আল কুরআন


সূরা আল-মুজাদালা (আয়াত: 6)

সূরা আল-মুজাদালা (আয়াত: 6)



হরকত ছাড়া:

يوم يبعثهم الله جميعا فينبئهم بما عملوا أحصاه الله ونسوه والله على كل شيء شهيد ﴿٦﴾




হরকত সহ:

یَوْمَ یَبْعَثُهُمُ اللّٰهُ جَمِیْعًا فَیُنَبِّئُهُمْ بِمَا عَمِلُوْا ؕ اَحْصٰهُ اللّٰهُ وَ نَسُوْهُ ؕ وَ اللّٰهُ عَلٰی کُلِّ شَیْءٍ شَهِیْدٌ ﴿۶﴾




উচ্চারণ: ইয়াওমা ইয়াব‘আছুহুমুল্লা-হু জামী‘আন ফাইউনাব্বিউহুম বিমা-‘আমিলূ আহসা-হুল্লা-হু ওয়া নাছূহু ওয়াল্লা-হু ‘আলা-কুল্লি শাইয়িন শাহীদ।




আল বায়ান: যে দিন আল্লাহ তাদের সকলকে পুনরুজ্জীবিত করে উঠাবেন অতঃপর তারা যে আমল করেছিল তা তাদেরকে জানিয়ে দেবেন। আল্লাহ তা হিসাব করে রেখেছেন যদিও তারা তা ভুলে গেছে। আর আল্লাহ প্রত্যেক বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৬. সে দিন, যেদিন আল্লাহ্‌ তাদের সবাইকে পুনরুজ্জীবিত করে উঠাবেন। অতঃপর তারা যা আমল করেছিল তিনি তাদেরকে জানিয়ে দেবেন; আল্লাহ্‌ তা হিসেব করে রেখেছেন যদিও তারা তা ভুলে গেছে। আর আল্লাহ্‌ সব কিছুর প্রত্যক্ষদর্শী।




তাইসীরুল ক্বুরআন: সেদিন, যেদিন আল্লাহ তাদের সকলকে আবার জীবিত করে উঠাবেন এবং তাদের কৃতকর্মের সংবাদ তাদেরকে জানিয়ে দিবেন, আল্লাহ তা হিসেব করে রেখেছেন যদিও তারা (নিজেরা) ভুলে গেছে। আল্লাহ প্রতিটি বিষয়ের প্রত্যক্ষদর্শী।




আহসানুল বায়ান: (৬) যেদিন আল্লাহ তাদের সকলকে একত্রে পুনরুত্থিত করবেন এবং তাদেরকে জানিয়ে দেবেন যা তারা করত; আল্লাহ ওর হিসাব রেখেছেন, আর তারা তা ভুলে গেছে। [1] আর আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সম্যক দ্রষ্টা। [2]



মুজিবুর রহমান: সেদিন, যেদিন আল্লাহ তাদের সকলকে একত্রে পুনরুত্থিত করবেন এবং তাদেরকে জানিয়ে দিবেন যা তারা করত; আল্লাহ উহার হিসাব রেখেছেন, যদিও তারা তা বিস্মৃত হয়েছে। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সম্যক দ্রষ্টা।



ফযলুর রহমান: (স্মরণ করো) যেদিন আল্লাহ তাদের সকলকে পুনরায় উঠাবেন এবং তারা যা করত তাদেরকে তা জানিয়ে দেবেন। আল্লাহ তার হিসাব রেখেছেন, যদিও তারা তা ভুলে গিয়েছে। আল্লাহ সব কিছুরই সাক্ষী।



মুহিউদ্দিন খান: সেদিন স্মরণীয়; যেদিন আল্লাহ তাদের সকলকে পুনরুত্থিত করবেন, অতঃপর তাদেরকে জানিয়ে দিবেন যা তারা করত। আল্লাহ তার হিসাব রেখেছেন, আর তারা তা ভুলে গেছে। আল্লাহর সামনে উপস্থিত আছে সব বস্তুই।



জহুরুল হক: একদিন আল্লাহ্ তাদেরকে একই সঙ্গে উঠিয়ে আনবেন, তখন তিনি তাদের জানিয়ে দেবেন কি তারা করেছিল। আল্লাহ্ এর হিসাব রেখেছেন যদিও তারা তা ভুলে গেছে। বস্তুত আল্লাহ্ সব-কিছুর উপরে সাক্ষী রয়েছেন।



Sahih International: On the Day when Allah will resurrect them all and inform them of what they did. Allah had enumerated it, while they forgot it; and Allah is, over all things, Witness.



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ৬. সে দিন, যেদিন আল্লাহ্– তাদের সবাইকে পুনরুজ্জীবিত করে উঠাবেন। অতঃপর তারা যা আমল করেছিল তিনি তাদেরকে জানিয়ে দেবেন; আল্লাহ্– তা হিসেব করে রেখেছেন যদিও তারা তা ভুলে গেছে। আর আল্লাহ্– সব কিছুর প্রত্যক্ষদর্শী।


তাফসীর:

-


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (৬) যেদিন আল্লাহ তাদের সকলকে একত্রে পুনরুত্থিত করবেন এবং তাদেরকে জানিয়ে দেবেন যা তারা করত; আল্লাহ ওর হিসাব রেখেছেন, আর তারা তা ভুলে গেছে। [1] আর আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সম্যক দ্রষ্টা। [2]


তাফসীর:

[1] এটা মস্তিষ্কে সৃষ্ট সমস্যার সমাধান। অর্থাৎ, পাপ এত প্রচুর এবং এত প্রকারের যে, তা গণনা করা বাহ্যিকভাবে অসম্ভব মনে হচ্ছে। মহান আল্লাহ বললেন, তোমাদের জন্য তা অবশ্যই অসম্ভব, বরং তোমাদের তো নিজেদের কৃতকর্মও স্মরণে থাকবে না। কিন্তু আল্লাহর জন্য এটা কোন সমস্যার ব্যাপার নয়। তিনি প্রত্যেকের আমলকে হিসাব করে সুরক্ষিত রেখেছেন।

[2] তাঁর কাছে কোন জিনিস গুপ্ত নয়। পরের আয়াতে এ কথার আরো তাকীদ স্বরূপ বলা হয়েছে যে, তিনি সব কিছুই জানেন।


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ৫-৭ নম্বর আয়াতের তাফসীর :



এ আয়াতগুলোতে আল্লাহ তাদের পরিণাম সম্পর্কে অবগত করছেন যারা আল্লাহ তা‘আলা, রাসূল ও শরীয়তের প্রকাশ্যে অপ্রকাশ্যে বিরুদ্ধারণ করে এবং তাদেরকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রƒপ করে।



يُحَآدُّوْنَ অর্থ আল্লাহ তা‘আলা ও রাসূলের আদেশ নিষেধের বিরুদ্ধাচরণ করে। আল্লাহ তা‘আলা বলছেন : كُبِتُوْا অর্থাৎ যারা আল্লাহ তা‘আলা, রাসূল ও শরীয়তের বিরুদ্ধাচরণ করে তারা অপদস্থ হয়ে গেছে। এখানে আল্লাহ তা‘আলা ভবিষ্যতে ঘটবে এমন ঘটনাকে অতীতকালের ক্রিয়া দ্বারা বর্ণনা করেছেন এ কথা পরিস্কার করে দেওয়ার জন্য যে, এটা অবশ্যই ঘটবে, এতে কোন সন্দেহ নেই।



(كَمَا كُبِتَ الَّذِيْنَ مِنْ قَبْلِهِمْ)



‘যেমন লাঞ্ছিত করা হয়েছে তাদের পূর্ববর্তীদেরকে’ অর্থাৎ পূর্ববর্তী উম্মাতের মাঝে যারা এরূপ বিরুদ্ধাচরণ করেছিল তারা অপদস্থ হয়েছিল। যেমন ‘আদ, সামূদ, ফির‘আউন জাতি ইত্যাদি।



(يَوْمَ يَبْعَثُهُمُ اللّٰه جَمِيْعًا)



‘সেদিন, যেদিন আল্লাহ পুনরুত্থিত করবেন তাদের সকলকে’ অর্থাৎ কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা‘আলা আদম থেকে শেষ দিবস পর্যন্ত যত মানুষ আগমন করবে সবাইকে এক মাঠে একত্রিত করবেন। তারপর তাদের ভালমন্দ সকল আমল সম্পর্কে জানিয়ে দেবেন।



(أَحْصَاهُ اللّٰهُ وَنَسُوْهُ)



‘আল্লাহ তা সংরক্ষিত রেখেছেন, অথচ তারা তা ভুলে গেছে’ অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলা তাদের সকল কৃতকর্ম সংরক্ষণ করে রেখেছেন যদিও তারা তাদের কর্মসমূহ ভুলে গেছে।



(هُوَ مَعَهُمْ أَيْنَ مَا كَانُوْا)



‘যেখানেই থাকুক না কেন, তিনি তাদের সাথে আছেন’ অর্থাৎ প্রত্যেক বান্দার সাথে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর শ্রবণ, দর্শণ ও জ্ঞান দ্বারা সাথে আছেন, সে বান্দা যেখানেই যে অবস্থাতেই থাকুক না কেন। তাই তিনজন লোক যদি গোপনে আলাপ করে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর শ্রবণশক্তি, দর্শন ও জ্ঞান দ্বারা চতুর্থ জন হিসাবে উপস্থিত আছেন। কেননা আল্লাহ তা‘আলা মানুষের প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সব কিছু জানেন।



আল্লাহ তা‘আলা বলেন :



(أَلَمْ يَعْلَمُوْآ أَنَّ اللّٰهَ يَعْلَمُ سِرَّهُمْ وَنَجْوٰهُمْ وَأَنَّ اللّٰهَ عَلَّامُ الْغُيُوْبِ)‏



“তারা কি জানে না যে, তাদের অন্তরের গোপন কথা ও তাদের গোপন পরামর্শ আল্লাহ অবশ্যই জানেন এবং যা অদৃশ্য তাও তিনি সবচেয়ে বেশি জানেন?” (সূরা তাওবা ৯ : ৭৮)



অন্যত্র আল্লাহ তা‘আলা বলেন :



(أَمْ يَحْسَبُوْنَ أَنَّا لَا نَسْمَعُ سِرَّهُمْ وَنَجْوٰـهُمْ ط بَلٰي وَرُسُلُنَا لَدَيْهِمْ يَكْتُبُوْنَ)



“তারা কি মনে করে যে, আমি তাদের গোপন বিষয় ও তাদের পরস্পরে চুপে চুপে যা বলে তার খবর রাখি না? অবশ্যই রাখি। আমার ফেরেশতারা তো তাদের নিকট থেকে সবকিছু লিপিবদ্ধ করে।” (সূরা যুখরুফ ৪৩ : ৮০) ইমাম ইবনু কাসীর (রহঃ) এ ব্যাপারে ইজমাও বর্ণনা করেছেন। (ইবনু কাসীর)



সুতরাং আল্লাহ তা‘আলা তাঁর শ্রবণ, দর্শন ও জ্ঞান দ্বারা সর্বত্র ও সবার সাথেই রয়েছেন। কিন্তু তিনি স্ব-সত্ত্বায় আরশের ওপরে সমুন্নত রয়েছেন যেমন তিনি তাঁর কিতাবে সংবাদ দিয়েছেন। তাই প্রত্যেক মু’মিনকে বিশ্বাস করতে হবে আল্লাহ তা‘আলা আরশের ওপরে সমুন্নত, তিনি সেখান থেকে সব কিছু দেখছেন, শুনছেন ও জ্ঞান দ্বারা বেষ্টন করে আছেন তাঁর জ্ঞানের বাইরে কিছুই নেই।



আয়াত হতে শি¬ক্ষণীয় বিষয় :



১. আল্লাহ তা‘আলা, রাসূল ও শরীয়তের বিরুদ্ধাচরণ এবং তাদের নিয়ে ঠাট্টা করার পরিণাম কী ভয়াবহ তা জানতে পারলাম।

২. মানুষ তাদের কৃতকর্ম ভুলে গেলেও আল্লাহ তা‘আলা তা সংরক্ষণ করে রেখেছেন।

৩. আল্লাহ তা‘আলা তাঁর শ্রবণ, দর্শন ও জ্ঞান দ্বারা প্রত্যেক মানুষের সাথে রয়েছেন।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ৫-৭ নং আয়াতের তাফসীর:

যারা আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল (সঃ)-এর বিরুদ্ধাচরণ করে এবং শরীয়তের আহকাম হতে বিমুখ হয়ে যায় তাদের সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা খবর দিচ্ছেন যে, তাদেরকে লাঞ্ছিত ও অপদস্থ করা হবে যেমন লাঞ্ছিত ও অপদস্থ করা হয়েছে তাদের পূর্ববর্তীদেরকে।

মহান আল্লাহ বলেনঃ এভাবেই সুস্পষ্ট আয়াত অবতীর্ণ করেছি এবং নিদর্শনসমূহ প্রকাশ করে দিয়েছি, যাদের অন্তরে ঔদ্ধত্যপনা রয়েছে তারা ছাড়া কেউই এগুলো অস্বীকার করতে পারে না। আর যারা এগুলো অস্বীকার করে তারা কাফির এবং এসব কাফিরের জন্যে এখানে রয়েছে লাঞ্ছনাকর শাস্তি এবং এরপর পরকালেও তাদের জন্যে অপমানজনক শাস্তি অপেক্ষা করছে। এখানে তাদেরকে তাদের অহংকার আল্লাহর দিকে ঝুঁকে পড়া হতে বিরত রাখছে, এর প্রতিফল হিসেবে তাদেরকে পরকালে সীমাহীনভাবে অপদস্থ করা হবে। যেদিন তারা হবে চরমভাবে পদদলিত। কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা'আলা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সমস্ত মানুষকে একই ময়দানে একত্রিত করবেন এবং তারা দুনিয়ায় ভালমন্দ যা করতো তা তাদেরকে জানিয়ে দেয়া হবে। যদিও তারা বিস্মৃত হয়েছে, কিন্তু আল্লাহ্ ওর হিসাব ৱেখেছেন। তাঁর ফেরেশতামণ্ডলী ওগুলো লিখে রেখেছেন। না আল্লাহ্ হতে কোন কিছু গোপন থাকে এবং না তিনি কোন কিছু ভুলে যান।

মহামহিমান্বিত আল্লাহ্ বলেনঃ তোমরা যেখানেই থাকো এবং যে অবস্থাতেই থকো, আল্লাহ্ তা'আলা তোমাদের সব কথাই শুনেন এবং তোমাদের সব অবস্থাই দেখেন। তাঁর নিকট কিছুই গোপন থাকে না। তার জ্ঞান সারা দুনিয়াকে পরিবেষ্টন করে রয়েছে। প্রত্যেক কাল ও স্থানের খবর তার কাছে সব সময়ই রয়েছে। আসমান ও যমীনের সমস্ত সৃষ্টির খবর তিনি রাখেন। তিনজন লোক মিলিত হয়ে পরস্পর অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে পরামর্শ করলেও তিনি চতুর্থজন হিসাবে তা শুনে থাকেন। সুতরাং তাদের এটা মনে করা উচিত নয় যে, তারা তিনজন আছে, বরং আল্লাহ্ তা'আলাকে চতুর্থজন হিসেবে গণ্য করা উচিত। অনুরূপভাবে পাচজন লোক পরস্পর গোপন পরামর্শ করলে ষষ্ঠজন আল্লাহ তাআলা রয়েছেন। তাদের এ ঈমান থাকতে হবে যে, তারা যেখানেই থাকুক না কেন তাদের সাথে আল্লাহ্ রয়েছেন। তিনি তাদের অবস্থা অবগত আছেন এবং তাদের কথা শুনছেন। আবার এর সাথে সাথে তাঁর ফেরেশতামণ্ডলীও লিখতে রয়েছেন যেমন অন্য জায়গায় রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “তারা কি জানে না যে, আল্লাহ তাআলা তাদের গোপনীয় কথা ও গোপন পরামর্শের খবর অবগত আছেন এবং আল্লাহ্ অদৃশ্যের খবর খুব ভাল জানেন?” (৯:৭৮)

আর এক জায়গায় আছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “তারা কি মনে করে যে, আমি তাদের গোপন কথা ও গোপন পরামর্শ শুনি না? অথচ আমার প্রেরিত (ফেরেশতা) গণ তাদের নিকট লিখতে রয়েছে!” (৪৩:৮০)।

অধিকাংশ গুরুজন এর উপর ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, এই আয়াত দ্বারা উদ্দেশ্য হলো (আরবী) অর্থাৎ আল্লাহ তা'আলার সত্তা সব জায়গাতেই বিদ্যমান থাকা নয়, বরং তার ইলম সব জায়গায়ই বিদ্যমান রয়েছে, এটাই উদ্দেশ্য। তিনজনের সমাবেশে চতুর্থটি হবে তাঁর ইলম। নিঃসন্দেহে এ বিষয়ের উপর পূর্ণ ঈমান রাখতে হবে যে, এখানে আল্লাহ্ তাবারাকা ওয়া তা'আলার সত্তা সঙ্গে থাকা উদ্দেশ্য নয়, বরং তার ইলম সব জায়গায় বিদ্যমান থাকাই উদ্দেশ্য। হ্যাঁ, তবে এটা সুনিশ্চিত যে, তাঁর শোন এবং দেখাও এভাবেই তাঁর ইলমের সাথে রয়েছে। মহান আল্লাহ্ তাঁর সমস্ত মাখলুকের কার্যাবলী সম্যক অবগত। তাদের কোন কাজই তার নিকট গোপনীয় নয়। সুতরাং তারা যা কিছু করছে, তিনি কিয়ামতের দিন তাদেরকে তা জানিয়ে দিবেন। আল্লাহ্ সর্ব বিষয়ে সম্যক অবগত।

হযরত ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রঃ) বলেন যে, আল্লাহ্ তা'আলা এই আয়াতকে ইলম দ্বারাই শুরু করেছেন এবং ইলম দ্বারাই শেষ করেছেন।





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।