আল কুরআন


সূরা হূদ (আয়াত: 118)

সূরা হূদ (আয়াত: 118)



হরকত ছাড়া:

ولو شاء ربك لجعل الناس أمة واحدة ولا يزالون مختلفين ﴿١١٨﴾




হরকত সহ:

وَ لَوْ شَآءَ رَبُّکَ لَجَعَلَ النَّاسَ اُمَّۃً وَّاحِدَۃً وَّ لَا یَزَالُوْنَ مُخْتَلِفِیْنَ ﴿۱۱۸﴾ۙ




উচ্চারণ: ওয়া লাও শাআ রাব্বুকা লাজা‘আলান্না-ছা উম্মাতাওঁ ওয়া-হিদাতাওঁ ওয়ালা-ইয়াযা-লূনা মুখতালিফীন।




আল বায়ান: যদি তোমার রব চাইতেন, তবে সকল মানুষকে এক উম্মতে পরিণত করতেন, কিন্তু তারা পরস্পর মতবিরোধকারী রয়ে গেছে,




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ১১৮. আর আপনার রব ইচ্ছে করলে সমস্ত মানুষকে এক জাতি করতে পারতেন, কিন্তু তারা পরস্পর মতবিরোধকারীই রয়ে গেছে,(১)




তাইসীরুল ক্বুরআন: তোমার প্রতিপালক চাইলে মানুষকে অবশ্যই এক জাতি করতে পারতেন, কিন্তু তারা মতভেদ করতেই থাকবে।




আহসানুল বায়ান: (১১৮) তোমার প্রতিপালক ইচ্ছা করলে তিনি সকল মানুষকে এক জাতি করতে পারতেন। কিন্তু তারা সদা মতভেদ করতেই থাকবে।



মুজিবুর রহমান: এবং যদি তোমার রবের ইচ্ছা হত তাহলে তিনি সকল মানুষকে একই মতাবলম্বী করে দিতেন, কিন্তু তারা মতভেদ করতেই থাকবে,



ফযলুর রহমান: তোমার প্রভু যদি ইচ্ছা করতেন তাহলে তিনি সব মানুষকে অবশ্যই এক জাতি করতে পারতেন, কিন্তু তাতেও তারা মতভেদ করতেই থাকবে।



মুহিউদ্দিন খান: আর তোমার পালনকর্তা যদি ইচ্ছা করতেন, তবে অবশ্যই সব মানুষকে একই জাতিসত্তায় পরিনত করতে পারতেন আর তারা বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হতো না।



জহুরুল হক: আর যদি তোমার প্রভু ইচ্ছা করতেন তবে তিনি মানবগোষ্ঠীকে অবশ্য এক জাতি বানিয়ে নিতেন, কিন্তু তারা মতভেদ করতেই থাকবে, --



Sahih International: And if your Lord had willed, He could have made mankind one community; but they will not cease to differ.



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ১১৮. আর আপনার রব ইচ্ছে করলে সমস্ত মানুষকে এক জাতি করতে পারতেন, কিন্তু তারা পরস্পর মতবিরোধকারীই রয়ে গেছে,(১)


তাফসীর:

(১) এর অর্থ তারা তাদের ধর্ম-বিশ্বাসে বিভিন্ন মত ও পথে বিভক্ত হবেই। [ইবন কাসীর] তবে যাদেরকে আপনার প্রভু রহমত করেছেন তাদের ব্যাপারটি ভিন্ন। তারা হচ্ছেন রাসূল যা জানিয়েছেন সেটা অনুসারে তারা চলেছে। তারপর যখন তাদের কাছে সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আগমন করলেন, তখন তার অনুসরণ করেছে, তাকে সত্য বলে মেনেছে, তাকে সাহায্য করেছে। এভাবে তারা দুনিয়া ও আখেরাতের সফলতা লাভ করেছে। আর তারাই হচ্ছে মুক্তিপ্রাপ্ত দল। [ইবন কাসীর]


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (১১৮) তোমার প্রতিপালক ইচ্ছা করলে তিনি সকল মানুষকে এক জাতি করতে পারতেন। কিন্তু তারা সদা মতভেদ করতেই থাকবে।


তাফসীর:

-


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ১১৮-১২২ নং আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:



এখানে মূলত বুঝানো হচ্ছে যে, আল্লাহ তা‘আলার ক্ষমতা কোন কিছু থেকে অপারগ নয়। তিনি যা ইচ্ছা করেন তাই করতে পারেন। মানুষের মধ্যে বিভিন্ন দল দেখা যায়, আল্লাহ তা‘আলা চাইলে তাদের সকলকে হকের ওপর রাখতে পারতেন, তিনি তাদেরকে সঠিক দীন দান করতে পারতেন। কিন্তু তা করেননি বরং তিনি এ দায়িত্ব মানুষকেই দিয়ে দিয়েছেন। তিনি ভাল-মন্দ উভয়টি দেখিয়ে দিয়েছেন এবং তাদেরকে চিন্তা-ভাবনা করার মত জ্ঞান দিয়েছেন। তাই তারা নিজেরাই পছন্দ করে নেবে এবং সে অনুপাতে আমল করবে। যদি কেউ জাহান্নাম পছন্দ করে তাহলে সে মন্দ পথ বেছে নেবে আর যদি কেউ জান্নাত পছন্দ করে তাহলে সে ভাল পথ বেছে নেবে। এটা মানুষের ইচ্ছাধীন। তাই বলে এর অর্থ এই নয় যেমনটি বাতিল পন্থীরা গ্রহণ করে যে, আল্লাহ তা‘আলা আমার প্রতি রহম করেনি বা আমাকে সঠিক পথ দেখাননি যার ফলে আমি হিদায়েত প্রাপ্ত হইনি এবং জাহান্নামে যেতে হচ্ছে। এতে আমার দোষ নেই। বরং আল্লাহ তা‘আলার দোষ। نعوذ بالله এরূপ কথা-বার্তা বলা সম্পূর্ণ নিষেধ এবং বললে বড় ধরনের অপরাধ হবে।



(وَلِذٰلِكَ خَلَقَهُمْ)



অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলার হিকমত এটাই যে, তিনি মানুষদেরকে সৃষ্টি করেছেন। তাদের মধ্যে কেউ সৌভাগ্যশীল হবে, কেউ দুর্ভাগা হবে। তাদের কেউ মতানৈক্য করবে, কেউ ঐক্যমতের ওপর থাকবে। আল্লাহ তা‘আলা যাদেরকে সৌভাগ্য দান করেছেন তারাই সঠিক পথে থাকবে আর যারা দুর্ভাগা তারাই ভুল পথে যাবে। আর আল্লাহ তা‘আলা অধিকাংশ মানুষ ও জিন জাতি দ্বারাই জাহান্নাম পূর্ণ করবেন। যারা ভাল কাজ করবে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে আর যারা মন্দ আমল করবে তাদেরকে দিয়েই আল্লাহ তা‘আলা জাহান্নামকে পূর্ণ করবেন। ভাল ও মন্দ উভয় কাজ করার স্বাধীনতা মানুষকে দেয়া হয়েছে। যেমন



আল্লাহ তা‘আলা বলেন:



(يَوْمَ نَقُوْلُ لِجَهَنَّمَ هَلِ امْتَلأْتِ وَتَقُوْلُ هَلْ مِنْ مَّزِيْدٍ)



“সেদিন আমি জাহান্নামকে জিজ্ঞেস করব: তুমি পূর্ণ হয়ে গেছ? (জাহান্নাম) বলবে: আরো আছে কি?” (সূরা ক্বফ ৫০:৩০)



রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, জাহান্নামে যখন মানুষ ও জিন জাতি নিক্ষেপ করা হবে তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হবে তুমি কি পূর্ণ হয়েছ? তখন জাহান্নাম বলবে আরো বাকী আছে কি? তখন আল্লাহ তা‘আলা তাঁর মধ্যে নিজের পা রাখবেন। তখন জাহান্নাম বলবে: আপনার মর্যাদার কসম! যথেষ্ট হয়েছে, যথেষ্ট হয়েছে। (সহীহ বুখারী হা: ৭৪৪৯)



(نُثَبِّتُ بِه۪ فُؤَادَكَ) অর্থাৎ পূর্ববর্তী নাবীদের ঘটনা বর্ণনা করার হিকমত উল্লেখ করা হয়েছে ১. এসব ঘটনা উল্লেখ করার মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অন্তরকে দীনের ওপর অটল রাখেন। কারণ কাফির-মুশরিকরা নানাভাবে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কষ্ট দিত। হয়তো তাদের কষ্টে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মন ভেঙ্গে যেতে পারে, তাই পূর্ববর্তী নাবীদের ঘটনা উল্লেখ করে দেখিয়ে দিতেন যে, তারা দীনের জন্য কত কষ্ট করেছে। ২. এসব ঘটনার মাধ্যমে প্রকৃত ব্যাপার তুলে ধরেছেন। কেউ অতীত ইতিহাস বিকৃতি করবে বা নাবীদের নামে মিথ্যা ছড়াবে সে সুযোগ পাবে না। ৩. এসব ঘটনার মধ্যে মু’মিনদের জন্য রয়েছে শিক্ষা যে, পূর্ববর্তী জাতিরা নাবীদের অবাধ্য হওয়ার কারণে কী কঠিন পরিণতির মুখোমুখি হয়েছিল।



তাই আল্লাহ তা‘আলা নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে নির্দেশ দিচ্ছেন কাফিরদেরকে বলে দাও, এসব সত্য ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েও যদি ঈমান না আন তাহলে তোমরা তোমাদের আমল চালিয়ে যাও, আমিও আমার সঠিক আমলের ওপর রয়েছি। সময় হলেই প্রকৃত ব্যাপার জানতে পারবে, কে হকের ওপর আর কে বাতিলের ওপর।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:



১. তাকদীরের বিষয়ে আল্লাহ তা‘আলাকে দোষারোপ করা যাবে না।

২. আল্লাহ তা‘আলা জাহান্নামকে জিন ও মানুষ দ্বারা পূর্ণ করবেন।

৩. কুরআনে পূর্ববর্তী নাবী ও তাঁদের জাতির ঘটনা উল্লেখ করার হিকমত জানতে পারলাম।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ১১৮-১১৯ নং আয়াতের তাফসীর

আল্লাহ তাআ’লা খবর দিচ্ছেন যে, তাঁর ক্ষমতা কোন কাজ থেকে অপারগ নয়। তিনি ইচ্ছা করলে সবকেই ইসলামের উপর বা কুফরীর উপর একত্রিত করতে পারতেন। কিন্তু মানুষের মত, দ্বীন, মাযহাব সব সময় যে পৃথক পৃথক ও ভিন্ন ভিন্ন হবে এতে তাঁর বড়ই নিপূণতা রয়েছে। তাদের পন্থা হবে ভিন্ন এবং আর্থিক অবস্থাও হবে পৃথক পৃথক। এক অপরের অধীনে থাকবে। এখানে উদ্দেশ্য হচ্ছে দ্বীন ও মাযহাবের বিভিন্নতা। হা, তবে যাদের উপর আল্লাহর দয়া ও অনুগ্রহ হয়, তারা সব সময় রাসূলদের অনুসরণ ও আল্লাহ তাআ’লার হুকুম পালনের কার্যে লেগে থাকে। এখন তারা শেষ নবীর (সঃ) অনুগত। এরাই হচ্ছে মুক্তিপ্রাপ্ত ও সফলকাম। মুসনাদ ও সুনানে হাদীস রয়েছে, যার প্রতিটি সনদ অন্য সনদকে শক্তিশালী করে থাকে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “ইয়াহুদীদের একাত্তরটি দল হয়েছে এবং খৃষ্টানরা বাহাত্তরটি দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। আর আমার উম্মতের তেহাত্তরটি দল হয়ে যাবে। একটি দল ছাড়া সব দলই জাহান্নামী। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! ঐ একটি দল কারা?” উত্তরে তিনি বললেনঃ “তারা হচ্ছে ওরাই যারা ওরই উপর রয়েছে যার উপর আমি রয়েছি এবং আমার সাহাবীগণ রয়েছে।” (এ হাদীসটি ইমাম হাকিম (রঃ) তার মুসতাদরাক গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন)

আতা’র (রঃ) উক্তি অনুযায়ী দ্বারা (আরবি) এখানে উদ্দেশ্য হচ্ছে ইয়াহুদী, খৃষ্টান ও মাজুসী। আর আল্লাহর রহমতপ্রাপ্ত দল দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে একনিষ্ঠ ধর্ম ইসলামের অনুগত লোকেরা। কাতাদা’ (রঃ) বলেন যে, এই দলই হচ্ছে আল্লাহ তাআ’লার রহমত প্রাপ্ত ও সংঘবদ্ধ দল, যদিও তাদের দেশ ও দেহ পৃথক। আর অবাধ্য লোকেরাই হচ্ছে বিচ্ছিন্ন দল, যদিও তাদের দেশ ও দেহ এক হয়ে যায়। স্বাভাবিক ভাবেই তাদের জন্য এ জন্যেই হয়েছে। দুর্ভাগা ও ভাগ্যবান এ দু'টো হচ্ছে আদি কালের বন্টন।

হযরত তাউসের (রাঃ) নিকট দু’জন লোক তাদের ঝগড়া নিয়ে হাযির হয়। তারা তাদের পারস্পরিক মতানৈক্যে খুবই বেড়ে যায়। তখন তিনি তাদেরকে বলেনঃ “তোমরা খুবই ঝগড়া করলে এবং তোমাদের পারস্পরিক মতানৈক্য অত্যন্ত বেড়ে গেছে।” তখন তাদের একজন বললো: “আমাদেরকে এ জন্যেই সৃষ্টি করা হয়েছে।” তার এ কথা শুনে তিনি বললেনঃ “তুমি ভুল কথা বললে।” লোকটি তার উক্তির অনুকূলে এই আয়াতটিই পাঠ করলো। তখন হযরত আতা’ (রাঃ) বললেনঃ “তোমাদেরকে এজন্যে সৃষ্টি করা হয় নাই যে, তোমরা পরস্পর মতভেদ সৃষ্টি করবে। বরং তোমাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে দলবদ্ধভাবে ও একমতে থাকার জন্যে এবং রহমত লাভ করার উদ্দেশ্যে।” যেমন হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রহমতের জন্যে তাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে, আযাবের জন্যে নয়। অন্য আয়াতে রয়েছেঃ (আরবি)

অর্থাৎ “আমি দানব ও মানবকে আমার ইবাদতের জন্যেই সৃষ্টি করেছি।” (৫১ :৫৬) তৃতীয় উক্তি এ-ও আছে যে, তাদের রহমত ও মতভেদের জন্যে সৃষ্টি করা হয়েছে। যেমন মা’লিক (রঃ) এর তাফসীরে বলেন যে, একটিদল জান্নাতী এবং একটি দল জাহান্নামী। এদেরকে রহমত লাভ করার জন্যে এবং ওদেরকে মতভেদ সৃষ্টি করার জন্যে সৃষ্টি করা হয়েছে।

আল্লাহ পাক বলেনঃ হে নবী (সঃ)! তোমার প্রতিপালকের এই ফায়সালা হয়ে আছে যে, তাঁর সৃষ্টির মধ্যে এই দু’প্রকারের লোক থাকবে এবং এই দু’প্রকারের লোক দ্বারা জান্নাত ও জাহান্নাম পূর্ণ করা হবে। এর পূর্ণ হিকমত একমাত্র তিনিই জানেন।

সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যে একবার তর্ক বিতর্ক হয়। জান্নাত বলে, আমার মধ্যে তো শুধুমাত্র দুর্বল লোকেরাই প্রবেশ করে থাকে। আর জাহান্নাম বলেঃ “আমাকে অহংকারী লোকদের জন্যে নির্দিষ্ট করা হয়েছে।” তখন মহা মহিমান্বিত আল্লাহ জান্নাতকে বলেনঃ “তুমি আমার রহমত বা করুণা। আমি যাদেরকে ইচ্ছা করবো তোমার দ্বারা আরাম ও শান্তি দান করবো।” আর জাহান্নামকে বলেনঃ “তুমি আমার শাস্তি। আমি যাদেরকে চাইবো তোমার শাস্তি দ্বারা প্রতিশোধ গ্রহণ করবো। তোমরা উভয়েই পূর্ণ হয়ে যাবে।” বরাবরই বেহেশতে অতিরিক্ত জায়গা থাকবে। শেষ পর্যন্ত ওর জন্যে আল্লাহ তাআ’লা নতুন মাখলুক সৃষ্টি করবেন এবং তাদেরকে ওর মধ্যে বসিয়ে দিবেন। জাহান্নামও সদা সর্বদা তার মধ্যে অতিরিক্ত কিছু চাইতে থাকবে। তখন আল্লাহ তাআ’লা ওর মধ্যে নিজের পা রেখে দিবেন। তখন সে বলে উঠবেঃ “আপনার মর্যাদার কসম! যথেষ্ট হয়েছে, যথেষ্ট হয়েছে”।





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।