সূরা আল-হজ্জ (আয়াত: 59)
হরকত ছাড়া:
ليدخلنهم مدخلا يرضونه وإن الله لعليم حليم ﴿٥٩﴾
হরকত সহ:
لَیُدْخِلَنَّهُمْ مُّدْخَلًا یَّرْضَوْنَهٗ ؕ وَ اِنَّ اللّٰهَ لَعَلِیْمٌ حَلِیْمٌ ﴿۵۹﴾
উচ্চারণ: লাইউদখিলান্নাহুম মু দ খালাইঁ ইয়ারদাওনাহূ ওয়া ইন্নাল্লা-হা লা‘আলীমুন হালীম।
আল বায়ান: তিনি অবশ্যই তাদেরকে এমন স্থানে প্রবেশ করাবেন, যা তারা পছন্দ করবে আর আল্লাহ তো নিশ্চয় মহাজ্ঞানী, পরম সহনশীল।
আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৫৯. তিনি তাদেরকে অবশ্যই এমন স্থানে প্রবেশ করাবেন, যা তারা পছন্দ করবে, আর আল্লাহ্ তো সম্যক জ্ঞানী(১), পরম সহনশীল।
তাইসীরুল ক্বুরআন: তিনি তাদেরকে অবশ্য অবশ্যই দাখিল করবেন এমন জায়গায় যা পেয়ে তারা খুবই সন্তুষ্ট হবে, আর আল্লাহ নিশ্চিতই অবশ্যই সর্বজ্ঞ, পরম সহিষ্ণু।
আহসানুল বায়ান: (৫৯) তিনি তাদেরকে অবশ্যই এমন স্থানে প্রবেশ করাবেন যা তারা পছন্দ করবে[1] এবং নিশ্চয় আল্লাহ সম্যক জ্ঞানময়, পরম সহনশীল।[2]
মুজিবুর রহমান: তিনি তাদেরকে অবশ্যই এমন স্থানে দাখিল করবেন যা তারা পছন্দ করবে এবং আল্লাহতো সম্যক প্রজ্ঞাময়, পরম সহনশীল।
ফযলুর রহমান: তিনি তাদেরকে এমন এক জায়গায় (জান্নাতে) স্থান দেবেন যা তারা পছন্দ করবে। আর আল্লাহ তো অবশ্যই সুবিজ্ঞ, সহনশীল।
মুহিউদ্দিন খান: তাদেরকে অবশ্যই এমন এক স্থানে পৌছাবেন, যাকে তারা পছন্দ করবে এবং আল্লাহ জ্ঞানময়, সহনশীল।
জহুরুল হক: তিনি নিশ্চয়ই তাদের প্রবেশ করাবেন এমন একটি প্রবেশস্থলে যাতে তারা খুশি হবে। আর নিঃসন্দেহ আল্লাহ্ তো সর্বজ্ঞাতা, অতি অমায়িক।
Sahih International: He will surely cause them to enter an entrance with which they will be pleased, and indeed, Allah is Knowing and Forbearing.
তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ: কোনো তথ্য নেই।
তাফসীরে যাকারিয়া
অনুবাদ: ৫৯. তিনি তাদেরকে অবশ্যই এমন স্থানে প্রবেশ করাবেন, যা তারা পছন্দ করবে, আর আল্লাহ্– তো সম্যক জ্ঞানী(১), পরম সহনশীল।
তাফসীর:
(১) এ আয়াতের শেষে আল্লাহর দুটি গুরুত্বপূর্ণ গুণসম্পন্ন নাম এসেছে, যার সাথে আয়াতের বক্তব্যের সম্পর্ক নির্ণয়ে বলা যায় যে, প্রথম গুণটি বলা হয়েছে যে তিনি হচ্ছেন عليم বা সর্বজ্ঞাত অর্থাৎ তিনি জানেন কে প্রকৃতপক্ষে তাঁর পথে ঘর-বাড়ি ত্যাগ করেছে এবং সে কোন ধরনের পুরষ্কার লাভের যোগ্য। দ্বিতীয়গুণটি বলা হয়েছে, তিনি حليم বা পরম সহিষ্ণু অৰ্থাৎ এ ধরনের ছোট ছোট ভুল-ভ্ৰান্তি ও দুর্বলতার কারণে তাদের বড় বড় কর্মকাণ্ড ও ত্যাগকে তিনি বিনষ্ট করে দেবেন না। তিনি সেগুলো উপেক্ষা করবেন এবং তাদের অপরাধ মাফ করে দেবেন। [ইবন কাসীর]
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
অনুবাদ: (৫৯) তিনি তাদেরকে অবশ্যই এমন স্থানে প্রবেশ করাবেন যা তারা পছন্দ করবে[1] এবং নিশ্চয় আল্লাহ সম্যক জ্ঞানময়, পরম সহনশীল।[2]
তাফসীর:
[1] কারণ, জান্নাতের সুখ-সম্পদ এমন হবে, যা কোন চক্ষু দেখেনি, কোন কান শুনেনি এবং কোন মানুষের অন্তরের কল্পনাতেও আসেনি। সুতরাং এমন নিয়ামত কে পছন্দ করবে না এবং এ রূপ সুখ-সম্পদ পেয়ে কে খুশি হবে না?
[2] সম্যক জ্ঞানময় বা সর্বজ্ঞ; তিনি সৎ লোকেদের দর্জা ও মর্যাদাস্তর এবং তাদের প্রাপ্য অধিকার সম্পর্কে খুব জানেন। পরম সহনশীল; তিনি কুফরী ও শিরককারীদের ধৃষ্টতা ও অবাধ্যতা লক্ষ্য করেন। কিন্তু তিনি তাৎক্ষণিক পাকড়াও করেন না।
তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ
তাফসীর: ৫৮-৬০ নং আয়াতের তাফসীর:
উক্ত আয়াতগুলোতে ঐ সকল মু’মিন বান্দাদেরকে মহা সুসংবাদ দেয়া হয়েছে যারা আল্লাহ তা‘আলার রাস্তায় তাঁর সন্তুষ্টির জন্য দীন কায়েমের লক্ষ্যে নিজের এলাকা, দেশ, স্ত্রী-সন্তান ও সহায়-সম্পদ বর্জন করে হিজরত করে। আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে কবরে উত্তম রিযিক দান করবেন, তারা বিছানায় মারা যাক বা আল্লাহ তা‘আলার রাস্তায় শহীদ হোক। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
(وَمَنْ يَّخْرُجْ مِنْۭ بَيْتِه۪ مُهَاجِرًا إِلَي اللّٰهِ وَرَسُوْلِه۪ ثُمَّ يُدْرِكْهُ الْمَوْتُ فَقَدْ وَقَعَ أَجْرُه۫ عَلَي اللّٰهِ)
“কেউ আল্লাহ ও রাসূলের উদ্দেশ্যে নিজ গৃহ হতে মুহাজির হয়ে বের হলে অতঃপর তার মৃত্যু হলে তার পুরস্কারের ভার আল্লাহর ওপর।” (সূরা নিসা ৪:১০০) আর কিয়ামতের দিন জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যেখানে তারা সবুজ পাখি হয়ে উড়ে বেড়াবে। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
(وَلَا تَحْسَبَنَّ الَّذِيْنَ قُتِلُوْا فِيْ سَبِيْلِ اللّٰهِ أَمْوَاتًا ط بَلْ أَحْيَا۬ءٌ عِنْدَ رَبِّهِمْ يُرْزَقُوْنَ)
“যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে, তাদেরকে মৃত ধারণা কর না; বরং তারা জীবিত, তারা তাদের প্রতিপালক হতে জীবিকা প্রাপ্ত হয়।” (সূরা আলি ইমরান ৩:১৬৯)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: শহীদদের আত্মা সবুজ পাখির মধ্যে থাকবে, তাদের বাসা আরশের সাথে ঝুলন্ত থাকবে, জান্নাতের যেখানে ইচ্ছা তারা ঘুরে বেড়াবে, আবার বাসায় ফিরে আসবে। (সহীহ মুসলিম হা: ১৮৮৭)
ذٰلِكَ অর্থাৎ আমি মুহাজিরদের সঙ্গে বিশেষ করে শহীদী অথবা স্বাভাবিক মরণের যে ওয়াদা করেছি তা অবশ্যই পূর্ণ হবে।
العقوبة (প্রতিশোধ) এমন শাস্তি ও সাজাকে বলা হয় যা কোন কাজের বিনিময়ে দেয়া হয়। অর্থাৎ যদি কেউ অন্য কারো প্রতি অত্যাচার করে তাহলে অত্যাচারিত ব্যক্তির জন্য সেই পরিমাণ প্রতিশোধ গ্রহণ করার অধিকার আছে যে পরিমাণ অত্যাচার তার প্রতি করা হয়েছে। কিন্তু প্রতিশোধ নেয়ার পর যখন অত্যাচারী ও অত্যাচারিত উভয়ে সমান হয়ে যায়, তারপর অত্যাচারী যদি অত্যাচারিতের ওপর আবার অত্যাচার করে তাহলে আল্লাহ তা‘আলা সে অত্যাচারিতকে অবশ্যই সাহায্য করেন। সুতরাং এ সন্দেহ করা উচিত নয় যে, অত্যাচারিত ব্যক্তি ক্ষমা না করে প্রতিশোধ নিয়ে ভুল করেছে। না, তা ভুল নয়। যেহেতু স্বয়ং আল্লাহ তা‘আলা এর অনুমতি দিয়েছেন। সে জন্য আগামীতেও সে আল্লাহ তা‘আলার সাহায্যের অধিকারী হবে।
(إِنَّ اللّٰهَ لَعَفُوٌّ غَفُوْرٌ)
এ আয়াতে ক্ষমা করার প্রতি উৎসাহ প্রদান করে বলা হয়েছে যে, আল্লাহ তা‘আলা ক্ষমাশীল, তোমরাও ক্ষমা কর। এর অন্য একটি অর্থ এও হতে পারে যে, অত্যাচারী যে পরিমাণ অত্যাচার করেছে সে পরিমাণ প্রতিশোধ নেয়াতে আল্লাহ তা‘আলা কোন পাকড়াও করবেন না। যেহেতু আল্লাহ তা‘আলা তা অনুমতি দিয়েছেন। বরং তা ক্ষমাযোগ্য। প্রতিশোধ গ্রহণ অত্যাচারীর কাজের অনুরূপ হওয়ার জন্য দৃশ্যতঃ এক রকম অত্যাচার হলেও আসলে প্রতিশোধ গ্রহণ কোন অত্যাচার নয়।
আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
১. হিজরত করার ফযীলত সম্পর্কে জানলাম।
২. অত্যাচারিত ব্যক্তিকে আল্লাহ তা‘আলা সাহায্য করেনন এ কথা জানতে পারলাম।
তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)
তাফসীর: ৫৮-৬০ নং আয়াতের তাফসীর:
আল্লাহ তাআলা খবর দিচ্ছেন যে, যে ব্যক্তি নিজের দেশ, পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এবং দোস্ত বন্ধুদেরকে ছেড়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে হিজরত করে, তাঁর রাসূল (সঃ) ও তাঁর দ্বীনের সাহায্যার্থে সব কিছু ছেড়ে যায়, অতঃপর সে জিহাদের ময়দানে হাজির হয়ে শত্রুদের হাতে নিহত হয় অথবা ভাগ্যের লিখন হিসেবে বিছানাতেই মৃত্যু বরণ করে, তার জন্যে আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে বড় পুরস্কার ও সম্মানজনক প্রতিদান রয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (সঃ) পথে হিজরতের উদ্দেশ্যে নিজের বাড়ী হতে বের হয়, অতঃপর মৃত্যু হয়ে যায়, তার প্রতিদান আল্লাহর দায়িত্বে সাব্যস্ত হয়ে যায়।” (৪:১০০) তার উপর আল্লাহর করুণা বর্ষিত হবে। সে জান্নাতের জীবিকা লাভ করবে, যার ফলে তার চক্ষুদ্বয় ঠাণ্ডা হয়ে যাবে। আল্লাহ তো সর্বোৎকৃষ্ট রিক দাতা। তিনি তাকে জান্নাতে প্রবিষ্ট করবেন যেখানে সে খুবই আনন্দিত হবে। যেমন মহামহিমান্বিত আল্লাহ। বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “যদি সে নৈকট্য প্রাপ্তদের একজন হয়, তবে তার জন্যে রয়েছে। আরাম, উত্তম জীবনোপকরণ এবং সুখময় উদ্যান।” (৫৬:৮৮-৮৯) আল্লাহ তাআলা তাঁর পথের মুজাহিদদেরকে এবং তার নিয়ামতের অধিকারীদেরকে ভালরূপেই জানেন। তিনি বড়ই সহনশীল। বান্দাদের গুনাহসমূহ তিনি মার্জনা করেন। আর তাদের হিজরত তিনি ককূল করে নেন। তার উপর ভরসাকারীদেরকে তিনি উত্তমরূপে অবগত আছেন। যারা আল্লাহর পথে শহীদ হয় তারা মুহ্যজির হোক আর না-ই হোক, তাদের প্রতিপালকের কাছে রিক পেয়ে থাকে। যেমন মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে তাদেরকে কখনো মৃত মনে। করো না; বরং তারা জীবিত এবং তাদের প্রতিপালকের নিকট হতে তারা জীবিকা প্রাপ্ত।` (৩:১৬৯) এই ব্যাপারে বহু হাদীস রয়েছে যেগুলি বর্ণিত হয়েছে। সুতরাং আল্লাহর পথের শহীদদের প্রতিদান ও পুরস্কার তাঁর যিম্মায় স্থির হয়ে গেছে। এটা এই আয়াত দ্বারাও এবং এই ব্যাপারে বর্ণিত হাদীস সমূহ দ্বারাও প্রমাণিত।
হযরত শুরাহবীল ইবনু সামত (রাঃ) বলেনঃ “রোমের একটি দুর্গ অবরোধ করার কাজে আমাদের বহু দিন অতিবাহিত হয়ে যায়। ঘটনাক্রমে হযরত সালমান ফারসী (রাঃ) সেখান দিয়ে গমন করেন। তিনি আমাদেরকে বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহকে (সঃ) বলতে শুনেছিঃ “যে ব্যক্তি আল্লাহর পথ প্রস্তুতির কাজে মারা যায় তার প্রতিদান ও রিযুক বরাবরই আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে তার উপর চালু থাকে। ইচ্ছা হলে তোমরা (আরবী) আয়াতটি তিলাওয়াত কর।” (এটা ইবনু হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)
হযরত আবু কুবায়েল (রাঃ) এবং হযরত রাবী আহ্ ইবনু সায়েফ মুগাফেরী (রাঃ) বলেনঃ “আমরা রাওদাসের যুদ্ধে ছিলাম। আমাদের সাথে। হযরত ফুযালাহ্ ইবনু উবায়েদও (রাঃ) ছিলেন। আমাদের পার্শ্ব দিয়ে দু'টি জানাযা নিয়ে যাওয়া হয়। এই মৃত দুই ব্যক্তির একজন ছিলেন শহীদ এবং অপরজন স্বাভাবিকভাবে মৃত্যু বরণ করেছিলেন। জনগণ শহীদ ব্যক্তির জানার উপর ঝুঁকে পড়ে। হযরত ফুযালাহ্ (রাঃ) জিজ্ঞেস করেনঃ “ব্যাপার কি?” জনগণ উত্তর দেয়ঃ জনাব! এটা শহীদ ব্যক্তির জানাযা। আর অপর ব্যক্তি শাহাদাত হতে বঞ্চিত হয়েছে। একথা শুনে হযরত ফুযালাহ্ (রাঃ) বলেনঃ “আল্লাহর শপথ! আমার কাছে এ দুজনই সমান। এ দু'জনের যে কোন একজনের কবর হতে উত্থিত হলেও আমার কোন পরোয়া নাই। তোমরা আল্লাহর কিতাব শুনো।` অতঃপর তিনি (আরবী) এই আয়াতটি পাঠ করেন।”
অন্য একটি রিওয়াইয়াতে আছে যে, তিনি সাধারণভাবে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তির কবরের পার্শ্বে বসে পড়েন এবং বলেনঃ “তোমরা আর কি চাও? জায়গা হলো জান্নাত এবং রি হলো উত্তম।” আর একটি রিওয়াইয়াতে আছে যে, ঐ রাওদাসের যুদ্ধে হযরত ফুযালাহ্ (রাঃ) আমীর ছিলেন।
মুকাতিল ইবনু হাইয়ান (রঃ) এবং ইবনু জারীর (রঃ) বলেন যে, (আরবী) এই আয়াতটি সাহাবীদের ঐ ক্ষুদ্র সেনাবাহিনীর ব্যাপারে অবতীর্ণ হয় যাদের সাথে মুশরিকদের এক সেনাবাহিনী মর্যাদা সম্পন্ন মাসগুলিতেও যুদ্ধে লিপ্ত হয়, অথচ মুসিলম বাহিনী ঐ মর্যাদা সম্পন্ন মাসগুলিতে (মর্যাদা সম্পন্ন মাস অর্থাৎ যে মাসগুলিতে যুদ্ধ বিগ্রহ নিষিদ্ধ, ওগুলি হলো চারটি মাস। যুলকা'দা’ যুল হাজ্জ, মুহাররম, এবং রজব) যুদ্ধ হতে বিরত থাকতে চেয়েছিলেন, কিন্তু মুশরিক বাহিনী তা মানে নাই। ঐ যুদ্ধে আল্লাহ তাআলা মুসলমানদের সাহায্য করেন এবং মুশরিকদেরকে পরাজয় বরণ করতে হয়। নিশ্চয়ই আল্লাহ পাপ মোচনকারী, ক্ষমাশীল।
সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।