সূরা আন-নূর (আয়াত: 49)
হরকত ছাড়া:
وإن يكن لهم الحق يأتوا إليه مذعنين ﴿٤٩﴾
হরকত সহ:
وَ اِنْ یَّکُنْ لَّهُمُ الْحَقُّ یَاْتُوْۤا اِلَیْهِ مُذْعِنِیْنَ ﴿ؕ۴۹﴾
উচ্চারণ: ওয়াইয়ঁইয়াকুল লাহুমুল হাক্কুইয়া’তূইলাইহি মুয’ইনীন।
আল বায়ান: কিন্তু যদি সত্য তাদের পক্ষে থাকে, তাহলে তারা তার কাছে একান্ত বিনীতভাবে ছুটে আসে।
আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৪৯. আর যদি হক্ক তাদের সপক্ষে হয়, তাহলে তারা বিনীতভাবে রাসূলের কাছে ছুটে আসে।
তাইসীরুল ক্বুরআন: কিন্তু ‘হাক’ (অর্থাৎ প্রাপ্য) যদি তাদের পক্ষে থাকে তাহলে পূর্ণ বিনয়ের সঙ্গে তারা রসূলের দিকে ছুটে আসে।
আহসানুল বায়ান: (৪৯) সিদ্ধান্ত ওদের স্বপক্ষে হবে মনে করলে, ওরা বিনীতভাবে রসূলের নিকট ছুটে আসে। [1]
মুজিবুর রহমান: আর সত্য তাদের স্বপক্ষে হলে তারা বিনীতভাবে রাসূলের নিকট ছুটে আসে।
ফযলুর রহমান: কিন্তু সত্য যদি তাদের পক্ষে হয় তাহলে তারা (রসূলের) আজ্ঞানুবর্তী হয়ে তার দিকে চলে আসে।
মুহিউদ্দিন খান: সত্য তাদের স্বপক্ষে হলে তারা বিনীতভাবে রসূলের কাছে ছুটে আসে।
জহুরুল হক: আর যদি ন্যায়পরায়ণতা তাদের সপক্ষে হয় তবে তারা তাঁর কাছে আসে ঘাড় নুইয়ে।
Sahih International: But if the right is theirs, they come to him in prompt obedience.
তাফসীরে যাকারিয়া
অনুবাদ: ৪৯. আর যদি হক্ক তাদের সপক্ষে হয়, তাহলে তারা বিনীতভাবে রাসূলের কাছে ছুটে আসে।
তাফসীর:
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
অনুবাদ: (৪৯) সিদ্ধান্ত ওদের স্বপক্ষে হবে মনে করলে, ওরা বিনীতভাবে রসূলের নিকট ছুটে আসে। [1]
তাফসীর:
[1] কেননা, তাদের বিশ্বাস ছিল যে, নবী (সাঃ)-এর বিচারালয়ে যে ফায়সালা হবে, তাতে কারো খাতির করা হবে না। সেই জন্য তারা তাঁর নিকটে নিজেদের ঝগড়া-বিবাদের বিচার পেশ করা হতে দূরে থাকে। হ্যাঁ! যদি তারা বুঝতে পারে যে, তারা হকের উপর রয়েছে এবং ফায়সালাও তাদের পক্ষে হওয়ার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, তাহলে আনন্দ সহকারে তারা নবী (সাঃ)-এর নিকট আসে।
তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ
তাফসীর: ৪৭-৫২ নং আয়াতের তাফসীর:
উক্ত আয়াতগুলোতে মুনাফিকদের বৈশিষ্ট্যগুলোই আলোচনা করা হয়েছ্ েযারা মুখে ঈমান ও ইসলামের কথা বলে, কিন্তু অন্তর কুফর ও নিফাকীতে ভরপুর। يَتَوَلّٰي অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলা ও রাসূলের আনুগত্য থেকে, ঈমান থেকে বেরিয়ে যায়। তাদের মাঝে আপোষে কোন দ্বন্দ্বের ফায়সালার জন্য আল্লাহ তা‘আলা এবং রাসূলের দিকে তথা কুরআন ও সুন্নাহর দিকে ডাকা হলে তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়। কারণ তারা জানে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কোন বিচারের ফায়সালার জন্য গেলে সঠিক বিচার হবে, যার বিপক্ষেই রায় যাক তাকে ক্ষমা করা হবে না। হ্যাঁ, যদি তারা বুঝতে পারে যে, তারা হকের ওপর রয়েছে এবং ফায়সালা তাদের পক্ষে আসবে তাহলে সাগ্রহে আসবে। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
“তুমি কি তাদেরকে দেখনি যারা দাবি করে যে, তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ করা হয়েছে এবং তোমার পূর্বে যা অবতীর্ণ করা হয়েছে তাতে তারা বিশ্বাস করে, এবং তারা তাগূতের কাছে বিচারপ্রার্থী হতে চায়, অথচ তা প্রত্যাখ্যান করার জন্য তাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে আর শয়তান তাদেরকে ভীষণভাবে পথভ্রষ্ট করতে চায়। আর যখন তাদেরকে বলা হয়, আল্লাহ তা‘আলা যা নাযিল করেছেন তার দিকে এবং রাসূলের দিকে আস, তখন মুনাফিকদেরকে তুমি তোমার নিকট হতে মুখ একেবারে ফিরিয়ে নিতে দেখবে।” (সূরা নিসা ৪:৬০-৬১)
আর এ সকল মুনাফিকদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সূরা বাকারার প্রথম দিকেই বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
(وَإِنْ يَّكُنْ لَّهُمُ الْحَقُّ)
আর যখন ফায়সালা তাদের বিরুদ্ধে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তখন মুখ ফিরিয়ে নেয়ার ও দূরে থাকার কারণ বর্ণনা করা হচ্ছে যে, হয় তাদের অন্তরে কুফরী ও নিফাকীর রোগ আছে, অথবা নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নবুআতের ব্যাপারে সন্দেহ আছে অথবা তাদের এ আশংকা রয়েছে যে, আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূূল তাদের প্রতি অবিচার করবেন। অথচ আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে অবিচারের কোন সম্ভাবনাই নেই। বরং আসল কথা হলন তারা নিজেরাই জালিম। এ থেকে ইমাম শাওকানী (রহঃ) বলেন: ন্যায়পরায়ণ ও কুরআন সুন্নাহ সম্পর্কে বিজ্ঞ বিচারক থাকলে মামলা মুকাদ্দামাহ পেশ করা আবশ্যক, অন্যথায় জরুরী নয়।
পক্ষান্তরে যারা সত্যিকার মু’মিন তাদেরকে যখন কোন বিবাদের ফায়সালার জন্য কুরআন ও সুন্নাহর দিকে আহ্বান করা হয় তখন বিনা দ্বিধায় কুরআন ও সুন্নাহর ফায়সালা তারা মেনে নেয়। তারা এদিক সেদিক থেকে ফায়সালা নেয়ার চিন্তা করে না। প্রতিটি মু’মিনের এমন বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হওয়া উচিত, তারা যে কোন ফায়সালা খুঁজবে কুরআন ও সুন্নাহ থেকে। কুরআন সুন্নাহর ফায়সালা নিয়েই তারা সন্তুষ্ট থাকবে। কারণ যারা সকল ক্ষেত্রে আল্লাহ তা‘আলা ও রাসূলের আনুগত্য করে, তাদের দেয়া আদর্শ, সুন্নাত ও ফায়সালাকে মেনে নেয় তারাই সফলকাম।
আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
১. একশ্রেণির মানুষ রয়েছে যারা মুখে ঈমানের কথা বলে কিন্তু অন্তর কুফরীতে পরিপূর্ণ।
২. তারা আল্লাহ তা‘আলা ও রাসূলের দেয়া বিধান নিয়ে সন্তুষ্ট নয়।
৩. যারা আল্লাহ তা‘আলা ও রাসূলের দেয়া আদর্শ ও ফায়সালাকে সন্তুষ্টচিত্তে মেনে না নিবে তারা মু’মিন নয়।
৪. মু’মিনদের বৈশিষ্ট্য হল কুরআন ও সুন্নাহর দিকে আহ্বান করলে তারা সাড়া দেয় এবং তাঁর ফায়সালা মেনে নেয়।
৫. সফলতার মাপকাঠি হল আল্লাহ তা‘আলা ও রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একচ্ছত্র আনুগত্য ও আল্লাহ তা‘আলার ভয়।
তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)
তাফসীর: ৪৭-৫২ নং আয়াতের তাফসীর
আল্লাহ তা'আল মুনাফিকদের সম্পর্কে খবর দিচ্ছেন, তারা মুখে তো ঈমান ও আনুগত্যের কথা স্বীকার করছে বটে, কিন্তু তাদের অন্তর এর সম্পূর্ণ বিপরীত। তাদের কথা ও কাজের মধ্যে কোন মিল নেই। কারণ তারা ঈমানদার নয়। হাদীসে আছে যে, যাকে বাদশাহর সামনে হাযির হওয়ার জন্যে আহ্বান করা হয়। এবং সে ঐ আহ্বানে সাড়া দেয় না সে যালিম। সে অন্যায়ের উপর রয়েছে।” (এ হাদীসটি ইমাম তিবরানী (রঃ) হযরত সামুরা প্রমুখ বর্ণনা করেছেন)
মহান আল্লাহ বলেনঃ যখন তাদেরকে আহ্বান করা হয় আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সঃ)-এর দিকে তাদের মধ্যে ফায়সালা করে দেবার জন্যে, অর্থাৎ যখন তাদেরকে হিদায়াতের দিকে আহবান করা হয় এবং কুরআন ও হাদীস মানতে বলা হয় তখন তারা গর্বভরে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এটা আল্লাহ তা'আলার নিম্নের উজির মতঃ (আরবি) হতে (আরবি) পর্যন্ত।
অর্থাৎ “তুমি কি তাদেরকে দেখনি যারা দাবী করে যে, তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে এবং তোমার পূর্বে যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে তারা বিশ্বাস করে, অথচ তারা তাগূতের কাছে বিচার প্রার্থী হতে চায়, যদিও ওটা প্রত্যাখ্যান করার জন্যে তাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং শয়তান তাদেরকে ভীষণভাবে পথভ্রষ্ট করতে চায়? তাদেরকে যখন বলা হয়ঃ আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন তার দিকে এবং রাসূল (সঃ)-এর দিকে এসো, তখন মুনাফিকদেরকে তুমি তোমার নিকট হতে মুখ একেবারে ফিরিয়ে নিতে দেখবে।” (৪:৬০-৬১)
ঘোষিত হচ্ছেঃ যদি তাদের প্রাপ্য থাকে তাহলে তারা বিনীতভাবে রাসূল (সঃ)-এর নিকট ছুটে আসে। অর্থাৎ তারা যদি শরীয়তের ফায়সালায় নিজেদের লাভ দেখতে পায় তবে আনন্দে আটখানা হয়ে রাসূল (সঃ)-এর নিকট ছুটে আসে। আর যদি জানতে পারে যে, শরয়ী ফায়সালা তাদের মনের চাহিদার উল্টো, পার্থিব স্বার্থের পরিপন্থী, তবে তারা সত্যের দিকে ফিরেও তাকায় না। সুতরাং এইরূপ লোকে পাকা কাফির। কেননা, তাদের মধ্যে তিন অবস্থার যে কোন একটি অবশ্যই রয়েছে। হয়তো তাদের অন্তরে বে-ঈমানী বদ্ধমূল হয়ে গেছে, কিংবা হয়তো তারা আল্লাহর দ্বীনের সত্যতায় সন্দিহান রয়েছে, অথবা হয়তো তারা এই ভয় করে যে, না জানি আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সঃ) তাদের হক নষ্ট করেন এবং তাদের প্রতি যুলুম করেন। এই তিনটাই কুফরীর অবস্থা। আল্লাহ তা'আলা তাদের প্রত্যেককেই জানেন। তাদের অন্তরে যা রয়েছে তা তার কাছে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান। প্রকৃতপক্ষে এই লোকগুলোই পাপী ও অত্যাচারী। আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সঃ) তাদের থেকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র।
রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর যুগে এরূপ কাফিরের সংখ্যা অনেক ছিল যারা বাহ্যিকভাবে মুসলমান ছিল। যখন তারা দেখতো যে, কুরআন ও হাদীসমূলে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল হবে তখন তারা নবী (সঃ)-এর খিদমতে তাদের মুকদ্দমা পেশ করতো। আর যখন দেখতো যে, তাদের প্রতিপক্ষের অনুকূলে রায় যাবে তখন নবী (সঃ)-এর দরবারে হাযির হতে প্রকাশ্যভাবে অস্বীকার করতো। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় এবং রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “যদি দুই ব্যক্তির মধ্যে কোন বিবাদ হয় এবং তাদেরকে ইসলামী হুকুম অনুযায়ী ফায়সালার দিকে আহ্বান করা হয়, আর তারা তা অস্বীকার করে তবে তারা যালিম এবং তারা অন্যায়ের উপর রয়েছে।” (এ হাদীসটি গারীব ও মুরসাল)
এরপর সঠিক ও খাঁটি মুমিনের বিশেষণ বর্ণনা করা হচ্ছে যে, তারা আল্লাহর কিতাব ও রাসূল (সঃ)-এর সুন্নাত ছাড়া অন্য কিছুকেই দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত মনে করে না। তারা তো কুরআন ও হাদীস শোনা মাত্রই এবং এগুলোর ডাক কানে আসা মাত্রই পরিষ্কারভাবে বলে থাকেঃ আমরা শুনলাম ও মানলাম। এরা উদ্দেশ্যে সফলকাম ও মুক্তিপ্রাপ্ত লোক।
হযরত উবাদা ইবনে সামিত (রাঃ), যিনি ছিলেন একজন বদরী সাহাবী এবং আনসারদের মধ্যে একজন নেতৃস্থানীয় লোক, মৃত্যুর সময় স্বীয় ভাতুপুত্র জানাদাহ ইবনে আবি উমাইয়া (রাঃ)-কে বলেনঃ “তোমার উপর কি কর্তব্য এবং তোমার কি উপকারী তাকি আমি তোমাকে বলে দেবো না? তিনি জবাবে বললেনঃ “হ্যা বলুন।” তখন তিনি বললেনঃ “তোমার কর্তব্য হলো (ধর্মীয় উপদেশ) শ্রবণ করা ও মান্য করা কঠিন অবস্থায়ও এবং সহজ অবস্থায়ও, আনন্দের সময়ও এবং দুঃখের সময়ও, আর ঐ সময়েও যখন তোমার হক অন্যকে দিয়ে দেয়া হচ্ছে। তোমার জিহ্বাকে তুমি ন্যায় ও সত্যবাদিতার উপর প্রতিষ্ঠিত রাখবে। যোগ্য শাসনকর্তার নিকট থেকে শাসনকার্য ছিনিয়ে নিবে না। তবে সে। যদি প্রকাশ্যভাবে অবাধ্যতার হুকুম করে তবে তা কখনো মানবে না। সে যদি আল্লাহর কিতাবের বিপরীত কিছু বলে তবে তা কখনো স্বীকার করবে না। সদা-সর্বদা আল্লাহর কিতাবের অনুসরণ করবে।”
হযরত আবু দারদা (রাঃ) বলেন যে, আল্লাহর আনুগত্য ছাড়া ইসলাম নেই। আর সমস্ত মঙ্গল নিহিত রয়েছে জামাআতের মধ্যে এবং আল্লাহ, তদীয় রাসূল (সঃ), মুসলমানদের খলীফা এবং সাধারণ মুসলমানদের মঙ্গল কামনার মধ্যে।
হযরত উমার ইবনে খাত্তাব (রাঃ) বলেন যে, ইসলামের দৃঢ় রঙ্গু হলো আল্লাহর একত্ববাদের সাক্ষ্য দেয়া, নামায প্রতিষ্ঠিত করা, যাকাত প্রদান করা এবং মুসলমানদের বাদশাহদের আনুগত্য স্বীকার করা।
আল্লাহ, তাঁর রাসূল (সঃ)-এর এবং মুসলমান বাদশাহদের আনুগত্যের ব্যাপারে যেসব হাদীস ও আসার এসেছে সেগুলোর সংখ্যা এতো বেশী যে, সকলো এখানে বর্ণনা করা কোনক্রমেই সম্ভব নয়। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সঃ)-এর অনুগত হবে, তারা যা করতে আদেশ করেছেন তা পালন কবে, যা করতে নিষেধ করেছেন তা হতে বিরত থাকবে, যে পাপকার্য করে ফেলেছে তার জন্যে সদা ভীত-সন্ত্রস্ত থাকবে এবং আগামীতে ঐ সব পাপকার্য হতে বিরত থাকবে সে সমুদয় কল্যাণ জমাকার এবং সমস্ত অকল্যাণ হতে পৰিত্ৰাণ প্রাপ্ত। দুনিয়া ও আখিরাতে সে মুক্তিপ্রাপ্ত ও সফলকাম।
সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।