সূরা আন-নাহাল (আয়াত: 31)
হরকত ছাড়া:
جنات عدن يدخلونها تجري من تحتها الأنهار لهم فيها ما يشاءون كذلك يجزي الله المتقين ﴿٣١﴾
হরকত সহ:
جَنّٰتُ عَدْنٍ یَّدْخُلُوْنَهَا تَجْرِیْ مِنْ تَحْتِهَا الْاَنْهٰرُ لَهُمْ فِیْهَا مَا یَشَآءُوْنَ ؕ کَذٰلِکَ یَجْزِی اللّٰهُ الْمُتَّقِیْنَ ﴿ۙ۳۱﴾
উচ্চারণ: জান্না-তু‘আদনিইঁ ইয়াদখুলূনাহা-তাজরী মিন তাহতিহাল আনহা-রু লাহুম ফীহা-মাইয়াশাঊনা কাযা-লিকা ইয়াজযিল্লা-হুল মুত্তাকীন।
আল বায়ান: স্থায়ী জান্নাতসমূহ যাতে তারা প্রবেশ করবে, যার তলদেশে প্রবাহিত হচ্ছে নহরসমূহ। তারা চাইবে, তাদের জন্য তার মধ্যে তাই থাকবে। এভাবেই আল্লাহ মুত্তাকীদের প্রতিদান দেন।
আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৩১. সেটা স্থায়ী জান্নাত, যাতে তারা প্রবেশ করবে; তার পাদদেশে নদী প্রবাহিত; তারা যা কিছু চাইবে তাতে তাদের জন্য তা-ই থাকবে(১)। এভাবেই আল্লাহ পুরস্কৃত করেন মুত্তাকীদেরকে,
তাইসীরুল ক্বুরআন: (তা হল) স্থায়ী জান্নাত যাতে তারা প্রবেশ করবে, তার নিম্নদেশ দিয়ে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত, তারা যা ইচ্ছে করবে সেখানে তাদের জন্য তা-ই আছে- আল্লাহ মুত্তাকীদেরকে এভাবেই পুরস্কৃত করেন।
আহসানুল বায়ান: (৩১) ওটা স্থায়ী জান্নাত যাতে তারা প্রবেশ করবে; ওর নিম্নদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত; তারা যা কিছু কামনা করবে তাতে তাদের জন্য তাই থাকবে; এভাবেই আল্লাহ সাবধানীদেরকে পুরস্কৃত করেন।
মুজিবুর রহমান: ওটা স্থায়ী জান্নাত, যাতে তারা প্রবেশ করবে; ওর পাদদেশে স্রোতস্বিনী নদী প্রবাহিত; তারা যা কিছু কামনা করবে তাতে তাদের জন্য তা’ই থাকবে; এভাবেই আল্লাহ পুরস্কৃত করেন মুত্তাকীদেরকে।
ফযলুর রহমান: তারা চিরস্থায়ী জান্নাতে প্রবেশ করবে, যার তলদেশ দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় এবং সেখানে তারা যা চায় তাই আছে। এভাবেই আল্লাহ মোত্তাকীদের পুরস্কার দিয়ে থাকেন।
মুহিউদ্দিন খান: সর্বদা বসবাসের উদ্যান, তারা যাতে প্রবেশ করবে। এর পাদদেশে দিয়ে স্রোতস্বিনী প্রবাহিত হয় তাদের জন্যে তাতে তা-ই রয়েছে, যা তারা চায় এমনিভাবে প্রতিদান দেবেন আল্লাহর পরহেযগারদেরকে,
জহুরুল হক: নন্দন কানন যাতে তারা প্রবেশ করবে, সে-সবের নিচে দিয়ে বয়ে যাচ্ছে ঝরনারাজি, তারা যা চায় তাদের জন্য সেখানে তাই থাকবে। এইভাবেই আল্লাহ্ প্রতিদান দেন ধর্মনিষ্ঠদের --
Sahih International: Gardens of perpetual residence, which they will enter, beneath which rivers flow. They will have therein whatever they wish. Thus does Allah reward the righteous -
তাফসীরে যাকারিয়া
অনুবাদ: ৩১. সেটা স্থায়ী জান্নাত, যাতে তারা প্রবেশ করবে; তার পাদদেশে নদী প্রবাহিত; তারা যা কিছু চাইবে তাতে তাদের জন্য তা-ই থাকবে(১)। এভাবেই আল্লাহ পুরস্কৃত করেন মুত্তাকীদেরকে,
তাফসীর:
(১) এ হচ্ছে জান্নাতের আসল পরিচয়। সেখানে মানুষ যা চাইবে তা পাবে। তার ইচ্ছা ও পছন্দ বিরোধী কোন কাজই সেখানে হবে না। দুনিয়ার কোন প্রধান ব্যক্তি, কোন প্রধান নেতা এবং কোন বিশাল রাজ্যের অধিকারী বাদশাহও কোন দিন এ নিয়ামত লাভ করেনি। দুনিয়ায় এ ধরনের নিয়ামত লাভের কোন সম্ভাবনাই নেই। কিন্তু জান্নাতের প্রত্যেক অধিবাসীই সেখানে আনন্দ ও উপভোগের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌছে যাবে। তার জীবনে সর্বক্ষণ সবদিকে সবকিছু হবে তার ইচ্ছা ও পছন্দ অনুযায়ী। তার প্রত্যেকটি আশা সফল হবে, প্রত্যেকটি কামনা ও বাসনা পূর্ণতা লাভ করবে এবং প্রত্যেকটি ইচ্ছা ও আকাংখা বাস্তবায়িত হবে। [এ ব্যাপারে আরো দেখুন সূরা আয-যুখরুফঃ ৭১]
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
অনুবাদ: (৩১) ওটা স্থায়ী জান্নাত যাতে তারা প্রবেশ করবে; ওর নিম্নদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত; তারা যা কিছু কামনা করবে তাতে তাদের জন্য তাই থাকবে; এভাবেই আল্লাহ সাবধানীদেরকে পুরস্কৃত করেন।
তাফসীর:
-
তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ
তাফসীর: ৩০-৩২ নং আয়াতের তাফসীর
পূর্বের আয়াতে মন্দ লোকদের অবস্থা বর্ণনা করার পর এখানে তাদের বিপরীত ভাল লোকদের অবস্থা বর্ণনা করা হচ্ছে। কুরআন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে মন্দ লোকদের উত্তর ছিল: এ কুরআন পূর্ববর্তীদের উপকথা। কিন্তু ভাল লোকদের জিজ্ঞেস করা হলে তারা উত্তরে বলে: মহা কল্যাণ নাযিল করা হয়েছে। অর্থাৎ রহমত, হিদায়াত ও বরকত ঐ ব্যক্তির জন্য যারা তার অনুসরণ করবে এবং তার প্রতি ঈমান আনবে।
(لِلَّذِينَ أَحْسَنُوا فِي....)
এখানে আল্লাহ তা‘আলা বর্ণনা করেন যে, উত্তম কর্মের প্রতিদান কখনো মন্দ হতে পারে না। যারা দুনিয়াতে ভাল কাজ করবে তারা সর্বদা তাদের ভাল কাজের জন্য উত্তম প্রতিদানই পাবে। দুনিয়াতে তাদের জন্য রয়েছে হাসানাহ তথা উত্তম রিযিক ও সকল সমস্যার সমাধান।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
(وَمِنْ ثَمَرٰتِ النَّخِیْلِ وَالْاَعْنَابِ تَتَّخِذُوْنَ مِنْھُ سَکَرًا وَّرِزْقًا حَسَنًاﺚ اِنَّ فِیْ ذٰلِکَ لَاٰیَةً لِّقَوْمٍ یَّعْقِلُوْنَﮒ)
“মু’মিন অবস্থায় পুরুষ ও নারীর মধ্যে যে কেউ সৎ কর্ম করবে তাকে আমি নিশ্চয়ই পবিত্র জীবন দান করব এবং তাদেরকে তাদের কর্মের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার দান করব।” (সূরা নাহল ১৬:৬৭)
আর আখিরাতের জীবন তাদের জন্য আরো উত্তম এবং সেখানকার প্রতিদান পরিপূর্ণ। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
(لِلَّذِيْنَ أَحْسَنُوا الْحُسْنٰي وَزِيَادَةٌ ط وَلَا يَرْهَقُ وُجُوْهَهُمْ قَتَرٌ وَّلَا ذِلَّةٌ)
“যারা মঙ্গলকর কাজ করে তাদের জন্য আছে মঙ্গল এবং আরও অধিক। কলঙ্ক ও হীনতা তাদের মুখমণ্ডলকে আচ্ছন্ন করবে না।” (সূরা ইউনূস ১০:২৬)
আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন:
(مَنْ جَا۬ءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَه۫ خَيْرٌ مِّنْهَا)
“যে কেউ সৎ কর্ম নিয়ে আসবে, সে তা হতে উত্তম প্রতিফল পাবে।” (সূরা নামল ২৭:৮৯)
আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
(فَلَا تَعْلَمُ نَفْسٌ مَّآ أُخْفِيَ لَهُمْ مِّنْ قُرَّةِ أَعْيُنٍ ج جَزَا۬ءًۭ بِمَا كَانُوْا يَعْمَلُوْنَ)
“কেউই জানে না তাদের জন্য নয়ন জুড়োনো কী কী সামগ্রী লুকিয়ে রাখা হয়েছে তাদের কৃতকর্মের প্রতিদানস্বরূপ?” (সূরা সিজদাহ ৩২:১৭) সেখানে তাদের জন্য রয়েছে অসংখ্য নেয়ামত।
মু’মিনগণ তথায় জান্নাতে প্রবেশ করবে আর তাদের জন্য সেখানে থাকবে তা-ই যা তাদের অন্তর আশা করবে।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
(وَفِيْهَا مَا تَشْتَهِيْهِ الْأَنْفُسُ وَتَلَذُّ الْأَعْيُنُ ج وَأَنْتُمْ فِيْهَا خٰلِدُوْنَ)
“মন যা চায় এবং নয়ন যাতে তৃপ্ত হয় সেখানে তাই রয়েছে এবং সেখানে তোমরা স্থায়ী হবে।” (সূরা যুখরুফ ৪৩:৭১)
আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন:
(وَلَکُمْ فِیْھَا مَا تَشْتَھِیْٓ اَنْفُسُکُمْ وَلَکُمْ فِیْھَا مَا تَدَّعُوْنَﭮﺚنُزُلًا مِّنْ غَفُوْرٍ رَّحِیْمٍﭯ)
“সেখানে তোমাদের জন্য রয়েছে যা কিছু তোমাদের মন চায় এবং সেখানে তোমাদের জন্য রয়েছে যা তোমরা চাইবে। এটা হল ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু আল্লাহর পক্ষ হতে আপ্যায়ন।” (সূরা হা-মীম-সাজদাহ ৪১:৩১)
(كَذٰلِكَ يَجْزِي اللّٰهُ الْمُتَّقِيْنَ)
অর্থাৎ যারা মুত্তাকি তাদেরকে আল্লাহ তা‘আলা এভাবেই প্রতিদান দিয়ে থাকেন। সুতরাং বুঝা যাচ্ছে এসব নেয়ামত তারাই পাবে যারা আল্লাহ তা‘আলাকে ভয় করে চলে।
অন্যত্র আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
(تِلْكَ الْجَنَّةُ الَّتِيْ نُوْرِثُ مِنْ عِبَادِنَا مَنْ كَانَ تَقِيًّا)
‘এ সেই জান্নাত, যার অধিকারী বানাবো আমার বান্দাদের মধ্যে মুত্তাকীদেরকে।” (সূরা মারইয়াম ২০:৬৩)
(الَّذِيْنَ تَتَوَفّٰهُمُ الْمَلٰ۬ئِكَةُ)
অর্থাৎ এ আয়াতগুলো জালিম মুশরিকদের সম্পূর্ণ বিপরীত। মুশরিকদের মৃত্যুকালীন অবস্থায় ফেরেশতা তাদের সাথে যে আচরণ করবে, মু’মিনদের সাথে তার বিপরীত আচরণ করবে। মু’মিনদের রূহ হরণ করার সময় ফেরেশতারা বলবে: তোমাদের প্রতি সালাম, তোমরা যা করেছ তার ফলে জান্নাতে প্রবেশ কর। এ সুসংবাদ দেয়া হবে মৃত্যুর সময় এবং জান্নাতে প্রবেশের সময়। যেমন আল্লাহ তা‘আলা অন্যত্র বলেন: “যারা তাদের প্রতিপালককে ভয় করত তাদেরকে দলে দলে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। যখন তারা জান্নাতের নিকট উপস্থিত হবে তখন এর দ্বারসমূহ খুলে দেয়া হবে এবং জান্নাতের দারোয়ানরা তাদেরকে বলবে, তোমাদের প্রতি সালাম; তোমরা সুখী হও এবং জান্নাতে প্রবেশ কর স্থায়ীভাবে অবস্থানের জন্য।” (সূরা যুমার ৩৯:৭৩)
সুতরাং যদি আমরা ঈমান ও সৎ আমলের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকি তাহলে আমাদের জন্য এরূপ সুসংবাদ হবে মৃত্যুকালীন ও জান্নাতে প্রবেশ কালে।
আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
১. কুরআনের ব্যাপারে মু’মিনদের অবস্থান স্বচ্ছ।
২. কুরআন তাদের জন্য হিদায়াত ও রহমত যারা তার প্রতি ঈমান রাখবে ও আমল করবে।
৩. মু’মিনদের জন্য সুসংবাদ ও উত্তম পরিণাম দুনিয়া ও আখিরাতে।
তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)
তাফসীর: ৩০-৩২ নং আয়াতের তাফসীর
মন্দ লোকদের অবস্থা বর্ণনা করার পর এখন তাদের বিপরীত ভাল লোকদের অবস্থা বর্ণনা করা হচ্ছে। মন্দলোকদের উত্তর ছিলঃ “এই কিতাবে অর্থাৎ কুরআনে শুধুমাত্র পূর্ববর্তী লোকদের কাহিনীর বর্ণনা করা হয়েছে। কিন্তু ভাল লোকদের উত্তর হবেঃ ‘এই কিতাব হচ্ছে সরাসরি বরকত ও রহমত। যে কেউ এটাকে মানবে ও এর উপর আমল করবে, সে পরিপূর্ণভাবে করুণা ও কল্যাণ লাভ করবে।'এরপর মহান আল্লাহ খবর দিচ্ছেনঃ “আমি রাসূলদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি যে, সৎ লোকেরা উভয় জগতেই খুশী থাকবে। যেমন তিনি বলেনঃ “নারী-পুরুষ নির্বিশেষে যেই ভাল কাজ করবে এবং মুমিন হবে, আমি তাকে অতি পবিত্র জীবন দান করবো এবং তার আমলের বিনিময়ও অবশ্যই প্রদান করবো। উভয় জগতে সে প্রতিদান প্রাপ্তহবে।” এটা স্মরণ রাখা দরকার যে, আখেরাতের ঘর দুনিয়ার ঘর অপেক্ষা অনেক বেশী সুন্দর ও উত্তম। তথাকার পুরস্কার অতি উন্নতমানের ও চিরস্থায়ী; যেমন-কারূণের ধন-মালের আকাংখাকারীদের আলেমগণ বলেছিলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “ধিক তোমাদের! যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের জন্যে আল্লাহর পুরস্কারই শ্রেষ্ঠ এবং ধৈর্যশীল ব্যতীত এটা কেউ পাবে না।” (২৮:৮০) অন্য জায়গায় রয়েছে (আরবি) অর্থাৎ “আল্লাহ তাআলার নিকট যা রয়েছে তা সৎ লোকদের জন্যে খুবই উত্তম ও উন্নতমানের।” (৩:১৯৮) আল্লাহপাক আর এক জায়গায় বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “আখেরাতই উৎকৃষ্টতর ও স্থায়ী।” মহান আল্লাহ স্বীয় রাসূলকে (সঃ) বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “তোমার জন্যে পরবর্তী সময়তো পূর্ববর্তী সময় অপেক্ষা শ্রেয়।”
মহান আল্লাহ বলেনঃ ‘পরকালের আবাসস্থল মুত্তাকীদের জন্যে কত উত্তম। শব্দদ্বয় হতে বদল হয়েছে। অর্থাৎ মুত্তাকীদের জন্যে আখেরাতের জান্নাতে আন বা স্থায়ী জান্নাত রয়েছে। সেখানে তারা অবস্থান করবে। ওর বৃক্ষরাজি ও প্রাসাদসমূহের নিম্নদেশে সদা প্রস্রবণ প্রবাহিত রয়েছে। তারা তথায় যা চাবে তাই পাবে। সেখানে নয়ন প্রীতিকর জিনিস বিদ্যমান থাকবে। আর সেখানে তারা অবস্থান করবে চিরদিনের জন্যে।
হাদীসে রয়েছে যে, জান্নাতবাসী জান্নাতে উপবিষ্ট থাকবে, আর তাদের মাথার উপরে থাকবে মেঘমালা। তারা যা ইচ্ছা করবে, মেঘমালা তাদের উপর তাই বর্ষণ করবে। এমন কি কেউ যদি সমবয়স্কা কুমারীদেরকে বর্ষাতে বলে তবে তাও তা বর্ষাবে।
মহান আল্লাহ বলেনঃ “খোদাভীরুদেরকে এভাবেই আল্লাহ পুরস্কৃত করে থাকেন। তাদের মৃত্যুর সময় তারা কলুষতা থেকে পবিত্র থাকে। ফেরেশতা এসে তাদেরকে সালাম করেন এবং সুসংবাদ শুনিয়ে দেন। যেমন মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ “নিশ্চয় যারা বলে, আমাদের প্রতিপালক আল্লাহ, অতঃপর অবিচলিত থাকে, তাদের নিকট অবতীর্ণ হয় ফেরেশতা এবং বলে, তোমরা ভীত হয়ো না, চিন্তিত হয়ো না এবং তোমাদের যে জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল তার জন্যে আনন্দিত হও।”
আমরাই তোমাদের বন্ধু দুনিয়ার জীবনে ও আখেরাতে, সেথায় তোমাদের জন্যে রয়েছে যা কিছু তোমাদের মন চায় এবং সেথায় তোমাদের জন্যে রয়েছে যা তোমরা ফরমায়েশ কর।
এটা হবে ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু আল্লাহর পক্ষ হতে আপ্যায়ন।” এই বিষয়ের হাদীসগুলি আমরা
(১৪:২৭) (আরবি) এই আয়াতের তাফসীরে বর্ণনা করেছি।
সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।