আল কুরআন


সূরা আল-আম্বিয়া (আয়াত: 73)

সূরা আল-আম্বিয়া (আয়াত: 73)



হরকত ছাড়া:

وجعلناهم أئمة يهدون بأمرنا وأوحينا إليهم فعل الخيرات وإقام الصلاة وإيتاء الزكاة وكانوا لنا عابدين ﴿٧٣﴾




হরকত সহ:

وَ جَعَلْنٰهُمْ اَئِمَّۃً یَّهْدُوْنَ بِاَمْرِنَا وَ اَوْحَیْنَاۤ اِلَیْهِمْ فِعْلَ الْخَیْرٰتِ وَ اِقَامَ الصَّلٰوۃِ وَ اِیْتَآءَ الزَّکٰوۃِ ۚ وَ کَانُوْا لَنَا عٰبِدِیْنَ ﴿ۚۙ۷۳﴾




উচ্চারণ: ওয়া জাআলনা-হুম আইম্মাতাইঁ ইয়াহদূ না বিআমরিনা-ওয়াআওহাইনাইলাইহিম ফি‘লাল খাইরা-তি ওয়া ইকা-মাসসালা-তি ওয়া ঈতাআযযাকা-তি ওয়া কা-নূলানা-‘আবিদীন ।




আল বায়ান: আর তাদেরকে আমি নেতা বানিয়েছিলাম, তারা আমার নির্দেশ অনুসারে মানুষকে সঠিক পথ দেখাত। আমি তাদের প্রতি সৎকাজ করার, সালাত কায়েম করার এবং যাকাত প্রদান করার জন্য ওহী প্রেরণ করেছিলাম। আর তারা আমারই ইবাদাত করত।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৭৩. আর আমরা তাদেরকে করেছিলাম নেতা; তারা আমাদের নির্দেশ অনুসারে মানুষকে সঠিক পথ দেখাত; আর আমরা তাদেরকে সৎকাজ করতে ও সালাত কায়েম করতে এবং যাকাত প্ৰদান করতে ওহী পাঠিয়েছিলাম; এবং তারা আমাদেরই ইবাদতকারী ছিল।




তাইসীরুল ক্বুরআন: আর তাদেরকে বানিয়েছিলাম নেতা, তারা আমার নির্দেশে মানুষকে সঠিক পথ দেখাত। তাদের প্রতি ওয়াহী করেছিলাম সৎ কাজ করার জন্য, নিয়মিত নামায প্রতিষ্ঠা করার ও যাকাত প্রদানের জন্য, তারা আমারই ‘ইবাদাত করত।




আহসানুল বায়ান: (৭৩) আর আমি তাদেরকে করলাম নেতা, তারা আমার নির্দেশ অনুসারে মানুষকে পথ প্রদর্শন করত; তাদের কাছে আমি অহী (প্রত্যাদেশ) প্রেরণ করেছিলাম সৎকর্ম করতে, নামায কায়েম করতে এবং যাকাত প্রদান করতে। তারা আমারই উপাসনা করত।



মুজিবুর রহমান: আর আমি তাদেরকে করেছিলাম নেতা; তারা আমার নির্দেশ অনুসারে মানুষকে পথ প্রদর্শন করত। তাদের কাছে আমি অহী প্রেরণ করেছিলাম সৎ কাজ করতে, সালাত কায়েম করতে এবং যাকাত প্রদান করতে; তারা আমারই ইবাদাত করত।



ফযলুর রহমান: আমি তাদেরকে নেতা বানিয়েছিলাম, যারা আমার নির্দেশে (মানুষকে) পথ দেখাত। আমি তাদেরকে সৎকাজ করার, নামায কায়েম করার ও যাকাত প্রদান করার প্রত্যাদেশ পাঠিয়েছিলাম। তারা আমারই ইবাদত করত।



মুহিউদ্দিন খান: আমি তাঁদেরকে নেতা করলাম। তাঁরা আমার নির্দেশ অনুসারে পথ প্রদর্শন করতেন। আমি তাঁদের প্রতি ওহী নাযিল করলাম সৎকর্ম করার, নামায কায়েম করার এবং যাকাত দান করার। তাঁরা আমার এবাদতে ব্যাপৃত ছিল।



জহুরুল হক: আর আমরা তাঁদের বানিয়েছিলাম নেতৃবৃন্দ, তাঁরা আমাদের নির্দেশ অনুসারে সৎপথে চালাতেন, আর তাঁদের কাছে আমরা প্রত্যাদেশ দিয়েছিলাম সৎকাজ করতে ও নামায কায়েম করতে ও যাকাত প্রদান করতে, আর তাঁরা আমাদের প্রতি বন্দনাকারী ছিলেন।



Sahih International: And We made them leaders guiding by Our command. And We inspired to them the doing of good deeds, establishment of prayer, and giving of zakah; and they were worshippers of Us.



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ৭৩. আর আমরা তাদেরকে করেছিলাম নেতা; তারা আমাদের নির্দেশ অনুসারে মানুষকে সঠিক পথ দেখাত; আর আমরা তাদেরকে সৎকাজ করতে ও সালাত কায়েম করতে এবং যাকাত প্ৰদান করতে ওহী পাঠিয়েছিলাম; এবং তারা আমাদেরই ইবাদতকারী ছিল।


তাফসীর:

-


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (৭৩) আর আমি তাদেরকে করলাম নেতা, তারা আমার নির্দেশ অনুসারে মানুষকে পথ প্রদর্শন করত; তাদের কাছে আমি অহী (প্রত্যাদেশ) প্রেরণ করেছিলাম সৎকর্ম করতে, নামায কায়েম করতে এবং যাকাত প্রদান করতে। তারা আমারই উপাসনা করত।


তাফসীর:

-


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ৭১-৭৫ নং আয়াতের তাফসীর:



প্রথম আয়াতে বলা হয়েছে আল্লাহ তা‘আলা ইবরাহীম ও লূত (عليه السلام)-কে ইরাকের এ জালিম সম্প্রদায়ের কবল থেকে উদ্ধার করে এমন ভূমিতে নিয়ে গেলেন যেথায় বিশ্ববাসীর জন্য কল্যাণ রয়েছে। আর তা হল সিরিয়া। কারণ ইবরাহীম (عليه السلام)-এর প্রতি কেবল লূত (عليه السلام) ঈমান এনেছিল, তিনি ইবরাহীম (عليه السلام)-এর চাচাতো ভাই ছিলেন। যেমন বলেন:



(فَاٰمَنَ لَھ۫ لُوْطٌﺭ وَقَالَ اِنِّیْ مُھَاجِرٌ اِلٰی رَبِّیْﺚ اِنَّھ۫ ھُوَ الْعَزِیْزُ الْحَکِیْمُ)



“লূত তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করল। লূত বলল:‎ ‘আমি আমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে দেশ ত্যাগ করছি, তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।’’ (সূরা আনকাবুত ২৯:২৬) অনুরূপভাবে ইবরাহীম (عليه السلام) বলেছিলেন:



(وَقَالَ إِنِّيْ ذَاهِبٌ إِلٰي رَبِّيْ سَيَهْدِيْنِ)



“আর সে (ইবরাহীম) বলল: আমি আমার প্রতিপালকের দিকে চললাম, তিনিই আমাকে সৎ পথে পরিচালিত করবেন।” (সূরা স্বফ্ফাত ৩৭:৯৯)



ইবরাহীম (عليه السلام) ইরাক ছেড়ে সিরিয়াতে চলে আসার পর আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে ইসহাক ও পৌত্ররূপে ইয়া‘কূব (عليه السلام)-কে দান করলেন। نَافِلَةً অর্থ অতিরিক্ত, অর্থাৎ ইবরাহীম (عليه السلام) শুধু পুত্রের জন্য দু‘আ করেছিলেন কিন্তু আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে বিনা দু‘আয় অতিরিক্ত হিসেবে পৌত্র তথা নাতি ইয়াকুব (عليه السلام)-কে দান করলেন যিনি ইসহাকের পুত্র। আল্লাহ তা‘আলার বাণী:



(فَبَشَّرْنَاهَا بِإِسْحَاقَ وَمِنْ وَّرَا۬ءِ إِسْحَاقَ يَعْقُوبَ)



“অতঃপর আমি তাকে ইস্হাকের ও ইস্হাকের পরবর্তী ইয়া‘কূবের সুসংবাদ দিলাম।” (সূরা হূদ ১১:৭১) ইবরাহীম (عليه السلام)-এর পুত্র ইসহাক, ইসহাকের পুত্র ইয়া‘কূব, ইয়া‘কূবের পুত্র ইউসুফ। ইয়া‘কূব (عليه السلام)-এর বংশধরকে বানী ইসরাঈল বলা হয়। এদের উম্মাত অনেক বেশি, এদের মধ্যে অনেক নাবী আগমন করেছেন। ইবরাহীম (عليه السلام)-এর অপর পুত্র ইসমাঈল, তাঁর বংশধর হল আরবরা, এ বংশেই নাবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আগমন।



(وَكُلًّا جَعَلْنَا صٰلِحِيْنَ)



অর্থাৎ ইবরাহীম ও ইসহাক উভয়ে আল্লাহ তা‘আলার সৎ বান্দা ছিলেন এবং তাদের প্রত্যেককে আল্লাহ তা‘আলা ইমাম তথা ধর্মীয় নেতা বানিয়েছিলেন, ভাল ও আনুগত্যমূলক কাজে মানুষ তাদের অনুসরণ করত। তারা আল্লাহ তা‘আলার নির্দেশক্রমে মানুষকে হিদায়াতের পথ দেখাতেন। আর তাদের প্রতি ওয়াহী করেছেন যেন তারা ভাল কাজ করে, মানুষকেও ভাল কাজের নির্দেশ দেয়, সালাত প্রতিষ্ঠা করে এবং যাকাত প্রদান করে। তারা সবাই আল্লাহ তা‘আলার ইবাদতগুজার বান্দা ছিলেন, আল্লাহ তা‘আলার আনুগত্য করতেন।



অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা লূত (عليه السلام) সম্পর্কে আলোচনা নিয়ে এসেছেন। আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে حُكْمًا তথা নবুওয়াত দান করেছিলেন এবং عِلْمًا তথা বিবাদ মীমাংসা করার জ্ঞান দান করেছিলেন। তিনি যে এলাকার নাবী ছিলেন তার নাম সাদূম। এটি ফিলিস্তিন ও মৃতসাগর পার্শ্ববর্তী জর্ডানের নিকটতম একটি শস্য-শ্যামল এলাকা ছিল। যার বড় অংশ এখন সমুদ্রের গর্ভে। তাঁর জাতি সমকামিতার মত জঘন্য অপরাধ, রাস্তায় বসে পথচারীদের প্রতি কটূক্তি করা, তাদেরকে কষ্ট দেয়া ইত্যাদি অপকর্মে লিপ্ত ছিল। লূত (عليه السلام) তাদেরকে এসব খারাপ কাজ থেকে বারণ করলেন। কিন্তু তারা কিছুতেই বিরত থাকল না। অবশেষে আল্লাহ তা‘আলা তাদের এলাকা উল্টিয়ে দিয়ে ধ্বংস করে দেন।



আল্লাহ তা‘আলা লূত (عليه السلام) ও তাঁর প্রতি যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে শাস্তি থেকে নাজাত দিয়েছিলেন। এ সম্পর্কে সূরা হিজর এ আলোচনা করা হয়েছে।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:



১। মুসলিম সমাজের নেতাদের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য থাকবে তারা নিজেরা সৎ আমল করবে, অন্যদেরকে সেদিকে দাওয়াত দিবে।

২. যারা আল্লাহ তা‘আলার আনুগত্য করে আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে বিপদ থেকে উদ্ধার করেন।

৩. কোন এলাকায় দীন রক্ষা না করতে পারলে সে এলাকা ছেড়ে যেথায় যথাযথভাবে দীন রক্ষা করা যাবে সেখানে হিজরত করতে হবে।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ৭১-৭৫ নং আয়াতের তাফসীর:

আল্লাহ তাআলা বলছেন যে, তিনি তার বন্ধু হযরত ইবরাহীমকে (আঃ) কাফিরদের অগ্নি হতে রক্ষা করে সিরিয়ার পবিত্র ভূমিতে পৌঁছিয়ে দেন। হযরত উবাই ইবনু কা'ব (রাঃ) বলেন যে, সমস্ত সুমিষ্ট পানি সিরিয়ায় সাখরা'র নিম্নদেশ হতে বের হয়ে থাকে। হযরত কাতাদা (রাঃ) বলেন যে, আল্লাহ তাআলা হযরত ইবরাহীমকে (আঃ) ইরাকের ভূ-খণ্ড হতে মুক্তি দিয়ে সিরিয়ায় পৌঁছিয়ে দেন। সিরিয়াই নবীদের (আঃ) হিজরতের জায়গা। যমীন। হতে যা ঘাটতি হয় সিরিয়ায় তা বৃদ্ধি পায় এবং সিরিয়ায় যা ঘাটতি হয়। ফিলিস্তিনে তা বৃদ্ধি হয়। সিরিয়াই হলো হাশরের মাঠ। এখানেই হযরত ঈসা (আঃ) অবতরণ করবেন। এখানেই দাজ্জালকে হত্যা করা হবে। হযরত কাবের (রাঃ) উক্তি হিসেবে জানা যায় যে,হযরত ইবরাহীম (আঃ) হিরানে গমণ করেন। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন যে, তথাকার বাদশাহর কন্যা তার কওমের দ্বীনের প্রতি বীতঃশ্রদ্ধা হয়ে পড়েছেন এবং ওটাকে তিনি অন্তরে ঘৃণা করেন এমনকি ঐ ধর্মকে তিনি বিদ্রুপ করে থাকেন। তখন হযরত ইবরাহীম (আঃ) তাকে তার এই স্বীকারোক্তির উপর বিয়ে করেন যে, তিনি তার সাথে হিজরত করে সেখান থেকে চলে যাবেন। তারই নাম হযরত সারা’ (রাঃ)। আর এটাও প্রসিদ্ধ হয়ে রয়েছে যে, হযরত সারা’ (রাঃ) (এই রিওয়াইয়াতটি গারীব বা দুর্বল) ছিলেন তার চাচাতো বোন। তিনি তার সাথেই হিজরত করে চলে এসেছিলেন। হযরত ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, তাঁর এই হিজরত মক্কা শরীফে শেষ হয়। এই মক্কা শরীফ সম্পর্কেই মহান আল্লাহ বলেনঃ “এটাই আল্লাহর প্রথম ঘর যা মানবমণ্ডলীর জন্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা কল্যাণময় ও সারা বিশ্বের জন্যে হিদায়াত স্বরূপ। এতে বহু নিদর্শন রয়েছে, যেগুলির মধ্যে একটি নিদর্শন হলো মাকামে ইব্রাহীম। যে তাতে প্রবেশ করে সে নিরাপত্তা লাভ করে।”

এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ আমি ইবরাহীমকে (আঃ) দান করেছিলাম ইসহাক (আঃ) ও পৌত্ররূপে ইয়াকূব (আঃ)। যেমন অন্য জায়গায় রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমি তাকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম ইসহাকের (আঃ) এবং ইসহাকের (আঃ) পিছনে (পরে) ইয়াকূবের (আঃ)। (১১:৭১) হযরত ইবরাহীম (আঃ) শুধু একটি সন্তানের জন্যে প্রার্থনা করেছিলেন। তিনি প্রার্থনায় বলেছিলেনঃ (আরবী)

অর্থাৎ “হে আমার প্রতিপালক! আমাকে একটি সুসন্তান দান করুন!” (৩৭:১০০) আল্লাহ তাঁর এ প্রার্থনা কবুল করেন। সন্তানও দান করেন। কাজেই এটা ছিল তার প্রার্থনার উপর অতিরিক্ত দান। আর প্রত্যেককেই তিনি সৎকর্মপরায়ণ করে দেন।

অতঃপর আল্লাহ তাআলা বলেনঃ আমি তাদেরকে করেছিলাম নেতা; তারা আমার নিদের্শ অনুসারে মানুষকে পথ প্রদর্শন করতো। আর আমি তাদেরকে সৎকর্ম করার ওয়াহী করেছিলাম। এই সাধারণ কথার উপর আতফ বা সংযোগ করে তিনি বিশেষ কথা অর্থাৎ নামায ও যাকাতের বর্ণনা দেন। ইরশাদ হয় যে, তারা জনগণকে ভাল কাজের আদেশ করতেন এবং সাথে সাথে নিজেরাও ভাল কাজ করতেন।

এরপর হযরত লুতের (আঃ) বর্ণনা শুরু হচ্ছে। তিনি হলেন নূত ইবনু। হারাণ ইবনু আযন (আঃ)। তিনি হযরত ইবরাহীমের (আঃ) উপর ঈমান এনেছিলেন, তার অনুসরণ করেছিলেন এবং তাঁর সাথে হিজরত করেছিলেন। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “লুত (আঃ) তার উপর ঈমান আনয়ন করে এবং বলেঃ আমি আমার প্রতিপালকের দিকে হিজরতকারী।` (২৯:২৬) আল্লাহ তাআলা তাঁকে প্রজ্ঞা ও জ্ঞান দান করেছিলেন এবং তার উপর ওয়াহী অবতীর্ণ করেন ও তাঁকে নবীদের দলভূক্ত করেন। তাঁকে তিনি সুদূম ও ওর পার্শ্ববর্তী জনপদগুলির দিকে প্রেরণ করেন। তারা তার বিরুদ্ধাচরণে উঠে পড়ে লেগে যায়। এই কারণে তারা আল্লাহর শাস্তির কবলে পতিত হয় এবং তাদেরকে ধ্বংস করে দেয়া হয়। তাদের ধ্বংসের ঘটনা আল্লাহ তাআলার পবিত্র গ্রন্থের কয়েক জায়গায় বর্ণিত হয়েছে। এখানে মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ আমি তাকে এমন জনপদ হতে উদ্ধার করেছিলাম যার অধিবাসীরা লিপ্ত ছিল অশ্লীল কর্মে তারা ছিল একমন্দ সম্প্রদায়, সত্যত্যাগী। আর সে সৎকর্মপরায়ণ ছিল বলে আমি তার উপর আমার করুণা বর্ষণ করি।





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।