সূরা আশ-শুআ‘রা (আয়াত: 141)
হরকত ছাড়া:
كذبت ثمود المرسلين ﴿١٤١﴾
হরকত সহ:
کَذَّبَتْ ثَمُوْدُ الْمُرْسَلِیْنَ ﴿۱۴۱﴾ۚۖ
উচ্চারণ: কাযযাবাত ছামূদুল মুরছালীন।
আল বায়ান: সামূদ জাতি রাসুলদেরকে অস্বীকার করেছিল,
আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ১৪১. সামূদ সম্প্রদায় রাসূলগণের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল।
তাইসীরুল ক্বুরআন: সামূদ জাতি রসূলগণকে প্রত্যাখ্যান করেছিল।
আহসানুল বায়ান: (১৪১) সামূদ সম্প্রদায়[1] রসূলগণকে মিথ্যাজ্ঞান করেছিল।
মুজিবুর রহমান: ছামূদ সম্প্রদায় রাসূলদের মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিল।
ফযলুর রহমান: ছামূদ সমপ্রদায় রসূলদেরকে অবিশ্বাস করেছিল।
মুহিউদ্দিন খান: সামুদ সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।
জহুরুল হক: আর ছামূদ জাতি রসূলগণকে প্রত্যাখ্যান করেছিল।
Sahih International: Thamud denied the messengers
তাফসীরে যাকারিয়া
অনুবাদ: ১৪১. সামূদ সম্প্রদায় রাসূলগণের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল।
তাফসীর:
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
অনুবাদ: (১৪১) সামূদ সম্প্রদায়[1] রসূলগণকে মিথ্যাজ্ঞান করেছিল।
তাফসীর:
[1] সামূদ জাতির বাসস্থান ছিল হিজর, যা হিজাযের উত্তরে অবস্থিত। আজ-কাল যা মাদায়েন সালেহ নামে পরিচিত। (আইসারুত তাফাসীর) এরা ছিল আরবী। নবী (সাঃ) তাবুক যাওয়ার সময় তাদের এলাকার উপর দিয়ে পার হয়েছিলেন। যেমন, এর পূর্বে বর্ণিত হয়েছে।
তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ
তাফসীর: ১৪১-১৫৯ নং আয়াতের তাফসীর:
এখানে সালেহ (عليه السلام) ও তাঁর সম্প্রদায় সামূদ জাতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এদের সম্পর্কে সূরা আ‘রাফে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)
তাফসীর: ১৪১-১৪৫ নং আয়াতের তাফসীর
আল্লাহ তা'আলা স্বীয় বান্দা ও রাসূল হযরত সালেহ (আঃ)-এর ঘটনা বর্ণনা করছেন যে, তাঁকে তাঁর কওম সামূদের নিকট প্রেরণ করা হয়েছিল। তারা ছিল আরবীয় লোক। তারা হিজর নামক শহরে বাস করতো। ওটা ছিল দারুল কুরা ও শাম দেশের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। তাদের আবির্ভাব ঘটেছিল কওমে হ্রদের (অর্থাৎ আ’দের) পরে এবং কওমে ইবরাহীমের পূর্বে। শাম অভিমুখে যাওয়ার পথে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর এখান দিয়ে গমন করার কথা সূরায়ে আ’রাফের তাফসীরে বর্ণিত হয়েছে। সামূদ সম্প্রদায়কে তাদের নবী হযরত সালেহ (আঃ) আল্লাহর দিকে আহ্বান করে বলেনঃ “আমি তোমাদের নিকট এক বিশ্বস্ত রাসূলরূপে প্রেরিত হয়েছি। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য স্বীকার করে নাও।' কিন্তু তারা তার কথা মানতে অস্বীকার করলো এবং কুফরীর উপরই কায়েম থাকলো। তারা হযরত সালেহ (আঃ)-কে অবিশ্বাস করলো এবং তার উপদেশ সত্ত্বেও তারা পরহেযগারী অবলম্বন করলো না। বিশ্বস্ত রাসূলের উপস্থিতি সত্ত্বেও তারা হিদায়াতের পথে আসলো না। অথচ নবী (আঃ)। তাদেরকে পরিষ্কারভাবে বললেনঃ আমি এ কাজের জন্যে তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না, আমার পুরস্কার তো জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকটই রয়েছে। তারপর তিনি তাদেরকে আল্লাহর নিয়ামতরাজির কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন যেগুলো আল্লাহ তাদেরকে দান করেছেন
সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।