আল কুরআন


সূরা আত-তাগাবুন (আয়াত: 10)

সূরা আত-তাগাবুন (আয়াত: 10)



হরকত ছাড়া:

والذين كفروا وكذبوا بآياتنا أولئك أصحاب النار خالدين فيها وبئس المصير ﴿١٠﴾




হরকত সহ:

وَ الَّذِیْنَ کَفَرُوْا وَ کَذَّبُوْا بِاٰیٰتِنَاۤ اُولٰٓئِکَ اَصْحٰبُ النَّارِ خٰلِدِیْنَ فِیْهَا ؕ وَ بِئْسَ الْمَصِیْرُ ﴿۱۰﴾




উচ্চারণ: ওয়াল্লাযীনা কাফারূওয়া কাযযাবূবিআ-য়া-তিনা উলাইকা আসহা-বুন্না-রি খা-লিদীনা ফীহা- ওয়া বি’ছাল মাসীর।




আল বায়ান: কিন্তু যারা কুফরী করে এবং আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করে তারাই জাহান্নামের অধিবাসী। তথায় তারা স্থায়ী হবে। আর তা কতইনা নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ১০. কিন্তু যারা কুফরী করে এবং আমাদের (আয়াত) নিদর্শনসমূহে মিথ্যারোপ করে তারাই আগুনের অধিবাসী, সেখানে তারা স্থায়ী হবে। কত মন্দ সে ফিরে যাওয়ার স্থান!




তাইসীরুল ক্বুরআন: আর যারা কুফুরী করে আর আমার নিদর্শনগুলোকে অস্বীকার করে, তারাই জাহান্নামের অধিবাসী, তাতে তারা চিরকাল থাকবে। কতই না নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল!




আহসানুল বায়ান: (১০) আর যারা কুফরী করবে এবং আমার নিদর্শনসমূহকে অস্বীকার করবে, তারাই জাহান্নামের অধিবাসী; সেখানে তারা স্থায়ী হবে। কত মন্দ ঐ প্রত্যাবর্তনস্থল!



মুজিবুর রহমান: কিন্তু যারা কুফরী করে এবং আমার নিদর্শনসমূহকে অস্বীকার করে তারাই জাহান্নামের অধিবাসী, সেখানে তারা স্থায়ী হবে, কত মন্দ ঐ প্রত্যাবর্তনস্থল!



ফযলুর রহমান: আর যারা কুফরি করে ও আমার নিদর্শনসমূহ অবিশ্বাস করে তারাই জাহান্নামের অধিবাসী হবে, সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। এটা কত খারাপ গন্তব্য!



মুহিউদ্দিন খান: আর যারা কাফের এবং আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যা বলে, তারাই জাহান্নামের অধিবাসী, তারা তথায় অনন্তকাল থাকবে। কতই না মন্দ প্রত্যাবর্তনস্থল এটা।



জহুরুল হক: আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে এবং আমাদের নির্দেশাবলী প্রত্যাখ্যান করে, তারাই হচ্ছে আগুনের বাসিন্দা -- তারা সেখানেই অবস্থান করবে। আর কত মন্দ সেই গন্তব্যস্থান!



Sahih International: But the ones who disbelieved and denied Our verses - those are the companions of the Fire, abiding eternally therein; and wretched is the destination.



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ১০. কিন্তু যারা কুফরী করে এবং আমাদের (আয়াত) নিদর্শনসমূহে মিথ্যারোপ করে তারাই আগুনের অধিবাসী, সেখানে তারা স্থায়ী হবে। কত মন্দ সে ফিরে যাওয়ার স্থান!


তাফসীর:

-


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (১০) আর যারা কুফরী করবে এবং আমার নিদর্শনসমূহকে অস্বীকার করবে, তারাই জাহান্নামের অধিবাসী; সেখানে তারা স্থায়ী হবে। কত মন্দ ঐ প্রত্যাবর্তনস্থল!


তাফসীর:

-


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ৭-১৩ নম্বর আয়াতের তাফসীর :



কাফির-মুশরিকদের প্রকৃত জ্ঞান, হিদায়াত ও সঠিক পথের দিকনির্দেশনা দানকারী কিতাব উপস্থিত না থাকায় তারা যেসব বাতিল ধারণা করে ও পুনরুত্থানকে অস্বীকার করে সে সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা এখানে আলোকপাত করেছেন। তাই নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর সত্ত্বার শপথ করে বলতে বললেন : বলে দাও, আমার রবের শপথ! অবশ্যই তোমরা পুনরুত্থিত হবে। কুরআন মাজীদের আরো একাধিক জায়গায় আল্লাহ তা‘আলা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এরূপ রবের নামে কসম করার নির্দেশ করেছেন। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন :



(وَیَسْتَنْۭبِئُوْنَکَ اَحَقٌّ ھُوَﺛ قُلْ اِیْ وَرَبِّیْٓ اِنَّھ۫ لَحَقٌّﺨ وَمَآ اَنْتُمْ بِمُعْجِزِیْنَ)



“তারা তোমার নিকট (কিয়ামতের আযাব সম্পর্কে) জানতে চায়, ‘তা কি সত্য?’ বল : ‎ ‘হ্যাঁ, আমার প্রতিপালকের শপথ! তা অবশ্যই সত্য। এবং তোমরা এটা ব্যর্থ করতে পারবে না।” (সূরা ইউনুস ১০ : ৫৩)



অন্যত্র আল্লাহ তা‘আলা বলেন :



( وَقَالَ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا لَا تَأْتِيْنَا السَّاعَةُ ط قُلْ بَلٰي وَ رَبِّيْ لَتَأْتِيَنَّكُمْ)



“কাফিররা বলে আমাদের ওপর কিয়ামত আসবে না। আপনি বলে দিন, কেন আসবে না? ক্বসম আমার প্রতিপালকের! অবশ্যই তা তোমাদের ওপর আসবে।” (সূরা সাবা ৩৪ : ৩)



পুনরুত্থানের পর প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার কৃত আমলের প্রতিদান প্রদান করা হবে আর এটা আল্লাহ তা‘আলার জন্য খুবই সহজ।



فَاٰمِنُوْا এখানে ’فا‘ ফা অক্ষরটিকে ‘ফা ফাসীহাহ’ বলা হয়। অর্থাৎ এর পূর্বে একটি শর্ত উহ্য রয়েছে। অর্থ হল যখন বিষয়টি এ রকমই যা বর্ণিত হয়েছে সুতরাং তোমরা আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আন এবং তাঁর ওপর অবতীর্ণ নূর, কুরআনের প্রতিও ঈমান আন।



(لِيَوْمِ الْجَمْعِ)



‘সমাবেশ দিবসে’ সমাবেশ দিবসে বলতে কিয়ামত দিবসকে বুঝানো হয়েছে। কিয়ামত দিবসকে সমাবেশ দিবস বলার কারণ হল সেদিন সকল আদম সন্তান, জিন, আকাশবাসী ও জমিনবাসীকে একই ময়দানে সমবেত করা হবে। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন :



(ذٰلِكَ يَوْمٌ مَّجْمُوْعٌ لا لَّهُ النَّاسُ وَذٰلِكَ يَوْمٌ مَّشْهُوْدٌ)‏



“এটা সেদিন, যেদিন সমস্ত‎ মানুষকে একত্র করা হবে; এটা সে দিন যেদিন সকলকে উপস্থিত করা হবে।” (সূরা হূদ ১১ : ১০৩)



অন্যত্র আল্লাহ তা‘আলা বলেন :



(قُلْ إِنَّ الْأَوَّلِيْنَ وَالْاخِرِيْنَ لَمَجْمُوْعُوْنَ ৫ إِلٰي مِيْقَاتِ يَوْمٍ مَّعْلُوْم)‏



“বল : অবশ্যই পূর্ববর্তীগণ এবং পরবর্তীগণকে একত্রিত করা হবে এক নির্ধারিত দিনের নির্ধারিত সময়ে” (সূরা ওয়াকিয়া ৫৬ : ৪৯)



(مَآ أَصَابَ مِنْ مُّصِيْبَةٍ)



অর্থাৎ জান-মাল সন্তান-সন্ততি ইত্যাদিতে পতিত সকল বিপদ আল্লাহ তা‘আলার নির্ধারিত ও তাঁর ফায়সালা অনুপাতেই হয়ে থাকে। কেউ বলেছেন : এ আয়াতটি কাফিরদের উক্তির প্রতিবাদস্বরূপ অবতীর্ণ হয়। তারা বলত মুসলিমরা সত্যের ওপর থাকলে দুনিয়াতে কোন বালা মসিবত তাদের ওপর আসত না। (ফাতহুল কাদীর)



(وَمَنْ یُّؤْمِنْۭ بِاللہِ)



অর্থাৎ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলার প্রতি ঈমানসহ ঈমানের অন্যান্য রুকনের প্রতি বিশ্বাসী হয় এবং এ বিশ্বাস রাখে যে, ভাল-মন্দ ও আপদ-বিপদ সবকিছু আল্লাহ তা‘আলা কর্তৃক ফায়সালাকৃত আর আল্লাহ তা‘আলার ফায়সালার প্রতি আত্মসমর্পণ করে আল্লাহ তা‘আলা তার অন্তর হিদায়াতের ওপর অটল রাখবেন।



ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন : (يَهْدِ قَلْبَه۫) অর্থাৎ দৃঢ় বিশ্বাসের ওপর আল্লাহ তা‘আলা তার অন্তর অটল রাখবেন। ফলে সে নিশ্চিত থাকবে যে, তার ওপর যে আপদ-বিপদ হয় তা ভুল করে আসে না, আর যে সকল আপদ-বিপদে আক্রান্ত হয় না তা ভুল করে তার থেকে সরে যায়নি। (ইবনু কাসীর)।



ইবনু মাসঊদ (রাঃ) এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন : এর দ্বারা এমন লোকদেরকে বুঝানো হয়েছে, যারা বিপদগ্রস্ত হলে আল্লাহ তা‘আলার প্রতি সন্তুষ্ট থাকে এবং এ কথা বুঝতে পারে যে, এ বিপদ আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ হতেই এসেছে। (সহীহ বুখারী)



রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন : মু’মিনের কাজগুলা আশ্চর্যজনক, তার প্রত্যেক কাজ কল্যাণকর। তার ওপর কোন বিপদ আপতিত হলে ধৈর্য ধারণ করে-এটা তার জন্য কল্যাণকর, আর আনন্দদায়ক বিষয় হলে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে; এটাও তার জন্য কল্যাণকর। এটা মু’মিন ছাড়া অন্য কারো জন্য নয়। (সহীহ মুসলিম হা. ৭৬৯২)



(وَأَطِيْعُوا اللّٰهَ)



অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা নির্দেশ করেছেন তা অনুসরণ করো আর যা বর্জন করতে বলেছেন তা বর্জন করে চলো। আর যদি তা না করো তাহলে জেনে রেখো, তোমাদের কর্মের কারণে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পাকড়াও করা হবে না। তাঁর কাজ কেবল পৌঁছে দেওয়া। ইমাম জুহরী (রহঃ) বলেন : আল্লাহ তা‘আলার কাজ রাসূল প্রেরণ করা, রাসূলদের কাজ পৌঁছে দেওয়া আর আমাদের কাজ হল তা মেনে নেয়া। (ইবনু কাসীর)। সুতরাং আমাদের রাসূলের নির্দেশ মেনে চলা আবশ্যক।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয় :



১. পুনরুত্থান অবশ্যই হবে এবং প্রত্যেক মানুষকে তার কর্মের হিসাব দিতে হবে।

২. যারা সৎআমল করবে তাদের জন্য রয়েছে মহা পুরস্কার আর যারা কুফরী করবে তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

৩. দুনিয়ায় যা কিছু ঘটে সব পূর্ব ফায়সালাকৃত ও আল্লাহ তা‘আলার অনুমতিতেই ঘটে থাকে।

৪. মু’মিনদের প্রত্যেক কাজ কল্যাণকর, কারণ তারা সুখী অবস্থায় কৃতজ্ঞ হয় আর বিপদ-আপদের সময় ধৈর্য ধারণ করে।

৫. আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আনুগত্য করা ওয়াজিব।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ৭-১০ নং আয়াতের তাফসীর

আল্লাহ তা'আলা বলেন যে, কাফির, মুশরিক ও মুলহিদরা মৃত্যুর পরে পুনরুত্থানকে অবিশ্বাস করছে, তাই তিনি স্বীয় নবী (সঃ)-কে বলছেনঃ হে নবী (সঃ)! তুমি তাদেরকে বলে দাও আমার প্রতিপালকের শপথ! তোমরা অবশ্যই পুনরুত্থিত হবে। অতঃপর তোমরা যা করতে তোমাদেরকে সে সম্বন্ধে অবশ্যই অবহিত করা হবে। জেনে রেখো যে, তোমাদেরকে দ্বিতীয়বার সৃষ্টি করা, তোমাদের বিনিময় প্রদান করা ইত্যাদি কাজ আল্লাহ তা'আলার পক্ষে খুবই সহজ।

এটা হচ্ছে তৃতীয় আয়াত যাতে আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা স্বীয় নবী (সঃ)-কে কসম খেয়ে কিয়ামতের সত্যতা বর্ণনা করতে বলেছেন। প্রথম সূরায়ে ইউনুসে রয়েছেঃ (আরবি)

অর্থাৎ “তারা তোমার নিকট জানতে চায় যে, এটা কি সত্য? বল- হ্যাঁ, আমার প্রতিপালকের শপথ! এটা অবশ্যই সত্য। আর তোমরা এটা ব্যর্থ করতে পারবে না।” (১০:৫৩) দ্বিতীয় আয়াত সূরায়ে সাবাতে রয়েছেঃ (আরবি)

অর্থাৎ “কাফিররা বলে- আমাদের কিয়ামত আসবে না। বল- আসবেই, শপথ আমার প্রতিপালকের, নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট ওটা আসবেই।” (৩৪:৩) আর তৃতীয় হলো এই আয়াতটিঃ (আরবি)

অর্থাৎ “কাফিররা ধারণা করে যে, তারা কখনো পুনরুত্থিত হবে না। বল- নিশ্চয়ই হবে, আমার প্রতিপালকের শপথ! তোমরা অবশ্যই পুনরুত্থিত হবে।

অতঃপর তোমরা যা করতে তোমাদেরকে সে সম্বন্ধে অবশ্যই অবহিত করা হবে। এটা আল্লাহর পক্ষে সহজ।”

এরপর ইরশাদ হচ্ছেঃ অতএব তোমরা ঈমান আনয়ন কর আল্লাহর উপর, তাঁর রাসূলের উপর এবং যে নূর আল্লাহ অবতীর্ণ করেছেন তার উপর অর্থাৎ কুরআনের উপর। আর তোমাদের কোন গোপন আমলও আল্লাহর নিকট অজানা নয়, বরং তিনি সব কিছুরই খবর রাখেন।

মহান আল্লাহর উক্তিঃ সমাবেশের দিন অর্থাৎ কিয়ামতের দিন আল্লাহ তোমাদেরকে সমবেত করবেন। ঐদিন আল্লাহ তা’আলা সকলকে একত্রিত করবেন বলেই ঐ দিনকে অর্থাৎ কিয়ামতের দিনকে (আরবি) বলা হয়েছে। যেমন অন্য জায়গায় রয়েছেঃ (আরবি)

অর্থাৎ “ওটা লোকদেরকে একত্রিত করার ও হাযির করার দিন।” (১১:১০৩) আর এক জায়গায় বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “বলঃ নিশ্চয়ই পূর্ববর্তীগণ ও পরবর্তীগণ সকলকে একত্রিত করা হবে এক নির্ধারিত দিনের নির্ধারিত সময়ে।” (৫৬:৪৯-৫০)।

হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, (আরবি) হলো কিয়ামতের একটি নাম। কিয়ামতের এই নামের কারণ এই যে, জান্নাতবাসীরা জাহান্নামবাসীদেরকে ক্ষতির মধ্যে নিক্ষেপ করবে। হযরত মুজাহিদ (রঃ) বলেনঃ এর চেয়ে বড় তাগাবুন যা ক্ষতি কি হতে পারে যে, জান্নাতীদের সামনে তাদেরকে জাহান্নামে নিয়ে যাওয়া হবে? এর পরবর্তী আয়াতই যেন এর তাফসীর। মহান আল্লাহ বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহে বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে তিনি তার পাপ মোচন করবেন এবং তাকে দাখিল করবেন জান্নাতে যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেথায় তারা হবে চিরস্থায়ী। এটাই মহাসাফল্য। কিন্তু যারা কুফরী করে এবং আমার নিদর্শনসমূহকে অস্বীকার করে তারাই জাহান্নামের অধিবাসী, সেথায় তারা স্থায়ী হবে। কত মন্দ সে প্রত্যাবর্তন স্থল!





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।