আল কুরআন


সূরা আন-নাহাল (আয়াত: 4)

সূরা আন-নাহাল (আয়াত: 4)



হরকত ছাড়া:

خلق الإنسان من نطفة فإذا هو خصيم مبين ﴿٤﴾




হরকত সহ:

خَلَقَ الْاِنْسَانَ مِنْ نُّطْفَۃٍ فَاِذَا هُوَ خَصِیْمٌ مُّبِیْنٌ ﴿۴﴾




উচ্চারণ: খালাকাল ইনছা-না মিন নুতফাতিন ফাইযা-হুওয়া খাসীমুম মুবীন।




আল বায়ান: তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন ‘নুতফা’* থেকে, অথচ সে প্রকাশ্য বিতন্ডাকারী।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৪. তিনি শুক্র হতে মানুষ সৃষ্টি করেছেন(১); অথচ দেখুন, সে প্রকাশ্য বিতণ্ডাকারী(২)!




তাইসীরুল ক্বুরআন: তিনি শুক্র-কীট থেকে মানুষ সৃষ্টি করেছেন অথচ সে প্রকাশ্য ঝগড়াটে সেজে বসল।




আহসানুল বায়ান: (৪) তিনি মানুষকে বীর্য হতে সৃষ্টি করেছেন; পরে সে প্রকাশ্য বিতন্ডাকারী হয়ে বসল! [1]



মুজিবুর রহমান: তিনি শুক্র হতে মানুষ সৃষ্টি করেছেন। অথচ দেখ, সে প্রকাশ্য বিতন্ডাকারী।



ফযলুর রহমান: তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন এক ফোঁটা শুক্র থেকে। অথচ এই মানুষই প্রকাশ্য বিরোধী হয়ে যায়।



মুহিউদ্দিন খান: তিনি মানবকে এক ফোটা বীর্য থেকে সৃষ্টি করেছেন। এতদসত্বেও সে প্রকাশ্য বিতন্ডাকারী হয়ে গেছে।



জহুরুল হক: তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন শুক্রকীট থেকে, অথচ দেখো! সে একজন প্রকাশ্য বিতন্ডাকারী।



Sahih International: He created man from a sperm-drop; then at once, he is a clear adversary.



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ৪. তিনি শুক্র হতে মানুষ সৃষ্টি করেছেন(১); অথচ দেখুন, সে প্রকাশ্য বিতণ্ডাকারী(২)!


তাফসীর:

(১) শানকীতী বলেন, এ আয়াতে আল্লাহ বলেছেন যে, তিনি শুক্র থেকে মানুষ সৃষ্টি করেছেন। সে শুক্র হচ্ছে পুরুষ ও মহিলার সম্মিলিত বীর্য। অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, “আমরা তো মানুষকে সৃষ্টি করেছি মিলিত শুক্রবিন্দু হতে।” [সূরা আল ইনসান: ২] অর্থাৎ পুরুষ ও মহিলার বীর্যের সংমিশ্রণে। এটা জানার পর আরও একটি জিনিস জানা দরকার, তাহচ্ছে অন্যত্র আল্লাহ জানিয়েছেন যে বীর্য সেটির একটি বের হয় পিঠ থেকে, সেটি পুরুষের শুক্র, অপরটি বের হয় বুকের উপরের পাঁজর থেকে, সেটি মহিলার শুক্র। আল্লাহ বলেন, “অতএব মানুষ যেন চিন্তা করে দেখে তাকে কী থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে! তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে সবেগে স্খলিত পানি হতে, এটা নির্গত হয় মেরুদণ্ড ও পিঞ্জরাস্থীর মধ্য থেকে।” [সূরা আত-তারেকঃ ৫–৭]


(২) যেহেতু মানুষ সৃষ্টিকুলের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ট, তাই প্রথমেই মানুষ সৃষ্টির বিবরণ দিয়ে আল্লাহর একত্ববাদ ও কুদরতের আলোচনা শুরু করা হচ্ছে। [ফাতহুল কাদীর] ‘মানুষ প্রকাশ্য বিতণ্ডাকারী’ এর দুই অর্থ হতে পারে এবং সম্ভবত এখানে এ দুই অর্থই প্রযোজ্য। একটি অর্থ হচ্ছে, মহান আল্লাহ একটি তুচ্ছ শুক্রবিন্দু থেকে এমন মানুষ তৈরী করেছেন যে বিতর্ক ও যুক্তি প্ৰর্দশন করার যোগ্যতা রাখে এবং নিজের বক্তব্য ও দাবীর পক্ষে সাক্ষ্য-প্রমাণ পেশ করতে পারে। [কুরতুবী] দ্বিতীয় অর্থ হচ্ছে, এই দুর্বল মানবকে যখন বল ও বাকশক্তি দান করা হলো, তখন সে আল্লাহর সত্তা ও গুণাবলী সম্পর্কেই বিতর্ক উত্থাপন করতে লাগলো। যে মানুষকে আল্লাহ শুক্রবিন্দুর মত নগণ্য জিনিস থেকে তৈরী করেছেন তার অহংকারের বাড়াবাড়িটা দেখ, সে আল্লাহর সার্বভৌম ক্ষমতার মোকাবিলায় নিজেকে পেশ করার জন্য বিতর্কে নেমে এসেছে। [ইবন কাসীর; ফাতহুল কাদীর]

সে হিসেবে মানুষকে এ মর্মে সতর্ক করে দেয়া হচ্ছে, বড় বড় বুলি আওড়ানোর আগে নিজের সত্তার দিকে একবার তাকাও। কোন আকারে কোথা থেকে বের হয়ে তুমি কোথায় এসে পৌঁছেছো? কোথায় তোমার প্রতিপালনের সূচনা হয়েছিল? তারপর কোন পথ দিয়ে বের হয়ে তুমি দুনিয়ায় এসেছো? তারপর কোন পর্যায় অতিক্রম করে তুমি যৌবন বয়সে পৌছেছে এখন নিজেকে বিস্মৃত হয়ে কার মুখের ওপর কথার তুবড়ি ছোটাচ্ছে? [এ ব্যাপারে সূরা ফুরকানঃ ৫৪, ৫৫ এবং সূরা ইয়াসীনঃ ৭৭–৭৯ আয়াতসমূহ দেখুন] অনুরূপভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষের এস্বভাবটি ব্যাখ্যা করেছেন। একবার তিনি তার হাতের তালুতে থুতু ফেললেন, তারপর তাতে তার তর্জনী রেখে বললেনঃ মহান আল্লাহ বলেন, হে বনী আদম! কিভাবে তুমি আমাকে অপারগ করতে পার? অথচ তোমাকে আমি এ ধরণের হীনতা থেকে সৃষ্টি করেছি। তারপর যখন তোমার রূহ ওখানে (তিনি তার কণ্ঠনালির দিকে ইঙ্গিত করলেন) পৌছে, তখন তুমি বলঃ আমি সাদকা করব। তখন কি তার আর সদকার সময় বাকী আছে? [ইবনে মাজাহঃ ২৭০৭; মুসনাদে আহমাদঃ ৪/২১০]


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (৪) তিনি মানুষকে বীর্য হতে সৃষ্টি করেছেন; পরে সে প্রকাশ্য বিতন্ডাকারী হয়ে বসল! [1]


তাফসীর:

[1] অর্থাৎ, এক জড়পদার্থ হতে যা জীবন্ত দেহ থেকে নির্গত হয়, যাকে বীর্য বলা হয়। তাকে বিভিন্ন পর্যায়ে পার করার পর এক পূর্ণ আকার দান করা হয়। তারপর তাতে (রূহ, বিশেষ) জীবন দান করা হয়। এরপর মায়ের পেট হতে পৃথিবীতে আনা হয়। পৃথিবীতে সে জীবন যাপন করতে করতে যখন জ্ঞানপ্রাপ্ত হয়, তখন সে তার প্রতিপালক আল্লাহর ব্যাপারে বিতর্ক করে, তাঁকে অস্বীকার করে বা তাঁর সাথে অন্যকে শরীক করে।


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ৩-৪ নং আয়াতের তাফসীর:



অত্র আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বর্ণনা করছেন যে, তিনি আকাশ-জমিন অযথা সৃষ্টি করেননি বরং একটি বিরাট উদ্দেশ্যকে বাস্তবায়ন করার জন্যই আল্লাহ তা‘আলা এ আকাশ-জমিন সৃষ্টি করেছেন। আর তা হল সৎ কর্মশীলদের উত্তম প্রতিদান দেয়া এবং অবাধ্যদের উপযুক্ত শাস্তি দেয়া। এ সম্পর্কের আলোচনা সূরা হিজর-এর ৮৫ নং আয়াতে করা হয়েছে।



সুতরাং যে আল্লাহ এ বিশাল মাখলূকাতের সৃষ্টিকর্তা সে আল্লাহর সাথে এমন কারো ইবাদত করা হবে যারা কিছুই সৃষ্টি করতে পারে না এরূপ থেকে তিনি পবিত্র ও অনেক ঊর্ধ্বে। এ জন্য আল্লাহ আকাশ-জমিন সৃষ্টির সাথে মুশরিকদের শিরক থেকে তিনি পবিত্র এ কথা সংযুক্ত করেছেন।



অন্যত্র আল্লাহ তা‘আলা বলেন:



(أَمْ جَعَلُوْا لِلّٰهِ شُرَكَا۬ءَ خَلَقُوْا كَخَلْقِه۪ فَتَشَابَهَ الْخَلْقُ عَلَيْهِمْ ط قُلِ اللّٰهُ خَالِقُ كُلِّ شَيْءٍ وَّهُوَ الْوَاحِدُ الْقَهَّارُ)



“তবে কী তারা আল্লাহর এমন শরীক স্থাপন করেছে যারা সৃষ্টি করেছে আল্লাহর সৃষ্টির ন্যায়, যে কারণে সৃষ্টি তাদের নিকট সাদৃশ্য মনে হয়েছে? বল:‎ ‘আল্লাহ সকল বস্তুর স্রষ্টা; তিনি এক, পরাক্রমশালী।’’ (সূরা রা‘দ ১৩:১৬)



আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন:



(أَيُشْرِكُوْنَ مَا لَا يَخْلُقُ شَيْئًا وَّهُمْ يُخْلَقُوْنَ)‏



“তারা কি এমন বস্তুকে শরীক করে যারা কিছুই সৃষ্টি করতে পারে না? বরং তারা নিজেরাই সৃষ্ট।” (সূরা আ‘রাফ ৭:১৫১)



এ আয়াতগুলো দ্বারা সুস্পষ্ট হয়ে যায় যে, যিনি সৃষ্টিকর্তা তিনিই সকল ইবাদত পাওয়ার হকদার, তিনিই সত্যিকার মা‘বূদ।



نُّطْفَةٍ অর্থ মিশ্রিত তরল পদার্থ। অর্থাৎ নারী ও পুরুষের মিশ্রিত তরল পদার্থ যাকে বীর্য বলা হয়। নারী ও পুরুষের ডিম্বানু ও শুক্রাণু মিশ্রিত হওয়ার পরেও ভ্রুণ নুতফা আকারে অবস্থান করে। মিশ্রিত তরল পদার্থ শুক্রাণুজাতীয় তরল পদার্থকেও বুঝানো হতে পারে যা বিভিন্ন লালাগ্রন্থির নিঃসরিত রস থেকে তৈরি হয়। এ তরল পদার্থকে বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করার পর এক পূর্ণ আকার দান করা হয়। তারপর তাতে রূহ বা জীবন দান করা হয়। এরপর তা মায়ের পেট হতে পৃথিবীতে বাচ্চা আকারে বের হয়ে আসে। পৃথিবীতে সে জীবন যাপন করতে করতে যখন জ্ঞানপ্রাপ্ত হয় তখন সে প্রতিপালক আল্লাহর ব্যাপারে বিতর্ক করে, তাঁকে অস্বীকার করে। কিংবা আল্লাহর সাথে শিরক করে।



আল্লাহ তা‘আলা বলেন:



(وَھُوَ الَّذِیْ خَلَقَ مِنَ الْمَا۬ئِ بَشَرًا فَجَعَلَھ۫ نَسَبًا وَّصِھْرًاﺚ وَکَانَ رَبُّکَ قَدِیْرًاﮅوَیَعْبُدُوْنَ مِنْ دُوْنِ اللہِ مَا لَا یَنْفَعُھُمْ وَلَا یَضُرُّھُمْﺚ وَکَانَ الْکَافِرُ عَلٰی رَبِّھ۪ ظَھِیْرًاﮆ)



“এবং তিনিই মানুষকে সৃষ্টি করেছেন পানি হতে; অতঃপর তিনি তার বংশগত ও বৈবাহিক সম্বন্ধ স্থাপন করেছেন। তোমার প্রতিপালক সর্বশক্তিমান। তারা আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর ‘ইবাদত করে যা তাদেরকে উপকার করতে পারে না এবং তাদের অপকারও করতে পারে না, কাফির তো স্বীয় প্রতিপালকের বিরোধী।” (সূরা ফুরকান ২৫:৫৪-৫৫) خَصِيْمٌ অর্থ প্রকট ঝগড়াটে।



অতএব মানুষকে সৃষ্টির উদ্দেশ্য হল মানুষ একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার ইবাদত করবে, অন্য কারো নয়। তাই মানুষের উচিত তাদের সৃষ্টির প্রকৃত উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা, এবং শয়তানের পথ অবলম্বন করা থেকে বিরত থাকা।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:



১. আকাশ ও জমিন অনর্থক সৃষ্টি করা হয়নি।

২. মানুষকে মিশ্রিত তরল পদার্থ থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে।

৩. যিনি সৃষ্টিকর্তা তিনি সকল ইবাদত পাওয়ার হকদার।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ৩-৪ নং আয়াতের তাফসীর

আল্লাহ তাআলা খবর দিচ্ছেন যে, উর্ধ্ব জগত ও নিম্ন জগতের সৃষ্টিকর্তা তিনিই। উর্ধ্ব আকাশ এবং বিস্তৃত ধরণী এবং এতোদুভয়ের মধ্যস্থিত সমস্ত মাখলুক তিনিই সৃষ্টি করেছেন। এগুলি সবই সঠিক ও সত্য। এগুলো তিনি বৃথা সৃষ্টি করেন নাই। তিনি পুণ্যবানদেরকে পুরস্কার এবং পাপীদেরকে শাস্তি প্রদান করবেন। তিনি অন্যান্য সমস্ত মাবুদ থেকে মুক্ত ও পবিত্র এবং তিনি মুশরিকদের প্রতি অসন্তুষ্ট। তিনি এক ও শরীক বিহীন। তিনি একাকী সমস্ত কিছুর সৃষ্টিকর্তা। সুতরাং তিনি একাকীও ইবাদতের যোগ্য। তিনি মানব সৃষ্টির ক্রম শুক্রের মাধ্যমে চালু রেখেছেন যা অতি তুচ্ছ ও ঘৃণ্য পানি মাত্র। যখন তিনি সবকিছু সঠিকভাবে সৃষ্টি করলেন, তখন মানুষ প্রকাশ্যভাবে বিতর্কে লেগে পড়লো এবং রাসূলদের বিরুদ্ধাচরণ করতে শুরু করলো। সে যখন বান্দা তখন তার বন্দেগী করাই উচিত ছিল। কিন্তু তা না করে সে হঠকারিতা শুরু করে দিলো। যেমন অন্য জায়গায় মহান আল্লাহ বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “তিনিই মানুষকে সৃষ্টি করেছেন পানি হতে; অতঃপর তিনি তার বংশগত ও বৈবাহিক সম্বন্ধ স্থাপন করেছেন; তোমার প্রতিপালক সর্বশক্তিমান। তারা আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর ইবাদত করে যা তাদের উপকার করতে পারে না, অপকারও করতে পারে না; কাফির তো স্বীয় প্রতিপালকের বিরোধী।” (২৫:৫৪-৫৫) আল্লাহ তাআলা আর এক জায়গায় বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “মানুষ কি দেখে না যে, আমি তাকে সৃষ্টি করেছি শুক্রবিন্দু হতে? অথচ পরে সে হয়ে পড়ে প্রকাশ্য বিতণ্ডাকারী। আর সে আমার সামনে। উপমা রচনা করে, অথচ সে নিজের সৃষ্টির কথা ভুলে যায়; বলেঃ “অস্থিতে প্রাণ সঞ্চার করবে কে যখন ওটা পচে গলে যাবে? বলঃ ওর মধ্যে প্রাণ সঞ্চার করবেন তিনিই, যিনি ওটা প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি প্রত্যেকটি সৃষ্টি সম্বন্ধে সম্যক পরিজ্ঞাত।” (৩৬:৭৭-৭৯)

হযরত বিশ্ব ইবনু জাহহাশ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সঃ) স্বীয় হাতের তালুতে থুথু ফেলেন এবং বলেনঃ আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “হে মানুষ! তুমি কি আমাকে অপারগ করতে পার? অথচ আমি তোমাকে এইরূপ জিনিস হতে সৃষ্টি করেছি। যখন সৃষ্টি পূর্ণ হয়ে গেল, ঠিকঠাক হলো, তোমরা পোষাক এবং ঘর বাড়ি পেয়ে গেলে তখন আমার পথ থেকে নিজে সরে যেতে এবং অপরকে সরিয়ে ফেলতে শুরু করে দিলে! আর যখন দম কণ্ঠে আটকে গেল তখন বলতে লাগলেঃ! এখন আমি দান খায়রাত করছি, আল্লাহর পথে খরচ করছি। কিন্তু এখন দান খয়রাত করার সময় পার হয়ে গেছে।”





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।