আল কুরআন


সূরা ইউসুফ (আয়াত: 74)

সূরা ইউসুফ (আয়াত: 74)



হরকত ছাড়া:

قالوا فما جزاؤه إن كنتم كاذبين ﴿٧٤﴾




হরকত সহ:

قَالُوْا فَمَا جَزَآؤُهٗۤ اِنْ کُنْتُمْ کٰذِبِیْنَ ﴿۷۴﴾




উচ্চারণ: কা-লূফামা-জাযাউহূ ইন কুনতুম কা-যিবীন।




আল বায়ান: তারা বলল, ‘তাহলে তার শাস্তি কি হবে, যদি তোমরা মিথ্যাবাদী হও’?




আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৭৪. তারা বলল, যদি তোমরা মিথ্যাবাদী হও তবে তার শাস্তি কী?




তাইসীরুল ক্বুরআন: রাজকর্মচারীরা বলল, ‘তোমরা মিথ্যেবাদী হলে যে চুরি করেছে তার শাস্তি কী হবে?’




আহসানুল বায়ান: (৭৪) তারা বলল, ‘যদি তোমরা মিথ্যাবাদী হও তাহলে তার শাস্তি কি?’ [1]



মুজিবুর রহমান: তারা বললঃ যদি তোমরা মিথ্যাবাদী হও তাহলে তার শাস্তি কি?



ফযলুর রহমান: ইউসুফের লোকেরা বলল, “যদি তোমরা মিথ্যুক (প্রমাণিত) হও তাহলে তার কি শাস্তি হবে?”



মুহিউদ্দিন খান: তারা বললঃ যদি তোমরা মিথ্যাবাদী হও, তবে যে, চুরি করেছে তার কি শাস্তি?



জহুরুল হক: তারা বললে -- "তবে কি হবে এর প্রতিফল যদি তোমরা হচ্ছ মিথ্যাবাদী?"



Sahih International: The accusers said, "Then what would be its recompense if you should be liars?"



তাফসীরে যাকারিয়া

অনুবাদ: ৭৪. তারা বলল, যদি তোমরা মিথ্যাবাদী হও তবে তার শাস্তি কী?


তাফসীর:

-


তাফসীরে আহসানুল বায়ান

অনুবাদ: (৭৪) তারা বলল, ‘যদি তোমরা মিথ্যাবাদী হও তাহলে তার শাস্তি কি?’ [1]


তাফসীর:

[1] অর্থাৎ, তোমাদের মালপত্রে উক্ত শাহী পানপাত্র পাওয়া গেলে তার শাস্তি কি হবে?


তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ


তাফসীর: ৬৯-৮৭ নং আয়াতের তাফসীর:



এখানে আল্লাহ তা‘আলা ইউসুফ (عليه السلام) কর্তৃক তার সহদর ভাই বিন ইয়ামীনকে তার নিকট আটক রাখার যে কৌশল অবলম্বন করেছিলেন তারই বর্ণনা দিচ্ছেন। বিস্তারিত বর্ণনা তাফসীর ইবনু কাসীর রয়েছে; যার সারসংক্ষেপ হলো এই যে, ইউসুফ (عليه السلام)-এর ভাইয়েরা যখন বিন ইয়ামীন-সহ মিসরে আগমন করে ইউসুফ (عليه السلام)-এর নিকট প্রবেশ করল তখন ইউসুফ (عليه السلام) সহোদর ভাই (বিনয়ামীন) কে নিজের কাছে রাখলেন এবং বললেন: আমিই তোমার আপন ভাই ইউসুফ, সুতরাং তারা আমার সাথে যে আচরণ করেছে সে জন্য দুঃখ করো না। আমি তোমাকে আমার নিকট রাখার জন্য চেষ্টা করছি অতঃপর পূর্বপরিকল্পনা মোতাবেক যখন ইউসুফ (عليه السلام) তাদের সামগ্রীর ব্যবস্থা করে দিলেন তখন সহোদর ভাইয়ের মালপত্রের মধ্যে পানপাত্রটি রেখে দেয়া হল। অতঃপর তারা যখন রওনা শুরু করল তখন এক আহ্বায়ক ঘোষণা দিয়ে বলল: হে যাত্রীদল! তোমরা চোর! এ চোর বলা সে ঘোষণাকারীর জন্য সত্য ছিল, কারণ সে এ পরিকল্পনার কথা জানত। একথা শুনে তারা জিজ্ঞেস করল যে, আপনাদের কী হারিয়েছে? তখন তারা বলল: রাজার পান-পাত্র হারিয়েছে। সে ঘোষক বলল: আমি এ কথার জামানত দিচ্ছি যে, তল্লাশি চালানোর পূর্বে যদি কেউ ওটা এনে দেয় তাহলে তাকে এক উট বোঝাই করা খাদ্য দেয়া হবে। ইউসুফ (عليه السلام) এর ভাইয়েরা যেহেতু এ পরিকল্পনা সস্পর্কে অবগত ছিল না তাই তারা আল্লাহ তা‘আলার শপথ করে বলল: আপনারা তো জানেন আমরা কোন অশান্তি সৃষ্টি করতে আসিনি এবং আমরা চুরিও করি না।



রাজ্যে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী চুরির অপরাধে কাউকে আটক করে রাখার বিধান ছিল না। তাই চুক্তি করে নেয়ার দরকার ছিল। বিধায় রাজকর্মচারীরা বলল, যদি তোমরা মিথ্যাবাদী হও, তাহলে তার শাস্তি কী হবে? তারা বলল: যার পণ্যের মাঝে তা পাওয়া যাবে বিনিময়স্বরূপ তাকে রেখে দেয়া হবে।



কারণ ঐ সময়কার শরীয়তের অথবা রাষ্ট্রীয় বিধান ছিল, যদি কেউ চুরি করে তাহলে যার জিনিস চুরি করেছে চোরকে তার হাতে সঁপে দেয়া হত এবং তার গোলাম হিসেবে বিবেচিত হত। তখন ইউসুফ (عليه السلام) এর কর্মচারীরা তাদের মালপত্রে খোঁজাখুঁজি করতে লাগল, সবশেষে তাঁর সহোদর ভাইয়ের মালপত্রে তা পেয়ে গেল। এই কৌশল অবলম্বন করার জ্ঞান ইউসুফ (عليه السلام) ওয়াহী মারফত পেয়েছেন। এ থেকে বুঝা গেল যে, কোন সঠিক উদ্দেশ্য সাধনের জন্য এ ধরণের কৌশল অবলম্বন করা বৈধ।



বিনয়ামীন চোর হিসেবে প্রমাণিত হলে তাদের একজন বলল: সে চুরি করে থাকলে এটা আশ্চর্যের কোন বিষয় নয়, কারণ ইতোপূর্বে তার ভাই চুরি করেছিল। অর্থাৎ ইউসুফ (عليه السلام) ছোট বেলায় যখন ফুফুর সাথে থাকতেন, ফুফু ইউসুফকে নিজের কাছে রাখার জন্য যে চুরির ঘটনা সাজিয়েছিলেন সে ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করছিল। যদিও তারা ভালভাবে জানত যে, উক্ত ঘটনা মিথ্যা সাজানো বিষয়। কিন্তু সেটাকে সত্যিকার চুরি বলে আখ্যায়িত করল বিনয়ামীনের প্রতি আক্রোশবশত। ইউসুফ (عليه السلام) তাদের এ কথা শুনে প্রতিবাদ করলেন না, বরং মনে মনে গোপন রাখলেন এবং ধৈর্য ধারণ করলেন।



চুক্তি মোতাবেক যখন বিন ইয়ামীনকে নিয়ে যেতে লাগলেন তখন তারা আপত্তি পেশ করল যে, হে আযীয! (এর দ্বারা উদ্দেশ্য হল ইউসুফ (عليه السلام), কারণ তিনিই সব কিছুর মূল, মিসরের রাজা শুধু নামে ছিল) এর পিতা অতিশয় বৃদ্ধ সুতরাং আপনি তার স্থলে আমাদের একজনকে রেখে দিন।



পিতা তো বৃদ্ধই ছিলেন, কিন্তু এখানে তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল যেভাবেই হোক না কেন বিনয়ামীনকে মুক্ত করা। কারণ পিতার সাথে অঙ্গীকার করে এসেছে, বিনয়ামীনকে সাথে নিয়ে যেতে হবে। তাই তারা খুব কাকুতি-মিনতি করল। কিন্তু ইউসুফ (عليه السلام)-এর উদ্দেশ্যই ছিল যে, বিনয়ামীনকে নিজের কাছে রাখা, যার ফলে ইউসুফ (عليه السلام) তাদের প্রস্তাবকে অস্বীকার করলেন এবং বললেন: যে অপরাধী তাকে বাদ দিয়ে অন্যকে পাকড়াও করব এ কাজ থেকে আল্লাহ তা‘আলার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। যখন ইউসুফ (عليه السلام) এর ভাইয়েরা তাদের নিকট থেকে বিনয়ামীনকে পাওয়ার ব্যাপারে সম্পূর্ণ নিরাশ হয়ে গেল তখন তারা সকল ভাইয়েরা মিলে পরামর্শ করতে লাগল; এমনকি তাদের মধ্যে যে বয়সে বড় সে বলল: তোমরা কি জান না, তোমাদের পিতা আল্লাহ তা‘আলার নামে অঙ্গীকার নিয়েছেন এবং পূর্বেও ইউসুফের ব্যাপারে এরূপ করেছ? সুতরাং আমাকে আমার পিতা অনুমতি না দেয়া পর্যন্ত আমি এ দেশ ছাড়ব না। অথবা যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তা‘আলা আমার ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত না দেন। সুতরাং তোমরা তোমাদের পিতার নিকট ফিরে যাও এবং তাকে প্রকৃত ঘটনা খুলে বল যে, বিনয়ামীন চুরি করবে তা কে জানত? যদি আপনার এ কথা বিশ্বাস না হয় তাহলে আমরা যে জনপদে ছিলাম তার অধিবাসীদেরকে জিজ্ঞেস করুন অথবা আমরা যে যাত্রীদের সাথে এসেছিলাম তাদের কাছে জিজ্ঞেস করুন। আর আমরা এ ব্যাপারে সত্যবাদী। তখন ইয়া‘কূব (عليه السلام) পূর্বে ইউসুফ (عليه السلام) কে হারিয়ে যে কথা বলেছিলেন সে কথাই বললেন যে, এটা তোমাদের সাজানো কাহিনী। সুতরাং তিনি তাদের এ কথা বিশ্বাস করলেন না বরং তিনি পূর্বের মতই ধৈর্য ধারণ করলেন এবং তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন ও ইউসুফ (عليه السلام) এর জন্য আফসোস করলেন। তাঁর এই নতুন ছেলের শোক তাঁকে পুরাতন শোকের কথা স্মরণ করিয়ে দিল, যার ফলে তিনি সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়লেন। ইয়া‘কূব (عليه السلام) এর এই ভেঙ্গে পড়া দেখে তাঁর ছেলেরা চিন্তা করতে নিষেধ করল। তখন ইয়া‘কূব (عليه السلام) বললেন: আমি আমার এসব নিবেদন আল্লাহ তা‘আলার নিকট করছি। সুতরাং ইয়া‘কূব (عليه السلام) তাঁর এসব বিষয়ে আল্লাহ তা‘আলার ওপর ভরসা করলেন, ধৈর্য ধারণ করলেন এবং বললেন: আমি আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ থেকে এমন বিষয় জানি যা তোমরা জান না। সুতরাং হে আমার ছেলেরা! তোমরা যাও এবং ইউসুফ ও তাঁর সহোদর ভাইকে খোঁজ কর, আর তোমরা আল্লাহ তা‘আলার রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। কারণ কাফির ব্যতীত কেউ আল্লাহ তা‘আলার রহমত থেকে নিরাশ হয় না। এটা মু’মিনের একটি দৃষ্টান্ত। হাদীসে এসেছে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: অন্যতম একটি কবীরাহ গুনাহ হল আল্লাহ তা‘আলার রহমত থেকে নিরাশ হওয়া। সূরা হিজরে আল্লাহ তা‘আলা বলেন:



(وَمَنْ يَّقْنَطُ مِنْ رَّحْمَةِ رَبِّهِ إِلَّا الضَّا۬لُّوْنَ)



“কেবল পথভ্রষ্ট লোকেরাই আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়।” (সূরা হিজর ১৫:৫৬)



সুতরাং কোন কঠিন মুহূর্তে পতিত হলে বা কোন বড় ধরণের গুনাহর কাজ করে ফেললে আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া যাবে না, বরং কঠিন মুহূর্তে ধৈর্যের সাথে আল্লাহর রহমতের আশা করতে হবে এবং কোন গুনাহ হয়ে গেলে তাওবাহ করে আল্লাহর ক্ষমার আশা রাখতে হবে।



আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:



১. একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার নাম ব্যতীত অন্য কারো নামে শপথ করা নিষেধ, কারণ আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত কোন ব্যক্তি, বস্তুর নামে শপথ করা, কসম খাওয়া শির্ক যা হারাম।

২. কোন বিষয়ে কাজ করতে গেলে আল্লাহ তা‘আলার ওপর আস্থা রাখা আবশ্যক।

৩. যত বড় বিপদই হোক না কেন নিরাশ হওয়া যাবে না।

৪. শরীয়ত সমর্থিত পন্থায় কৌশল অবলম্বন করা বৈধ। যেমন ইউসুফ (عليه السلام) তাঁর ভাইকে নিজের নিকট রাখার জন্য কৌশল অবলম্বন করেছিলেন।


তাফসীরে ইবনে কাসীর (তাহক্বীক ছাড়া)


তাফসীর: ৭৩-৭৬ নং আয়াতের তাফসীর

হযরত ইউসুফের (আঃ) ভ্রাতাগণ নিজেদের উপর চুরির অপবাদ শুনে কান খাড়া করে দেন এবং বলেনঃ “আপনারা আমাদের পরিচয় পেয়ে গেছেন এবং আমাদের অভ্যাস ও চরিত্র সম্পর্কে পূর্ণ ওয়াকিফহাল। আমরা ভূপৃষ্ঠে বিশৃঙ্খলা ও অশান্তি সৃষ্টি করতে চাইনে এবং চুরি করার অভ্যাসও আমাদের নেই। তাদের এ কথা শুনে সরকারী কর্মচারীগণ বললো: “যদি তোমাদের মধ্যে কেউ চোর সাব্যস্ত হয়ে যায় এবং তোমরা মিথ্যাবাদী প্রমাণিত হও তবে তার শাস্তি কি হবে?” তারা উত্তরে বললেনঃ “দ্বীনে ইবরাহীমের (আঃ) বিধান অনুযায়ী এর শাস্তি এই যে, যার মাল সে চুরি করেছে তারই কাছে তাকে সমর্পণ করতে হবে। আমাদের শরীয়তের ফায়সালা এটাই।” এতে হযরত ইউসুফের (আঃ) উদ্দেশ্য সফল হয়ে গেল। সুতরাং তিনি তাদের তল্লাশী নেয়ার নির্দেশ দিলেন। প্রথমে তার বৈমাত্রেয় ভাইদের তল্লাশী নেয়া হলো। অথচ তাঁর এটা জানা ছিল যে, তাঁদের মালপত্রের মধ্যে পেয়ালা নেই। কিন্তু যাতে তাদের এবং অন্যান্য লোকদের মনে কোন সন্দেহের উদ্রেক না হয় এ কারণেই তিনি এরূপ করলেন। যখন তার বৈমাত্রেয় ভাইদের মালপত্রের উপর তল্লাশী চালানোর পর পেয়ালা পাওয়া গেল না তখন বিনইয়ামীনের মাল পত্রের উপর তল্লাশী চালানো হলো। তাঁর মালপত্রের মধ্যে তা রাখা ছিল বলে তাঁর বস্তার মধ্যে থেকে তা বেরিয়ে পড়লো। সুতরাং তাঁকে বন্দী করে নেয়া হলো। এই ব্যবস্থাই ছিল আল্লাহ পাকের হিকমতের ফল যা তিনি হযরত ইউসুফ (আঃ) এবং বিনইয়ামীন প্রভৃতির উপযোগিতার জন্যেই তাঁকে শিক্ষা দিয়েছিলেন। কেননা, মিসরের বাদশাহর আইন অনুসারে চোর সাব্যস্ত হওয়া সত্ত্বেও হযরত ইউসুফ (আঃ) বিনইয়ামীনকে রাখতে পারতেন না। কিন্তু স্বয়ং ভ্রাতাগণ এই ফায়সালা করেছিলেন বলেই তিনি তা জারি করে দেন। হযরত ইবরাহীমের (আঃ) শরীয়তে চোরের শাস্তি কি তা তাঁর জানা ছিল বলেই তিনি তার ভাইদের কাছে ফায়সালা চেয়েছিলেন। আল্লাহ পাকের উক্তিঃ (আরবি) অর্থাৎ ‘আমি যাকে ইচ্ছা মর্যাদায় উন্নীত করি।’ যেমন তিনি অন্য জায়গায় বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “তোমাদের মধ্যে যারা ঈমানদার তাদেরকে আল্লাহ মর্যাদায় উন্নীত করে থাকেন।”(৫৮: ১১)

প্রত্যেক জ্ঞানবানের উপরে রয়েছেন আর একজন জ্ঞানবান এবং শেষ পর্যন্ত আল্লাহ তাআ’লাই হচ্ছেন সর্বজ্ঞানী। জ্ঞানের সূচনা তাঁর থেকেই এবং তাঁর কাছেই রয়েছে জ্ঞানের শেষ সীমা। হযরত আবদুল্লাহর (রাঃ) কিরআতে (আরবি) এইরূপ রয়েছে। অর্থাৎ ‘প্রত্যেক জ্ঞানীর উপর একজন মহাজ্ঞানী রয়েছেন।’





সতর্কবার্তা
কুরআনের কো্নো অনুবাদ ১০০% নির্ভুল হতে পারে না এবং এটি কুরআন পাঠের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। আমরা এখানে বাংলা ভাষায় অনূদিত প্রায় ৮ জন অনুবাদকের অনুবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমরা তাদের নির্ভুলতার গ্যারান্টি দিতে পারি না।