সূরা আশ-শুআ‘রা (আয়াত: 142)
হরকত ছাড়া:
إذ قال لهم أخوهم صالح ألا تتقون ﴿١٤٢﴾
হরকত সহ:
اِذْ قَالَ لَهُمْ اَخُوْهُمْ صٰلِحٌ اَلَا تَتَّقُوْنَ ﴿۱۴۲﴾ۚ
উচ্চারণ: ইযকা-লা লাহুম আখূহুম সা-লিহুন ‘আলা-তাত্তাকূন।
আল বায়ান: যখন তাদের ভাই সালিহ তাদেরকে বলেছিল, ‘তোমরা কি তাকওয়া অবলম্বন করবে না’?
আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ১৪২. যখন তাদের ভাই সালিহ তাদেরকে বললেন, তোমরা কি তাকওয়া অবলম্বন করবে না?
তাইসীরুল ক্বুরআন: যখন তাদের ভাই সালিহ তাদেরকে বলেছিল- তোমরা কি (আল্লাহকে) ভয় করবে না?
আহসানুল বায়ান: (১৪২) যখন ওদের ভ্রাতা সালেহ ওদেরকে বলল, ‘তোমরা কি সাবধান হবে না?
মুজিবুর রহমান: যখন তাদের ভাই সালিহ তাদেরকে বললঃ তোমরা কি সাবধান হবেনা?
ফযলুর রহমান: যখন তাদের ভাই ছালেহ তাদেরকে বলল, “তোমাদের কি (আল্লাহর) ভয় নেই?”
মুহিউদ্দিন খান: যখন তাদের ভাই সালেহ, তাদেরকে বললেন, তোমরা কি ভয় কর না?
জহুরুল হক: দেখো, তাদের ভাই সালিহ্ তাদের বলেছিলেন -- "তোমরা কি ধর্মভীরুতা অবলন্বন করবে না?
Sahih International: When their brother Salih said to them, "Will you not fear Allah?
তাফসীরে যাকারিয়া
অনুবাদ: ১৪২. যখন তাদের ভাই সালিহ তাদেরকে বললেন, তোমরা কি তাকওয়া অবলম্বন করবে না?
তাফসীর:
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
অনুবাদ: (১৪২) যখন ওদের ভ্রাতা সালেহ ওদেরকে বলল, ‘তোমরা কি সাবধান হবে না?
তাফসীর:
-
তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ
তাফসীর: ১৪১-১৫৯ নং আয়াতের তাফসীর:
এখানে সালেহ (عليه السلام) ও তাঁর সম্প্রদায় সামূদ জাতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এদের সম্পর্কে সূরা আ‘রাফে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)
তাফসীর: ১৪১-১৪৫ নং আয়াতের তাফসীর
আল্লাহ তা'আলা স্বীয় বান্দা ও রাসূল হযরত সালেহ (আঃ)-এর ঘটনা বর্ণনা করছেন যে, তাঁকে তাঁর কওম সামূদের নিকট প্রেরণ করা হয়েছিল। তারা ছিল আরবীয় লোক। তারা হিজর নামক শহরে বাস করতো। ওটা ছিল দারুল কুরা ও শাম দেশের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। তাদের আবির্ভাব ঘটেছিল কওমে হ্রদের (অর্থাৎ আ’দের) পরে এবং কওমে ইবরাহীমের পূর্বে। শাম অভিমুখে যাওয়ার পথে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর এখান দিয়ে গমন করার কথা সূরায়ে আ’রাফের তাফসীরে বর্ণিত হয়েছে। সামূদ সম্প্রদায়কে তাদের নবী হযরত সালেহ (আঃ) আল্লাহর দিকে আহ্বান করে বলেনঃ “আমি তোমাদের নিকট এক বিশ্বস্ত রাসূলরূপে প্রেরিত হয়েছি। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য স্বীকার করে নাও।' কিন্তু তারা তার কথা মানতে অস্বীকার করলো এবং কুফরীর উপরই কায়েম থাকলো। তারা হযরত সালেহ (আঃ)-কে অবিশ্বাস করলো এবং তার উপদেশ সত্ত্বেও তারা পরহেযগারী অবলম্বন করলো না। বিশ্বস্ত রাসূলের উপস্থিতি সত্ত্বেও তারা হিদায়াতের পথে আসলো না। অথচ নবী (আঃ)। তাদেরকে পরিষ্কারভাবে বললেনঃ আমি এ কাজের জন্যে তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না, আমার পুরস্কার তো জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকটই রয়েছে। তারপর তিনি তাদেরকে আল্লাহর নিয়ামতরাজির কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন যেগুলো আল্লাহ তাদেরকে দান করেছেন
সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।