আল কুরআন


সূরা আল-কলম (আয়াত: 37)

সূরা আল-কলম (আয়াত: 37)



হরকত ছাড়া:

أم لكم كتاب فيه تدرسون ﴿٣٧﴾




হরকত সহ:

اَمْ لَکُمْ کِتٰبٌ فِیْهِ تَدْرُسُوْنَ ﴿ۙ۳۷﴾




উচ্চারণ: আম লাকুম কিতা-বুন ফীহি তাদরুছূন।




আল বায়ান: তোমাদের কাছে কি কোন কিতাব আছে যাতে তোমরা পাঠ করছ?




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৩৭. তোমাদের কাছে কি কোন কিতাব আছে যাতে তোমরা অধ্যয়ন কর—




তাইসীরুল ক্বুরআন: তোমাদের কাছে কি (আল্লাহর নাযিলকৃত) কোন কিতাব আছে যা পড়ে তোমরা জানতে পার যে,




আহসানুল বায়ান: (৩৭) তোমাদের নিকট কি কোন কিতাব আছে,[1] যা তোমরা অধ্যয়ন কর?



মুজিবুর রহমান: তোমাদের নিকট কি কোন কিতাব আছে যা তোমরা অধ্যয়ন কর –



ফযলুর রহমান: নাকি তোমাদের কোন কিতাব আছে যাতে তোমরা পাঠ করো (দেখতে পাও)



মুহিউদ্দিন খান: তোমাদের কি কোন কিতাব আছে, যা তোমরা পাঠ কর।



জহুরুল হক: না কি তোমাদের জন্য কোনো গ্রন্থ রয়েছে যা তোমরা অধ্যয়ন কর --



Sahih International: Or do you have a scripture in which you learn



তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ: কোনো তথ্য নেই।


তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ৩৭. তোমাদের কাছে কি কোন কিতাব আছে যাতে তোমরা অধ্যয়ন কর—


তাফসীর:

-


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (৩৭) তোমাদের নিকট কি কোন কিতাব আছে,[1] যা তোমরা অধ্যয়ন কর?


তাফসীর:

[1] যাতে এ কথা লেখা আছে, যার তোমরা দাবী করছ যে, সেখানেও তোমাদের জন্য তোমাদের পছন্দ মত সব কিছুই থাকবে?


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ৩৪-৪১ নম্বর আয়াতের তাফসীর :



দুনিয়ার বাগানের মালিকের অবস্থা বর্ণনা এবং তাদের অবাধ্যতার কারণে যে শাস্তি আপতিত হয়েছে তার বিবরণ তুলে ধরার পর আল্লাহভীরু লোকদের অবস্থা বর্ণনা করছেন। তারা আখেরাতে এমন জান্নাত লাভ করবে যার নেয়ামত শেষ হবে না এবং হ্্রাস পাবে না। আর তা নষ্টও হবে না। মুুমিন-মুসলিমকে আল্লাহ তা‘আলা অপরাধীর মত অপমানিত করবেন না।



(كِتٰبٌ فِيْهِ تَدْرُسُوْنَ)



অর্থাৎ তোমাদের নিকট কি এমন কিতাব আছে যাতে বলা হয়েছে- তোমরা যা চাইবে তাই পাবে? নাকি আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোন প্রতিশ্র“তি আছে যা কিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। অর্থাৎ এ সবের কিছ্ইু নেই।



(بَالِغَةٌ إِلٰي يَوْمِ الْقِيٰمَةِ)



অর্থাৎ তোমাদের কি আল্লাহ তা‘আলার সাথে এমন কোন প্রতিশ্র“তি আছে যে, তা তোমাদেরকে জান্নাতে পৌঁছে দেবে।

زعيم অর্থাৎ তারা যে এসব দাবী করছে সেজন্য কে দায়িত্বভার নেবে? নাকি এ বিষয়ে তাদের কোন শরীক আছে? যদি থাকে তাহলে তা নিয়ে আসতে বল। না, তারা কখনো পারবে না এবং কেউ দায়িত্বও নেবে না। অতএব আখিরাতে তাদের জন্য রয়েছে অপমানজনক শাস্তি।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয় :



১. অপরাধীরা কখনো মু’মিনদের সমান হতে পারে না।

২. মু’মিনরা এমন জান্নাত পাবে যা কখনো শেষ হবে না।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ৩৪-৪১ নং আয়াতের তাফসীর

উপরে পার্থিব বাগানের মালিকদের অবস্থা বর্ণিত হয়েছে এবং তারা আল্লাহর অবাধ্যাচরণ এবং তার হুকুমের বিরোধিতা করার কারণে তাদের উপর যে বিপদ আপতিত হয়েছিল তা আল্লাহ তা’আলা বর্ণনা করেছেন। এখানে ঐ আল্লাহভীরু লোকদের অবস্থা বর্ণনা করা হয়েছে যারা আখিরাতে এমন জান্নাত লাভ করবে যার নিয়ামত শেষও হবে না এবং হ্রাসও পাবে না। আর তা পঁচে গলেও যাবে না।

এরপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ আমি কি আত্মসমর্পণকারীদেরকে অপরাধীদের সদৃশ গণ্য করবো? অর্থাৎ মুসলিম ও পাপীরা কি কখনো সমান হতে পারে? যমীন ও আসমানের শপথ! এটা কখনো হতে পারে না।

আল্লাহ পাক বলেনঃ তোমাদের কী হয়েছে? তোমাদের এ কেমন সিদ্ধান্ত? তোমাদের হাতে কি আল্লাহ তা’আলার পক্ষ হতে অবতারিত এমন কোন কিতাব রয়েছে যা তোমাদের কাছে রক্ষিত রয়েছে এবং পূর্ববর্তীদের নিকট হতে তোমরা তা প্রাপ্ত হয়েছে? আর তাতে তা-ই রয়েছে যা তোমরা চাচ্ছ ও বলছো? অথবা তোমাদের সাথে কি আমার কোন দৃঢ় অঙ্গীকার রয়েছে যে, তোমরা যা কিছু বলছো তা হবেই? এবং তোমাদের এই বাজে ও ঘৃণ্য বাসনা পূর্ণ হয়েই যাবে?

এরপর আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা স্বীয় নবী (সঃ)-কে বলেনঃ হে নবী (সঃ)! তুমি তাদেরকে জিজ্ঞেস কর যে, তাদের মধ্যের এই দাবীর যিম্মাদার কে? তাদের কি কোন দেব-দেবী আছে? থাকলে তারা তাদের ঐ দেব-দেবীদেরকে উপস্থিত করুক, যদি তারা সত্যবাদী হয়।





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।