আল কুরআন


সূরা আত-ত্বীন (আয়াত: 1)

সূরা আত-ত্বীন (আয়াত: 1)



হরকত ছাড়া:

والتين والزيتون ﴿١﴾




হরকত সহ:

وَ التِّیْنِ وَ الزَّیْتُوْنِ ۙ﴿۱﴾




উচ্চারণ: ওয়াততীন ওয়াযযাইতূন।




আল বায়ান: কসম ‘তীন ও যায়তূন’ এর।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ১. শপথ তীন ও যায়তুন(১)-এর,




তাইসীরুল ক্বুরআন: শপথ তীন ও যায়তূন-এর (যা জন্মে সিরিয়া ও ফিলিস্তিন এলাকায় যে স্থান বহু পুণ্যময় নবী ও রসূলের স্মৃতিতে ধন্য)।




আহসানুল বায়ান: ১। শপথ তীন ও যাইতূনের। [1]



মুজিবুর রহমান: শপথ ‘তীন’ ও যাইতূন’ এর –



ফযলুর রহমান: শপথ ডুমুরের ও জলপাইয়ের!



মুহিউদ্দিন খান: শপথ আঞ্জীর (ডুমুর) ও যয়তুনের,



জহুরুল হক: ভাবো ডুমুরেব, আর জলপাইয়ের কথা;



Sahih International: By the fig and the olive



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ১. শপথ তীন ও যায়তুন(১)-এর,


তাফসীর:

(১) এর ব্যাখ্যায় মুফাস্‌সিরগণের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা যায়। হাসান বসরী, ইকরামাহ, আতা ইবনে আবী রাবাহ, জাবের ইবনে যায়েদ, মুজাহিদ ও ইবরাহীম নাখায়ী রাহিমাহুমুল্লাহ বলেন, তীন বা আঞ্জির (গোল হালকা কালচে বর্ণের এক রকম মিষ্টি ফল) বলতে এই সাধারণ তীনকে বুঝানো হয়েছে, যা লোকেরা খায়। আর যায়তুন বলতেও এই যায়তুনই বুঝানো হয়েছে, যা থেকে তেল বের করা হয়। [কুরতুবী, তাবারী] কোন কোন মুফাস্‌সির বলেন তীন ও যায়তুন শব্দের অর্থ এই ফল দুটি উৎপাদনের সমগ্র এলাকা হতে পারে। আর এটি হচ্ছে সিরিয়া ও ফিলিস্তীন এলাকা। কারণ সে যুগের আরবে তীন ও যায়তূন উৎপাদনের জন্য এ দুটি এলাকাই পরিচিত ছিল। ইবনে তাইমিয়া ও ইবনুল কাইয়েম রাহিমাহুমুল্লাহ এই ব্যাখ্যা অবলম্বন করেছেন। অন্যদিকে ইবনে জারীর প্রথম বক্তব্যটিকে অগ্ৰাধিকার দিলেও একথা মেনে নিয়েছেন যে, তীন ও যায়তুন দ্বারা এই ফল দু'টি উৎপাদনের এলাকা উদ্দেশ্য হতে পারে।


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: ১। শপথ তীন ও যাইতূনের। [1]


তাফসীর:

[1] (‘তীন’ ডুমুরজাতীয় এক প্রকার মিষ্টি ফল; যার গাছ ও ফল ডুমুর গাছ ও ফলের মতই দেখতে। উর্দুতে ‘আনজীর’ তর্জমা দেখে তা আমাদের দেশের ‘পেয়ারা’ ‘আঞ্জীর’ বা ‘আমসপেরা’ মনে করা ভুল। যয়তূনকে ইংরেজীতে ‘অলিভ’ বলা হয়। বাংলাতে এর অনুবাদ ‘জলপাই’ করা হয়ে থাকে।) -সম্পাদক


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: নামকরণ ও গুরুত্ব:



التِّيْنِ তীন হচ্ছে ডুমুর জাতীয় এক প্রকার মিষ্টি ফল, যার গাছ ও ফল দেখতে ডুমুর গাছ ও ফলের মতই।



প্রথম আয়াতে উল্লিখিত তীন শব্দ থেকেই সূরার নামকরণ করা হয়েছে। বারা বিন আযেব (রাঃ) হতে বর্ণিত, নাবী (সাঃ) সফরে দুরাকাত সালাতের কোন এক রাকাতে সূরা তীন পাঠ করতেন। আমি তাঁর চেয়ে মধুর ও উত্তম কণ্ঠস্বরে কিরাত আর কারো শুনিনি। (সহীহ বুখারী হা. ৭৬৯, সহীহ মুসলিম হা. ১৭৫)



তাফসীর :



অধিকাংশ মুফাসসির বলেছেন: তীন ও যাইতুন হলো দুটি প্রসিদ্ধ ফল যা মানুষ খায়। (তাফসীর মুয়াসসার) আল্লাহ তা‘আলা এ দুটি গাছের শপথ করেছেন কারণ এ দুটি গাছ অন্যান্য গাছের তুলনায় অধিক উপকারী। এ বিষয়ে অনেক চিকিৎসাবিদ আলোচনা করেছেন। যহহাক (রহঃ) বলেছেন: তীন হলো: মাসজিদে হারাম আর যাইতুন হলো: মাসজিদে আকসা। ইবনু জায়েদ (রহঃ) বলেন: তীন হলো: দামেস্কের মাসজিদ আর যাইতুন হলো: মাসজিদে আকসা। এছাড়াও অনেক মতামত পাওয়া যায়। (ইবনু কাসীর, ফাতহুল কাদীর)



(وَطُوْرِ سِيْنِيْنَ) তুরে সিনাই হলো সেই পাহাড় যার ওপর আল্লাহ তা‘আলা মূসা (আঃ)-এর সাথে কথা বলেছেন।



(الْبَلَدِ الْأَمِيْنِ)



নিরাপদ শহর হলো মক্কা, আবার কতক আলেম বলেছেন: প্রকৃতপক্ষে এ হচ্ছে তিনটি জায়গা যার প্রত্যেকটিতে আল্লাহ তা‘আলা একজন করে “উলূল আযম” রাসূল প্রেরণ করেছেন। তীন ও যাইতুন দ্বারা বাইতুল মাকদিস এলাকাকে বুঝানো হয়েছে, যেখানে ঈসা (আঃ)-কে প্রেরণ করা হয়েছে। সিনাই পর্বত দ্বারা মূসা (আঃ)-এর সাথে আল্লাহ তা‘আলা যে পাহাড়ের ওপর কথা বলেছেন তা বুঝানো হয়েছে।



“নিরাপদ শহর” দ্বারা মক্কাকে বুঝানো হয়েছে। যেখানে শেষ নাবী মুহাম্মাদ (সাঃ)-কে প্রেরণ করা হয়েছে। (ইবনু কাসীর)





(فِيْٓ أَحْسَنِ تَقْوِيْمٍ)



পূর্বে উল্লিখিত তিনটি স্থানের শপথের জবাব হলো এ আয়াত। আল্লাহ তা‘আলা প্রতিটি প্রাণীকে সৃষ্টি করেছেন নিম্নমুখী করে। কেবলমাত্র মানুষকে সৃষ্টি করেছেন আলম্বিত দেহে সোজা করে।



ইমাম কুরতুবী (রহঃ) বলেন : تقويم অর্থ সোজা সামঞ্জস্যপূর্ণ করে সৃষ্টি করেছেন। ইবনুল আরাবী (রহঃ) বলেন : আল্লাহ তা‘আলার সৃষ্টিসমূহের মধ্যে মানুষের চেয়ে উত্তম আর কোন সৃষ্টি নেই। আল্লাহ তা‘আলা মানুষকে, বিবেক বুদ্ধি বোধশক্তি, শ্রবণ, প্রজ্ঞা ও দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন করে সৃষ্টি করেছেন।





(أَسْفَلَ سٰفِلِيْنَ)



এখানে অনেক মানুষের শারীরিক পরিবর্তনের কথা বলেছেন, আবার অনেকে হীনতার অর্থ নিয়েছেন যে, মানুষ কর্মের কারণে চতুষ্পদ প্রাণীর চেয়ে নিকৃষ্ট হয়ে যায়। তবে সঠিক অর্থ হলো : এখানে জাহান্নামের শাস্তির কথা বলা হচ্ছে। কাফিররা আল্লাহ তা‘আলার প্রতি ঈমান না আনার কারণে নিজেদেরকে উঁচুমর্যাদা আশরাফুল মাখলুকাত (সৃষ্টির শ্রেষ্ঠতম সৃষ্টি) থেকে জাহান্নামের নিম্ন দেশে ঠেলে দিচ্ছে। এজন্য আল্লাহ তা‘আলা পরের আয়াতে ঈমানদার ও সৎ আমলকারী ব্যক্তিদের আলাদা করেছেন। কেননা তারা ঈমান এনে এ লাঞ্ছনা থেকে নিজেদের রক্ষা করেছে। যেমন আল্লাহ তা‘আলা সূরা আছরে বলছেন:



(إِنَّ الْإِنْسَانَ لَفِيْ خُسْرٍ إِلَّا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ وَتَوَاصَوْا بِالْـحَقِّ ৫ لا وَتَوَاصَوْا بِالصَّبْر)‏



“নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত; কিন্তু তারা নয়, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং পরস্পরকে হক্বের উপদেশ দেয় এবং উপদেশ দেয় সবরের।” (সূরা আসর ১০৩: ২-৩)



(فَمَا يُكَذِّبُكَ بَعْدُ بِالدِّيْنِ)



অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলার ক্ষমতার প্রমাণ বহন করে এমন নিদর্শনাবলী সুষ্পষ্ট করে দেয়ার পরেও কোন্ জিনিস তোমাদেরকে পুনরুত্থানের প্রতি অবিশ্বাসী হতে অনুপ্রাণিত করছে?



(أَلَيْسَ اللّٰهُ بِأَحْكَمِ الْـحٰكِمِيْنَ)



অর্থাৎ যে আল্লাহ তা‘আলা বিচারের দিনকে নির্ধারিত করে রেখেছেন তিনি কি সৃষ্টি জীবের মাঝে ন্যায় বিচার করবেন না? হ্যাঁ, অবশ্যই তিনি মানুষকে তাদের কর্মের ভাল-মন্দ প্রতিদান দেয়ার জন্য ন্যায় বিচার করবেন। এ সূরার শেষে



بلي وانا علي ذلك من الشاهدين



পড়ার প্রমাণ বিশুদ্ধ নয়। (তিরমিযী হা. ৩৩৪৭, সনদ দুর্বল।)



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:



১. তীন ও যাইতুনের তাফসীর জানতে পারলাম।

২. মক্কার মর্যাদা ও গুরুত্ব জানলাম।

৩. মানুষের প্রতি আল্লাহ তা‘আলার অনুগ্রহ যে, তিনি মানুষকে উত্তম অবয়ব দিয়ে সৃষ্টি করেছেন।

৪. মু’মিনদের মর্যাদাবান ও কাফিরদের অসম্মানের পাত্র করার হিকমত জানলাম।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: হযরত বারা ইবনে আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ “নবী করীম (সঃ) তাঁর এক সফরে দু'রাকআত নামাযের কোন এক রাকআতে সূরা তীন পাঠ করছিলেন। আমি তার চেয়ে মধুর ও উত্তম কণ্ঠস্বর অথবা কিরআত আর কারো শুনিনি।

১-৮ নং আয়াতের তাফসীর

এখানে তাফসীরকারগণ বহু উক্তির উপর মতভেদ করেছেন। কারো কারো মতে তীন' দ্বারা দামেস্কের মসজিদকে বুঝানো হয়েছে। আবার কেউ কেউ বলেন, ‘তীন’ হলো সরাসরি দামেস্ক শহর। অন্য কেউ বলেন যে, ওটা হলো জুদী পাহাড়ে অবস্থিত হযরত নূহের (আঃ) মসজিদ। হযরত মুজাহিদের (রঃ) মতে এটা হলো সাধারণ আনজীর বা ডুমুর জাতীয় ফল।

যায়তুনের অর্থ ও বিভিন্নভাবে করা হয়েছে। কেউ কেউ বলেন যে, ওটা হলো বায়তুল মুকাদ্দাসের মসজিদ। অন্য কারো মতে যায়তুন হলো ঐ ফল যাকে চিপে রস অর্থাৎ তৈল বের করা হয়।

ভূরে সীনীন হলো ঐ পাহাড় যেখানে হযরত মূসা (আঃ) আল্লাহ তা'আলার সাথে কথা বলেছিলেন।

(আরবি) দ্বারা মক্কা শরীফকে বুঝানো হয়েছে। এ ব্যাপারে কোন মতভেদ নেই। কেউ কেউ বলেন যে, এই তিন জায়গায় তিনজন বিশিষ্ট নবীকে (আঃ) প্রেরণ করা হয়েছিল। তুরে সীনীন এর অর্থ হলো তুরে সায়না অর্থাৎ সিনাই পাহাড়। এই পাহাড়ে আল্লাহ জাল্লাজালালুহু হযরত মুসা (আঃ)-এর সাথে বাক্য বিনিময় করেছেন। বালাদুল আমীন হলো মক্কা মুআযযামা, যেখানে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদকে (সঃ) পাঠানো হয়েছে। তাওরাতের শেষেও এ তিনটি জায়গার নাম উল্লিখিত রয়েছে। তাতে রয়েছে যে, তূরে সায়না থেকে আল্লাহ তা'আলা এসেছেন অর্থাৎ তিনি হযরত মূসার (আঃ) সাথে কথা বলেছেন আর সা’ঈর। অর্থাৎ বায়তুল মুকাদ্দাসের পাহাড় থেকে তিনি নুর চমকিত করেছেন। অর্থাৎ হযরত ঈসা (আঃ) কে সেখানে প্রেরণ করেছেন এবং ফারানের শীর্ষে তিনি উন্নীত হয়েছেন অর্থাৎ মক্কার পাহাড় থেকে হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কে প্রেরণ করেছেন। অতঃপর এই তিনজন বিশিষ্ট নবীর ভাষা এবং সত্তা সম্পর্কে পর্যায়ক্রমেই উল্লেখ করা হয়েছে।

এইসব শপথের পর আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেনঃ নিশ্চয়ই আমি মানুষকে অত্যন্ত সুন্দর ছাঁচে ঢালাই করেছি, অতঃপর তাকে আমি অধঃপতিত হীন অবস্থার লোকদের চেয়েও হীনতম করে দিই। অর্থাৎ জাহান্নামের অধিবাসী করে দিই, যদি তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সঃ)-এর আনুগত্য না করে থাকে। এ কারণেই যারা ঈমান এনেছে ও ভাল কাজ করেছে তাদেরকে পৃথক করে নেয়া হয়েছে। কেউ কেউ বলেন যে, এর দ্বারা অতি বৃদ্ধাবস্থায় ফিরিয়ে দেয়ার কথা বুঝানো হয়েছে। ইকরামা (রঃ) বলেন যে, যে ব্যক্তি কুরআন জমা করেছে সে বার্ধক্য ও হীন অবস্থায় উপনীত হবে না। ইবনে জারীর (রঃ) এ কথা পছন্দ করেছেন। কিন্তু অনেক ঈমানদারও তো বৃদ্ধাবস্থায় উপনীত হন। কাজেই সঠিক কথা হলো ওটাই যা উপরে বর্ণিত হয়েছে। যেমন অন্য জায়গায় আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ (আরবি)

অর্থাৎ “মহাকালের শপথ! মানুষ অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত, কিন্তু তারা নয়, যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে।” (১০৩:১-৩) ইতিপূর্বেও এরূপ উক্তি উল্লিখিত হয়েছে।

মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ হে মানুষ! তুমি যখন তোমার প্রথমবারের সৃষ্টি সম্পর্কে জানো তখন শাস্তি ও পুরস্কারের দিনের আগমনের কথা শুনে এবং পুনরায় জীবিত হওয়ার অর্থাৎ পুনরুত্থানের কথা শুনে এটাকে বিশ্বাস করছো না কেন? এ অবিশ্বাসের কারণ কি? কোন বস্তু তোমাকে কিয়ামত সম্পর্কে অবিশ্বাসী করেছে? যিনি প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন তাঁর পক্ষে পুনরায় সৃষ্টি করা কি কঠিন কাজ?

হযরত মুজাহিদ (রঃ) একবার হযরত ইবনে আব্বাসকে (রাঃ) জিজ্ঞেস করেন “এখানে কি হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কে বুঝানো হয়েছে?” উত্তরে তিনি বলেনঃ “আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাচ্ছি। এখানে শুধু সাধারণ মানুষকেই বুঝানো হয়েছে।”

এরপর আল্লাহ তাআলা বলেনঃ তিনি কি বিচারকদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিচারক নন? তিনি কারো প্রতি কোন প্রকার যুলুম বা অত্যাচার করেন না। তিনি অবিচার করেন না। এ কারণেই তিনি কিয়ামত বা শেষ বিচারের দিনকে অবশ্যই আনয়ন করবেন এবং সেই দিন তিনি প্রত্যেক যালিম, অত্যাচারীর নিকট থেকে যুলুমঅত্যাচারের প্রতিশোধ গ্রহণ করবেন।

ইতিপূর্বে হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে মারফু’ রূপে একটি হাদীস গত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “যখন তোমাদের মধ্যে কেউ (আরবি) সূরাটি পাঠ করবে এবং সূরার শেষের (আরবি)পর্যন্ত পৌঁছবে তখন যেন সে বলেঃ (আরবি)

অর্থাৎ “হ্যা, এবং আমিও এর উপর সাক্ষ্যদাতাদের মধ্যে একজন।”





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।