সূরা আয-যুমার (আয়াত: 72)
হরকত ছাড়া:
قيل ادخلوا أبواب جهنم خالدين فيها فبئس مثوى المتكبرين ﴿٧٢﴾
হরকত সহ:
قِیْلَ ادْخُلُوْۤا اَبْوَابَ جَهَنَّمَ خٰلِدِیْنَ فِیْهَا ۚ فَبِئْسَ مَثْوَی الْمُتَکَبِّرِیْنَ ﴿۷۲﴾
উচ্চারণ: কীলাদখুলূআবওয়া-বা জাহান্নামা খা-লিদীনা ফীহা- ফাবি’ছা মাছওয়াল মুতাকাব্বিরীন।
আল বায়ান: বলা হবে, ‘তোমরা জাহান্নামের দরজাসমূহে প্রবেশ কর, তাতেই স্থায়ীভাবে থাকার জন্য। অতএব অহঙ্কারীদের আবাসস্থল কতই না নিকৃষ্ট’!
আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৭২. বলা হবে, তোমরা জাহান্নামের দরজাসমূহে প্রবেশ কর তাতে স্থায়ীভাবে অবস্থিতির জন্য। অতএব অহংকারীদের আবাসস্থল কত নিকৃষ্ট!
তাইসীরুল ক্বুরআন: তাদেরকে বলা হবে- জাহান্নামের দরজা দিয়ে প্রবেশ কর, তোমাদেরকে চিরকাল এখানে থাকতে হবে। অহংকারীদের আবাসস্থল কতই না নিকৃষ্ট!
আহসানুল বায়ান: (৭২) ওদেরকে বলা হবে, জাহান্নামে স্থায়ীভাবে বাস করার জন্য তোমরা ওতে প্রবেশ কর। কত নিকৃষ্ট অহংকারীদের আবাসস্থল!
মুজিবুর রহমান: তাদেরকে বলা হবেঃ জাহান্নামের দ্বারসমূহে প্রবেশ কর, তাতে স্থায়ীভাবে অবস্থিতির জন্য। কত নিকৃষ্ট উদ্ধতদের আবাসস্থল!
ফযলুর রহমান: বলা হবে, “জাহান্নামের দরজায় প্রবেশ করো, সেখানে চিরকাল থাকার জন্য। অতএব, কত খারাপ অহংকারীদের এই বাসস্থান!”
মুহিউদ্দিন খান: বলা হবে, তোমরা জাহান্নামের দরজা দিয়ে প্রবেশ কর, সেখানে চিরকাল অবস্থানের জন্যে। কত নিকৃষ্ট অহংকারীদের আবাসস্থল।
জহুরুল হক: বলা হবে -- "তোমরা জাহান্নামের দরজাগুলো দিয়ে ঢুকে পড় সেখানে দীর্ঘকাল অবস্থানের জন্য। সুতরাং কত মন্দ গর্বিতদের এই অবস্থানস্থল!"
Sahih International: [To them] it will be said, "Enter the gates of Hell to abide eternally therein, and wretched is the residence of the arrogant."
তাফসীরে যাকারিয়া
অনুবাদ: ৭২. বলা হবে, তোমরা জাহান্নামের দরজাসমূহে প্রবেশ কর তাতে স্থায়ীভাবে অবস্থিতির জন্য। অতএব অহংকারীদের আবাসস্থল কত নিকৃষ্ট!
তাফসীর:
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
অনুবাদ: (৭২) ওদেরকে বলা হবে, জাহান্নামে স্থায়ীভাবে বাস করার জন্য তোমরা ওতে প্রবেশ কর। কত নিকৃষ্ট অহংকারীদের আবাসস্থল!
তাফসীর:
-
তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ
তাফসীর: ৭১-৭৫ নম্বর আয়াতের তাফসীর :
কিয়ামতের মাঠে বিচারকার্য সম্পন্ন হওয়ার পর কাফির-মুশরিকদেরকে হাঁকিয়ে হাঁকিয়ে জাহান্নামে নিয়ে যাওয়া হবে। এ সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা অন্যত্র বলেন :
(يَوْمَ يُدَعُّوْنَ إِلٰي نَارِ جَهَنَّمَ دَعًّا)
“সেদিন তাদেরকে চরমভাবে ধাক্কা মারতে মারতে নিয়ে যাওয়া হবে জাহান্নামের অগ্নির দিকে” (সূরা আত্ তূর ৫২ : ১৩)
আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন :
(وَّنَسُوْقُ الْمُجْرِمِيْنَ إِلٰي جَهَنَّمَ وِرْدًا)
“এবং অপরাধীদেরকে তৃষ্ণাতুর অবস্থায় জাহান্নামের দিকে হাঁকিয়ে নিয়ে যাব।” (সূরা মারইয়াম ১৯ : ৮৫-৮৬)
অতঃপর যখন তারা জাহান্নামের দ্বারপ্রান্তে উপস্থিত হবে তখন তার দরজাসমূহ তাদের জন্য খুলে দেয়া হবে এবং জাহান্নামের রক্ষীরা তাদেরকে বলবে : তোমাদের নিকট কি তোমাদের মধ্য হতে রাসূলগণ আসেননি যারা তোমাদের নিকট তোমাদের প্রতিপালকের আয়াত তেলাওয়াত করত এবং তোমাদেরকে এই দিনের সাক্ষাত সম্বন্ধে সতর্ক করত? তারা বলবে : অবশ্যই এসেছিল।
আল্লাহ তা‘আলার বাণী,
( كُلَّمَآ أُلْقِيَ فِيْهَا فَوْجٌ سَأَلَهُمْ خَزَنَتُهَآ أَلَمْ يَأْتِكُمْ نَذِيْرٌ - قَالُوْا بَلٰي قَدْ جَا۬ءَنَا نَذِيْرٌ ৫ لا فَكَذَّبْنَا وَقُلْنَا مَا نَزَّلَ اللّٰهُ مِنْ شَيْءٍ ﺊإِنْ أَنْتُمْ إِلَّا فِيْ ضَلَالٍ كَبِيْرٍ - وَقَالُوْا لَوْ كُنَّا نَسْمَعُ أَوْ نَعْقِلُ مَا كُنَّا فِيْٓ أَصْحٰبِ السَّعِيْرِ )
“যখনই তাতে কোন দলকে নিক্ষেপ করা হবে, তখনই তাদেরকে জাহান্নামের রক্ষীরা জিজ্ঞাসা করবে : তোমাদের নিকট কি কোন সতর্ককারী আসেনি? তারা উত্তরে বলবে : হ্যাঁ আমাদের নিকট সতর্ককারী এসেছিল, আমরা তাদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিলাম এবং বলেছিলাম : আল্লাহ কিছুই নাযিল করেননি, তোমরা তো মহা গুমরাহীতে রয়েছ। এবং তারা আরো বলবে : যদি আমরা শুনতাম অথবা বিবেক-বুদ্ধি দিয়ে অনুধাবন করতাম, তবে আমরা জাহান্নামবাসী হতাম না।” (সূরা আল মুল্ক ৬৭ : ৮-১০) কারণ আল্লাহ তা‘আলা কোন জাতিকে সতর্ক করার পূর্বে শাস্তি দেন না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন :
(وَمَا كُنَّا مُعَذِّبِيْنَ حَتّٰي نَبْعَثَ رَسُوْلًا)
আমি রাসূল না পাঠান পর্যন্ত কাউকে শাস্তি দেই না। (সূরা ইসরা ১৭ : ১৫)
তখন তারা তাদের অপরাধের কথা স্বীকার করবে এবং লজ্জিত হবে। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
(فَاعْتَرَفُوْا بِذَنْۭبِھِمْﺆ فَسُحْقًا لِّاَصْحٰبِ السَّعِیْرِ)
“অতঃপর তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করবে। সুতরাং অভিশাপ জাহান্নামবাসীদের জন্য!” (সূরা মুল্ক ৬৭ : ১১)
কিন্তু তথায় লজ্জিত হয়ে কোনই লাভ হবে না, তাদেরকে বলা হবে তোমরা আজ চিরস্থায়ী জাহান্নামে প্রবেশ করো। আর এটা কতই না নিকৃষ্ট আবাসস্থল।
পক্ষান্তরে যারা মুত্তাকী তাদেরকেও হাঁকিয়ে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। যখন তারা জান্নাতের দ্বারপ্রান্তে এসে উপস্থিত হবে তখন তার প্রহরীরা জান্নাতীদেরকে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেবে এবং বলবে : তোমাদের প্রতি সালাম- শান্তি তোমরা সুখী হও এবং এ চিরস্থায়ী জান্নাতে প্রবেশ করো। তখন জান্নাতীরা জান্নাতে প্রবেশ করে বলবে : প্রশংসা ঐ আল্লাহ তা‘আলার যিনি আমাদেরকে দেয়া ওয়াদা পূর্ণ করেছেন এবং আমাদেরকে এ ভূমির অধিকারী বানিয়েছেন। আমরা জান্নাতে যেখানে খুশি বসবাস করব। জান্নাতী ও জাহান্নামীদের এ সকল অবস্থা সূরা আ‘রাফ এর ৪৪-৫০ নম্বর আয়াতে বর্ণনা করা হয়েছে।
বিচারকার্য সম্পন্ন হওয়ার পর যখন জান্নাতীরা জান্নাতে এবং জাহান্নামীরা জাহান্নামে চলে যাবে তখন ফেরেশতারা আরশের চারপাশ ঘিরে আল্লাহ তা‘আলার প্রশংসা ও পবিত্রতা ঘোষণা করবে। সকলেই সেদিন মহান আল্লাহর প্রশংসা করতে থাকবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন :
(وَنَزَعْنَا مَا فِيْ صُدُوْرِهِمْ مِّنْ غِلٍّ تَجْرِيْ مِنْ تَحْتِهِمُ الْأَنْهٰرُ ج وَقَالُوا الْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ هَدٰنَا لِهٰذَا قف وَمَا كُنَّا لِنَهْتَدِيَ لَوْلَآ أَنْ هَدٰنَا اللّٰهُ ج لَقَدْ جَا۬ءَتْ رُسُلُ رَبِّنَا بِالْحَقِّ ط وَنُوْدُوْآ أَنْ تِلْكُمُ الْجَنَّةُ أُوْرِثْتُمُوْهَا بِمَا كُنْتُمْ تَعْمَلُوْنَ)
“আমি তাদের অন্তর হতে হিংসা-বিদ্বেষ দূর করে দেব, তাদের পাদদেশে প্রবাহিত হবে নদী এবং তারা বলবে, ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই যিনি আমাদেরকে এর পথ দেখিয়েছেন। ‘আল্লাহ আমাদেরকে পথ না দেখালে আমরা কখনও পথ পেতাম না। আমাদের প্রতিপালকের রাসূলগণ তো সত্যবাণীই নিয়ে এসেছিল,’ এবং তাদেরকে আহ্বান করে বলা হবে, ‘তোমরা যা করতে তারই জন্য তোমাদেরকে এ জান্নাতের উত্তরাধিকারী করা হয়েছে।’ (সূরা আ‘রাফ ৭ : ৪৩)
আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয় :
১. কিয়ামতের মাঠে জান্নাতী এবং জাহান্নামীদের কিরূপ অবস্থা হবে সে সম্পর্কে জানা গেল।
২. আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতে এবং জাহান্নামে প্রহরী নিযুক্ত রেখেছেন।
৩. জান্নাতে এবং জাহান্নামে দরজা রয়েছে।
৪. জান্নাতীদেরকে সালাম সম্ভাষণের মাধ্যমে জান্নাতে স্থান দেয়া হবে।
তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)
তাফসীর: ৭১-৭২ নং আয়াতের তাফসীর:
আল্লাহ তা'আলা সত্য প্রত্যাখ্যানকারী হতভাগ্য কাফিরদের পরিণাম সম্পর্কে সংবাদ দিচ্ছেন যে, তাদেরকে জন্তুর মত শাসন-গর্জন ও ধমকের সাথে লাঞ্ছিত অবস্থায় দলে দলে হাঁকিয়ে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। যেমন মহামহিমান্বিত আল্লাহ অন্য আয়াতে বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “যেই দিন তাদেরকে ধাক্কা দিয়ে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে।”(৫২:১৩) অর্থাৎ তাদেরকে ধাক্কা দিয়ে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে এবং তারা হবে কঠিন পিপাসার্ত। যেমন মহান আল্লাহ আর এক জায়গায় বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “যেদিন দয়াময়ের নিকট মুত্তাকীদেরকে সম্মানিত মেহমানরূপে সমবেত করবো, এবং অপরাধীদেরকে তৃষ্ণাতুর অবস্থায় জাহান্নামের দিকে খেদিয়ে নিয়ে যাবো।” (১৯:৮৫-৮৬) তা ছাড়া তারা সেদিন হবে বধির, মূক ও অন্ধ এবং তাদেরকে মুখের ভরে টেনে হেঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হবে। যেমন আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা অন্য জায়গায় বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “কিয়ামতের দিন আমি তাদেরকে সমবেত করবো তাদের মুখের ভরে চলা অবস্থায় অন্ধ, মূক ও বধির করে। তাদের আবাসস্থল জাহান্নাম; যখনই তা স্তিমিত হবে আমি তখন তাদের জন্যে অগ্নিশিখা বৃদ্ধি করে দিবো।” (১৭:৯৭)
মহাপ্রতাপান্বিত আল্লাহ বলেনঃ যখন তারা জাহান্নামের নিকটবর্তী হবে তখন ওর প্রবেশদ্বারগুলো খুলে দেয়া হবে, যাতে তৎক্ষণাৎ শাস্তি শুরু হয়ে যায়। অতঃপর তাদেরকে তথাকার রক্ষী ফেরেশতারা লজ্জিত করার জন্যে ধমকের সুরে বলবেঃ তোমাদের নিকট কি তোমাদের মধ্য হতে রাসূল আসেননি যারা তোমাদের নিকট তোমাদের প্রতিপালকের আয়াত আবৃত্তি করতেন এবং এই দিনের সাক্ষাৎ সম্বন্ধে তোমাদেরকে সতর্ক করতেন? তারা জবাবে বলবেঃ হ্যাঁ, আমাদের নিকট আল্লাহর রাসূল অবশ্যই এসেছিলেন, দলীলও কায়েম করেছিলেন, বহু কিছু আমাদেরকে শুনিয়েছিলেন, বুঝিয়েছিলেন এবং এই দিনের সাক্ষাৎ সম্বন্ধে সতর্কও করেছিলেন। কিন্তু আমরা তাঁদের কথায় কর্ণপাত করিনি, বরং তাদের বিরুদ্ধাচরণ করেছিলাম। কেননা, আমরা হলাম হতভাগ্য। আমাদের ভাগ্যে এই বিড়ম্বনাই ছিল। বস্তুতঃ কাফিরদের প্রতি শাস্তির কথা বাস্তবায়িত হয়েছে। যেমন মহামহিমান্বিত আল্লাহ তাদের সম্বন্ধে খবর দিতে গিয়ে অন্য জায়গায় বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “যখনই ওতে কোন দলকে নিক্ষেপ করা হবে, তাদেরকে রক্ষীরা জিজ্ঞেস করবেঃ তোমাদের নিকট কি কোন সতর্ককারী আসেনি? তারা জবাবে বলবেঃ অবশ্যই আমাদের নিকট সতর্ককারী এসেছিল, আমরা তাদেরকে মিথ্যাবাদী গণ্য করেছিলাম এবং বলেছিলামঃ আল্লাহ কিছুই অবতীর্ণ করেননি, তোমরা তো মহা বিভ্রান্তিতে রয়েছে। তারা আরো বলবেঃ যদি আমরা শুনতাম অথবা বিবেক-বুদ্ধি প্রয়োগ করতাম, তাহলে আমরা জাহান্নামবাসী হতাম না।” (৬৭:৮-১০) অর্থাৎ এভাবে তারা নিজেদেরকে তিরস্কার করবে এবং খুবই অনুতপ্ত হবে। তাই আল্লাহ তা'আলা এর পরে বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করবে। অভিশাপ জাহান্নামীদের জন্যে!” (৬৭:১১)
আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেনঃ তাদেরকে বলা হবে- জাহান্নামের দ্বারসমূহে প্রবেশ কর তাতে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্যে। অর্থাৎ যেই তাদেরকে দেখবে এবং তাদের অবস্থা জানবে সেই পরিষ্কারভাবে বলে উঠবে যে, নিশ্চয়ই এরা এরই যোগ্য। এই উক্তিকারীর নাম নেয়া হয়নি, বরং তাকে সাধারণভাবে ছেড়ে দেয়া হয়েছে যাতে তার সাধারণত্ব বাকী থাকে। আর যাতে আল্লাহ তা'আলার ন্যায়ের সাক্ষ্য পুরো হয়ে যায়। তাদেরকে বলা হবেঃ এখন তোমরা জাহান্নামে চলে যাও। সেখানে স্বায়ীভাবে জ্বলতে পুড়তে থাকো। এখান হতে না তোমরা কখনো ছুটতে পারবে, তোমাদের মৃত্যু হবে। আহা! উদ্ধতদের আবাসস্থল কতই না নিকৃষ্ট। যেখানে তাদেরকে দিনরাত জ্বলতে পুড়তে হবে! অহংকারীদের অহংকার ও সত্যকে প্রত্যাখ্যান করার প্রতিফল এটাই, যা তাদেরকে এরূপ নিকৃষ্ট জায়গায় পৌঁছিয়ে দিয়েছে। এটা কতই না জঘন্য অবস্থা! কতই না শিক্ষামূলক পরিণাম এটা!
সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।