সূরা আন-নাহাল (আয়াত: 47)
হরকত ছাড়া:
أو يأخذهم على تخوف فإن ربكم لرءوف رحيم ﴿٤٧﴾
হরকত সহ:
اَوْ یَاْخُذَهُمْ عَلٰی تَخَوُّفٍ ؕ فَاِنَّ رَبَّکُمْ لَرَءُوْفٌ رَّحِیْمٌ ﴿۴۷﴾
উচ্চারণ: আও ইয়া’খুযাহুম ‘আলা-তাখাওউফিন ফাইন্না রাব্বাকুম লারাঊফুর রাহীম।
আল বায়ান: কিংবা তিনি তাদেরকে ভীত অবস্থায় পাকড়াও করবেন না? নিশ্চয় তোমাদের রব অতিশয় দয়াশীল, পরম দয়ালু।
আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৪৭. অথবা তাদেরকে তিনি ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় পাকড়াও করবেন না? নিশ্চয় তোমাদের রব অতি দয়াদ্র, পরম দয়ালু।(১)
তাইসীরুল ক্বুরআন: অথবা তিনি তাদেরকে পাকড়াও করবেন না যখন তারা আসন্ন মুসীবাতের চিন্তায় ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে থাকবে, (আসল কথা হল আল্লাহ মানুষকে খুবই অবকাশ দিয়ে থাকেন) কেননা তোমাদের প্রতিপালক অবশ্যই অতি দয়ার্দ্র, বড়ই দয়ালু।
আহসানুল বায়ান: (৪৭) অথবা তাদেরকে তিনি ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় পাকড়াও করবেন না?[1] তোমাদের প্রতিপালক তো অবশ্যই অত্যন্ত স্নেহশীল, পরম দয়ালু। [2]
মুজিবুর রহমান: অথবা তাদেরকে তিনি ভীত সন্ত্রস্ত অবস্থায় পাকড়াও করবেননা? তোমাদের রাব্বতো অবশ্যই ক্ষমাকারী, পরম দয়ালু।
ফযলুর রহমান: কিংবা (তারা কি এ ভয় থেকে মুক্ত যে,) ভীত অবস্থায় তিনি তাদেরকে পাকড়াও করবেন? (তাদেরকে তাৎক্ষণিকভাবে এসব শাস্তি না দেওয়ার কারণ) তোমাদের প্রভু অবশ্যই স্নেহপরায়ণ, পরম দয়ালু।
মুহিউদ্দিন খান: কিংবা ভীতি প্রদর্শনের পর তাদেরকে পাকড়াও করবেন? তোমাদের পালনকর্তা তো অত্যন্ত নম্র, দয়ালু।
জহুরুল হক: অথবা তাদের তিনি পাকড়াবেন না ভয়ভীতি দিয়ে? সুতরাং তোমাদের প্রভু নিশ্চয়ই তো পরম স্নেহময়, অফুরন্ত ফলদাতা।
Sahih International: Or that He would not seize them gradually [in a state of dread]? But indeed, your Lord is Kind and Merciful.
তাফসীরে যাকারিয়া
অনুবাদ: ৪৭. অথবা তাদেরকে তিনি ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় পাকড়াও করবেন না? নিশ্চয় তোমাদের রব অতি দয়াদ্র, পরম দয়ালু।(১)
তাফসীর:
(১) আলোচ্য আয়াতসমূহে দুনিয়ার বিভিন্ন আযাব বর্ণনা করার পর সর্বশেষে বলা হয়েছে (فَإِنَّ رَبَّكُمْ لَرَءُوفٌ رَحِيمٌ) এতে আল্লাহর দয়ালু হওয়া ব্যক্ত করে ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, দুনিয়ার হুশিয়ারী প্রকৃতপক্ষে স্নেহ ও দয়ার কারণেই হয়ে থাকে, যাতে গাফেল মানুষ হুশিয়ারী হয়ে স্বীয় কর্মকাণ্ড সংশোধন করে নেয়। তবে তা শুধুমাত্র গোনাহগার আখেরাতের আযাবও অপেক্ষা করছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “আল্লাহর চেয়ে বড় সহিষ্ণু আর কেউ নেই যে খারাপ শোনার পরও ধৈর্যধারণ করে, তারা তার জন্য সন্তান সাব্যস্ত করে তারপরও তিনি তাদেরকে রিযিক দেন এবং তাদের নিরাপত্তা বিধান করেন। [বুখারীঃ ৬০৯৯]
অপর হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “অবশ্যই আল্লাহ যালেমকে ছাড় দিতেই থাকেন, তারপর যখন তাকে পাকড়াও করেন তখন সে তার ধরা থেকে পালানোর কোন পথ পায় না, তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করলেনঃ এরূপই আপনার রবের শাস্তি! তিনি শাস্তি দান করেন জনপদসমূহকে যখন ওরা যুলুম করে থাকে। নিশ্চয়ই তার শাস্তি মর্মম্ভদ, কঠিন। [সূরা হুদঃ ১০২] [মুসলিমঃ ২৫৮৩] অনুরূপভাবে আল্লাহ্ তা'আলা সূরা হজ্জের ৪৮ নং আয়াতেও এটা উল্লেখ করেছেন।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
অনুবাদ: (৪৭) অথবা তাদেরকে তিনি ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় পাকড়াও করবেন না?[1] তোমাদের প্রতিপালক তো অবশ্যই অত্যন্ত স্নেহশীল, পরম দয়ালু। [2]
তাফসীর:
[1] تخوف এর এ অর্থও হতে পারে যে, পূর্ব থেকেই অন্তরে আযাব ও পাকড়াও-এর ভয় বিদ্যমান থাকে। যেমন কোন সময় মানুষ বড় ধরনের কোন পাপ করে ফেলে, অতঃপর সে ভয় করে যে, যেন আল্লাহ আমাকে ধরে না ফেলেন। কোন কোন সময় এ ধরনের পাকড়াও হয়ে থাকে।
[2] তিনি পাপের পর পরই ধরে ফেলেন না; বরং অবকাশ দেন। আর এই অবকাশে অধিকাংশ মানুষ তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগ লাভ করে থাকে।
তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ
তাফসীর: ৪৫-৪৭ নং আয়াতের তাফসীর:
যারা কুফরী, রাসূলদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্ন ও অন্যান্য পাপ কর্ম করে থাকে তাদেরকে হুশিয়ার করে আল্লাহ তা‘আলা বলছেন: তারা কি নিশ্চিন্ত ও নিরাপদ যে, আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে জমিনে ধ্বসিয়ে দেবেন না অথবা তাদের এমনভাবে শাস্তি দেবেন না যে, তারা বুঝতেও পারবে না!
অথবা তারা যখন জমিনে চলাফেরা করবে তখন শাস্তি দেবেন না! এর কয়েকটি অর্থ হতে পারে ১. যখন তারা ব্যবসা-বাণিজ্য করার জন্য বাইরে যাবে, ২. যখন কর্মব্যস্ততায় থাকবে, ৩. রাতে আরাম করার জন্য বিছানায় যাবে। অথবা তাদের অন্তরে আল্লাহ তা‘আলার আযাবের ভয় থাকাকালীন পাকড়াও করবেন না! না, নিশ্চিত ও নিরাপদ হওয়ার কিছু নেই, আল্লাহ তা‘আলা ইচ্ছা করলে যে কোন সময় জমিনে ধসিয়ে দিতে পারেন অথবা তাদের ওপর এমনভাবে শাস্তি নিয়ে আসবেন যে, তারা বুঝতেও পারবে না।
অন্যত্র আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
(ءَاَمِنْتُمْ مَّنْ فِی السَّمَا۬ئِ اَنْ یَّخْسِفَ بِکُمُ الْاَرْضَ فَاِذَا ھِیَ تَمُوْرُﭟﺫاَمْ اَمِنْتُمْ مَّنْ فِی السَّمَا۬ئِ اَنْ یُّرْسِلَ عَلَیْکُمْ حَاصِبًاﺚ فَسَتَعْلَمُوْنَ کَیْفَ نَذِیْرِﭠ)
“তোমরা কি নিরাপত্তা পেয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি রয়েছেন তিনি তোমাদেরকেসহ ভূমিকে ধসিয়ে দেবেন না? অতঃপর তা আকস্মিকভাবে থরথর করে কাঁপতে থাকবে। অথবা তোমরা কি নিরাপদ হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি রয়েছেন তিনি তোমাদের ওপর পাথর বর্ষণকারী বাতাস প্রেরণ করবেন না? তখন তোমরা জানতে পারবে, কেমন ছিল আমার সতর্কবাণী!” (সূরা মুলক ৬৭:১৬-১৭)
আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন:
(فَخَسَفْنَا بِه۪ وَبِدَارِهِ الْأَرْضَ قف فَمَا كَانَ لَه۫ مِنْ فِئَةٍ يَّنْصُرُوْنَه۫ مِنْ دُوْنِ اللّٰهِ ق ز وَمَا كَانَ مِنَ الْمُنْتَصِرِيْنَ)
“অতঃপর আমি কারূনকে তার প্রাসাদসহ ভূগর্ভে প্রোথিত করলাম। তার স্বপক্ষে এমন কোন দল ছিল না যে আল্লাহর শাস্তি হতে তাকে সাহায্য করতে পারত এবং সে নিজেও আত্মরক্ষায় সক্ষম ছিল না।” (সূরা ক্বাসাস ২৮:৮১)
কিন্তু আল্লাহ তা‘আলা তা করেন না তাঁর অসীম দয়ার কারণে। তিনি মানুষকে অবকাশ দেন যাতে তারা এই সময়ের ভেতর তাওবা করে ফিরে আসতে পারে। নিজেদের ভুল-ত্র“টির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, স্বভাববিরুদ্ধ কষ্টদায়ক কথা শুনে ধৈর্য ধারণ করার ব্যাপারে আল্লাহ তা‘আলা অপেক্ষা বেশি ধৈর্যধারণকারী আর কেউই নেই। লোকেরা তাঁর সন্তান সাব্যস্ত করে অথচ তিনি তাদেরকে খেতে দিচ্ছেন এবং নিরাপদে রাখছেন। (সহীহ বুখারী হা: ৬০৯৯, সহীহ মুসলিম হা: ২৮০৪)
অন্য বর্ণনায় এসেছে: আল্লাহ তা‘আলা জালিমকে অবকাশ দেন কিন্তু যখন পাকড়াও করেন তখন অকস্মাৎ পাকড়াও করেন এবং সে ধ্বংস হয়ে যায়।
অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাঠ করেন:
(وَكَذٰلِكَ أَخْذُ رَبِّكَ إِذَآ أَخَذَ الْقُرٰي وَهِيَ ظٰلِمَةٌ ط إِنَّ أَخْذَه۫ٓ أَلِيْمٌ شَدِيْدٌ)
“এরূপই তোমার প্রতিপালকের শাস্তি! তিনি শাস্তি দান করেন জনপদসমূহকে যখন তারা জুলুম করে থাকে। নিশ্চয়ই তাঁর শাস্তি যন্ত্রণাদায়ক কঠিন।” (সূরা হূদ ১১:১০২)
অন্যত্র রয়েছে
(وَكَأَيِّنْ مِّنْ قَرْيَةٍ أَمْلَيْتُ لَهَا وَهِيَ ظَالِمَةٌ ثُمَّ أَخَذْتُهَا ج وَإِلَيَّ الْمَصِيْرُ )
“এবং আমি অবকাশ দিয়েছি কত জনপদকে যখন তারা ছিল জালিম; অতঃপর তাদেরকে শাস্তি দিয়েছি এবং প্রত্যাবর্তন আমারই নিকট।” (সূরা হজ্জ ২২:৪৮, সহীহ বুখারী হা: ৪৬৮৬)
সুতরাং আমাদের সতর্ক হওয়া উচিত, আমাদের দ্বারা যদি কোন অন্যায় কাজ হয়েই যায় তাহলে আমরা আল্লাহ তা‘আলার কাছে ক্ষমা চেয়ে নেব, আর তাঁর শাস্তিকে ভয় করব।
আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
১. আল্লাহ তা‘আলা বান্দার ওপর খুবই স্নেহপরায়ণ।
২. আল্লাহ তা‘আলা যে কোন মুহূর্তে মানুষের অপরাধের জন্য শাস্তি প্রদান করতে সক্ষম।
তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)
তাফসীর: ৪৫-৪৭ নং আয়াতের তাফসীর
সারা বিশ্বের সৃষ্টিকর্ত, আসমান ও যমীনের মালিক আল্লাহ তাআলা নিজের অবগতি সত্ত্বেও সহনশীলতা এবং ক্রোধ সত্ত্বেও নিজের মেহেরবানীর খবর দিচ্ছেন যে, তিনি ইচ্ছা করলে নিজের পাপী বান্দাদের যমীনে ধ্বসিয়ে দিতে পারেন এবং তাদের অজান্তে তাদের উপর শাস্তি আনয়ন করতে পারেন। কিন্তু নিজের সীমাহীন মেহেরবানীর কারণে তিনি তাদেরকে ক্ষমা করে থাকেন। যেমন তিনি বলেনঃ “তোমরা কি নিশ্চিন্ত রয়েছে যে, আকাশে যিনি রয়েছেন তিনি তোমাদেরকেসহ ভূমিকে ধ্বসিয়ে দিবেন না। আর ওটা আকস্মিকভাবে থরথর করে কাঁপতে থাকবে? অথবা তোমরা কি নিশ্চিন্ত আছ যে, আকাশে যিনি রয়েছেন তিনি তোমাদের উপর কংকরবর্ষী ঝটিকা প্রেরণ করবেন না? তখন তোমরা জানতে পারবে কিরূপ ছিল আমার সতর্কবাণী।” আবার এটাও হতে পারে যে, আল্লাহ তাআলা এইরূপ ষড়যন্ত্রকারী দুষ্ট প্রকৃতির লোকদেরকে তাদের চলা-ফেরা, আসা-যাওয়া, খাওয়া এবং উপার্জন করা অবস্থাতেই পাকড়াও করেন। সফরে, বাড়ীতে, দিনে-রাত্রে যখন ইচ্ছা তাদেরকে ধরে ফেলেন। যেমন তিনি বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “গ্রামবাসী কি নির্ভয় হয়ে গেছে যে, তাদের উপর আমার শাস্তি রাত্রি কালে তাদের শয়ন অবস্থাতেই এসে পড়বে? কিংবা বেলা ওঠার পর তাদের খেলাধুলায় মগ্ন থাকার অবস্থাতেই এসে পড়বে?” আল্লাহকে কোন ব্যক্তি বা কোন কাজ অপারগ করতে পারে না, তিনি পরাজিত ও ক্লান্ত হওয়ার নন এবং তিনি অকৃতকার্য হওয়ারও নন। এও হতে পারে যে, তারা ভীত-সন্ত্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও তাদেরকে আল্লাহ ধরে ফেলবেন। তাহলে দুটো শাস্তি একই সাথে হয়ে যাবে। একটা হলো ভয়, আর অপরটা হলো পাকড়াও। একটি হলো মৃত্যু অন্যটি হলো সন্ত্রাস। কিন্তু মহান আল্লাহ, বিশ্বপ্রতিপালক বড়ই করুণাময়। একারণেই তিনি তাড়াতাড়ি পাকড়াও করেন না।
সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে রয়েছে যে, স্বভাব বিরুদ্ধে কথা শুনে ধৈর্য ধারণ করার ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা অপেক্ষা বেশী ধৈর্য ধারণকারী আর কেউই নেই। লোকেরা তাঁর সন্তান সাব্যস্ত করছে, অথচ তিনি তাদেরকে খেতে দিচ্ছেন এবং নিরাপদে রাখছেন।
আল্লাহ তাআলা যালিমকে অবকাশ দেন। কিন্তু যখন পাকড়াও করেন তখন অকস্মাৎ পাকড়াও করেন এবং সে ধ্বংস হয়ে যায়। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সঃ) পাঠ করেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “তোমার প্রতিপালকের পাকড়াও এরূপই যে, যুলুম করা অবস্থায় যখন তিনি কোন গ্রামবাসীকে পাকড়াও করেন তখন নিঃসন্দেহে তাঁর। পাকড়াও কঠিন যন্ত্রণাদায়ক হয়।” (১১:১০২) আর এক জায়গায় রয়েছেঃ (আরবি) অর্থাৎ “বহু এমন গ্রামবাসী রয়েছে যাদেরকে আমি কিছু দিনের জন্যে অবকাশ দিয়ে থাকি তাদের যুলুম করা অবস্থায়, অতঃপর তাদেরকে পাকড়াও করি, তাদের প্রত্যাবর্তন তো আমার কাছেই।” (২২:৪৮)
সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।