আল কুরআন


সূরা মারইয়াম (আয়াত: 51)

সূরা মারইয়াম (আয়াত: 51)



হরকত ছাড়া:

واذكر في الكتاب موسى إنه كان مخلصا وكان رسولا نبيا ﴿٥١﴾




হরকত সহ:

وَ اذْکُرْ فِی الْکِتٰبِ مُوْسٰۤی ۫ اِنَّهٗ کَانَ مُخْلَصًا وَّ کَانَ رَسُوْلًا نَّبِیًّا ﴿۵۱﴾




উচ্চারণ: ওয়াযকুর ফিল কিতা-বি মূছাইন্নাহূকা-না মুখলাসাও ওয়া কা-না রাছূলান নাবিইইয়া-।




আল বায়ান: আর স্মরণ কর এই কিতাবে মূসাকে। অবশ্যই সে ছিল মনোনীত এবং সে ছিল রাসূল, নবী।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৫১. আর স্মরণ করুন এ কিতাবে মূসাকে, তিনি ছিলেন বিশেষ মনোনীত(১) এবং তিনি ছিলেন রাসূল, নবী।




তাইসীরুল ক্বুরআন: এ কিতাবে উল্লেখিত মূসার কথা স্মরণ কর, সে ছিল বিশেষভাবে মনোনীত, আর একজন রসূল ও নবী।




আহসানুল বায়ান: (৫১) এই কিতাবে (উল্লিখিত) মূসার কথা বর্ণনা কর, সে ছিল একজন মনোনীত এবং সে ছিল রসূল, নবী।[1]



মুজিবুর রহমান: এই কিতাবে উল্লেখিত মূসার কথা বর্ণনা কর, সে ছিল বিশুদ্ধ চিত্ত এবং সে ছিল রাসূল, নাবী।



ফযলুর রহমান: কিতাবে (উল্লিখিত) মূসার কথাও স্মরণ কর। বস্তুত সে ছিল এক মনোনীত ব্যক্তি এবং ছিল একজন রসূল ও নবী।



মুহিউদ্দিন খান: এই কিতাবে মূসার কথা বর্ণনা করুন, তিনি ছিলেন মনোনীত এবং তিনি ছিলেন রাসূল, নবী।



জহুরুল হক: আর গ্রন্থখানাতে মূসার কথা স্মরণ করো। নিঃসন্দেহ তিনি ছিলেন প্রিয়প্রাত্র, আর তিনি ছিলেন একজন নবী।



Sahih International: And mention in the Book, Moses. Indeed, he was chosen, and he was a messenger and a prophet.



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ৫১. আর স্মরণ করুন এ কিতাবে মূসাকে, তিনি ছিলেন বিশেষ মনোনীত(১) এবং তিনি ছিলেন রাসূল, নবী।


তাফসীর:

(১) مُخْلَصًا এর মানে হচ্ছে, “বিশেষভাবে মনোনিত করা, একান্ত করে নেয়া।” [ইবন কাসীর] অনুরূপভাবে মানুষের মধ্যে সে ব্যক্তি মুখলিস যে ব্যক্তি একান্তভাবে আল্লাহর জন্য আমল করে, মানুষ এর প্রশংসা করুক এটা চায় না। [ইবন কাসীর] মূসা আলাইহিস সালাম এ ধরনের বিশেষ গুণে বিশেষিত থাকায় মহান আল্লাহ তাকে তার কাজের পুরস্কারস্বরূপ একান্তভাবে নিজের করে নিয়েছিলেন। আল্লাহ তা’আলা যে ব্যক্তিকে নিজের জন্যে খাঁটি করে নেন তিনি পরম সৌভাগ্যবান ব্যক্তি। নবীগণই বিশেষভাবে এ গুণে গুণান্বিত হন, যেমন- কুরআনের অন্যত্র বলা হয়েছেঃ “আমি তাদেরকে (নবীদেরকে) আখেরাতের স্মরণ করা কাজের জন্যে একান্ত করে নিয়েছি।” [সূরা ছোয়াদঃ ৪৬]


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (৫১) এই কিতাবে (উল্লিখিত) মূসার কথা বর্ণনা কর, সে ছিল একজন মনোনীত এবং সে ছিল রসূল, নবী।[1]


তাফসীর:

[1] مُخلَص، مُصطَفى، مُجتَبى، مُختَار চারটি শব্দের অর্থ একই। অর্থাৎ রিসালাত ও নবুঅতের জন্য নির্বাচিত ও মনোনীত ব্যক্তি। রসূল (সংবাদবাহক, দূত) মুরসাল (প্রেরিত)এর অর্থে ব্যবহূত। আর নবীর অর্থঃ যিনি আল্লাহর বাণী মানুষদের নিকট পৌঁছে দেন বা আল্লাহর অহীর সংবাদ দেন। অবশ্য দুয়ের অর্থ প্রায় একই। অর্থাৎ, আল্লাহ যে বান্দাকে মানুষদের পথ প্রদর্শন ও হিদায়াতের জন্য নির্বাচিত করেছেন এবং অহী দ্বারা সম্মানিত করেছেন তাঁকে রসূল বা নবী বলা হয়। প্রাচীন কাল হতে উলামাদের মধ্যে মতবিরোধ চলে আসছে যে, রসূল ও নবীর মধ্যে কোন পার্থক্য আছে কি না? এবং থাকলে তা কি? পার্থক্যকারীগণ সাধারণতঃ বলে থাকেন যে, যাঁকে নতুন শরীয়ত তথা আসমানী কিতাব দান করা হয়েছে তাঁকে রসূল ও নবী দুই বলা হয়। কিন্তু যিনি পূর্ববতী শরীয়ত মোতাবেক মানুষদের কাছে আল্লাহর দ্বীনের কথা পৌঁছে দেন, তাঁকে নবী বলা হয়; রসূল নয়। তা সত্ত্বেও কুরআনে উভয় শব্দই একটি অন্যের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। আবার কোথাও পাশাপাশি পৃথক পৃথক অর্থেও ব্যবহার হয়েছে। যেমন (সূরা হাজ্জঃ ৫২ আয়াত) দেখুন।


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ৫১-৫৫ নং আয়াতের তাফসীর:



(وَاذْکُرْ فِی الْکِتٰبِ مُوْسٰٓی... وَوَھَبْنَا لَھ۫ مِنْ رَّحْمَتِنَآ اَخَاھُ ھٰرُوْنَ نَبِیًّا)



উক্ত আয়াতগুলোতে আল্লাহ তা‘আলা মূসা (عليه السلام)-কে তুর পর্বতের দক্ষিণ দিক হতে আহ্বান করেছিলেন এবং তাকে নাবী ও রাসূল হিসেবে মনোনিত করেছিলেন আর তাঁর ভাই হারূনকে সাথে সহযোগী হিসেবে দিয়েছিলেন সে সম্পর্কে আলোচনা পেশ করেছেন। এ সম্পর্কে সূরা ত্বা-হা-তে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে ইনশা-আল্লাহ তা‘আলা।



(وَاذْکُرْ فِی الْکِتٰبِ اِسْمٰعِیْلَ.... وَکَانَ عِنْدَ رَبِّھ۪ مَرْضِیًّا)



অত্র আয়াতদ্বয়ে আল্লাহ তা‘আলা ইবরাহীম (عليه السلام)-এর সন্তান ইসমাঈল (عليه السلام) সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। ইসমাঈল (عليه السلام) ছিলেন পিতা ইবরাহীম (عليه السلام) এর জ্যৈষ্ঠ পুত্র এবং মা হাজেরার গর্ভজাত একমাত্র সন্তান। ঐ সময়ে ইবরাহীমের বয়স ছিল ৮৬ বছর। (আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ ১/১৭৯)



শিশু বয়সে তাঁকে ও তাঁর মাকে পিতা ইবরাহীম (عليه السلام) আল্লাহ তা‘আলার নির্দেশে মক্কার জনশূন্য ভূমিতে রেখে আসেন। সেখানে ইবরাহীমের দু‘আর বরকতে আল্লাহ তা‘আলার বিশেষ অনুগ্রহে যমযম কূপের সৃষ্টি হয়। অতঃপর ইয়ামেনের ব্যবসায়ী কাফেলা বুন জুরহুম গোত্র কর্তৃক মা হাজেরার আবেদনক্রমে সেখানে আবাদ শুরু হয়। ১৪ বছর বয়সে আল্লাহ তা‘আলার হুকুমে মক্কার অনতিদূরে মিনা প্রাপ্তরে সংঘটিত হয় বিশ্ব ইতিহাসের বিস্ময়কর ত্যাগ ও কুরবানীর ঘটনা। পিতা ইবরাহীম কর্তৃক পুত্র ইসলামঈকে স্বহস্তে কুরবানীর উক্ত ঘটনায় শতবর্ষীয় পিতা ইবরাহীমের ভূমিকা যাই থাকুক না কেন চৌদ্দ বছরের তরুণ ইসমাঈলের ঈমান ও আত্মত্যাগের একমাত্র নমুনা ছিলেন তিনি নিজেই। তিনি স্বেছায় নিজেকে সমর্পণ না করলে পিতার পক্ষে পুত্র কুরবানীর ঘটনা ঘটানো সম্ভব হত কি-না সন্দেহ। তাই ঐ সময় নাবী না হলেও নাবীপুত্র ইসমাঈলের আল্লাহ তা‘আলাভক্তি ও দৃঢ় ঈমানের পবিচয় ফুটে উঠেছিল তাঁর কথায় ও কর্মে। এরপর পিতার সহযোগী হিসেবে তিনি কাবা গৃহ নির্মাণে শরীক হন এবং কাবা নির্মাণ শেষে পিতা-পুত্র মিলে যে প্রার্থনা করেন, আল্লাহ তা‘আলা তা পবিত্র কুরআনে বর্ণনা করে বিশ্ববাসীকে জানিয়ে দিয়েছেন। (সূরা বাকারাহ ২:১২৭-১২৯)



এভাবে ইসমাঈল স্বীয় পিতার ন্যায় বিশ্বের সমস্ত মু’মিন হৃদয়ে আসন লাভ করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা তাঁর প্রশংসায় অত্র আয়াতে উল্লেখ করে বলেন, ‘তিনি ছিলেন ওয়াদা রক্ষায় সত্যাশ্রয়ী’ যা তিনি জবহের পূর্বে পিতাকে আশ্বস্ত করে বলেছিলেন,



(یٰٓاَبَتِ افْعَلْ مَا تُؤْمَرُﺑ سَتَجِدُنِیْٓ اِنْ شَا۬ئَ اللہُ مِنَ الصّٰبِرِیْنَ)



“হে আমার বাবা! আপনাকে যে আদেশ করা হয়েছে তা পূর্ণ করুন। ইন্শাআল্লাহ, আপনি আমাকে ধৈর্যশীলদের অন্তর্ভুক্ত পাবেন।” (সূরা সাফফাত ৩৭:১০২)



অতঃপর কাবা নির্মাণকালে পিতা-পুত্রের দু‘আর বরকতে প্রথমতঃ কাবা গৃহে যেমন হাজার হাজার বছর ধরে চলছে তাওয়াফ ও সালাত এবং হাজ্জ ও ওমরাহ, তেমনি নেমেছে ঈমানদার মানুষের ঢল। দ্বিতীয়তঃ সেখানে সারা পৃথিবী থেকে সর্বদা আমদানী হচ্ছে ফল-ফলাদীর বিপুল সম্ভার। তাঁদের দু‘আর তৃতীয় অংশ মক্কার জনপদে নাবী প্রেরণের বিষয়টি বাস্তবায়িত হয় তাঁদের মৃত্যুর প্রায় আড়াই হাজার বছর পরে ইসমাঈলের বংশে শেষনাবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আবির্ভাবের মাধ্যমে।



তাঁর এ সকল কাজের জন্য আল্লাহ তা‘আলার নিকট সন্তোষজনক পাত্র ছিলেন। আর তিনি ছিলেন একজন নাবী ও রাসূল। সুতরাং আমাদেরও উচিত ইসমাঈল (عليه السلام)-এর ন্যায় নিজ পরিবারকে সালাতসহ অন্যান্য সৎ কাজের প্রতি উৎসাহিত করা।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:



১. ওয়াদা করলে তা পূর্ণ করতে হবে। ভঙ্গ করা যাবে না।

২. নিজে আল্লাহ তা‘আলার ইবাদত করতে হবে এবং পরিবারসহ মানুষকে আল্লাহ তা‘আলার ইবাদত করার দিকে আহ্বান করতে হবে।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ৫১-৫৩ নং আয়াতের তাফসীর:

স্বীয় খলীলের (আঃ) বর্ণনার পর আল্লাহর স্বীয় কালীমের (অর্থাৎ মূসা কালীমুল্লাহর (আঃ) বর্ণনা শুরু করলেন।

(আরবী) এর দ্বিতীয় পঠন (আরবী) ও রয়েছে। অর্থাৎ হযরত মূসা (আঃ)। আন্তরিকতার সাথে আল্লাহর ইবাদতকারী ছিলেন।

বর্ণিত আছে যে, হযরত ঈসাকে (আঃ) তাঁর অনুসারী হাওয়ারীরা প্রশ্ন করেছিলঃ “(হে রূহুল্লাহ (আঃ)! বলুন তো, ‘মুখলিস' ব্যক্তি কে?` উত্তরে তিনি বলেছিলেনঃ “যে শুধু মাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে আমল করে। লোকে তার প্রশংসা করুক এটা তার উদ্দেশ্য থাকে না।` অন্য কিরআত (আরবী) রয়েছে। অর্থাৎ হযরত মূসা (আঃ) আল্লাহ তাআলার মনোনীত ও নির্বাচিত বান্দা ছিলেন। যেমন মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমি তোমাকে লোকদের উপর মনোনীত করেছি।”(৭:১৪৪) হযরত মূসা (আঃ) আল্লাহ তাআলার নবী ও রাসূল ছিলেন। পাঁচজন বড় মর্যাদাসম্পন্ন ও স্থির প্রতিজ্ঞ রাসূলদের মধ্যে তিনি ছিলেন একজন। অর্থাৎ নূহ (আঃ), ইবরাহীম (আঃ), মূসা (আঃ), ঈসা (আঃ) এবং মুহাম্মদ (সঃ)। তাদের উপর এবং অন্যান্য সমস্ত ব্বীর উপর আল্লাহর দুরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক।

মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ তাকে আমি আহবান করেছিলাম তুর পর্বতের দক্ষিণ দিক হতে এবং আমি গূঢ়তত্ত্ব আলোচনারত অবস্থায় তাকে নিকটবর্তী করেছিলাম। এটা ঐ সময়ের ঘটনা, যখন তিনি আগুনের সন্ধানে বের হয়ে তূর পাহাড়ের দিকে আগুন দেখতে পান এবং সেই দিকে অগ্রসর হন। হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) প্রভৃতি গুরুজন বলেনঃ তিনি এতো নিকটবর্তী হন যে, কলমের শব্দ শুনতে পান। এর দ্বারা তাওরাত লিখার কলমকে বুঝানো হয়েছে। সুদ্দী (রঃ) বলেন যে, তিনি আকাশে যান এবং আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলার সাথে কথা বলেন। বর্ণিত আছে যে, তার সাথে আল্লাহ তাআলার যে সব কথোপকথন হয়েছিল তার মধ্যে এটাও ছিলঃ “হে মূসা (আঃ)! যখন আমি তোমার অন্তরকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারী ও তোমার যবানকে আমার স্মরণকারী বানিয়ে দেবো, আর তোমাকে এমন স্ত্রী দান করবো যে পুণ্যের কাজে তোমার সহায়িকা হয়, তখন তুমি জানবে যে, তোমাকে আমি কোন কল্যাণই দান করতে ছাড়ি নাই। আর যাকে একটি জিনিস দান করি না, সে যেন মনে করে নেয় যে, তাকে আমি কোন কল্যাণই দান করি নাই। মহান আল্লাহ বলেনঃ আমি মূসার (আঃ) উপর আর একটি অনুগ্রহ এই করেছিলাম যে, তার ভাই হারূণকে (আঃ) নবী করে তার সাহায্যার্থে তার সঙ্গী করেছিলাম। এটা সে আকাংখাও করেছিল ও প্রার্থনা জানিয়েছিল। যেমন মহান আল্লাহ তাঁর প্রার্থনার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমার ভ্রাতা হারূণ (আঃ) আমা অপেক্ষা বাগ্মী; অতএব, তাকে আমার সাহায্যকারীরূপে প্রেরণ করুন!” (২৮:৩৪) অন্য আয়াতে রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “হে মূসা (আঃ)! তোমার প্রার্থনা কবূল করা হলো।` (২০:৩৬) তার দু’আর শব্দ (আরবী) (২৬:১৩) এরূপও রয়েছে। অর্থাৎ “হারূণকেও (আঃ) রাসল বানিয়ে দিন।` বর্ণিত আছে যে, এর চেয়ে বড় প্রার্থনা এবং এরচেয়ে বড় সুপারিশ দুনিয়ায় কেউই কারো জন্যে করে নাই। হযরত হারূণ (আঃ) হযরত মূসার (আঃ) চেয়ে বড় ছিলেন। তাঁদের উভয়ের উপর আল্লাহর দুরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক।





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।