আল কুরআন


সূরা আল-জাসিয়া (আয়াত: 10)

সূরা আল-জাসিয়া (আয়াত: 10)



হরকত ছাড়া:

من ورائهم جهنم ولا يغني عنهم ما كسبوا شيئا ولا ما اتخذوا من دون الله أولياء ولهم عذاب عظيم ﴿١٠﴾




হরকত সহ:

مِنْ وَّرَآئِهِمْ جَهَنَّمُ ۚ وَ لَا یُغْنِیْ عَنْهُمْ مَّا کَسَبُوْا شَیْئًا وَّ لَا مَا اتَّخَذُوْا مِنْ دُوْنِ اللّٰهِ اَوْلِیَآءَ ۚ وَ لَهُمْ عَذَابٌ عَظِیْمٌ ﴿ؕ۱۰﴾




উচ্চারণ: মিওঁ ওয়ারাইহিম জাহান্নামু ওয়ালা-ইউগনী ‘আনহুম মা-কাছাবূশাইআওঁ ওয়ালামাত্তাখাযূমিন দূ নিল্লা-হি আওলিয়াআ ওয়া লাহুম ‘আযা-বুন ‘আজীম।




আল বায়ান: তাদের সামনে রয়েছে জাহান্নাম। তারা যা উপার্জন করেছে অথবা আল্লাহর পরিবর্তে তারা যাদের অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করেছে, এসব তাদের কোন কাজে আসবে না। তাদের জন্য রয়েছে মহাআযাব।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ১০. তাদের সামনে রয়েছে জাহান্নাম; তাদের কৃতকর্ম তাদের কোন কাজে আসবে না, তারা আল্লাহর পরিবর্তে যাদেরকে অভিভাবক স্থির করেছে ওরাও নয়। আর তাদের জন্য রয়েছে মহাশাস্তি।




তাইসীরুল ক্বুরআন: তাদের আড়ালে আছে জাহান্নাম, তাদের কৃতকর্ম তাদের কোন কাজে আসবে না। আর আল্লাহর পরিবর্তে তারা যেগুলোকে অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করেছে সেগুলোও (কাজে আসবে) না। তাদের জন্য আছে মহা শাস্তি।




আহসানুল বায়ান: (১০) ওদের পশ্চাতে রয়েছে জাহান্নাম;[1] ওদের কৃতকর্ম ওদের কোন কাজে আসবে না [2] এবং ওরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদেরকে অভিভাবক স্থির করেছে, তারাও নয়।[3] আর ওদের জন্য রয়েছে মহাশাস্তি।



মুজিবুর রহমান: তাদের পশ্চাতে রয়েছে জাহান্নাম; তাদের কৃতকর্ম তাদের কোন কাজে আসবেনা, তারা আল্লাহর পরিবর্তে যাদেরকে অভিভাবক স্থির করেছে তারাও নয়। তাদের জন্য রয়েছে মহাশাস্তি।



ফযলুর রহমান: তাদের পেছনেই জাহান্নাম। তারা যা উপার্জন করেছে তা এবং তারা আল্লাহর পরিবর্তে যাদেরকে অভিভাবক বানিয়েছে তারা তাদের কোনই কাজে আসবে না। তাদের জন্য রয়েছে এক বিরাট শাস্তি।



মুহিউদ্দিন খান: তাদের সামনে রয়েছে জাহান্নাম। তারা যা উপার্জন করেছে, তা তাদের কোন কাজে আসবে না, তারা আল্লাহর পরিবর্তে যাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করেছে তারাও নয়। তাদের জন্যে রয়েছে মহাশাস্তি।



জহুরুল হক: তাদের সামনের দিকে রয়েছে জাহান্নাম, আর তারা যা অর্জন করেছে তা তাদেরকে কোনোভাবেই লাভবান করবে না, আল্লাহ্‌কে বাদ দিয়ে যাদের তারা অভিভাবকরূপে গ্রহণ করেছিল তারাও না, আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি।



Sahih International: Before them is Hell, and what they had earned will not avail them at all nor what they had taken besides Allah as allies. And they will have a great punishment.



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ১০. তাদের সামনে রয়েছে জাহান্নাম; তাদের কৃতকর্ম তাদের কোন কাজে আসবে না, তারা আল্লাহর পরিবর্তে যাদেরকে অভিভাবক স্থির করেছে ওরাও নয়। আর তাদের জন্য রয়েছে মহাশাস্তি।


তাফসীর:

-


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (১০) ওদের পশ্চাতে রয়েছে জাহান্নাম;[1] ওদের কৃতকর্ম ওদের কোন কাজে আসবে না [2] এবং ওরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদেরকে অভিভাবক স্থির করেছে, তারাও নয়।[3] আর ওদের জন্য রয়েছে মহাশাস্তি।


তাফসীর:

[1] অর্থাৎ, যারা এই আচরণের মানুষ, তাদের জন্য কিয়ামতে রয়েছে জাহান্নাম।

[2] অর্থাৎ, দুনিয়াতে যে মাল তারা অর্জন করেছে, যে সন্তান-সন্ততি এবং দল-বলের জন্য তারা অহংকার প্রদর্শন করে থাকে, এ সব কিছুই কিয়ামতের দিন তাদের কোনই উপকারে আসবে না।

[3] যাদেরকে দুনিয়াতে নিজেদের আলিয়া, অভিভাবক, বন্ধু, সাহায্যকারী এবং উপাস্য বানিয়ে রেখেছিল, সেদিন তারা তাদের নজরেই পড়বে না। তারা সাহায্য আর কি করবে?


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: নামকরণ :



الْجَاثِيَةُ শব্দের অর্থ- অবনত হওয়া, নতজানু হওয়া। কিয়ামতের মাঠে প্রত্যেকেই ভয়ে আল্লাহ তা‘আলার সম্মুখে নতজানু অবস্থায় থাকবে। অত্র সূরার ২৮ নম্বর আয়াতে الْجَاثِيَة শব্দটি থেকেই এ নামে সূরার নামকরণ করা হয়েছে। সূরার শুরুতেই আল্লাহ তা‘আলাকে চেনার ও জানার কয়েকটি নিদর্শন উল্লেখ করা হয়েছে যা আল্লাহ তা‘আলার একত্বতার ওপর প্রমাণ বহন করে। যারা আল্লাহ তা‘আলার নিদর্শনকে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করার বস্তু হিসেবে গ্রহণ করে তাদের পরিণতি, মানুষের ভাল-মন্দ আমলের ফলাফল তার ওপর বর্তাবে এবং বানী ইসরাঈলের প্রতি আল্লাহ তা‘আলার অনুগ্রহের কথা তুলে ধরা হয়েছে। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে যে শরীয়ত প্রদান করেছেন তার অনুসরণ, পাপীদের নাজাত পাওয়ার ভুল ধারণা, বস্তুবাদে বিশ্বাসী লোকদের বিবরণ এবং কিয়ামতের নিশ্চয়তা ও সেদিন কাফিরদের ভয়াবহ পরিণতির কথা তুলে ধরা হয়েছে।



১-১১ নম্বর আয়াতের তাফসীর :



حٰمٓ (হা-মীম) এ জাতীয় “হুরূফুল মুক্বাত্বআত” বা বিচ্ছিন্ন অক্ষর সম্পর্কে সূরা বাকারার শুরুতে আলোচনা করা হয়েছে। এগুলোর সঠিক উদ্দেশ্য ও অর্থ সম্পর্কে একমাত্র আল্লাহ তা‘আলাই ভাল জানেন।



আল্লাহ তা‘আলা সূরার প্রথমেই তাঁর ক্ষমতার ও এককত্বের ওপর প্রমাণ বহন করে এমন কিছু বিষয়ের কথা উল্লেখ করেছেন। এখানে আল্লাহ তা‘আলা ছয়টি জিনিষের বর্ণনা করেছেন যা প্রমাণ করে যে, তিনিই একমাত্র প্রতিপালক, আর ইবাদতের যোগ্যও তিনিই, অন্য কেউ নয়, বিষয়গুলো হলো- (১) আকাশ ও জমিনের সৃষ্টি। (২) মানব জাতির সৃষ্টি। (৩) চতুষ্পদ জন্তুর সৃষ্টি। (৪) দিবা-রাত্রির পরিবর্তন। (৫) আকাশ হতে পানি বর্ষণ করে মৃত জমিনকে জীবিতকরণ এবং (৬) বায়ুর পরিবর্তন- এ প্রত্যেকটিই আল্লাহ তা‘আলার এককত্বের ওপর প্রমাণ বহন করে।



এ সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা পবিত্র কুরআনের অনেক স্থানে আলোচনা করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা আকাশ ও জমিন সৃষ্টি করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন : ‏ “তারা কি কখনও তাদের ওপরের আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখে না, কিভাবে আমি তা তৈরি করেছি ও তাকে সুশোভিত করেছি? আর তাতে কোন (সূক্ষ্মতম) ফাটলও নেই। আমি ভূমিকে বিস্তৃত করেছি ও তাতে পর্বতমালা স্থাপন করেছি ও সেখানে উৎপন্ন করেছি চোখ জুড়ানো সর্বপ্রকার উদ্ভিদ। প্রত্যেক আল্লাহ অভিমুখী ব্যক্তির জন্য জ্ঞান আহরণ ও উপদেশ স্বরূপ।” (সূরা কাফ ৫০ : ৬-৮)



আল্লাহ তা‘আলা মানুষ সৃষ্টি করেছেন এ ব্যাপারে তিনি বলেন,



(وَمِنْ اٰيَاتِه۪ٓ أَنْ خَلَقَكُمْ مِّنْ تُرَابٍ ثُمَّ إِذَآ أَنْتُمْ بَشَرٌ تَنْتَشِرُوْنَ ‏)‏



“আর তাঁর দৃষ্টান্তগুলোর মধ্যে (অন্যতম) এই যে, তিনি তোমাদেরকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর এখন তোমরা মানুষ সব জায়গায় বিস্তার লাভ করেছ।” (সূরা রূম ৩০ : ২০)



চতুষ্পদ জন্তু জমিনে বিস্তার করার ব্যাপারে তিনি বলেন,



(وَمِنْ اٰيٰتِه۪ خَلْقُ السَّمٰوٰتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَثَّ فِيْهِمَا مِنْ دَا۬بَّةٍ ط وَهُوَ عَلٰي جَمْعِهِمْ إِذَا يَشَا۬ءُ قَدِيْرٌ)



“তাঁর মহা নিদর্শনের অন্তর্ভুক্ত হল আকাশসমূহ ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং এতদুভয়ের মধ্যে তিনি যেসব জীবজন্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন সেগুলো; তিনি যখন ইচ্ছা তখনই তাদেরকে সমবেত করতে সক্ষম।” (সূরা শূরা- ৪২ : ২৯)



দিবা-রাত্রির পরিবর্তন হওয়া সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন :



(إِنَّ فِيْ خَلْقِ السَّمٰوٰتِ وَالْأَرْضِ وَاخْتِلَافِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ لَاٰيٰتٍ لِّأُولِي الْأَلْبَابِ)



“নিশ্চয়ই আসমান ও জমিনের সৃষ্টির মধ্যে এবং দিবস ও রাত্রির পরিবর্তনে জ্ঞানীদের জন্য স্পষ্ট নিদর্শনাবলী রয়েছে।” (সূরা আলি ‘ইমরান ৩ : ১৯০)



আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন,



(يُقَلِّبُ اللّٰهُ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ ط إِنَّ فِيْ ذٰلِكَ لَعِبْرَةً لِّأُولِي الْأَبْصَارِ ‏)‏



“আল্লাহ দিন ও রাতের পরিবর্তন ঘটান, নিশ্চয়ই‎ এতে শিক্ষা রয়েছে সূক্ষ্ম দৃষ্টিসম্পন্নদের জন্য।” (সূরা নূর ২৪ : ৪৪) আকাশ হতে পানি বর্ষণ করে মৃত জমিনকে জীবিত করার ব্যাপারে আল্লাহ তা‘আলা বলেন :



(وَمَآ أَنْزَلَ اللّٰهُ مِنَ السَّمَا۬ءِ مِنْ مَّا۬ءٍ فَأَحْيَا بِهِ الْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا)



“আর আল্লাহ আকাশ হতে বৃষ্টি বর্ষণ দ্বারা পৃথিবীকে মৃত্যুর পর পুনর্জীবিত করেন ।” (সূরা বাকারাহ্ ২ : ১৬৪) এবং বাতাসের গতি পরিবর্তন করার ব্যাপারে আল্লাহ তা‘আলা বলেন :



(وَّتَصْرِيْفِ الرِّيٰحِ وَالسَّحَابِ الْمُسَخَّرِ بَيْنَ السَّمَآءِ وَالْأَرْضِ لَاٰيٰتٍ لِّقَوْمٍ يَّعْقِلُوْنَ ‏)‏



“এবং বাতাসের গতি পরিবর্তনে আর আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যস্থ নিয়ন্ত্রিত মেঘমালায় (এসবগুলোর মধ্যে) জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য নিদর্শন রয়েছে।” (সূরা বাকারাহ্ ২ : ১৬৪)



এ ব্যাপারে অনেক দলীল-প্রমাণ বিদ্যমান যেগুলো প্রমাণ করে যে, সৃষ্টিকর্তা একমাত্র আল্লাহ তা‘আলাই, অন্য কেউ নয়।



এরপর আল্লাহ তা‘আলা বলছেন : যারা এ সকল নিদর্শন ও দলীল-প্রমাণ দেখার পরও বিশ্বাস স্থাপন করেনা, বরং অস্বীকার করত ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করে এবং আল্লাহ তা‘আলার বিধানের সাথে উপহাস করে তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।



‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরআন নিয়ে শত্র“দের শহরে সফর করতে নিষেধ করেছেন এ আশঙ্কায় যে, তারা হয়তো কুরআনের অবমাননা করবে। (সহীহ বুখারী হা. ২৯৯০, সহীহ মুসলিম হা. ১৪৯১)



এরাই হলো দুর্ভাগা জাতি, আর এদের জন্যই রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি। তাদের আমলসমূহ তাদের কোনই উপকারে আসবে না এবং তারা আল্লাহ তা‘আলার পরিবর্তে যাদের ইবাদত করত তারাও তাদের কোন উপকারে আসবে না।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয় :



১. সকল কিছুর সৃষ্টিকর্তা একমাত্র আল্লাহ তা‘আলা, অন্য কেউ নয়।

২. আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত অন্য কারো ইবাদত করা যাবে না।

৩. অহঙ্কার পোষণ করা যাবে না।

৪. কুরআন মানুষকে সৎ পথের সন্ধান দেয়।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ৬-১১ নং আয়াতের তাফসীর:

আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ এই যে কুরআন, যা অত্যন্ত স্পষ্ট ও পরিষ্কারভাবে নবী (সঃ)-এর উপর অবতীর্ণ করা হয়েছে, ওর আয়াতগুলো যথাযথভাবে তার নিকট আবৃত্তি করা হয় তা কাফিররা শুনে, অথচ এর পরেও ঈমান আনে না এবং আমলও করে না, তাহলে আর কোন বাণীতে তারা বিশ্বাস করবে? তাদের জন্যে। দুর্ভোগ, তাদের জন্যে আফসোস! যারা কথায় মিথ্যাবাদী, আমলে পাপী এবং অন্তরে কাফির! আল্লাহর বাণী শুনেও স্বীয় কুফরী ও অবিশ্বাসের উপর অটল ও স্থির থাকছে! যেন ওটা তারা শুনেইনি। তাই তিনি স্বীয় নবী (সঃ)-কে বলেনঃ তুমি তাদেরকে সংবাদ দিয়ে দাও যে, তাদের জন্যে আল্লাহ তাআলার নিকট বেদনাদায়ক শাস্তি রয়েছে।

যখন তারা আল্লাহর কোন আয়াত অবগত হয় তখন তা নিয়ে তারা পরিহাস করে। সুতরাং আজ যখন তারা আল্লাহর বাণীর অমর্যাদা করছে তখন কাল কিয়ামতের ময়দানে তাদের জন্যে রয়েছে লাঞ্ছনাজনক শাস্তি।

হযরত ইবনে উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) কুরআন নিয়ে শত্রুদের শহরে সফর করতে নিষেধ করেছেন। এই আশংকায় যে, তারা হয়তো কুরআনের অবমাননা করবে। (এ হাদীসটি ইমাম মুসলিম (রঃ) স্বীয় সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন)

অতঃপর আল্লাহ তাআলা তাঁর বাণীর অবমাননাকারীদের শাস্তির বর্ণনা দিচ্ছেন যে, তাদের পশ্চাতে রয়েছে জাহান্নাম। তাদেরকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। তাদের ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি এবং সারাজীবন ধরে যেসব বাতিল মা'বুদের তারা উপাসনা করে এসেছে তারাও তাদের কোনই কাজে আসবে না। তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ কুরআন সৎপথের দিশারী। যারা তাদের প্রতিপালকের নিদর্শনাবলী প্রত্যাখ্যান করে তাদের জন্যে রয়েছে কঠিন বেদনাদায়ক শাস্তি। এসব ব্যাপারে মহামহিমান্বিত আল্লাহই সবচেয়ে ভাল জানেন।





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।