সূরা হূদ (আয়াত: 105)
হরকত ছাড়া:
يوم يأت لا تكلم نفس إلا بإذنه فمنهم شقي وسعيد ﴿١٠٥﴾
হরকত সহ:
یَوْمَ یَاْتِ لَا تَکَلَّمُ نَفْسٌ اِلَّا بِاِذْنِهٖ ۚ فَمِنْهُمْ شَقِیٌّ وَّ سَعِیْدٌ ﴿۱۰۵﴾
উচ্চারণ: ইয়াওমা ইয়া'তি লা-তাকাল্লামুনাফছুন ইল্লা-বিইযনিহী ফামিনহুম শাকিইইউঁওয়াছা‘ঈদ।
আল বায়ান: যেদিন তা আসবে সেদিন তাঁর অনুমতি ছাড়া কেউ কথা বলবে না। অতঃপর তাদের মধ্য থেকে কেউ দুর্ভাগা, আর কেউ সৌভাগ্যবান।
আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ১০৫. যখন সেদিন আসবে তখন আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কেউ কথা বলতে পারবে না।(১); অতঃপর তাদের মধ্যে কেউ হবে হতভাগ্য আর কেউ হবে সৌভাগ্যবান।(২)
তাইসীরুল ক্বুরআন: সে দিন যখন আসবে তখন তাঁর অনুমতি ছাড়া কেউ মুখ খুলতে পারবে না, তাদের কেউ হবে হতভাগা, আর কেউ হবে সৌভাগ্যবান।
আহসানুল বায়ান: (১০৫) যখন সেদিন আসবে, তখন কোন ব্যক্তি আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কথাও বলতে পারবে না।[1] সুতরাং তাদের মধ্যে কেউ হবে দুর্ভাগ্যবান এবং কেউ হবে সৌভাগ্যবান।
মুজিবুর রহমান: যখন সেই দিন আসবে তখন কোন ব্যক্তি আমার অনুমতি ছাড়া কথাও বলতে পারবেনা। অতঃপর তাদের মধ্যে কতক দুর্ভাগা হবে এবং কতক হবে ভাগ্যবান।
ফযলুর রহমান: যেদিন তা আসবে সেদিন কেউ তাঁর অনুমতি ছাড়া কথা বলতে পারবে না। তাই তাদের মধ্যে কেউ হবে হতভাগ্য এবং কেউ ভাগ্যবান।
মুহিউদ্দিন খান: যেদিন তা আসবে সেদিন আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কেউ কোন কথা বলতে পারে না। অতঃপর কিছু লোক হবে হতভাগ্য আর কিছু লোক সৌভাগ্যবান।
জহুরুল হক: যখন সে-দিনটি আসবে তখন কোনো সত্ত্বাই তাঁর অনুমতি ব্যতীত কথা বলতে পারবে না, কাজে-কাজেই তাদের মধ্যে কেউ হবে হতভাগ্য আর কেউ ভাগ্যবান।
Sahih International: The Day it comes no soul will speak except by His permission. And among them will be the wretched and the prosperous.
তাফসীরে যাকারিয়া
অনুবাদ: ১০৫. যখন সেদিন আসবে তখন আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কেউ কথা বলতে পারবে না।(১); অতঃপর তাদের মধ্যে কেউ হবে হতভাগ্য আর কেউ হবে সৌভাগ্যবান।(২)
তাফসীর:
(১) অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেছেনঃ “সেদিন রূহ ও ফিরিশতাগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াবে; দয়াময় যাকে অনুমতি দেবেন সে ছাড়া অন্যরা কথা বলবে না এবং সে সঠিক বলবে।” [সূরা আন-নাবাঃ ৩৮] অর্থাৎ সেদিনের সেই আড়ম্বরপূর্ণ মহিমাম্বিত আদালতে অতি বড় কোন গৌরবান্বিত ব্যক্তি এবং মর্যাদা সম্পন্ন ফেরেশতাও টুঁ শব্দটি করতে পারবে না। আর যদি কেউ সেখানে কিছু বলতে পারে তাহলে একমাত্র বিশ্ব-জাহানের সর্বময় ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের মহান অধিকারীর নিজের প্রদত্ত অনুমতি সাপেক্ষেই বলতে পারবে।
(২) উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ যখন এ আয়াত “তাদের মধ্যে কেউ হবে হতভাগ্য আর কেউ হবে ভাগ্যবান” নাযিল হলো তখন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর নবী! তা হলে কি জন্য আমল করব? যে ব্যাপারে চুড়ান্ত ফয়সালা হয়ে গেছে সেটার জন্য আমল করব নাকি চুড়ান্ত ফয়সালা হয়নি এমন বস্তুর জন্য আমল করব? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “হে উমর! বরং যে ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে এবং কলম দিয়ে লিখা হয়ে গেছে এমন বিষয়ের জন্য আমল করবে। তবে যাকে যে জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে তার জন্য সেটাকে সহজ করে দেয়া হবে।” [তিরমিযীঃ ৩১১১] অর্থাৎ তাকদীরের খবর আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। যদি সে ঈমানদার হিসেবে লিখা হয়ে থাকে তবে তার জন্য সৎকাজ করা সহজ করে দেয়া হবে। আর যদি বদকার ও কাফের হিসেবে লেখা হয়ে থাকে তবে সে ভাল কাজ করতে চাইবে না, ভাল কাজ করা তার দ্বারা সহজ হবে না। তাই প্রত্যেকের উচিত ভাল কাজ করতে সচেষ্ট হওয়া। কারণ ভাল কাজের প্রতি প্রচেষ্টাই তার ভাগ্য ভাল কি মন্দ হয়েছে তার প্রতি প্রমাণবহ। তা না করে নিছক তাকদীরের উপর নির্ভর করে বসে থাকলে বুঝতে হবে যে, সে অবশ্যই হতভাগা, তার তাকদীরে ভালো লিখা হয়নি। যা অধিকাংশ দুর্ভাগা মানুষ সবসময় করে থাকে। তারা ভাগ্যকে অযথা টেনে এনে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকে এবং ভাগ্য নিয়ে অযথা বাদানুবাদ করে।
অপরপক্ষে, যাদের ভাগ্য ভাল, তারা তাকদীরের উপর ঈমান রাখে কিন্তু সেটাকে টেনে এনে হাত-পা গুটিয়ে বসে না থেকে ভাল কাজ করতে সদা সচেষ্ট থাকে। তারপর যদি ভাল কিছু পায় তবে বুঝতে হবে যে, প্রচেষ্টা করার কথাও তার তাকদীরে লিখা আছে। আর যারা সৎ কাজের চেষ্টা না করে অযথা তাকদীর নিয়ে বাড়াবাড়ি করে তাদের সম্পর্কে বুঝতে হবে যে, তারা সৎকাজের প্রচেষ্টা করবে না এটাই লিখা হয়েছিল সে জন্য তারা দুর্ভাগা। তাকদীর সম্পর্কে এটাই হচ্ছে মূল কথা। [দেখুন, শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীনঃ আলকাওলুল মুফীদ আলা কিতাবিত তাওহীদ ২/৪১৩-৪১৪]
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
অনুবাদ: (১০৫) যখন সেদিন আসবে, তখন কোন ব্যক্তি আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কথাও বলতে পারবে না।[1] সুতরাং তাদের মধ্যে কেউ হবে দুর্ভাগ্যবান এবং কেউ হবে সৌভাগ্যবান।
তাফসীর:
[1] ‘কথাও বলতে পারবে না’ কথাটির অর্থ হল, আল্লাহ তাআলার সামনে কারোর কোন কথা বলার বা সুপারিশ করার হিম্মত ও সাহস হবে না। তবে যদি তিনি অনুমতি দেন, তাহলে সে কথা স্বতন্ত্র। সুপারিশ সম্পর্কিত লম্বা হাদীসে বর্ণনা হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘‘সেই দিন আম্বিয়াগণ ছাড়া কারোর কথা বলার হিম্মত ও সাহস হবে না। আর আম্বিয়াগণের মুখে সেদিন একমাত্র এই কথা হবে, ‘হে আল্লাহ! আমাকে পরিত্রাণ দাও, আমাকে পরিত্রাণ দাও।’’ (বুখারী)
তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ
তাফসীর: ১০৩-১০৯ নং আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়::
পূর্বের আয়াতগুলোতে বিভিন্ন জাতির অবাধ্যতা ও তাদের ওপর আপতিত শাস্তির বর্ণনা তুলে ধরার পর আল্লাহ তা‘আলা বলছেন, এসব ঘটনার মধ্যে রয়েছে তাদের জন্য শিক্ষা যারা আখিরাতের আযাবকে ভয় করে, যেদিন মানুষকে একত্রিত করা হবে। لِأَجَلٍ مَّعْدُوْدٍ অর্থাৎ কিয়ামতকে বিলম্বে সংঘটিত করার কারণ হল আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য একটি নির্ধারিত সময় রেখে দিয়েছেন। যখন সে সময় এসে যাবে তখন এক মুহূর্তের জন্য বিলম্ব করা হবে না।
لَا تَكَلَّمُ نَفْسٌ কথা বলবে না অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলার সামনে কথা বলার কারো হিম্মত ও সাহস হবে না। তিনি যদি অনুমতি দেন তাহলে সুযোগ পাবে।
একটি দীর্ঘ হাদীসে এসেছে: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: সে দিন নাবীগণ ছাড়া কারো কোন কথা বলার হিম্মত থাকবে না। আর নাবীগণের মুখে সেদিন একমাত্র এ কথা হবে হে আল্লাহ তা‘আলা! আমাকে পরিত্রাণ দাও, আমাকে পরিত্রাণ দাও। (সহীহ বুখারী হা: ৮০৬)
কিয়ামতের দিন মানুষের মধ্যে দু‘টো দল থাকবে। একটি হল দুর্ভাগ্যবান এবং অপরটি সৌভাগ্যবান।
অতঃপর যারা দুর্ভাগ্যবান তথা কাফির তারা জাহান্নামে প্রবেশ করবে আর তারা তথায় আর্তনাদ ও চিৎকার করবে। তারা জাহান্নামে আকাশ-জমিন যতদিন থাকবে ততদিন অবস্থান করবে। এই বাক্য দ্বারা অনেকে এই অর্থ গ্রহণ করেন যে, কোন কাফির-মুশরিকও জাহান্নামে স্থায়ী হবে না। কিন্তু এই অর্থ গ্রহণ করা মোটেও ঠিক হবে না। এটি মূলত আরবদের পরিভাষা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। কারণ আরবরা যখন কোন কিছুর চিরস্থায়ীত্ব বুঝাত তখন এইরূপ বলত যে,
هذا دائم دوام السموات والأرض
অর্থাৎ এই বস্তু আকাশ ও পৃথিবীর মত চিরস্থায়ী। এর দ্বারা মূলত তারা চিরস্থায়ী জিনিসকেই বুঝাত। সুতরাং কাফির-মুশরিকরা জাহান্নামে চিরস্থায়ী হবে। এই অর্থই সঠিক। আর যারা সৌভাগ্যবান তারা জান্নাতে চিরস্থায়ীভাবে অবস্থান করবে। আর সেখানে তাদেরকে এমন জিনিস দান করা হবে যা কোন দিন শেষ হওয়ার নয়। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
(خٰلِدِيْنَ فِيْهَا لَا يَبْغُوْنَ عَنْهَا حِوَلًا)
“সেথায় তারা স্থায়ী হবে, তা হতে স্থানান্তর কামনা করবে না।” (সূরা কাহ্ফ ১৮:১০৮)
আর যারা পাপী তাদেরকে এমনভাবে শাস্তি দেয়া হবে যেমন শাস্তি দেয়া হয়েছিল তাদের পূর্বপুরুষদেরকে। তাদের পূর্বপুরুষদেরকে যেমন ধ্বংস করে দেয়া হয়েছিল তাদের ক্ষেত্রেও অনুরূপ করা হবে; এর চেয়ে একটুও কম করা হবে না।
আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
১. আল্লাহ তা‘আলার সামনে তাঁর অনুমতি ব্যতীত কেউ কোন কথা বলতে পারবে না।
২. যারা ভাল কাজ করবে তারা জান্নাতে যাবে আর যারা খারাপ কাজ করবে তারা জাহান্নামে যাবে এবং তথায় চিরস্থায়ী হবে।
তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)
তাফসীর: ১০৩-১০৫ নং আয়াতের তাফসীর
আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ কাফিরদেরকে ধ্বংস করা এবং মুমিনমু’মিনদেরকে মুক্তি দেয়ার মধ্যে অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে আমার ওয়াদার সত্যতার, যে ওয়াদা আমি কিয়ামতের দিন সম্পর্কে করেছি। তিনি বলেন নিশ্চয় আমি আমার রাসূলদেরকে এবং মুমিনমু’মিনদেরকে সাহায্য করবো পার্থিব জীবনে এবং সকলের হাযির হওয়ার দিন; অর্থাৎ কিয়ামতের দিন। আর এক জায়গায় তিনি বলেনঃ তাদের কাছে তাদের প্রতিপালক ওয়াহী পাঠালেনঃ “আমি অবশ্যই যালিমদেরকে ধ্বংস করবো।”
মহান আল্লাহ বলেন যে, এটা এমন একটা দিন হবে যেই দিন সমস্ত মানুষকে অর্থাৎ প্রথম ও শেষের সব মানুষকে একত্রিত করা হবে, একজনও ছুটে যাবে না। ওটা হবে বড়ই কঠিন দিন। ঐ দিন হবে সকলের উপস্থিতির দিন। সেই দিন ফেরেশতা ও রাসূলদেরকে হাযির করা হবে এবং সমুদয় সৃষ্ট জীবকে একত্রিত করা হবে। তারা হচ্ছে মানব, দানব, পাখী, বন্য জন্তু এবং ভূ-পৃষ্টে বিচরণকারী সমস্ত কিছু। প্রকৃত ন্যায় বিচারক উত্তম রূপে ন্যায় বিচার করবেন। তিনি তিল পরিমাণও অত্যাচার করবেন না। যদি কিছু পুণ্য থাকে তবে তিনি তা বহু গুণে বাড়িয়ে দেবেন।
কিয়ামত সংঘটিত হতে বিলম্ব হওয়ার কারণ এই যে, একটা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত দুনিয়া বনী আদম দ্বারা আবাদ হতে থাকবে এটা মহান আল্লাহ পূর্ব হতেই নির্ধারণ করে রেখেছেন। এতে মোটেই আগা পিছা হবে না। অতঃপর এই নির্দিষ্ট সময় শেষে কিয়ামত সংঘটিত হয়ে যাবে। যেই দিন কিয়ামত সংঘটিত হবে সেই দিন আল্লাহ তাআ’লার অনুমতি ছাড়া কেউই মুখ খুলতে পারবে না। কিন্তু রহমান (আল্লাহ) যাকে অনুমতি দেবেন সে-ই কথা বলবে এবং সে-ও সঠিক কথাই বলবে। রহমানের (আল্লাহর) সামনে সমস্ত শব্দ নীচু হয়ে যাবে। সহীহ্ বুখারী ও সহীহ্ মুসলিমের শাফা’আতের হাদীসে রয়েছে যে, সেই দিন রাসূলগণ ছাড়া কেউই কথা বলবে না এবং তাঁদের কথা হবেঃ “হে আল্লাহ! নিরাপদে রাখুন, নিরাপত্তা দান করুন।” হাশরের ময়দানে বহু হতভাগ্য লোকও থাকবে এবং বহু ভাগ্যবান লোকও থাকবে। যেমন আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ (আরবি)
অর্থাৎ এক দল বেহেশ্তে থাকবে এবং একদল দুযখে থাকবে। (৪২: ৭)
হযরত ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, যখন (আরবি) অবতীর্ণ হয় তখন হযরত উমার (রাঃ) জিজ্ঞেস করেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ) আমরা কিসের উপর আমল করবো? আমাদের আমল কি এর উপর হবে যা পূর্বে শেষ হয়ে গেছে (অর্থাৎ পূর্বেই লিখিত আছে), না এর উপর যা পূর্বে শেষ হয় নাই (বরং নতুনভাবে লিখিত হবে)?” রাসূলুল্লাহ (সঃ) উত্তরে বলেনঃ “হে উমার (রাঃ)! তোমাদের আমল এর উপর ভিত্তি করেই হবে যা পূর্বেই লিখা হয়ে গেছে। (নতুনভাবে আর লিখা হবে না) তবে প্রত্যেকের জন্যে ওটাই সহজ হবে যার জন্যে (অর্থাৎ যে কাজের জন্যে) তার জন্ম হয়েছে।” (এ হাদীসটি হা’ফিয আবু ইয়ালা (রঃ) স্বীয় মুসনাদে বর্ণনা করেছেন)
সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।