আল কুরআন


সূরা আল-জাসিয়া (আয়াত: 29)

সূরা আল-জাসিয়া (আয়াত: 29)



হরকত ছাড়া:

هذا كتابنا ينطق عليكم بالحق إنا كنا نستنسخ ما كنتم تعملون ﴿٢٩﴾




হরকত সহ:

هٰذَا کِتٰبُنَا یَنْطِقُ عَلَیْکُمْ بِالْحَقِّ ؕ اِنَّا کُنَّا نَسْتَنْسِخُ مَا کُنْتُمْ تَعْمَلُوْنَ ﴿۲۹﴾




উচ্চারণ: হা-যা-কিতা-বুনা-ইয়ানতিকু‘আলাইকুম বিলহাক্কি ইন্না-কুন্না-নাছতানছিখুমাকুনতুম তা‘মালূন।




আল বায়ান: ‘এটি আমার লেখনী, যা তোমাদের ব্যাপারে সত্য সহকারে কথা বলবে; নিশ্চয় তোমরা যা করতে আমি তা লিখে রাখতাম’।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ২৯. এই আমাদের লেখনি, যা তোমাদের ব্যাপারে সাক্ষ্য দেবে সত্যভাবে। নিশ্চয় তোমরা যা আমল করতে তা আমরা লিপিবদ্ধ করেছিলাম।




তাইসীরুল ক্বুরআন: আমার এ কিতাব তোমাদের ব্যাপারে সত্য কথাই বলবে, তোমরা যা করতে আমি তাই-ই লিখে রাখতাম।




আহসানুল বায়ান: (২৯) আমার (নিকট সংরক্ষিত) এ আমলনামা যা তোমাদের ব্যাপারে সত্য কথা বলবে।[1] তোমরা যা করতে নিশ্চয় আমি তা লিপিবদ্ধ করাতাম।’[2]



মুজিবুর রহমান: এই আমার লিপি, এটা তোমাদের বিরুদ্ধে সত্য সাক্ষ্য দিবে। তোমরা যা করতে তা আমি লিপিবদ্ধ করেছিলাম।



ফযলুর রহমান: “এটা আমার (লিখে রাখা তোমাদের) আমলনামা। এটা তোমাদের সম্পর্কে সত্য কথা বলবে (অথবা তোমাদের বিরুদ্ধে সত্য সাক্ষ্য দেবে)। তোমরা যা করতে আমি তো তা লিখে রাখতাম।”



মুহিউদ্দিন খান: আমার কাছে রক্ষিত এই আমলনামা তোমাদের সম্পর্কে সত্য কথা বলবে। তোমরা যা করতে আমি তা লিপিবদ্ধ করতাম।



জহুরুল হক: এইটি আমাদের কিতাব যা তোমাদের বিরুদ্ধে যথাযথভাবে বর্ণনা করে। নিঃসন্দেহ আমরা লিপিবদ্ধ করে যাচ্ছি যা তোমরা করে চলেছ।



Sahih International: This, Our record, speaks about you in truth. Indeed, We were having transcribed whatever you used to do."



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ২৯. এই আমাদের লেখনি, যা তোমাদের ব্যাপারে সাক্ষ্য দেবে সত্যভাবে। নিশ্চয় তোমরা যা আমল করতে তা আমরা লিপিবদ্ধ করেছিলাম।


তাফসীর:

-


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (২৯) আমার (নিকট সংরক্ষিত) এ আমলনামা যা তোমাদের ব্যাপারে সত্য কথা বলবে।[1] তোমরা যা করতে নিশ্চয় আমি তা লিপিবদ্ধ করাতাম।”[2]


তাফসীর:

[1] كتاب বলতে সেই আমলনামা (রেজিষ্টার)-কে বুঝানো হয়েছে, যাতে মানুষের সমস্ত আমল লেখা থাকবে। وَوُضِعَ الْكِتَابُ وَجِآئَي بِالنَّبِيِّنَ وَالشُّهَدَاءُ ‘‘আমলনামা সামনে উপস্থিত করা হবে এবং আম্বিয়া ও সাক্ষীগণকে আনা হবে।’’ (যুমারঃ ৬৯) এ­­ই আমলনামা মানুষের জীবনের এমন পরিপূর্ণ লিখিত বিবরণ হবে, যাতে কোন প্রকারের কমবেশী হবে না। মানুষ তা দেখে বলে উঠবে, مَالِ هَذَا الْكِتَابِ لاَيُغَادِرُ صَغِيْرَةً وَلاَ كَبِيْرَةً اِلاَّ أَحْصَاهَا (الكهف: ৪৯) ‘‘এ কেমন গ্রন্থ! এ তো ছোট-বড় কিছুই বাদ দেয়নি; বরং এ সমস্ত কিছুর হিসাব রেখেছে!’’ (কাহ্ফঃ ৪৯)

[2] অর্থাৎ, তোমাদের আমল সম্বন্ধে আমার তো জানা আছেই। এ ছাড়াও আমার ফিরিশতাগণ আমার নির্দেশে তোমাদের প্রত্যেকটি কর্মাকর্ম লিপিবদ্ধ করত এবং সুরক্ষিত রাখত।


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ২৭-২৯ নম্বর আয়াতের তাফসীর :



এখানে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামতের মাঠের করুণ অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। যেদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে সেদিন মিথ্যাবাদীরা হবে ক্ষতিগ্রস্ত, ঐ দিনের অবস্থা এতই ভয়াবহ হবে যে, প্রত্যেক সম্প্রদায় ভয়ে নতজানু হয়ে পড়ে থাকবে। কেউ কথা বলার সাহস পাবে না। প্রত্যেকেই শুধু ইয়া নাফসী, ইয়া নাফসী- তথা হায় আমার কী হবে, আমার কী হবে? -বলতে থাকবে। এমন সময় তাদেরকে হিসাবের জন্য ডাকা হবে ও তাদের আমলনামা সামনে পেশ করা হবে।



আল্লাহ তা‘আলার বাণী :



(وَأَشْرَقَتِ الْأَرْضُ بِنُوْرِ رَبِّهَا وَوُضِعَ الْكِتٰبُ وَجِيْ۬ءَ بِالنَّبِيِّيْنَ وَالشُّهَدَا۬ءِ وَقُضِيَ بَيْنَهُمْ بِالْحَقِّ وَهُمْ لَا يُظْلَمُوْنَ)



“সমস্ত পৃথিবী তার প্রতিপালকের নূরে উদ্ভাসিত হবে, আমলনামা পেশ করা হবে এবং নাবীগণকে ও সাক্ষীগণকে হাজির করা হবে এবং সকলের মধ্যে ন্যায়বিচার করা হবে ও তাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।” (সূরা যুমার ৩৯ : ৬৯)



প্রত্যেককে তার কৃত আমলের প্রতিদান দেয়া হবে। কারো প্রতি অত্যাচার করা হবে না।



আল্লাহ তা‘আলা বলেন :



(یُنَبَّؤُا الْاِنْسَانُ یَوْمَئِذٍۭ بِمَا قَدَّمَ وَاَخَّرَﭜبَلِ الْاِنْسَانُ عَلٰی نَفْسِھ۪ بَصِیْرَةٌﭝ وَّلَوْ اَلْقٰی مَعَاذِیْرَھ۫)



“সেদিন মানুষকে অবহিত করা হবে যা সে অগ্রে পাঠিয়েছে ও পশ্চাতে রেখে গেছে। বরং মানুষ নিজের সম্বন্ধে ভাল করে জানে, যদিও সে নানা অজুহাত পেশ করে।” (সূরা কিয়ামাহ্ ৭৫ : ১৩-১৫)



তাদের এ সকল আমলনামা ফেরেশতাগণ লিপিবদ্ধ করে রেখেছিল, যারা ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর আমল লিপিবদ্ধ করতেও বাদ দেননি।



আল্লাহ তা‘আলার বাণী :



(وَوُضِعَ الْكِتٰبُ فَتَرَي الْمُجْرِمِيْنَ مُشْفِقِيْنَ مِمَّا فِيْهِ وَيَقُوْلُوْنَ يَا وَيْلَتَنَا مَالِ هٰذَا الْكِتٰبِ لَا يُغَادِرُ صَغِيْرَةً وَّلَا كَبِيْرَةً إِلَّآ أَحْصَاهَا ج وَوَجَدُوْا مَا عَمِلُوْا حَاضِرًا ط وَلَا يَظْلِمُ رَبُّكَ أَحَدًا)



“এবং উপস্থিত করা হবে আমলনামা এবং তাতে যা লিপিবদ্ধ আছে তার কারণে তুমি অপরাধিদের আতঙ্কগ্রস্ত‎ দেখবে এবং তারা বলবে, ‘হায়, দুর্ভাগ্য আমাদের! এটা কেমন গ্রন্থ! যাতে ছোট-বড় কিছুই বাদ দেয়া হয়নি; বরং সমস্ত‎ই হিসেব রেখেছে।’ তারা তাদের কৃতকর্ম সম্মুখে উপস্থিত পাবে; তোমার প্রতিপালক কারো প্রতি জুলুম করেন না। ” (সূরা কাহ্ফ ১৮ : ৪৯)



সুতরাং মানুষের সেখানে শাস্তি থেকে মুক্তি পাবার কোনই পথ খোলা থাকবে না একমাত্র সৎ আমল ব্যতীত। যে ব্যক্তি সৎ আমল করবে সে কিয়ামতের মাঠের এ ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাবে। অন্যথায় তাকে শাস্তি ভোগ করতেই হবে।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয় :



১. কিয়ামতের মাঠে প্রত্যেকে ভয়ে নতজানু অবস্থায় পড়ে থাকবে। এখানে মানুষের আমলনামা পেশ করা হবে। আর তথায় আমলনামা তাদের বিরুদ্ধে সত্য কথা বলবে।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ২৭-২৯ নং আয়াতের তাফসীর:

আল্লাহ তা'আলা খবর দিচ্ছেন যে, আজ হতে নিয়ে চিরদিনের এবং আজকের পূর্বেও সারা আকাশের, সারা যমীনের মালিক, বাদশাহ, সুলতান, সম্রাট একমাত্র আল্লাহ। যারা আল্লাহকে, তাঁর রাসূলদেরকে, তাঁর কিতাবসমূহকে এবং কিয়ামত দিবসকে অস্বীকার করে তারা কিয়ামতের দিন ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

হযরত সুফিয়ান সাওরী (রঃ) মদীনায় এসে শুনতে পান যে, মুআফেরী একজন রসিক লোক। নিজের কথায় তিনি লোকদেরকে হাসাতেন। তিনি তাঁকে বললেন, জনাব! আপনি কি জানেন না যে, আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “যেদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে সেদিন মিথ্যাশ্রয়ীরা হবে ক্ষতিগ্রস্ত?” হযরত সুফিয়ান সাওরী (রঃ)-এর একথা হযরত মুআফেরী (রঃ)-এর উপর খুবই ক্রিয়াশীল হয় এবং মৃত্যু পর্যন্ত তিনি এ উপদেশ ভুলেননি। (এটা ইবনে আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)

ঐ দিন এতো ভয়াবহ ও কঠিন হবে যে, প্রত্যেকে হাঁটুর ভরে পড়ে থাকবে। এ অবস্থা ঐ সময় হবে যখন জাহান্নাম সামনে আনা হবে এবং ওটা এক তপ্ত দীর্ঘশ্বাস নিবে। এমনকি ঐ সময় হযরত ইবরাহীম খলীলুল্লাহ (আঃ) এবং হযরত ঈসা রূহুল্লাহরও (আঃ) মুখ দিয়ে নাফসী নাফসী শব্দ বের হবে। তারাও সেদিন প্রত্যেকে পরিষ্কারভাবে বলবেনঃ “হে আল্লাহ! আজকে আমি আমার জীবনের নিরাপত্তা ছাড়া আপনার কাছে আর কিছুই চাই না।” হযরত ঈসা (আঃ) বলবেনঃ “হে আল্লাহ! আজ আমি আমার মাতা মরিয়ম (আঃ)-এর জন্যেও আপনার কাছে কিছুই আরয করছি না। সুতরাং আমাকে রক্ষা করুন!” কোন কোন তাফসীরকার বলেছেন যে, এর ভাবার্থ হচ্ছে- প্রত্যেক দল পৃথক পৃথকভাবে থাকবে। কিন্তু উত্তম তাফসীর ওটাই যা আমরা বর্ণনা করলাম অর্থাৎ প্রত্যেকেই নিজ নিজ হাঁটুর ভরে পড়ে থাকবে।

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে বাবাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আমি যেন তোমাদেরকে জাহান্নামের পার্শ্বে হাঁটুর ভরে ঝুঁকে পড়া অবস্থায় দেখতে পাচ্ছি।” (এ হাদীসটিও ইমাম ইবনে আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)

অন্য একটি মারফু হাদীস রয়েছে, যাতে সূর (শিঙ্গা) ইত্যাদির বর্ণনা আছে, তাতে এও রয়েছে যে, এরপর লোকদেরকে পৃথক পৃথক করে দেয়া হবে এবং সমস্ত উম্মত জানুর উপর ঝুঁকে পড়বে। আল্লাহ তা'আলা এখানে ঐ কথাই বলেনঃ ‘প্রত্যেক সম্প্রদায়কে তুমি দেখবে নতজানু (শেষ পর্যন্ত)। এখানে দু’টি অবস্থাকে একত্রিত করা হয়েছে। সুতরাং দু’টি তাফসীর একটি অপরটির বিপরীত নয়। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তা'আলাই সবচেয়ে ভাল জানেন।

এরপর আল্লাহ পাক বলেনঃ প্রত্যেক সম্প্রদায়র্কে তার আমলনামার প্রতি আহ্বান করা হবে। যেমন আল্লাহ তা'আলা অন্য আয়াতে বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমলনামা রাখা হবে এবং নবীদেরকে ও শহীদদেরকে আনয়ন করা হবে।”(৩৯:৬৯) এখানে আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “আজ তোমাদেরকে তারই প্রতিফল দেয়া হবে যা তোমরা করতে।' অর্থাৎ আজ তোমাদেরকে তোমাদের প্রতিটি কর্মের পূর্ণ প্রতিফল দেয়া হবে। যেমন তিনি বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “সেদিন মানুষকে অবহিত করা হবে সে কি অগ্রে পাঠিয়েছে এবং কি পশ্চাতে রেখে গিয়েছে। বস্তুতঃ মানুষ নিজের সম্বন্ধে সম্যক অবগত, যদিও সে নানা অজুহাতের অবতারণা করে।”(৭৫:১৩-১৫)।

মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ ‘এই আমার লিপি, এটা তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে সত্যভাবে। অর্থাৎ ঐ আমলনামা যা আমার বিশ্বস্ত ও সত্যবাদী ফেরেশতারা লিপিবদ্ধ করে রেখেছে, যাতে বিন্দুমাত্র কমবেশী করা হয়নি, তা তোমাদের বিরুদ্ধে আজ সত্যভবে সাক্ষ্য প্রদান করবে। যেমন আল্লাহ তাআলা অন্য জায়গায় বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আর উপস্থিত করা হবে আমলনামা এবং তাতে যা লিপিবদ্ধ আছে। তার কারণে তুমি অপরাধীদেরকে দেখবে আতংকগ্রস্ত এবং তারা বলবেঃ হায়, দুর্ভাগ্য আমাদের! এটা কেমন গ্রন্থ! এটা তো ছোট বড় কিছুই বাদ দেয়নি; বরং এটা সমস্ত হিসাব রেখেছে। তারা তাদের কৃতকর্ম সামনে উপস্থিত পাবে; তোমার প্রতিপালক কারো প্রতি যুলুম করেন না।”(১৮:৪৯)

এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ “তোমরা যা করতে তা আমি লিপিবদ্ধ করেছিলাম।' অর্থাৎ আমি আমার রক্ষক ফেরেশতাদেরকে তোমাদের আমলনামা লিপিবদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিলাম। সুতরাং তারা তোমাদের সমস্ত আমল লিপিবদ্ধ করে রেখেছে।

হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) প্রমুখ মনীষী বলেন যে, ফেরেশতারা বান্দাদের আমল লিপিবদ্ধ করার পর ঐগুলো নিয়ে আকাশে উঠে যান। আসমানের দেওয়ানে আমলের ফেরেশতাগণ ঐ আমলনামাকে লাওহে মাহফুযে লিপিবদ্ধ আমলের সাথে মিলিয়ে দেখেন যা প্রতি রাত্রে ওর পরিমাণ অনুযায়ী তাদের উপর প্রকাশিত হয়, যা আল্লাহ তাআলা স্বীয় মাখলুকের সৃষ্টির পূর্বেই লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। তখন ফেরেশতারা একটি অক্ষরও কম বেশী পান না। অতঃপর তিনি (আরবী)-এই অংশটুকু তিলাওয়াত করেন।





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।