আল কুরআন


সূরা মারইয়াম (আয়াত: 49)

সূরা মারইয়াম (আয়াত: 49)



হরকত ছাড়া:

فلما اعتزلهم وما يعبدون من دون الله وهبنا له إسحاق ويعقوب وكلا جعلنا نبيا ﴿٤٩﴾




হরকত সহ:

فَلَمَّا اعْتَزَلَهُمْ وَ مَا یَعْبُدُوْنَ مِنْ دُوْنِ اللّٰهِ ۙ وَهَبْنَا لَهٗۤ اِسْحٰقَ وَ یَعْقُوْبَ ؕ وَ کُلًّا جَعَلْنَا نَبِیًّا ﴿۴۹﴾




উচ্চারণ: ফালাম্মা‘ তাযালাহুম ওয়ামা-ইয়া‘বুদূ না মিন দূ নিল্লা-হি ওয়াহাবনা-লাহূইছহা-কা ওয়া ইয়া‘কূবা ওয়া কুল্লান জা‘আলনা-নাবিইইয়া-।




আল বায়ান: অতঃপর যখন সে তাদেরকে এবং আল্লাহ ছাড়া যাদের তারা ইবাদাত করত তাদের সবাইকে পরিত্যাগ করল, তখন আমি তাকে দান করলাম ইসহাক ও ইয়া‘কূব এবং তাদের প্রত্যেককে নবী করলাম।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৪৯. অতঃপর তিনি যখন তাদের থেকে ও তারা আল্লাহ ছাড়া যাদের ইবাদাত করত সেসব থেকে পৃথক হয়ে গেলেন, তখন আমরা তাকে দান করলাম ইসহাক ও ইয়াকুব এবং প্রত্যেককে নবী করলাম।(১)




তাইসীরুল ক্বুরআন: অতঃপর সে যখন তাদেরকে আর তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদের ‘ইবাদাত করত তাদেরকে পরিত্যাগ করল, তখন আমি তাকে দান করলাম ইসহাক্ব আর ইয়া‘কূব আর তাদের প্রত্যেককে নবী করলাম।




আহসানুল বায়ান: (৪৯) অতঃপর সে যখন তাদের হতে ও তারা আল্লাহ ব্যতীত যাদের উপাসনা করত সেই সব হতে পৃথক হয়ে গেল, তখন আমি তাকে দান করলাম ইসহাক ও ইয়াকূব[1] এবং প্রত্যেককে নবী করলাম।



মুজিবুর রহমান: অতঃপর সে যখন তাদের থেকে এবং তারা আল্লাহ ব্যতীত যাদের ইবাদাত করত সেই সব হতে পৃথক হয়ে গেল তখন আমি তাকে দান করলাম ইসহাক ও ইয়াকূব এবং প্রত্যেককে নাবী করলাম।



ফযলুর রহমান: অতঃপর সে যখন তাদের থেকে এবং তারা আল্লাহকে ছাড়া যাদের উপাসনা করছিল তাদের থেকে পৃথক হয়ে গেল তখন আমি তার জন্য ইসহাক ও ইয়াকূবকে দান করলাম। আমি (এদের) প্রত্যেককে নবীও করেছিলাম।



মুহিউদ্দিন খান: অতঃপর তিনি যখন তাদেরকে এবং তার আল্লাহ ব্যতীত যাদের এবাদত করত, তাদের সবাইকে পরিত্যাগ করলেন, তখন আমি তাকে দান করলাম ইসহাক ও ইয়াকুব এবং প্রত্যেককে নবী করলাম।



জহুরুল হক: তারপর যখন তিনি সরে গেলেন তাদের থেকে ও আল্লাহ্‌কে ছেড়ে দিয়ে তারা যাদের ডাকত ওদের থেকে, আমরা তাঁকে দিয়েছিলাম ইসহাককে ও ইয়াকুবকে। আর আমরা প্রত্যেককেই বানিয়েছিলাম নবী।



Sahih International: So when he had left them and those they worshipped other than Allah, We gave him Isaac and Jacob, and each [of them] We made a prophet.



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ৪৯. অতঃপর তিনি যখন তাদের থেকে ও তারা আল্লাহ ছাড়া যাদের ইবাদাত করত সেসব থেকে পৃথক হয়ে গেলেন, তখন আমরা তাকে দান করলাম ইসহাক ও ইয়াকুব এবং প্রত্যেককে নবী করলাম।(১)


তাফসীর:

(১) পূৰ্ববতী বাক্যে ইবরাহীম আলাইহিস সালাম এর উক্তি বর্ণিত হয়েছে যে, আমি আশা করি, আমার পালনকতার কাছে দোআ করে আমি বঞ্চিত ও বিফল মনোরথ হব না। বাহ্যতঃ এখানে গৃহ ও পরিবারবর্গ ত্যাগ করার পর নিঃসঙ্গতার আতঙ্ক ইত্যাদি থেকে আত্মরক্ষার দোআ বোঝানো হয়েছিল। আলোচ্য বাক্যে এই দোআ কবুল করার কথা বর্ণনা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে যে, ইবরাহীম আলাইহিস সালাম যখন আল্লাহর জন্য নিজ গৃহ, পরিবারবর্গ ও তাদের দেব-দেবীকে পরিহার করলেন, তখন আল্লাহ তা'আলা। তাকে পুত্র ইসহাক দান করলেন। এই পুত্র যে দীর্ঘায়ু ও সন্তানের পিতা হয়েছিলেন তাও ইয়াকুব (পৌত্র) শব্দ যোগ করে বর্ণনা করে দেয়া হয়েছে। পুত্ৰ দান থেকে বোঝা যায় যে, ইতিপূর্বে ইবরাহীম আলাইহিস সালাম বিবাহ করেছিলেন। কাজেই আয়াতের সারমর্ম এই দাঁড়াল যে আল্লাহ তা'আলা তাকে পিতার পরিবারের চাইতে উত্তম একটি স্বতন্ত্র পরিবার দান করলেন, যা নবী ও সৎকর্মপরায়ণ মহাপুরুষদের সমন্বয়ে গঠিত ছিল। [দেখুন, ইবন কাসীর, ফাতহুল কাদীর]


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (৪৯) অতঃপর সে যখন তাদের হতে ও তারা আল্লাহ ব্যতীত যাদের উপাসনা করত সেই সব হতে পৃথক হয়ে গেল, তখন আমি তাকে দান করলাম ইসহাক ও ইয়াকূব[1] এবং প্রত্যেককে নবী করলাম।


তাফসীর:

[1] ইয়াকূব (আঃ) ইসহাক (আঃ)-এর পুত্র এবং ইবরাহীম (আঃ)-এর পৌত্র ছিলেন। আল্লাহ তাআলা তাঁর উল্লেখও পুত্রের সাথে পুত্রের মতই করেছেন। তাৎপর্য্য এই যে, যখন ইবরাহীম আল্লাহর একত্ববাদের খাতিরে নিজ পিতা, ঘর ও প্রিয় জন্মভূমি ত্যাগ করে পবিত্র ভূমির দিকে হিজরত করল, তখন আমি তাকে ইসহাক ও ইয়াকূব প্রদান করলাম; যাতে তাদের স্নেহ-ভালবাসা পিতাকে ছেড়ে আসার শোককে ভুলিয়ে দেয়।


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ৪১-৫০ নং আয়াতের তাফসীর:



উক্ত আয়াতগুলোতে আল্লাহ তা‘আলা ইবরাহীম (عليه السلام) তাঁর মূর্তিপূজক বাবাকে যেভাবে তাওহীদের প্রতি আহ্বান করেছিলেন সে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।



আল্লাহ তা‘আলা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে নির্দেশ দিচ্ছেন, তিনি যেন তার উম্মাতের নিকট ইবরাহীম (عليه السلام)-এর দৃষ্টান্ত পেশ করেন। তিনি ছিলেন একজন সত্যবাদী নাবী। صِدِّيْقًا শব্দটি صدق থেকে উ™ূ¢ত, অর্থ হল অত্যন্ত বা পরম সত্যবাদী। যিনি কথায় ও কাজে কোন বিপরীত করেন না। সর্বদা সত্য কথা বলেন।



ইবরাহীম (عليه السلام) তাঁর পিতাকে মূর্তিপূজো করার কারণে কোন কর্কশ ভাষা ব্যবহার করেননি; বরং নম্র ভাষায় বললেন, হে আমার পিতা! আপনি কেন এমন কিছুর ইবাদত করেন, যে কোন কিছু শোনে না, দেখে না বরং কোন উপকারও করতে পারে না। যেমন অন্যত্র আল্লাহ তা‘আলা ইবরাহীম (عليه السلام) এর কথা তুলে ধরে বলেন: (إِذْ قَالَ لِأَبِيْهِ وَقَوْمِه۪ مَا تَعْبُدُوْنَ)‏ “সে যখন তার পিতা ও তার সম্প্রদায়কে বলেছিল, ‘তোমরা কিসের ইবাদত কর‎?’’ (সূরা শুয়ারা ২৬:৭০)



তিনি আরো বললেন, হে আমার পিতা! আমার কাছে এমন জ্ঞান এসেছে যা আপনার কাছে আসেনি। অতএব আপনি আমার অনুসরণ করুন। আমি আপনাকে সঠিক পথ প্রদর্শন করব। অতঃপর তিনি বললেন: হে আমার পিতা! শয়তানের ইবাদত করবেন না। শয়তান দয়াময় আল্লাহ তা‘আলার অবাধ্য; তাই তার আনুগত্য করে কেউ মুক্তি পাবে না।



আল্লাহ তা‘আলার বাণী:



(اَلَمْ اَعْھَدْ اِلَیْکُمْ یٰبَنِیْٓ اٰدَمَ اَنْ لَّا تَعْبُدُوا الشَّیْطٰنَﺆ اِنَّھ۫ لَکُمْ عَدُوٌّ مُّبِیْنٌ)



“আমি কি তোমাদেরকে নির্দেশ দেইনি হে বানী আদম! তোমরা শয়তানের ইবাদত কর না, সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্র“।” (সূরা ইয়াসীন ৩৬:৬০)



এরপর ইবরাহীম (عليه السلام) আবার তাঁর পিতাকে বললেন: হে আমার পিতা! আমি আশংকা করছি যে, আপনি যদি এ শির্ক করা অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন তাহলে আল্লাহ তা‘আলার শাস্তি আপনাকে স্পর্শ করবে, ফলে আপনি শয়তানের বন্ধু হয়ে যাবেন। অতএব আপনি সতর্ক হোন।



ইবরাহীম (عليه السلام)-এর এ দাওয়াতে পিতা উত্তর দিল, হে ইবরাহীম! তুমি কি আমার মা‘বূদ হতে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছ। যদি তুমি তোমার এরূপ কাজ থেকে নিবৃত্ত না হও তাহলে আমি অবশ্যই পাথর মেরে তোমাকে শেষ করে দেব। অতএব তুমি আমার সম্মুখ হতে চিরতরের জন্য দূর হয়ে যাও। পৃথিবীতে এর চেয়ে কষ্ট আর কী হতে পারে যেখানে ছেলে বাবাকে কল্যাণ ও মুক্তির দিকে আহ্বান করছে সেখানে নিজের সন্তানকে বাবা হত্যা করার হুমকি দিচ্ছে। ইবরাহীম (عليه السلام) তাঁর পিতার এ ধরণের কথা শুনেও রাগান্বিত হননি এবং আল্লাহ তা‘আলার গযব কামনা করেননি, বরং তিনি আরো নম্রভাবে বললেন: আপনার প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক।



এ সালাম বলতে মুসলিম ব্যক্তি অপর মুসলিমদের দেখে যে সালাম দেয় তা উদ্দেশ্য নয়, বরং কারো সাথে বা অজ্ঞ ব্যক্তিদের সাথে কথা-কাটাকাটি হলে সুন্দর করে বিদায় জানানো। যেমন সূরা ফুরকানের ৬৩ নং আয়াতে বলা হয়েছে।



(سَأَسْتَغْفِرُ لَكَ رَبِّيْ)



‘আমি আমার প্রতিপালকের নিকট আপনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করব’ ইবরাহীম (عليه السلام) এর এ ক্ষমা প্রার্থনা ঐ সময় ছিল যখন মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা নিষেধ হওয়া সম্পর্কে জ্ঞান ছিল না। অতঃপর যখন তিনি জানতে পারলেন তখন সম্পর্ক ছিন্ন করে ফেললেন। যেমন আল্লাহ তা‘আলা সূরা তাওবার ১১৪ নং আয়াতে উল্লেখ করেছেন।



আমি আমার পালনকর্তার নিকট আপনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করব। নিশ্চয়ই তিনি আমার প্রতি দয়াবান। আর আমি পরিত্যাগ করছি আপনাদেরকে এবং আল্লাহ তা‘আলাকে ব্যতীত আপনারা যার ইবাদত করে থাকেন তাদেরকেও। আমি আমার পালনকর্তাকে আহ্বান করব। আমি আমার পালনকর্তাকে আহ্বান করে বঞ্চিত হব না।



অর্থাৎ যখন ইবরাহীম (عليه السلام) পিতা, স্বজন ও স্বদেশ ছেড়ে চলে এলেন তখন আল্লাহ তা‘আলা তাকে ইসহাক ও ইয়াকুব (عليه السلام)-কে দান করলেন। যাতে তাদের আদর-স্নেহে পিতাকে ছেড়ে আসার শোক ভুলে থাকতে পারেন।



সুতরাং একজন আল্লাহ তা‘আলার পথে আহ্বানকারী কাফির-মুশরিকদের আহ্বান করবেন শালীন ভাষায় ও নম্র-ভদ্র আচরণে।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:



১. আল্লাহ তা‘আলাকে ব্যতীত অন্য কোন বাতিল মা‘বূদের ইবাদত করা যাবে না।

২. দীনের তাবলীগ করতে হবে এবং সেক্ষেত্রে ধৈর্যধারণ করতে হবে। অধৈর্য হলে চলবে না।

৩. মানুষকে নম্রভাষায় দাওয়াত দিতে হবে। যেমন ইবরাহীম (عليه السلام) তাঁর পিতাকে দিয়েছেন।

৪. মানুষ দাওয়াত গ্রহণ না করলে তার সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হওয়া যাবে না। বরং তার জন্য আল্লাহ তা‘আলার কাছে দু‘আ করতে হবে তাকে হিদায়াত দান করার জন্য।

৫. হিদায়াতের মালিক একমাত্র আল্লাহ তা‘আলা।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ৪৯-৫০ নং আয়াতের তাফসীর:

আল্লাহ তাআলা বলছেন যে, হযরত ইবরাহীম খলীল (আঃ) পিতামতা, আত্মীয় স্বজন, দেশ ও গোত্রকে আল্লাহর দ্বীনের উপর উৎসর্গ করেছিলেন। এই সব থেকে তিনি পৃথক হয়ে গিয়েছিলেন। তিনি নিজেকে তাদের থেকে মুক্ত ও পৃথক বলে ঘোষণা করেন। ফলে আল্লাহ তাআলা তাঁকে দান করেন ইসহাককে (আঃ) এবং ইসহাককে (আঃ) দান করেন ইয়াকূবকে (আঃ)। যেমন মহান আল্লাহ বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “তিনি ইয়াকূবকে (আঃ) অতিরিক্ত রূপে দান করেন।” (২১৪ ৭২) আর একটি আয়াতে আছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “ইসহাকের (আঃ) পিছনে ইয়াকূবকে (আঃ) দান করেন।” (১১:৭১) সুতরাং হযরত ইসহাক (আঃ) ছিলেন হযরত ইয়াকুবের (আঃ) পিতা। যেমন সূরায়ে বাকারায় রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “তোমরা কি হাজির ছিলে যখন ইয়াকূবের (আঃ) মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয়। তখন সে তার পুত্রদেরকে বলেঃ আমার পরে তোমরা কার ইবাদত করবে? উত্তরে তারা বলেঃ আমরা ইবাদত করবো আপনার মাবুদের এবং আপনার পিতৃ পুরুষ ইবরাহীম (আঃ), ইসমাঈল (আঃ) এবং ইসহাকের (আঃ) মাবুদের।” (২:১৩৩) সুতরাং এখানে ভাবার্থ হচ্ছেঃ আমি তার বংশক্রম চালু রেখেছি। তাকে আমি পুত্র দান করেছি এবং পুত্রকে পুত্র দান করেছি এবং এভাবে তার চক্ষু ঠাণ্ডা রেখেছি। এটা স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান যে, হযরত ইয়াকুবের (আঃ) পর তাঁর পুত্র হযরত ইউসুফ (আঃ) নবী হন। এখানে তার কথা উল্লেখ করা হয় নাই। কেননা, হযরত ইউসুফের (আঃ) নুবওয়াতের সময় হযরত ইবরাহীম (আঃ) জীবিত ছিলেন না। এই দুজন অর্থাৎ হযরত ইসহাক (আঃ) ও হযরত ইয়াকুবের (আঃ) নুবওয়াত তার জীবদ্দশায় তাঁর সামনেই ছিল। এই জন্যেই এই অনুগ্রহের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। রাসূলুল্লাহকে (সঃ) প্রশ্ন করা হয়েছিলঃ “সর্বাপেক্ষা উত্তম ব্যক্তি কে? উত্তরে তিনি বলেছিলেনঃ “আল্লাহর নবী ইউসুফ (আঃ), তার পিতা আল্লাহর নবী ইয়াকূব (আঃ), তার পিতা আল্লাহর নবী ইসহাক (আঃ) এবং তাঁর পিতা আল্লাহর নবী ও খলীল ইবরাহীম (আঃ)।” অন্য শব্দে রয়েছেঃ “কারীম ইবনু কারীম, ইবনু কারীম, ইবনু কারীম ইউসুফ ইবনু ইয়াকূব, ইবনু ইসহাক, ইবনু ইবরাহীম। (সবারই উপর শান্তি বর্ষিত হোক)।”

মহান আল্লাহ বলেনঃ তাদেরকে আমি দান করলাম আমার অনুগ্রহ এবং তাদেরকে দিলাম সমুচ্চ খ্যাতি। সারা দুনিয়াবাসী আজ তাদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তাঁদের সবারই উপর আল্লাহর দুরূদও সালাম বর্ষিত হোক।





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।