারা ইবাদত করত তারা পরস্পরে শত্র“তে পরিণত হবে।

৪. মু’মিনগণ আখিরাতে সফলকাম হবে।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ৬২-৬৭ নং আয়াতের তাফসীর

কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলা মুশরিকদেরকে ডেকে সামনে দাঁড় করাবেন এবং বলবেনঃ “আমি ছাড়া যেসব প্রতিমা ও পাথরের তোমরা পূজা করতে সেগুলো আজ কোথায়? তাদেরকে আজ ডাকো এবং দেখো যে, তারা তোমাদের কোন সাহায্য করতে বা তাদের নিজেদেরই কোন সাহায্য করতে পারে কি না?” এ কথা তাদেরকে শুধু ধমক হিসেবেই বলা হবে। যেমন অন্য জায়গায় আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ (আরবি)

অর্থাৎ “অবশ্যই তোমরা আমার কাছে এককভাবে এসেছে যেমন আমি তোমাদেরকে প্রথমবার সৃষ্টি করেছিলাম। আর যা কিছু আমি তোমাদেরকে। দিয়েছিলাম সেগুলোর সবই তোমরা পিছনে ছেড়ে এসেছো। আজ তো আমি তোমাদের সাথে কোন সুপারিশকারীকে দেখছি না যাদেরকে তোমরা আল্লাহর অংশীদার মনে করতে? তাদের সাথে আজ তোমাদের কোনই সম্পর্ক নেই, তোমরা যা ধারণা করতে তার সবই মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। তারা আজ সবাই তোমাদের থেকে দূরে সরে পড়েছে।” (৬:৯৪)

মহান আল্লাহর উক্তিঃ যাদের জন্যে শাস্তি অবধারিত হয়েছে তারা বলবে অর্থাৎ শয়তান, উদ্ধত এবং শিক্ ও কুফরীর দিকে আহ্বানকারীরা সেদিন বলবেঃ “হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা তাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছিলাম এবং তারা আমাদের। শুনেছিল ও মেনে নিয়েছিল। আমরা নিজেরাও ছিলাম পথভ্রষ্ট এবং তাদেরকেও করেছিলাম পথভ্রষ্ট। আজ আমরা আপনার সামনে তাদের ইবাদতের অসন্তুষ্টি প্রকাশ করছি। যেমন মহামহিমান্বিত আল্লাহ অন্য জায়গায় বলেনঃ (আরবি)

অর্থাৎ “তারা আল্লাহ ব্যতীত অন্য মা'বুদ গ্রহণ করে এই জন্যে যে, যাতে তারা তাদের সহায় হয়। কখনই নয়, তারা তাদের ইবাদত অস্বীকার করবে এবং তাদের বিরোধী হয়ে যাবে।` (১৯:৮১-৮২) আল্লাহ তা'আলা আর এক আয়াতে বলেনঃ (আরবি)

অর্থাৎ “ঐ ব্যক্তি অপেক্ষা অধিক পথভ্রষ্ট আর কে আছে যে আল্লাহ ব্যতীত অন্যদেরকে আহ্বান করে যারা কিয়ামতের দিন পর্যন্ত তাদের ডাকে সাড়া দিতে পারবে না এবং তারা তাদের ডাক হতে সম্পূর্ণরূপে উদাসীন?` (৪৬:৫) তিনি আরো বলেনঃ (আরবি)

অর্থাৎ “(কিয়ামতের দিন) যখন লোকেরা একত্রিত হবে তখন তারা (উপাস্যরা) তাদের (উপাসকদের) শত্রু হয়ে যাবে এবং তাদের ইবাদতকে অস্বীকার করবে।” (৪৬:৬)

হ্যরত (ইবরাহীম) খলীলুল্লাহ (আঃ) স্বীয় কওমকে বলেছিলেনঃ “তোমরা যে প্রতিমাগুলোর উপাসনা করছে তাদের সাথে তোমাদের শুধু দুনিয়াতেই বন্ধুত্ব থাকছে, কিয়ামতের দিন তোমরা একে অপরকে অস্বীকার করবে এবং একে অপরের প্রতি লা'নত বর্ষণ করবে।” মহান আল্লাহ অন্য এক আয়াতে বলেনঃ “যখন অনুসৃতরা অনুসারীদের থেকে নিজেদেরকে দায়িত্বমুক্ত বলে ঘোষণা করবে এবং তাদের মধ্যকার সম্পর্ক সম্পূর্ণরূপে ছিন্ন হয়ে যাবে.... তারা (জাহান্নামের) আগুন হতে বের হতে পারবে না। তাদেরকে বলা হবেঃ “দুনিয়ায় যাদের তোমরা পূজা-অর্চনা করতে এখন তাদেরকে ডাকছো না কেন?” তখন তারা ডাকতে শুরু করবে, কিন্তু কোন জবাব তারা পাবে না। তখন তাদের বিশ্বাস হয়ে যাবে যে, তাদেরকে জাহান্নামের আগুনে যেতেই হবে। ঐ সময় তারা আকাঙ্ক্ষা করবে যে, হায়! তারা যদি সৎপথ অনুসরণ করতো! যেমন আল্লাহ তাআলা বলেনঃ (আরবি)

অর্থাৎ “আর সেই দিনের কথা স্মরণ কর, যেদিন তিনি বলবেনঃ তোমরা যাদেরকে আমার শরীক মনে করতে তাদেরকে আহ্বান কর। তারা তখন তাদেরকে আহ্বান করবে কিন্তু তারা তাদের আহ্বানে সাড়া দেবে না এবং তাদের উভয়ের মধ্যস্থলে রেখে দেবো এক ধ্বংস গহ্বর। অপরাধীরা আগুন দেখে বুঝবে যে, তারা তথায় পতিত হচ্ছে এবং তারা এটা হতে কোন পরিত্রাণস্থল। পাবে না।” (১৮:৫২-৫৩)

এই কিয়ামতের দিনেই তাদের সবকে শুনিয়ে একটা প্রশ্ন এও করা হবেঃ “তোমরা নবীদেরকে কি জবাব দিয়েছিলে এবং তাদেরকে কতদূর সাহায্য সহযোগিতা করেছিলে?” প্রথমে তাওহীদ সম্পর্কে প্রশ্ন ও বিচার-বিশ্লেষণের আলোচনা ছিল। এখন রিসালাত সম্পর্কে সওয়াল-জবাবের আলোচনা হচ্ছে। অনুরূপভাবে কবরেও প্রশ্ন হয়ঃ “তোমার প্রতিপালক কে? তোমার নবী কে? এবং তোমার দ্বীন কি?` মুমিন উত্তর দেয়ঃ “আমার প্রতিপালক ও মাবুদ আল্লাহ, আমার রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সঃ), যিনি আল্লাহর বান্দা ও রাসূল ছিলেন এবং আমার দ্বীন হলো ইসলাম।” তবে কাফির কোন উত্তর দিতে পারে না। ভীত-সন্ত্রস্ত ও হতভম্ব হয়ে বলেঃ “আমি এসব জানি না।” সে অন্ধ ও বধির হয়ে যায়। যেমন মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ (আরবি)

অর্থাৎ “যে এই দুনিয়ায় অন্ধ সে পরকালেও অন্ধ এবং সে চরম পথভ্রষ্ট।” (১৭:৭২) সমস্ত দলীল প্রমাণ তার দৃষ্টি হতে সরে যাবে। আত্মীয়তার সম্পর্ক সম্পূর্ণরূপে ছিন্ন হয়ে যাবে। বংশ তালিকার কোন প্রশ্ন করা হবে না। তবে যে ব্যক্তি তাওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকার্যাবলী সম্পাদন করে সে অবশ্যই সাফল্য অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে। এখানে (আরবি) শব্দটি (আরবি) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ মুমিন অবশ্যই কৃতকার্য ও সফলকাম হবে।





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।