আল কুরআন


সূরা আল-ইনসান (আদ-দাহর) (আয়াত: 29)

সূরা আল-ইনসান (আদ-দাহর) (আয়াত: 29)



হরকত ছাড়া:

إن هذه تذكرة فمن شاء اتخذ إلى ربه سبيلا ﴿٢٩﴾




হরকত সহ:

اِنَّ هٰذِهٖ تَذْکِرَۃٌ ۚ فَمَنْ شَآءَ اتَّخَذَ اِلٰی رَبِّهٖ سَبِیْلًا ﴿۲۹﴾




উচ্চারণ: ইন্না হা-যিহী তাযকিরাতুন ফামান শাআত্তাখাযা ইলা- রাব্বিহী ছাবীলা- ।




আল বায়ান: নিশ্চয় এটি উপদেশ; অতএব যে চায় সে যেন তার রবের দিকে একটি পথ গ্রহণ করে।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ২৯. নিশ্চয় এটা এক উপদেশ, অতএব যে ইচ্ছে করে সে যেন তার রবের দিকে একটি পথ গ্রহণ করে।




তাইসীরুল ক্বুরআন: এটা এক উপদেশ, কাজেই যার ইচ্ছে সে (এ উপদেশ মান্য ক’রে) তার প্রতিপালকের পথ ধরুক।




আহসানুল বায়ান: (২৯) নিশ্চয় এটা এক উপদেশ, অতএব যার ইচ্ছা সে তার প্রতিপালকের দিকে পথ অবলম্বন করুক। [1]



মুজিবুর রহমান: ইহা এক উপদেশ, অতএব যার ইচ্ছা সে তার রবের পথ অবলম্বন করুক।



ফযলুর রহমান: নিশ্চয়ই এটা একটা উপদেশ; অতএব, যে চায় সে যেন তার প্রভুর দিকের পথ অবলম্বন করে।



মুহিউদ্দিন খান: এটা উপদেশ, অতএব যার ইচ্ছা হয় সে তার পালনকর্তার পথ অবলম্বন করুক।



জহুরুল হক: নিঃসন্দেহ এটি এক স্মরণীয় বার্তা, সুতরাং যে ইচ্ছা করে সে তার প্রভুর দিকে পথ ধরুক।



Sahih International: Indeed, this is a reminder, so he who wills may take to his Lord a way.



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ২৯. নিশ্চয় এটা এক উপদেশ, অতএব যে ইচ্ছে করে সে যেন তার রবের দিকে একটি পথ গ্রহণ করে।


তাফসীর:

-


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (২৯) নিশ্চয় এটা এক উপদেশ, অতএব যার ইচ্ছা সে তার প্রতিপালকের দিকে পথ অবলম্বন করুক। [1]


তাফসীর:

[1] অর্থাৎ, এই কুরআন থেকে হিদায়াত গ্রহণ করুক।


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ২৩-৩১ নম্বর আয়াতের তাফসীর :



আল্লাহ তা‘আলা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি প্রদত্ত অনুগ্রহের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলছেন, আমি তোমার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ করেছি, অতএব আমার ফায়সালার ব্যাপারে ধৈর্য ধারণ কর। আর যদি কাফির ও মুনাফিকরা তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ করেছি তা প্রচারে ও পালনে বাধা প্রদান করতে চায় তাহলে তাদের অনুসরণ করো না বরং দাওয়াতী কাজ চালিয়ে যাও।



আল্লামা ইবনু কাসীর (রহঃ) বলেন : الاثم হল যে কর্মের মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলার অবাধ্যতা করা হয়। আর كَفُوْرً হল যে অন্তর অবিশ্বাসী। ইতিহাস ও সীরাত গ্রন্থাবলী সাক্ষ্য দেয় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তারা ক্ষমতা, ধন সম্পদ ও রূপ যৌবনের লালসা দেখিয়ে প্রলুব্ধ করতে চিয়েছিল। তাকে উচ্চতর নেতা বানানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। আবার বিকল্প হিসাবে তাকে তাদের মধ্যে সবেেচয়ে ধনী বানিয়ে দেবে বলেও প্রলোভন দেখিয়েছিল। দেশের সুন্দরী নারীর সাথে বিবাহ দিতে মত পোষণ করেছিল। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের কোন প্রস্তাবই মেনে নেননি। বরং তিনি দীনের পথে মানুষকে আহ্বান করেই গেছেন। যত বাধার সম্মুখীন হয়েছেন তত দাওয়াতী মিশন বৃদ্ধি পেয়েছে।



(بُكْرَةً وَّأَصِيْلًا)



সকাল-সন্ধ্যা বলতে সারাদিন, এতে পাঁচ ওয়াক্ত ফরয ও নফলসহ সকল প্রকার সালাত শামিল। এ অংশ এ কথাও প্রমাণ করছে- শুধু মানুষকে আল্লাহ তা‘আলার পথে আহ্বান করলেই যথেষ্ট হবে না বরং সেই সাথে নিজে সদামল করতে হবে, আর আল্লাহ তা‘আলাকে সর্বদা স্মরণে রাখতে হবে।



(وَّمِنَ اللَّيْلِ فَاسْجُدْ)



‘রাতে তাঁর জন্য সিজদায় নত হও’ অনুরূপ মহান আল্লাহ অন্যত্র বলেন :



(وَمِنَ اللَّيْلِ فَتَهَجَّدْ بِه۪ نَافِلَةً لَّكَ عَسٰٓي أَنْ يَّبْعَثَكَ رَبُّكَ مَقَامًا مَّحْمُوْدًا) ‏



“এবং রাত্রির কিছু অংশে তাহাজ্জুত কায়েম কর, এটা তোমার জন্য এক অতিরিক্ত কর্তব্য। আশা করা যায় তোমার প্রতিপালক তোমাকে প্রতিষ্ঠিত করবেন প্রশংসিত স্থানে।” ( সূরা ইসরা ১৭ : ৭৯)



আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন :



(يٰٓأَيُّهَا الْمُزَّمِّلُ ‏ قُمِ اللَّيْلَ إِلَّا قَلِيْلًا لا ‏ نِّصْفَه۫ أَوِ انْقُصْ مِنْهُ قَلِيْلًا لا ‏ أَوْ زِدْ عَلَيْهِ وَرَتِّلِ الْقُرْاٰنَ تَرْتِيْلًا )



“হে বস্ত্রাবৃত (ব্যক্তি)! রাত্রি জাগরণ (নামায আদায়) কর, কিছু অংশ। তার অর্ধেক কিংবা তদপেক্ষা কিছু কম। অথবা তদপেক্ষা বেশি। আর কুরআন পাঠ কর ধীরে ধীরে, (থেমে থেমে সুন্দরভাবে)” (সূরা মুজ্জাম্মিল ৭৩ : ১-৪)



(إِنَّ هٰٓؤُلَا۬ءِ)



‘নিশ্চয়ই তারা’ বলতে মক্কার কাফিরদেরকে বুঝোনো হয়েছে। তবে এতে সকল কাফির শামিল। অর্থাৎ যাদের গন্তব্য অত্যন্ত কাছাকাছি এবং যাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য অত্যন্ত তুচ্ছ ও নগণ্য তারা এ দুনিয়াকে নিয়েই ডুবে থাকে এবং পশ্চাতের বিপদসংকুল দিনকে উপেক্ষা করে। সুতরাং কোন ব্যাপারেই তাদের অনুকরণ ও অনুসরণের অবকাশ নেই। তাদের জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে মু’মিনদের জীবনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের কোন মিল নেই।



(يَوْمًا ثَقِيْلًا) কঠিন দিন বলতে কিয়ামত দিবসকে বুঝোনো হয়েছে।



(وَإِذَا شِئْنَا بَدَّلْنَآ...)



‘আমি যখন ইচ্ছা করব তখন তাদের পরিবর্তে...’ ইবনু জারীর (রহঃ) বলেন : আল্লাহ তা‘আলা ইচ্ছা করলে তাদের ছাড়া অন্য জাতিকে নিয়ে আসতে পারেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন :



(إِنْ يَّشَأْ يُذْهِبْكُمْ أَيُّهَا النَّاسُ وَيَأْتِ بِاٰخَرِيْنَ ط وَكَانَ اللّٰهُ عَلٰي ذٰلِكَ قَدِيْرًا )‏



“হে মানুষ! তিনি (আল্লাহ) ইচ্ছা করলে তোমাদেরকে অপসারিত করে অপরকে আনতে পারেন; আল্লাহ এটা করতে সম্পূর্ণ সক্ষম।” (সূরা নিসা : ৪ : ১৩৩)



(وَمَا تَشَا۬ءُوْنَ إِلَّآ أَنْ يَّشَا۬ءَ اللّٰهُ)



‘তোমরা ইচ্ছা কর না যদি না আল্লাহ ইচ্ছা করেন।’ অর্থাৎ মানুষের ইচ্ছা আল্লাহ তা‘আলার ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল। মানুষ ইচ্ছা করলেই কিছু করতে পারে না যদি আল্লাহ তা‘আলা ইচ্ছা না করেন। সুতরাং যাকে ইচ্ছা তিনি তাঁর রহমত তথা ইসলামে প্রবেশ করার সুযোগ দান করেন আর যাকে ইচ্ছা বঞ্চিত করেন। ‘আল্লাহ তা‘আলার ইচ্ছা’ সম্পর্কে পূর্বে আলোচনা করা হয়েছে।



সুতরাং প্রতিটি মু’মিন-মুসলিমের উচিত নিজে সদামল করবে এবং সাথে সাথে সদামলের দিকে মানুষকে আহ্বান করবে। এতে যত বাধা বা তা বর্জন করতে যত প্রলোভন আসুক তা আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূলের ভালবাসার সামনে তুচ্ছ মনে করবে।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয় :



১. পাপিষ্ঠ কাফিরদের অনুসরণ করা হারাম।

২. মু’মিনদের উচিত সালাত, যিকির ও দু‘আর মাধ্যমে সাহায্য চাওয়া।

৩. আল্লাহ তা‘আলা ইচ্ছা করেন তার প্রমাণ পেলাম।

৪. কুরআন মু’মিনদের জন্য উপদেশবাণী।

৫. দুনিয়ার কোন মোহ মু’মিনকে আল্লাহ তা‘আলার পথ থেকে বিচ্যুত করতে পারে না। বরং দুনিয়ার সকল কিছুর ওপর সে আল্লাহ তা‘আলা ও রাসূলকে প্রাধান্য দেয়।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ২৩-৩১ নং আয়াতের তাফসীর

আল্লাহ তা'আলা স্বীয় নবী (সঃ)-এর উপর যে খাস অনুগ্রহ করেছেন তা তাঁকে স্মরণ করিয়ে দিতে গিয়ে বলেনঃ আমি ক্রমে ক্রমে অল্প অল্প করে এই কুরআন তোমার উপর অবতীর্ণ করেছি। এখন এই অনুগ্রহের কৃতজ্ঞতা প্রকাশার্থে তুমি আমার পথে ধৈর্যের সাথে কাজ করে যাও। আমার ফায়সালার উপর ধৈর্যশীল ও কৃতজ্ঞ থাকো। তুমি দেখবে যে, আমি তোমাকে অত্যন্ত নিপুণতার সাথে মহাসম্মানিত স্থানে পৌঁছিয়ে দিবো। এই কাফির ও মুনাফিকদের কথার প্রতি তুমি মোটেই ভ্রূক্ষেপ করবে না। তারা তোমাকে এই তাবলীগের কাজে বাধা দিলেও তুমি তাদের বাধা মানবে না। বরং তাবলীগের কাজে তুমি নিয়মিতভাবে চালিয়ে যাবে। তুমি নিরাশ ও মনঃক্ষুন্ন হবে না। আমার সত্ত্বার উপর তুমি ভরসা রাখবে। আমি তোমাকে লোকদের অনিষ্ট হতে রক্ষা করবো। তোমাকে রক্ষা করার দায়িত্ব আমার।

(আরবি) বলা হয় বা দুষ্কর্মশীল নাফরমানকে। আর (আরবি) হলো ঐ ব্যক্তি যার অন্তর সত্যকে প্রত্যাখ্যানকারী।

মহান আল্লাহ বলেনঃ তুমি সকাল ও সন্ধ্যায় তোমার প্রতিপালকের নাম স্মরণ কর। অর্থাৎ দিনের প্রথম ও শেষ ভাগে আল্লাহর নাম স্মরণ কর।

আর রাত্রির কিয়দংশে তাঁর প্রতি সিজদায় নত হও এবং রাত্রির দীর্ঘ সময় তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর। যেমন আল্লাহ পাক অন্যত্র বলেনঃ (আরবি)

অর্থাৎ “রাত্রির কিছু অংশে তাহাজ্জুদ কায়েম করবে, এটা তোমার এক অতিরিক্ত কর্তব্য। আশা করা যায় যে, তোমার প্রতিপালক তোমাকে প্রতিষ্ঠিত করবেন প্রশংসিত স্থানে।” (১৭:৭৯) মহান আল্লাহ আরো বলেনঃ (আরবি)

অর্থাৎ “হে বস্ত্রাবৃত! রাত্রি জাগরণ কর, কিছু অংশ ব্যতীত, অর্ধ রাত্রি কিংবা তদপেক্ষা অল্প অথবা তদপেক্ষা বেশী। আর কুরআন আবৃত্তি কর ধীরে ধীরে, স্পষ্ট ও সুন্দরভাবে।” (৭৩:১-৪)

এরপর কাফিরদেরকে ধমকের সুরে বলা হচ্ছেঃ তোমরা দুনিয়ার প্রেমে পড়ে আখিরাতকে পরিত্যাগ করো না। ওটা বড়ই কঠিন দিন। এই নশ্বর জগতের পিছনে পড়ে ঐ ভয়াবহ দিন হতে উদাসীন থাকা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

অতঃপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ সবারই সৃষ্টিকর্তা আমিই। সবারই গঠন সুদৃঢ় আমিই করেছি। কিয়ামতের দিন তাদেরকে নতুনভাবে সৃষ্টি করার পূর্ণ ক্ষমতাও আমার রয়েছে। এটাকে অর্থাৎ প্রথম সৃষ্টিকে পুনর্বার সৃষ্টিকরণের দলীল বানানো হয়েছে। আবার এর ভাবার্থ এও হবেঃ আমি যখন ইচ্ছা করবো তখন তাদের পরিবর্তে তাদের অনুরূপ এক জাতিকে প্রতিষ্ঠিত করবো। যেমন আল্লাহ পাক বলেনঃ (আরবি)

অর্থাৎ “হে লোক সকল! তিনি (আল্লাহ) ইচ্ছা করলে তোমাদেরকে সরিয়ে অন্যদেরকে আনয়ন করবেন এবং এর উপর আল্লাহ পূর্ণ ক্ষমতাবান।” (৪:১৩৩) আর এক জায়গায় বলেনঃ (আরবি)

অর্থাৎ “তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদেরকে সরিয়ে দিয়ে অন্য জাতি আনয়ন করবেন এবং ওটা আল্লাহর উপর মোটেই কঠিন কাজ নয়।” (১৪:১৯-২০)

এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ নিশ্চয়ই এটা এক উপদেশ, অতএব যার ইচ্ছা সে তার প্রতিপালকের দিকে পথ অবলম্বন করুক। যেমন তিনি অন্য জায়গায় বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “যদি তারা আল্লাহর উপর ও পরকালের উপর ঈমান আনতো তবে তাদের উপর কি বোঝা চাপতো? (শেষ পর্যন্ত)!” (৪:৩৯)

অতঃপর ইরশাদ হচ্ছেঃ ব্যাপার এই যে, তোমরা ইচ্ছা করবে না যদি না আল্লাহ ইচ্ছা করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। যারা হিদায়াত লাভের যোগ্য পাত্র তাদের জন্যে তিনি হিদায়াতের পথ সহজ করে দেন এবং হিদায়াতের উপকরণ প্রস্তুত করে দেন। আর যে নিজেকে পথভ্রষ্টতার পাত্র বানিয়ে নেয় তাকে তিনি হিদায়াত হতে দূরে সরিয়ে দেন। প্রত্যেক কাজেই তার পূর্ণ নিপুণতা ও পুরো যুক্তি রয়েছে। তিনি যাকে ইচ্ছা করেন নিজের রহমতের ছায়ায় আশ্রয় দেন এবং সরল সঠিক পথে দাঁড় করিয়ে দেন। আর যাকে ইচ্ছা করেন পথভ্রষ্ট করে থাকেন এবং সরল সঠিক পথে পরিচালিত করেন না। তার হিদায়াতকে না কেউ হারিয়ে দিতে পারে এবং না কেউ তার গুমরাহীকে হিদায়াতে পরিবর্তিত করতে পারে। তার শাস্তি পাপী, যালিম এবং অন্যায়কারীর জন্যে নির্দিষ্ট রয়েছে।





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।