আল কুরআন


সূরা আন-নাহাল (আয়াত: 9)

সূরা আন-নাহাল (আয়াত: 9)



হরকত ছাড়া:

وعلى الله قصد السبيل ومنها جائر ولو شاء لهداكم أجمعين ﴿٩﴾




হরকত সহ:

وَ عَلَی اللّٰهِ قَصْدُ السَّبِیْلِ وَ مِنْهَا جَآئِرٌ ؕ وَ لَوْ شَآءَ لَهَدٰىکُمْ اَجْمَعِیْنَ ﴿۹﴾




উচ্চারণ: ওয়া ‘আলাল্লা-হি কাসদুছছাবীলি ওয়া মিনহা-জাইরুওঁ ওয়া লাও শাআ লাহাদা-কুম আজমা‘ঈন।




আল বায়ান: আর সঠিক পথ বাতলে দেয়া আল্লাহর দায়িত্ব, এবং পথের মধ্যে কিছু আছে বক্র। আর তিনি যদি ইচ্ছা করতেন তবে তোমাদের সকলকে হিদায়াত করতেন।




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৯. আর সরল পথ আল্লাহর কাছে পৌছায়(১), কিন্তু পথগুলোর মধ্যে বাঁকা পথও আছে(২)। আর তিনি ইচ্ছে করলে তোমাদের সবাইকেই সৎপথে পরিচালিত করতেন।




তাইসীরুল ক্বুরআন: আল্লাহরই দায়িত্বে রয়েছে সরল পথপ্রদর্শন। পথগুলোর মধ্যে বাঁকা পথও আছে। তিনি যদি ইচ্ছে করতেন তাহলে অবশ্যই তোমাদের সকলকেই সঠিক পথ প্রদর্শন করতেন।




আহসানুল বায়ান: (৯) সরল পথের নির্দেশ করা আল্লাহর দায়িত্ব।[1] আর পথগুলির মধ্যে বক্রপথও আছে; তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদের সকলকেই সৎপথে পরিচালিত করতেন। [2]



মুজিবুর রহমান: সরল পথ আল্লাহর কাছে পৌঁছায়, কিন্তু পথগুলির মধ্যে বক্র পথও রয়েছে। তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদের সকলকেই সৎ পথে পরিচালিত করতেন।



ফযলুর রহমান: সরল পথ দেখানো আল্লাহর দায়িত্ব; তবে পথের মধ্যে বাঁকা পথও আছে। আর তিনি যদি ইচ্ছা করতেন তাহলে অবশ্যই তোমাদের সকলকে সৎপথ দেখাতেন।



মুহিউদ্দিন খান: সরল পথ আল্লাহ পর্যন্ত পৌছে এবং পথগুলোর মধ্যে কিছু বক্র পথও রয়েছে। তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদের সবাইকে সৎপথে পরিচালিত করতে পারতেন।



জহুরুল হক: আর আল্লাহ্‌র উপরেই রয়েছে সরলপথ, আর তাদের কতক হচ্ছে বাঁকা। আর তিনি যদি ইচ্ছা করতেন তবে তিনি তোমাদের সকলকেই সৎপথে পরিচালিত করতে পারতেন।



Sahih International: And upon Allah is the direction of the [right] way, and among the various paths are those deviating. And if He willed, He could have guided you all.



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ৯. আর সরল পথ আল্লাহর কাছে পৌছায়(১), কিন্তু পথগুলোর মধ্যে বাঁকা পথও আছে(২)। আর তিনি ইচ্ছে করলে তোমাদের সবাইকেই সৎপথে পরিচালিত করতেন।


তাফসীর:

(১) (قَصْدُ السَّبِيلِ) শব্দের অর্থঃ সরল পথ, মধ্যম পথ। এমন পথ যা উদ্দেশ্যে পৌছে দেয়। [কুরতুবী] এর দ্বারা এখানে ইসলাম, হক্ক পথ বুঝানো হয়েছে। [কুরতুবী] পূর্ববর্তী আয়াতসমূহে দুনিয়ার বাহ্যিক পথসমূহের বর্ণনার পর এ আয়াতে দ্বীনি পথের কথা আলোচনা করা হচ্ছে। দুনিয়াতে যেমন চলার পথ আল্লাহর সৃষ্টি তেমনি আখেরাতের পথে কিভাবে চলতে হবে তাও মহান আল্লাহ শিখিয়ে দিচ্ছেন। তিনি জানাচ্ছেন যে, হক পথ হচ্ছে সেটিই যা আল্লাহর কাছে পৌছায়। [ইবন কাসীর] অন্য আয়াতেও এসেছে, “আল্লাহ বললেন, এটাই আমার কাছে পৌছার সরল পথ।” [সূরা আল হিজর: ৪১] আরও বলেন, “আর এ পথই আমার সরল পথ।

কাজেই তোমরা এর অনুসরণ কর এবং বিভিন্ন পথ অনুসরণ করবে না, করলে তা তোমাদেরকে তার পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করবে। [সূরা আল-আনআমঃ ১৫৩]। অথবা আয়াতের অর্থ, হক পথ বর্ণনা করা আল্লাহর যিম্মায়। তিনি সেটা রাসূল, দলীল-প্রমাণাদির মাধ্যমে বর্ণনা করেন। [কুরতুবী: মুয়াসসার, আত-তাফসীরুস সহীহ] দুনিয়াতে যেমন অনেক পথ আছে কিন্তু সব পথই গন্তব্যস্থানে পৌছাতে পারে না শুধু সে পথই সঠিক গন্তব্যে পৌছাবে যে পথের সন্ধানদাতা সে পথ সম্পর্কে সম্যক জ্ঞাত, তেমনিভাবে দ্বীনি ব্যাপারেও অনেকে অনেক পথের দিকে আহবান জানাবে কিন্তু আল্লাহ্ তা'আলার প্রদর্শিত পথ ছাড়া অপরাপর কোন পথই সঠিক গন্তব্যে পৌছাতে সহযোগিতা করতে পারবে না। [সা’দী]


(২) তাওহীদ, রহমত ও রবুবীয়াতের যুক্তি পেশ করতে গিয়ে এখানে ইঙ্গিতে নবুওয়াতের পক্ষেও একটি যুক্তি পেশ করা হয়েছে। এ যুক্তির সংক্ষিপ্তসার হচ্ছেঃ দুনিয়ায় মানুষের জন্য চিন্তা ও কর্মের অনেকগুলো ভিন্ন ভিন্ন পথ থাকা সম্ভব এবং কার্যত আছেও। যেমন, ইয়াহুদীবাদ, নাসারাবাদ, মজুসীবাদ ইত্যাদি। [ইবন কাসীর] এসব পথ তো আর একই সংগে সত্য হতে পারে না। সত্য একটিই বাকীগুলো সঠিক পথ নয়। বরং বাঁকা পথ। সেগুলো দ্বারা আল্লাহর কাছে পৌছা যায় না। আর এসব পথে মানুষ হিদায়াতও পায় না। এসব পথে চলে হক পথে আসাও সম্ভব হয় না। [কুরতুবী]


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (৯) সরল পথের নির্দেশ করা আল্লাহর দায়িত্ব।[1] আর পথগুলির মধ্যে বক্রপথও আছে; তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদের সকলকেই সৎপথে পরিচালিত করতেন। [2]


তাফসীর:

[1] অর্থাৎ, সরল পথ প্রদর্শন করা আল্লাহর দায়িত্ব এবং তিনি তা করেছেন। সুতরাং তিনি হিদায়াত ও ভ্রষ্টতা দু’টিকেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন। সেই কারণে পরে বলছেন যে, কিছু পথ হল বক্র, অর্থাৎ বাঁকা ও ভ্রষ্ট।

[2] কিন্তু যেহেতু তাতে মানুষকে বাধ্য করে দেওয়া হত, পরীক্ষা নেওয়ার কোন অর্থ থাকত না, সেই কারণে আল্লাহ নিজ ইচ্ছায় সকলকে বাধ্য করেননি, বরং দুই রাস্তার জ্ঞানদান করে মানুষকে ইচ্ছার স্বাধীনতা দান করেছেন।


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ৯ নং আয়াতের তাফসীর:



এখানে قَصْدُ السَّبِيْلِ বলতে সিরাতুল মুসতাকিম বা সরল পথকে বুঝানো হয়েছে। যাতে কোন প্রকার বক্রতা নেই। যে পথে চললে আল্লাহ তা‘আলার সাক্ষাত পাওয়া যাবে।



আল্লাহ তা‘আলা বলেন:



(وَأَنَّ هٰذَا صِرَاطِيْ مُسْتَقِيْمًا فَاتَّبِعُوْهُ ج وَلَا تَتَّبِعُوا السُّبُلَ فَتَفَرَّقَ بِكُمْ عَنْ سَبِيْلِه۪)



“আর নিশ্চয়ই এ পথই আমার সহজ-সরল পথ। সুতরাং তোমরা এরই অনুসরণ করবে এবং বিভিন্ন পথ অনুসরণ করবে না, করলে তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে।” (সূরা আনয়াম ৬:১৫৩)



আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন:



(وَأَنِ اعْبُدُوْنِيْ هٰذَا صِرَاطٌ مُّسْتَقِيْمٌ)



“আর আমারই ইবাদত কর, এটাই সরল-সঠিক পথ।” (সূরা ইয়াসিন ৩৬:৬১)



আল্লাহ তা‘আলার দায়িত্ব হল সরল সঠিক পথের দিশা দেয়া এবং তিনি তা করেছেন। সরল সঠিক পথের দিশা দেয়ার সাথে সাথে একথাও বলে দিয়েছেন যে, সরল পথের পথিমধ্যে কিছু বক্র পথও রয়েছে, যে পথে চললে সে আল্লাহ তা‘আলার রহমত থেকে দূরে সরে যাবে। সে পথে চললে গোমরাহ হয়ে যাবে। সাহাবী জাবের বিন আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলছেন একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি সরল রেখা টানলেন, আর ডান দিকে দুটি রেখা টানলেন ও বাম দিকে দুটি রেখা টানলেন। তারপর মাঝের সরল রেখার ওপর হাত রেখে বললেন: এটা হল আল্লাহ তা‘আলার পথ। (ইবনু মাযাহ হা: ১১, সহীহ)



আল্লাহ তা‘আলা উভয় পথেরই বর্ণনা দিয়ে সিরাতে মুসতাকিম তথা সরল সঠিক পথে চলার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু আল্লাহ তা‘আলা মানুষকে কোন পথে চলতে বাধ্য করে দেননি। যদি বাধ্য করে দেয়া হত তাহলে পরীক্ষা নেয়ার কোনই প্রয়োজন ছিল না। সুতরাং সঠিক ও ভুল পথের বর্ণনা দেয়ার পর আল্লাহ তা‘আলা সঠিক পথে চলার নির্দেশ দিয়ে উক্ত পথে চলার ফলাফল বর্ণনা করে দিয়েছেন যাতে হাতে-নাতে শিক্ষা দেয়ার জন্য মানুষ আল্লাহ তা‘আলাকে দোষারোপ করতে না পারে। তাছাড়া আল্লাহ তা‘আলা পথপ্রদর্শক হিসেবে যুগে যুগে নাবী-রাসূল পাঠিয়েছেন।



আল্লাহ তা‘আলার বাণী: “যারা সৎ পথ অবলম্বন করবে তারা নিজেদেরই মঙ্গলের জন্য সৎ পথ অবলম্বন করবে এবং যারা পথভ্রষ্ট হবে তারা পথভ্রষ্ট হবে নিজেদেরই ধ্বংসের জন্য এবং কেউ অন্য কারো (পাপের) ভার বহন করবে না। আমি রাসূল না পাঠান পর্যন্ত‎ কাউকেও শাস্তি‎ দেই না।” (সূরা ইসরা ১৭:১৫)



সুতরাং কেউ যদি পথভ্রষ্ট হয় তাহলে আল্লাহকে দোষারোপ করার সুযোগ নেই। কারণ তিনি সব কিছু বিস্তারিত বর্ণনা করে দিয়ে যুগে যুগে নাবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন, আর কেউ হিদায়াত প্রাপ্ত হলে তা আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া।



(وَلَوْ شَا۬ءَ لَهَدَاكُمْ أَجْمَعِيْنَ)



আল্লাহ তা‘আলা বলেন যে, তিনি চাইলে সকলকে হেদায়েত দান করতে পারতেন। এর দ্বারা কোন মানুষ এমনটি বলতে পারবে না যে, আল্লাহ তা‘আলা চাননি তাই আমি হিদায়াত পাইনি। তাই আল্লাহ তা‘আলার কারণে আমাকে জাহান্নামে যেতে হলে সেখানে আমার কোন হাত নেই। এটি ভুল, কারণ পূর্বেই বলা হয়েছে মানুষকে সৃষ্টি করার পর জ্ঞান-বুদ্ধি দিয়ে হিদায়াত ও গোমরাহ উভয় পথ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করার পর স্বাধীনতা দিয়েছেন, সে তার খুশি মত যে কোন রাস্তা বেছে নিতে পারবে। তবে কোন্ পথে চললে কী ফলাফল হবে তাও বর্ণনা করে দিয়েছেন। সুতরাং যারা খাল কেটে কুমির আনে তারা হিদায়াতের উপযুক্ত হতে পারে না।



আল্লাহ তা‘আলা বলেন:



(وَلَوْ شَا۬ءَ اللّٰهُ لَجَمَعَهُمْ عَلَي الْهُدٰي فَلَا تَكُوْنَنَّ مِنَ الْـجٰهِلِيْنَ)



“আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাদের সকলকে অবশ্যই সৎ পথে একত্র করতেন। সুতরাং তুমি মুর্খদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।” (সূরা আনয়াম ৬:৩৫)



অতএব মানুষ ইচ্ছা করে যে পথ বেছে নেবে সে ঐ পথেরই অনুসারী হবে। এতে কাউকে দোষারোপ করা যাবে না।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:



১. সরল ও বক্রপথ উভয়টা দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট করে দেয়া হয়েছে।

২. আল্লাহ তা‘আলা মানুষকে কোন কাজ করার ব্যাপারে বাধ্য করেন না।

৩. রাসূল প্রেরণ করার পূর্ব পর্যন্ত আল্লাহ তা‘আলা কোন জাতিকে শাস্তি দেন না।

৪. সরল-সঠিক পথ একটিই তা হল, কুরআন ও সহীহ সুন্নার অনুসরণ করা। কোন তরীকা, পথ-মত ও ব্যক্তির আদর্শ হতে পারে না।

৫. হিদায়েত দেয়ার একমাত্র মালিক আল্লাহ তা‘আলা, তবে আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে হিদায়াত দেন না যারা হিদায়াত গ্রহণ করার চেষ্টা করে না।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: আল্লাহ তাআ’লী পার্থিব পথ অতিক্রমের উপকরণাদি বর্ণনা করার পর পারলৌকিক পথ অতিক্রমের উপকারাদির পথের দিকে প্রত্যাবর্তন করেছেন। কুরআন কারীমের মধ্যে এ ধরনের অধিকাংশ বর্ণনা বিদ্যমান রয়েছে। হজ্জের নফরের পাথেয়ের বর্ণনা দেয়ার পর তাকওয়ার পাথেয়ের বর্ণনা দেয়া হয়েছে, যা পরকালে কাজে লাগবে। বাহ্যিক পোষাকের বর্ণনার পর তাকওয়ার পোষাকের উত্তমতার কথা বর্ণনা করা হয়েছে। অনুরূপভাবে এখানে চতুষ্পদ জন্তুগুলির মাধ্যমে দুনিয়ার কঠিন পথ ও দূর দূরান্তের সফর অতিক্রম করার কথা বর্ণনা করার পর আখেরাতের ও ধর্মীয় পথের বর্ণনা করছেন যে, সত্য পথ। আল্লাহ তাআলার সাথে মিলন ঘটিয়ে থাকে। মহান আল্লাহ বলেনঃ “প্রতিপালক আল্লাহর সরল সঠিক পথ এটাই। সুতরাং তোমরা এই পথেই চলো, অন্য পথে চলো না। অন্যথায় তোমরা পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে এবং সরল থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়বে। আমার কাছে পৌঁছবার সোজা পথ এটাই। আমি যে সরল সঠিক পথের কথা বলছি, সেটাই হচ্ছে দ্বীনে ইসলাম। এরই মাধ্যমে। তোমরা আমার কাছে পৌঁছতে পারবে। এটা আমি স্পষ্ট ভাবে ঘোষণা করে। দিলাম এবং এর সাথে সাথে আমি অন্যান্য পথগুলির ভ্রান্তির কথাও বর্ণনা করলাম। অতএব, সরল সঠিক পথ একটাই যা কিতাবুল্লাহ ও সুন্নাতে রাসূলিল্লাহ (সঃ) হতে প্রমাণিত হয়েছে। বাকী অন্যান্য পথগুলি হচ্ছে ভুল ও অন্যায় পথ এবং মানুষের নিজেদের দ্বারা আবিষ্কৃত পথ। যেমন ইয়াহূদিয়্যাত, নাসরানিয়্যাত, মাজুসিয়্যাত ইত্যাদি।”

এরপর ঘোষণা করা হচ্ছে যে, হিদায়াত হচ্ছে মহান প্রতিপালকের অধিকারের বিষয়। তিনি ইচ্ছে করলে দুনিয়ার সমস্ত মানুষকে সত্য পথে পরিচালিত করতে পারেন, পৃথিবীর সমস্ত অধিবাসীকে মুমিন বানিয়ে দিতে তিনি সক্ষম। তিনি চাইলে সমস্ত মানুষকে একই পথের পথিক করে দিতে পারেন। কিন্তু এই মতানৈক্য বাকী থেকেই যাবে।।

মহান আল্লাহ বলেনঃ “হে নবী (সঃ)! তোমার প্রতিপালকের কথা পূর্ণ হবেই। তা এই যে, জাহান্নাম ও জান্নাত দানব ও মানব দ্বারা পূর্ণ হবে।”





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।